নামজারি
নামজারি করাতে গিয়ে হয়রানি। এর আগেও আবেদন করা হয়েছিল তখন টাকা দেইনি বলে নামজারি হয়নি।
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৮,৫৩১ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
নামজারি করাতে গিয়ে হয়রানি। এর আগেও আবেদন করা হয়েছিল তখন টাকা দেইনি বলে নামজারি হয়নি।
Police verification of government job and passport.
জমি মর্টগেজ করতে জাওয়ার পর রেজিষ্ট্রেশন অফিসের সহকারি বলল ৫০০০০ টাকা না দিলে এই মর্টগেজের কাজ জলহবে না। তাই বাধ্য হয়ে চাশ টাকা দিলাম।
দরপত্রের মাধ্যমে ২০০০০০ পিস বস্তা সরবরাহের কার্যাদেশ পাওয়ার জন্য খাদ্য অধিদপ্তরের সংগ্রহ শাখার উচ্চমান সহকারী তাজুল ইসলামকে প্রতি পিস বস্তায় ২ টাকা করে ঘুষ দিতে হয়। তিনি উক্ত টাকা দিয়ে নাকি সবাইকে ম্যানেজ করেন। বিল নেওয়ার সময় তাকে ১ লাখ পিস বস্তার বিলের জন্য ১২০০০ টাকা ঘুষ দিতে হয়। এই অভিযোগে তাকে একবার বদলি করা হলেও ৫ আগস্টের পর পরিচালক স্যার তাকে আবার নিয়ে আসেন। এরপর সে আরো বেপরোয়া হয়ে ওঠে। গোপ্নে কোন নতুন লাইসেন্স দিয়ে কাজ মেরে তাজুলের সাথে যোগাযোগ করলে সত্যতা পাওয়া যাবে। আর কাজ পেলে বিল করলে বিলের ঘুষের সত্যতা মিলবে।
জামালপুর জেলার সরিষাবাড়ি উপজেলার ৫ নং ইউনিয়ন পরিষদের জন্মনিবন্ধন করতে ৩৬০ করে নেওয়া হয়, ৩৬০ টাকার কম দিলে জন্ম নিবন্ধন করে দেওয়া হয় না, জন্ম নিবন্ধন করতে টাকাটা নেয় পরিসদের কেরানি, — ও ইউনিয়নের সচিব... —। জন্মনিবন্ধনের ফরম দিতে এই টাকা নেওয়া হয়, কেরানির কাছে টাকা জমা কম্পিউটার অপারেটর মুলত কাজ করে দেয়, কেরানির কাচে টাকা জমা দিয়ে ফরমে পরিষদের স্বাক্ষর করে দেয়, পরে ফরম নিয়ে কম্পিউটার অপারেটরের কাছে গেলে জন্ম নিবন্ধন করে দেওয়া হয়, কম্পিউটার অপারেটর মুলত টাকা নেয় না, ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ার পরিষদের কোন দিন আসে না, স্বাক্ষর তার বাড়িতে গিয়ে নিয়ে আসতে হয়।
টাঙ্গাইল জেলার রাজস্ব শাখার প্রধান সহকারী একজন প্রধান সহকারী, পপুলার ফার্মাসিউটিক্যালস এর নামে ভূতাপেক্ষ অনুমোদন ও নামজারির অনুমতি প্রদানের ফাইলটি উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কার্যালয়ের পাঠানোর জন্য ২০,০০০/- টাকা দাবি করলে আমি তাকে সম্পূর্ণ টাকা পরিশোধ করে থাকি কিন্ত সে ফাইল এখনো তদন্তের জন্য উপজেলায় প্রেরন করেননি। উনি আরো ৩০,০০০/- টাকা দাবি করতেছেন।
আমি ড্রাইভিং এর পরীক্ষা দিতে গেছি নিজের আত্নবিশ্বাস নিয়ে... কিন্তু গাড়িতে উঠছি আর নামছি বিনিময়ে ১০০ টাকা নিসে... সিগনেচার করতে গিয়ে শুনি আমি ফেইল... পরে অই জায়গায় একজন দালাল এর দেখা পাই... সে ৪হাজার টাকার বিনিময়ে আমাকে পাশ করিয়ে দেয়... নিরূপায় হয়ে টাকা টা দিতে হইছে
আমার একটি ২৫ বছরের পুরোনো পুরর আছে যার খাজনা আমি প্রতিবছর পরিশোধ করি এমন পুকুরো পাড় সংষ্কার করার অনুমতি চেয়ে এসি ল্যান্ড এর কাছে গেলে বল সিস্টেম করে কাজ করতে, সিস্টেম বলতে টাকা পরে কোন উপায় না পেয়ে এ বিভিন্ন সরকারি অফিসে টাকা দেওয়ার পরে আমি সংষ্কার করতে সক্ষম হই
বগুড়া সরকারি শাহ সুলতান কলেজে আমি ডিগ্রি সার্টিফিকেট তুলতে গেলে দুইজন পিয়ন সার্টিফিকেট আমার হাতে দিয়ে মিষ্টি খাওয়ার টাকার দাবি করে। তারা বলে, সবাই ২০০/১০০ শ টাকা দেয়। তারা দুইজন অন্যদের সবার সামনে এমন পরিস্থিতি তৈরি করে আমি টাকা দিতে বাধ্য হই।
আমি মিরপুর-বিআরটিএ তে ড্রাইভিং লাইসেন্স করতে 4000 টাকা ঘুষ দেয়া লাগে। টাকা না দিলে আমি ড্রাইভিং টেস্টে ফেইল করবো এটা বলে দেয়া হয়। পরে বাধ্য হয়ে দিতে হয়েছে।
bike and driving License korte eita nei , nije korle sob papers thik thaklew prosses hoi nah
নামজারিতে মন্তব্য সংশোধন
জাতীয় পরিচয়পত্র সংশোধনের জন্য প্রয়োজনীয় সমস্ত কাগজপত্র সহ স্থানীয় জেলা নির্বাচন কমিশনারের সাথে দেখা করে, তার স্বাক্ষর সহ আবেদনপত্র জমাদানের পরেও ১ বছরের বেশি সময় ধরে কোনো আপডেটই দেয়নি। অনেক দেনদরবারের পর একজনকে ধরে তারপর কাজটা করিয়ে নিতে হয়েছে। সরাসরি অফিসে কোনো ঘুষ দিতে হয়নি। তবে কাজটা যিনি করে দিয়েছেন তাকে টাকা দিতে হয়েছে। আমি সাধারণত কোথাও ঘুষ দিই না। কিন্তু এক বছরেরও বেশি সময় অপেক্ষার পর বাধ্য হয়েছি। কারণ আমার পাসপোর্টসহ অন্যান্য সরকারি কাগজ আপডেট করতে পারছিলাম না তথ্যের অমিলের জন্য।
জমি নামজারি করতে গিয়েছিলাম শামসুল ইসলাম এসি ল্যান্ড 20000 ঘুষ নিয়ে নামজারি করেছে ঘুষ না দেওয়ার জন্য আগে নামজারি বাতিল করেছিল
Who can help stop this corruption? My father recently went to our local Ewazpur Union Parishad to correct the birth certificates of my siblings. Unfortunately, the responsible officer repeatedly demanded 500-1,000 to process the work. When we returned later, he demanded even more money and continued delaying the service. This is not an isolated incident. According to local residents, many citizens of this Union are facing similar demands for unofficial payments for routine government services. Birth certificate correction is a public service. Citizens should not have to pay bribes or face unnecessary delays simply to receive a service they are entitled to. Who can we contact about this?
ghush deyar por o amar kaj ta hoyni...abar amar tk o feort paini
কাস্টমস বন্ড কমিশনারেট (উত্তর ও দক্ষিণ) এ প্রতিদিন গড়ে ৩৫০-৪০০ টি ইউপি (ইউটিলাইজেশন পারমিশন) হয়ে থাকে। সরকারি কোষাগারে ইউপি প্রতি ২০/- টাকা জমা পরে। বিপরীতে কাস্টমস কর্মকর্তারা ইউপি প্রতি প্রতিষ্ঠান ভেদে ৬,০০০/- টাকা নিয়ে থাকে। এছাড়াও উপ-কমিশনার বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের সাথে মাসিক ভিত্তিতে প্রতিষ্ঠান প্রতি ২০,০০০/- - ৫০,০০০/- টাকা নিয়ে থাকেন। এছাড়াও বন্ড ক্লাবের নামে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান থেকে লক্ষাধিক টাকা প্রতি মাসে চাঁদা নিয়ে থাকেন। এ বছর জানুয়ারী হতে অনলাইনে ইউপি সংক্রন্ত কার্যক্রম চলমান রয়েছে। ২৪ ঘন্টার মধ্যে ফাইল অনুমোদনের বাধ্যবাধকতা থাকলেও তা মানা হয় না। টাকা না দিলে ফাইল অনুমোদন হয় না।
না দিলে আমার পাসপোর্ট করতে চাইছিল না।
ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরে চাহিদা মোতাবেক সব কাগজপত্র ও সরকারী ফী জমা দেয়ার পরও অফিস সহকারী, সহকারী পরিচালক, যুগ্মপরিচালক ও পরিচালক কে ২৭০,০০০ টাকা দিতে বাধ্য হয়েছি। এটা সর্বশেষ যে কাজটা করলাম সেটার জন্য। এই অধিদপ্তরে টাকা না দিলে পিয়ন পর্যন্ত কথা বলেনা।
আমার একটি ছোট শতভাগ রপ্তানি করে প্রতিষ্ঠান আছে, যেটা প্রতি মাসে জিরো রিটার্ন দাখিল করি, কিন্তু জিরো রিটার্ন দাখিল করার প্রক্রিয়ায় তারা বিভিন্ন অজুহাতে আমার কাছে থেকে ৩ হাজার টাকা দাবি করে। এবং আমি সেটা দিতে বাধ্য হই।