নামজারি
গত ১৮ই আগস্ট ২৬ ইং তারিখে কুমিল্লা সদর থানাযর, উত্তর দুর্গাপুর ইউনিয়নের ভূমি অফিস দহসিলদার এর কাছে নাম জারি করতে গেলে দালালের মাধ্যমে ৭০ হাজার টাকা ঘুষ দাবি করেন। আরো বলে ঘুষ না দিলে নাম জারি বাতিল হবে।
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৮,৮৮৬ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
গত ১৮ই আগস্ট ২৬ ইং তারিখে কুমিল্লা সদর থানাযর, উত্তর দুর্গাপুর ইউনিয়নের ভূমি অফিস দহসিলদার এর কাছে নাম জারি করতে গেলে দালালের মাধ্যমে ৭০ হাজার টাকা ঘুষ দাবি করেন। আরো বলে ঘুষ না দিলে নাম জারি বাতিল হবে।
প্রাগপুর ইউনিয়ন ভূমি অফিস ( মহিষকুন্ডি) তহশিলদার — নামজারি,নামখারিজ করতে ঘুস হিসেবে টাকা দাবি করে।টাকা ছাড়া কোন ফাইলের কাজই করতে চায় না।সরকারের কাছে তার সম্পদের সুষ্ঠু তদন্ত করার অনুরোধ করছি।
নতুন TIN করার জন্য অনলাইনে আবেদন করি ৫/৬ মাস চলে যায় পরে হেল্পলাইন এ যোগাযোগ করলে অফিসে সরাসরি যেতে বললে আমি অফিসে যাই। তারপর ওখানকার একজন লোক বলেন যে তাদের খরচ দিতে হবে। আমার ও দরকার কি করবো পরে বললাম যে কতো দিতে হবে। বললো ২০০০ টাকা দিতে হবে। পরে আর কি করার ২০০০ টাকা দেই।
ঘুষ ছাড়া লাইসেন্স হয়না। পাশ করলেও ডিসকোলাফাই করে দে। পুনরায় পরীক্ষা দেওয়া লাগে আবার। ঘুষ দেওয়া নাকি অফিসের সিস্টেমই এটা নাকি নিয়ম। ঐ জায়গায় প্রতিষ্ঠানের কমর্কতারা থেকে শুরু করে ম্যাজিস্ট্রেট সহ সবাই।
আমি এবং আমার পরিবারের তিনটি পুলিশ সার্টিফিকেট ছাড় করানোর জন্য ১০,৫০০ টাকা থানা এবং স্পেশাল ব্রাঞ্চ কে দিতে হয়েছে।
উপজেলায় ৭০ জন নিয়োগ পেয়েছিলাম, সবাই একত্রে টাকা উঠিয়ে ২ জন প্রতিনিধির মাধ্যমে জন প্রতি ৪০০ টাকা করে ঘুষ দিয়েছি ( তারা বাধ্য করেছে দিতে, নইলে বেতন চালু হতে দেরি হইতো অনেক)
I had paid 3000 taka to police officer during my police verification.
ড্রাইভিং টেষ্টে পাশ করার জন্য উচ্চমান সহকারী ৯০০০টাকার বিনিময়ে পাশ করিয়ে দিয়েছেন
টেস্ট করার সিরিয়াল আজকের মত শেষ এজন্য পরেরদিন আসতে হবে, আরো কয়েকজন রোগীর সাথে কথা বলে বুঝলাম টাকা না দিলে পরেরদিন ও একইভাবে ফেরত পাঠানো হবে তবে দায়িত্বরত আনসার কে টাকা দিলে আজকেই MRI test করার যাবে,জিয়া মেডিকেল কলেজ।
ফোন করে পুলিশ ভেরিফিকেশনের জন্য হয়রানি করেছিল। পরে দালালদের মাধ্যমে 2500 টাকায় মিটমাট করি। তারজন্য আজীবন বদদোয়া করে যাবো । ও এবং ওর সহযোগীদের সন্তান যেন প্রতিবন্ধী হয়ে যায়।
বদলি হওয়ার কারণে আমি আমার পূর্বের কর্মস্থল থেকে নতুন কর্মস্থলে যোগদান করি, যোগদান করার পর আমার অ্যাকাউন্ট নতুন কর্মস্থলে ট্রান্সফার করা হয় তা ঠিক করতে, এবং ব্যাংক একাউন্ট পরিবর্তন করতে আমার কাছ থেকে নাস্তা পানির খরচ দাবি করা হয়, পরিস্থিতির শিকার হয়ে আমি তা দিতে বাধ্য হই। আমার দৃষ্টিতে এটা সম্পূর্ণ চিহ্নিত কাজ।
আমি একটি মর্টগেজ দলিল করতে গিয়েছিলাম আমার ফ্ল্যাটে বিশ লক্ষ টাকার লোন এর জন্য সেখানে আমার ডেভলপারের সঙ্গে আমাদের পাওয়ার দেয়া আছে ফিফটি ফিফটি বাট আমাদের ডেভলপারের সঙ্গে চুক্তিপত্র আছে। যেটা রেজিস্ট্রি করা হয়নি রেজিস্ট্রি ছাড়া আমি আমার ফ্ল্যাট আমার নামে নাম করেছি এখন যখন আমি মদ গেজ দিতে যাচ্ছিলাম তখন তারা ম্যাজিস্ট্রেট সাহেব ডিনাই করেছিলেন পরবর্তীতে টাকার বিনিময়ে কাজ করে দিলেন ঢাকা ধানমন্ডি মৌজা অফিস তেজগাঁও
আমি হাটহাজারী থানার আওতায় পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেটের জন্য অনলাইনে আবেদন করে ১৫০০ টাকা ফি পরিশোধ করি। থানা থেকে কল করে আমার ও মা-বাবার NID, চেয়ারম্যান সার্টিফিকেট এবং পাসপোর্ট কপি নিয়ে যেতে বলা হয়, যা আমি জমা দিই। কাগজপত্র জমাদানের পর থানার কম্পিউটার অপারেটর — আমার কাছে অতিরিক্ত ১০০০ টাকা দাবি করেন। প্রথমে অস্বীকার করলেও পরে বাধ্য হয়ে টাকাটি পরিশোধ করতে হয়, যদিও সরকার নির্ধারিত ফি আগেই অনলাইনে পরিশোধ করা হয়েছিল।
ফায়ার লাইসেন্স এর জন্য ১৫০০০ হাজার ঘুষ দিতে হয়েছে সরকারি ফি ৫৭৫ টাকা ছিলো। আর পরিবেশ অধিদপ্তরের ছাড়পত্রের জন্য ১০ হাজার টাকা দিতে হয়েছে। সরকারি ফি পরিশোধ করেছি সাথে সমস্ত লিগ্যাল ডকুমেন্টস ও দিতে হয়েছে
বাংলাদেশের পাসপোর্ট প্রদানের নিয়ম অনুযায়ী পুলিশ নাগরিকের স্থায়ী ঠিকানা সঠিক কিনা অথবা নাগরিক সতি ই ঐ স্থানের স্থায়ী বাসিন্দা কিনা যাচাই করা তিনি নিজ খরচে যেহেতু নাগরিক পাসপোর্ট রাজস্ব বাবদ সরকারকে সেবা অনুযায়ী বেশ ভালো পরিমান রাজস্ব নিয়ে থাকেন। কিন্তু তিনি তার পরিবর্তে আমাকে ফোন করে খোদ নিজ জেলার এসবি. অফিসে নিয়ে গিয়ে ১০০০ টাকা রশিদ বা কোন রাজস্ব, চালান না দিয়ে ১০০০ টাকা ঘুষ চায়,
Nagorik sanad chaile uni na diye 1000 tk dabi koren. Documenter solpotar dohai den.
6 KHATIAN AR JONNO 350000 TAKA NEACY. SOB MILY KHAROC 50000 TAKA.
UP, Bond Annual Audit, Any kind of service, Ghush start from Despatch, then Shaka, ARO, ARO, Sonic, PS, DC ...
অভিযোগের সারসংক্ষেপ চট্টগ্রাম ইপিজেড (CEPZ)-এ কাস্টমস বন্ড তদারকির দায়িত্বে নিয়োজিত কর্মকর্তা,উপ-কমিশনার (DC), সহকারী কমিশনার (AC), রাজস্ব কর্মকর্তা (RO) এবং সহকারী রাজস্ব কর্মকর্তা (ARO)-দের বিরুদ্ধে বার্ষিক কাস্টমস অডিট ফাইল স্বাক্ষর ও বন্ড লাইসেন্স নবায়নে বাধ্যতামূলকভাবে ঘুষ আদায় এবং মানসিক হয়রানির অভিযোগ। দুর্নীতির সুনির্দিষ্ট ক্ষেত্র ও হয়রানির কৌশল বার্ষিক কাস্টমস অডিট অনুমোদন: অডিট প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে নথিপত্রে শুধুমাত্র স্বাক্ষর প্রদান করার জন্য প্রতি বছর DC, AC, RO এবং ARO,এই চার স্তরের কর্মকর্তাদের নির্দিষ্ট অংকের ঘুষ প্রদান করতে হয়। বন্ড লাইসেন্স নবায়ন: সাধারণ বন্ড লাইসেন্স নিয়মিত নবায়ন ও প্রশাসনিক অনুমোদনের সময় প্রতিটি ফাইলে সই আদায় করতে আলাদাভাবে অর্থ লেনদেন করতে
জন্ম নিবন্ধনের সাইন করা বাকি ছিল। আমাকে বলেছে অনেক ফাইল জমা আছে আপনি আজকে নিতে পারবেন না অনেক দেরি হবে। কিন্তু আমার ওই দিনই লাগতো। এজন্য বাধ্য হয়ে ১৫০ টাকা দিয়েছি। টাকা দিয়ে সাইন করে এনেছি বাধ্য হয়ে।