Boiler Registration Fee
Boiler Registration Purpose.
18,531 bribery reports filed by citizens — search, filter, and switch between list and grid.
Boiler Registration Purpose.
৩ বছরে ডিপ্লোমা নার্সিং পাশ করার পর হাসপাতালে ৬ মাস ইন্টার্নশিপ করতে হয়। সেখানে প্রতিমাসে ৬ হাজার টাকা ভাতা পাওয়ার কথা। কিন্তু ৫ মাস চলছে তাও কোন টাকা পাইনি। এসবের জন্য নাকি খরচ দিতে হয় পরিসংখ্যান বিভাগে যে কাজ করবে তাকে। আমরা ৬৯ জন শিক্ষার্থী মিলে ১৮ হাজার টাকা দেই কিন্তু এখনোও কোন ভাতা আমাদেরকে দেয়নি।
জায়গা জমি সংক্রান্ত বিরোধ এর কারনে মিথ্যা জিডি করেছিলো, আদালত তা তদন্তের জন্য হাতিয়া উপজেলা জাহাজমারা তদন্তে কেন্দ্রে পাঠায়, এসআই আমার বাবাকে হুমকি দামকি দিয়ে টাকা ২০০০০(বিশ হাজার) আদায় করে।পরে তদন্ত রিপোর্ট মিথ্যা লিখে রিপোর্ট প্রদান করে।আর হাতিয়া জাহাজমারা ইউনিয়ন এ থানাটির পুলিশ এর আচরণ জানোয়ারের চেয়েও খারাপ।
প্রথমবার ব্যক্তিগতভাবে নিজের পাসপোর্ট আবেদন করে অফিসে গিয়ে ছবি তোলাসহ সকল প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে আসি। কিছুদিন পর এসবি থেকে একজন সদস্য আমাকে ফোন করে তার ব্যক্তিগত চেম্বারে ডাকেন। আমার কাগজপত্র সব চেক করে কোনো অসংগতি না পাওয়া গেলে আমি স্বাক্ষর করে চলে আসতে থাকি। এমতবস্থায় পিছন থেকে তিনি পূনরায় ডাক দেন এবং তার চা নাস্তা খাওয়ার টাকা দাবি করেন। প্রথমবার ৫০০ টাকা দিলে তিনি অফিস খরচ বাবদ আরও ৫০০ টাকা দাবি করেন। পাসপোর্টের বর্তমান এবং স্থানী ঠিকানা আলাদা হওয়ায় তখন দুইজন পুলিশ সদস্যের চেম্বারে গিয়ে তাদের চা নাস্তা খাইয়ে আসতে হয়েছিল।
ঊনাকে ঘুষ না দিলে উনি পানির টেস্ট রিপোর্ট চেঞ্জ করে দেন। জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর, কাকরাইলের সিনিয়র কেমিস্ট —। । ভালো পানিকে উনি খারাপ বানায়ে দেন। যেকেউ যাচাই করে নিতে পারেন।
আমার কলেজ থেকে প্রশংসাপত্র তোলার সময় টাকা নেয়, সেটা রশিদ কেটেই টাকা গ্রহণ করেছে৷ তবে মূল সমস্যা হল যখন বোর্ড থেকে মেইন সার্টিফিকেট আসলে তখন সব ডকুমেন্ট + আবেদন দেখানোর পরেও কর্মচারী ২০০-৩০০ টাকা দাবী করে, উল্লেখ্য যে বোর্ডের মূল সার্টিফিকেট এর খরচ উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষার সময় ই নেওয়া হয়ে থাকে তারপরেও এটা হয়। এই টাকা কলেজের ওই কর্মচারী রশিদ বিহীন ভাবে গ্রহণ করে তারপর সার্টিফিকেট প্রদান করে। বাংলাদেশের অধিকাংশ সরকারি স্কুল কলেজেও বোর্ড সার্টিফিকেট তুলার সময় এভাবে রশিদ বিহীন টাকা নিয়ে থাকে যার কাছে থেকে যেমন পারে নিতে।
পূর্বাচল নতুন শহর প্রকল্পে আমার আব্বা ১৬ নম্বর সেক্টরে ৫ কাঠা প্লট বরাদ্দ পান। ৩ টি কিস্তির টাকা পরিশোধ করার পরেও রাজউক থেকে প্লট বুঝিয়ে দিচ্ছিলো না। ২০২০ সালে আব্বা মারা যান। তারপর আমি, আমার দুই বোন, আমার মা - এই চারজন ওয়ারিশের নামে প্লট বুঝিয়ে দেয়া/দলিল করে দেয়ার কথা ছিলো। কিন্তু, প্রথমে ঘুষ না দেয়ায় আমাকে প্রায় দেড় বছর ঘুরিয়েছে রাজউক থেকে। অবশেষে রাজউকের দায়িত্বশীল ব্যক্তি আমাকে সরাসরি ঘুষের অফার দেয় এবং বলে যে, ঘুষ না দিলে এই জমি আমরা ৫০ বছরেও পাবো না। অবশেষে তার দাবিকৃত আড়াই লাখ টাকা ঘুষ দিতে বাধ্য হই। ঘুষ দেয়ার পর অবশেষে সেই জমি আমাদের নামে দলিল করে দেয় রাজউক।
Nam correction korte hobe tar jonno 1500 tk gush chay. na dile kaj hobe na or onk dari hobe. ty 1500 diye e kaj korate hoice. 2025 at gotona.
নামজারি করাতে গেলে নায়েব অফিস থেকে শুরু করে এসি ল্যান্ড অফিসে টাকা দিতে হয়। টাকা না দিলে এ ভুল সে ভুল বলে কেস খারিজ করে দেয়।
ছিল, মৌখিক ভাবে, প্রদান করি।
গাড়ির কাগজ থাকার পরও
রোডস এন্ড হাইওয়ে ঠিকাদারি লাইসেন্স করার জন্য অন্যান্য ডকুমেন্টসের সাথে রোলার সরবরাহের একটি প্রত্যয়নপত্র জমা দিতে হয়, সেটি সংগ্রহ করতে হয় টাংগাইল পৌরসভা কার্যালয় থেকে। এই কাগজটি ইস্যু করে টাংগাইল পৌরসভার উপসহকারী প্রকৌশলী(যান্ত্রিক), —। গতকাল সরকার নির্ধারিত অফিস টাইমে ওনাকে অফিসে পাওয়া যায়নি আজকে ও যোগাযোগ করা হলে তিনি লাঞ্চ টাইমের কথা বলে প্রায় ৩ ঘন্টা পর এসে উক্ত প্রত্যয়ন পত্রের জন্য সরসরি ১৫০০ টাকা দাবী করেন, উত্তরে আমি বলি মানি রিসিট দেন টাকা দিচ্ছি। উনি পরবর্তীতে টাংগাইল জেলা বিএনপির অনেক রাজনৈতিক নেতার নাম বলেন সবাই নাকি উনার কাছ থেকে টাকা দিয়েই প্রত্যয়ন পত্রটি সংগ্রহ করেছেন এটাই নিয়ম। সকল ঠিকাদারকেও ১৫০০ টাকা দিয়েই প্রত্যয়ন পত্রটি সংগ্রহ করতে হয়। সরসরি দূর্নীতি গ্রস্থ।
টোটাল ৮০০০ টাকার বিনিময়ে বাইকের ড্রাইভিং লাইসেন্সে পাই। পুরাটাই একটা গ্রুপ, আগে ২ বার ভাইভা ফেল করে দিছিল। টাকা দেয়ার পর পাশ।
রাজারহাট উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসে mpo সংক্রান্ত প্রতিটি কাজে ঘুষ দিতে হয়।। অফিস স্টাফদের মাধ্যমে ঘুষ নেয়। হয়তো অফিসের উর্ধতনরা জানেই না বা তার আদেশে ছোট স্টাফরা ঘুষ আদায় করে। মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসে যতবার গেছি টাকা ছাড়া কোন কাজ হয়না
আমি বসিলা এরিয়া থেকে অস্থায়ী বাসিন্দা হিসাবে Activity করতে চেয়েছিলাম। তখন আমার স্থায়ী ঠিকানা অন্য জায়গায় বিধায় আমার পেপারস সব প্রত্যাখ্যান করে। তারা বলে যে জায়গার নাগরিক সেই জায়গায় পাসপোর্ট করতে হবে।প্রত্যাখ্যাত হওয়ার পর অফিস থেকে বের হতেই একজন আমার কাছে এসে জিজ্ঞেস করে কি সমস্যা। বিস্তারিত বলার পর বললো তিন হাজার টাকা দেন সব করে দিব। এই লোক পাসপোর্ট এজেন্সির লোক। ওই লোকের হাতে দেওয়ার পর সবই সুন্দর করে শেষ হয়ে গেলো। কিছুদিন পর আমার পাসপোর্টও হাতে পেয়ে গেলাম। আমার পাসপোর্টের আবেদনের প্রয়োজনীয় টাকা আমিই জমা দিয়েছিলাম আর দালালকে পরে ৩০০০ টাকা দেওয়া লাগছে।
পোস্ট বদরতলা, থানা আশাশুনি,জেলা সাতক্ষীরা...... বদরতলা ভুমি অফিসে আমাদের পরিবারের নামজারি করতে ২০০০০ হাজার টাকা ঘুষ দাবি করা হয়,, আমি নিজের নামজারি নিজে করতে গেলে এসি ল্যান্ড অফিস থেকে ফেরত পাঠানো হয় বলা হয় ভুমি অফিসের মাদ্ধমে করাতে,, ভুমি অফিসে তাদের ২০০০০ হাজার টাকা ঘুষ দিলে আমার নামজারি সম্পন্ন হয়
পুলিশ লাইসেন্স করার জন্য সরজমিনে ভেরিফিকেশন করতে আসছিলো চা নাস্তার কথা বলে সে হাদিয়া চাইলো আমার কাছ থেকে আপনি হুজুর মানুষ আপনার কাছ থেকে হাদিয়া চাই একবার সে ভুল ইনফরমেশন দিয়েছে দেন আবার সে দুইবার একবার ১৫০০ একবার এক হাজার দুই বারে সে ঘুষ নিছে
NOC এর জন্য নির্ধারিত ফি দশ হাজার টাকা জমা দেই। এরপর এক্সট্রা টাকা দাবি করা হয়। প্রায় দেড় মাস ফাইল আটকে রাখার পর আমি আরো পাঁচ হাজার টাকা দিয়ে NOC নিতে বাধ্য হই।
Flowmeter installation and calibration
সবকিছু ঠিক থাকার পরও আমার ও আমার আম্মুর পাসপোর্ট ভেরিফিকেশনের জন্য ২০০০ টাকা করে মোট ৪০০০ টাকা চেয়েছিল। ১৫০০ (১০০০+৫০০) দিয়ে ভেরিফিকেশন কমপ্লিট করি ।