UP, Bond Annual Audit, Any kind of service
Anual Bond Audit, wanted 12 lac, settlement 10.525 lac
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৮,৯১২ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
Anual Bond Audit, wanted 12 lac, settlement 10.525 lac
ম্যাচিং গ্র্যান্ড দেওয়ার জন্য আবেদনপত্রে ভুল ধরে উক্ত টাকা দাবী করা হয়েছিল অর্থাৎ আমাকে যে টাকা দেয়া হবে তার দশ পার্সেন্ট তাদেরকে দিতে হবে
One of the Sub registration offices of Dhaka. We had to pay 7.5% money of the stamp registry fee as bribe for sub register and we had to pay as the buyer will go to abroad that very day. It’s an extortion. The money was received directly by the person seats next to the Sub register.
নলছিটি ভূমি অফিসের তহশিলদার — নিয়েছে
They charged fake electricity bill and demanded 17000 and agree to settle 12000 otherwise So no way but paid 12000 taka as bribe
বাচ্চার জন্মের 45 দিনের মধ্যে জন্ম নিবন্ধন করলে ফ্রি। কিন্তু আমি ৪৫ দিনের মধ্যে করেছি আমার থেকে ইউনিয়ন পরিষদের ৬০০ টাকা নিয়েছে করার জন্য
০-৪০ দিন বয়সের জন্মনিবন্ধন ফ্রি, এরপরে ফি হিসেব হয় বয়স ভেদে, সর্বোচ্চ ফি ৫০ টাকা। সেখানে ইউনিয়ন পরিষদ এর হিসাবরক্ষন কর্মচারী ২০০ টাকা দাবি করেন। পরিশোধ করেছি
Ame akti protisthane job kori,police sondeho mulok vabe amader office er akjon employee k givir rate thanay nie jay ebong thanar duty office bole j pordin sokal 20 hazar taka akta khmer moddhe vore nie aste OC sir er jonno.Amra office er lok pordin Sadullahpur thana te jai tokhon amader akjon employee ebong duita gari charanor jonno thanar SI 20000 taka dabi kore.Onek den dorbar korar por saradin por 5000 taka die amader employee ebong 2 ti gari charie ani
অতিরিক্ত ফিস ছাড়া পাসপোর্ট করা যাবেনা এটাই বাস্তব, অতিরিক্ত টাকা দিলে সব জেলার পাসপোর্ট হয় অথচ অতিরিক্ত টাকা না দিলে নিজ জেলায় লোকদের হয়রানি করে থাকে
লাইসেন্স নবায়নের জন্য গেলে সেখানে এই দাবি করা হয় ও বাধ্যতামূলক দিতে হবে না দিলে কাজ হবে না উল্লেখ করা হয়;
চাকরীরত অবস্থায় মৃত্যু বরন করায় পেনশন ফাইল দাখিলের পর তারা এই টাকা দাবী করেন। নিরুপায় ও অসহায় হয়ে উক্ত টাকা দিয়ে কাজ ছাড়ানো হয়।
ঢাকা দক্ষিণ খান ভূমি অফিসে নামজারির জন্য ১২ হাজার টাকা চায় ঐখানের সহকারী। পর অনেক দরদাম করে ১০ হাজার টাকা দিছি। অথচ সরকারি খরচ মাত্র ১১৭০ টাকা। কিন্তু টাকা না দিলে নামজারি নেগেটিভ দেয়। অথচ সকল কাগজপত্র সঠিক। বাধ্য হয়েই দিতে হয়। এখনো নামজারি হাতে পাইনি।
ড্রাইভিং লাইসেন্সের আবেদন এবং স্মার্ট কার্ড হাতে পাইতে টোটাল ১০০০০ টাকা দেয়া লেগেছিল আজ থেকে ৪ বছর আগে
Passport er documents joma deyar por bivinno vul dhora suru korsilo, Pore r joma ney nai. Pore passport office er baire giye ek computer dokan e bolle tara 1600 taka chay. 1600 taka deyar por amar application e ekta jaigai ekta mark kore dey and again joma dile r kono question na kore joma niye ney.
জম্ম নিবন্ধন / নাগরিক সনদ এইসব অনলাইনে এপ্লাই করে ডকুমেন্ট গুলো ওয়ার্ড অফিসে দিতে হই। এখনতো কমিশনার নেই। উনাদের কথা অনুযায়ী মাজিস্ট্রেট কাছে এইসব ডকুমেন্টস নিয়ে যাইতে হই যার কারণে গাড়ি ভাড়া খরচ হই। এইরকম প্রত্যেকটা ডকুমেন্টস এর জন্য ১০০ টাকা করে নেই ওরা। ঠিকানা:চট্টগ্রাম ২৬ নং ওয়ার্ড অফিস, ফইল্লাতলি বাজার।
জমি মবদোলা তে টাকা নিছে
সাধারণ ম্যারেজ সার্টিফিকেটকে ডিজিটাল ম্যারেজ সার্টিফিকেটে রূপান্তর
আমি অনলাইনে আবেদন করি আমার ভেট আইডি টা বন্ধ করার জন্য। কিন্ত তারা আমাকে নানান রুকম পেপার দেখাতে আমি দেখাই কিন্তু তারা সন্তস্ট না। পরে আমাকে বলে এটা শেষ হতে ১ মসের বেশি লাগবে অথবা ১০০০০ টাকা দিলে ২ সপ্তাহ লাগবে। আমি ১ মাসে স্বাভাবিকভাবে কাজ করার সম্মতি হই। পরে সহকারী কমিশনার আমাকে জিজ্ঞাসা করে কেনো বাতিল করছি আমাই বলছি আমি ব্যবসা করবো না তাই। তিনি বাতিল করার অনুমতি দিয়েছেন ঠিকি কিন্তু ফাইনালি, অনলাইনে বাতিল না করা আমার আবেদন টার কার্জক্রম অফ করে দেয়। আমি জানতে চাইলে বলে অনেক ঝামেলা আছে পরে আসেন। এভাবে অনেক নার আমাকে হয়রানি করে। শেষে আমি বুজলা ঘুষ না দেওয়াতে এমন টা করছে।পরে একজন কম্পিউটার সহকারী আমাকে ৫ হাজার টাকা দিতে বলে, আমি চাকুরী করি বার বার আসতে কস্ট হবে বলে আমি টাকা দিতে বাধ্য হই।
বিভিন্ন সময়ে সর্বসাকুল্যে সব টাকা কোম্পানিক প্রদানের জন্য সমস্ত ডকুমেন্ট প্রদান করলেও অডিটর, সুপার, অ্যাকাউন্ট অফিসার সবাই মিলে গড়ে পাঁচ থেকে দশ পার্সেন্ট করে টাকা দাবি করে। না দেয়ার কথা বললে তারা বিভিন্ন অজুহাতে হয়রানি করে। এছাড়া এই ডকুমেন্ট ঠিক নেই ওই ডকুমেন্ট ঠিক নেই এগুলো বলে। পরে যদি টাকা দিয়ে দিই তাহলে তারা সব বিল পাস করে দেয়। কিন্তু তারা বলে বাংলাদেশের কন্ট্রোলার ও অডিটর জেনারেল অফিসের যারা আছে তারা তাদের কাছ থেকে একটা পার্সেন্টেজ নেই, তাই তারা শুধু একা ঘুষ খায় সে বিষয়টি ওরকম নয় বরং সবাই এর ভাগ পায় তা না হলে কিভাবে তারা সকলে ঢাকা শহরে বাড়ি করে গাড়ি করে। এই ঘুষ বন্ধ করতে হলে সবাইকে ঢাকা শহরে যে কয়টি ফ্লাট আছে প্রত্যেকের আয়ের উৎস খুঁজে বের করলে তখন একমাত্র সম্ভব হবে।
আইবাসে ভ্রমণের বিল সাবমিট করলে এজি অফিস ঘুষ গ্রহণ ছাড়া বিল অনুমোদন করে না। বিলের ৫% হারে টাকা নেই। এছাড়াও, অফিসের যেকোন কেনাকাটায় ৫% হারে ঘুষ দেওয়া লাগে। উল্লেখ্যে, নতুন বেতনবিল করার সময় অর্থাৎ, আইবাসে এন্ট্রি নেওয়ার সময় ২০০০ টাকা ঘুষ দেওয়া লাগছিলো।