পুলিশ ক্লিয়ারেন্স
আম্মার পাসপোর্ট বয়স কম ছিলো; NID অনুযায়ী বয়স সংশোধন করা এবং আম্মার বাবার নাম সংশোধন
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৮,৫৩১ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
আম্মার পাসপোর্ট বয়স কম ছিলো; NID অনুযায়ী বয়স সংশোধন করা এবং আম্মার বাবার নাম সংশোধন
ওরা যখন আমার জন্ম নিবন্ধন প্রথমবার অনলাইন করে তখন আমার পিতা মাতার নাম এবং আমার গ্রামের নাম ভুল করে টাইপ করে এ পরবর্তীতে আমি ওদের কাছে গেলে ওরা বলে জোড়া এটা সংশোধন করে দিবে ৫০০ টাকা দিলে তা তুমি ৫০০ টাকা দিলে সাথে সাথে সংশোধন করে। তার মানে ওরা এগুলা ইচ্ছা করে করেছে মানুষের কাছ থেকে যেন টাকা খাওয়া যায়।
তাড়াতাড়ি ক্লিয়ারেন্স চাইলে টাকা দিতে হয়।
পেনশনের টাকা দিতে দেরী করেছিল। তাই বাধ্য হয়ে দিতে হয়েছে।
ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনে জন্মনিবন্ধন সংশোধনে অতিরিক্ত টাকা আদায়ের অভিযোগ জন্মনিবন্ধন সনদে ভুল সংশোধনের জন্য ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন কার্যালয়ে গেলে, সনদ সংশোধন ও আপডেট করে দেওয়ার নামে আমার কাছ থেকে অতিরিক্ত ৫০০ টাকা নেওয়া হয়।
Customs Bond office for various file processing
ফাইন্যান্স কন্ট্রোলার আর্মি পে-২ , ঢাকা সেনানিবাস এ আমি আমার টিএডিএ বিএলের চাহিদা করলে তারা আমাকে হোয়াটসঅ্যাপে মেসেজ দিয়ে বিলের ২০% দাবী করে ওই টাকা না দিলে তারা ওটা আটকে রাখবে এরকম বলে তাই আমি টাকা দিয়ে দেই। এছাড়াও আমার বকেয়া বেতন দাবি করতে চাই এর জন্য তারা ঘুষ চায়। কোন লোন নিতে গেলেও তাদেরকে ঘুষ দিতে হয় সেনানিবাসের ভিতরে সেনাবাহিনীর সদস্যদের কাছ থেকেই তারা সবচেয়ে বেশি ঘুষ আদায় করে। ওদেরকাছে সেনাবাহিনীর অফিসাররা জিম্মি তাইলে আপনারা ওয়েবসাইট চালিয়ে কি করবেন।
প্রতি বছর বন্ড লাইসেন্স নবায়ন করতে হলে কাস্টমস বন্ড কমিশনারেট থেকে অডিট করাতে হয়।তখন ফাইল যত পরিস্কারই থাকুক না কেন সহকারী কাস্টমস অফিসার ও কাস্টমস অফিসার কে ঘুষ দিতেই হবে। আমার ১১ বছরের অভিজ্ঞতায় এখনো কোন বছরে ঘুষ না দিয়ে ফাইল পাস করতে পারি নাই। এবং কোন ব্যক্তি ঘুষ ছাড়া কোন ১ টি ফাইল পাস করাতে পেরেছে এমন কোন রেকর্ড আমার জানা নেই।
আমি একটি স্টুডেন্ট ও ওয়ার্ক পারমিট কনসালটেন্সি প্রতিষ্ঠানে জব করি এবং নিয়মিত বিদেশগামী ক্লায়েন্টদের মেডিকেল ও ডকুমেন্টস প্রসেসিং নিয়ে কাজ করতে হয়। বিদেশে যাওয়ার জন্য মেডিকেল টেস্ট ঢাকায় করানোর পাশাপাশি ঢাকার সিভিল সার্জন অফিস থেকেই ডকুমেন্টস অ্যাটেস্টেশন করাতে হয় ক্লাইন্টদের। কিন্তু অনেক সময় মেডিকেল ডকুমেন্টস সিভিল সার্জনের জমা দেওয়ার পর কাল/পরশু আসতে বলা হয় বা ভিসা/ওয়ার্ক পারমিট দেখাতে বলা হয়। অথচ মেডিকেলে ফিট হওয়ার আগে এমপ্লয়ার থেকে ভিসা বা ওয়ার্ক পারমিট পাওয়া সম্ভব নয় আবার বিশেষ করে ঢাকার বাইরের ক্লায়েন্টদের জন্য বারবার ঢাকায় আসা-যাওয়া কষ্টসাধ্য ও ব্যয়বহুল। এ সুযোগে ৩০০–৫০০ টাকা, এমনকি ১,০০০ টাকা পর্যন্ত দাবি করা হয় এবং টাকা দিলে একদিনেই আধা বা ১ ঘন্টার মধ্যেই স্বাক্ষর দেওয়া হয়।
জমি রেকর্ড এ খতিয়ান খোলার জন্য আমার কাছে ১ লক্ষ টাকা দাবি করে। না দেওয়ায় আমাকে খতিয়ান খুলে দিচ্ছিলো না। এরপর রিকোয়েস্ট করে ৭০৫০০ টাকা দেওয়ার পর ২২ টা খতিয়ান খুলে দিছে। এখনও বাকী গুলো দেয়না। এ টাকা সম্পূর্ণ অফিসার ঘুষ হিসেবে নিয়েছে!
Bond License renewal purpose (Yearly audit) they required 10 lac taka, but we were trying to negotiate to reduce the amount. But they did not agree to 5 lac. After we decide to pay them full amount. But this is fully illigal.
I wanted to increase my kilowat for my rented home. from 2 kilo to 4 kilo . as government rules I've to pay only 138 taka. but they ask me to pay 1000tk. I refused then they tell me to take sign from officers by own. so I waited for the whole day from 11:30AM to 4:00PM but there was no officer. then I came home without completing the task. then after 2/3 working days I went the electricity office again only take sign from officers this time there was no officers too. At some point the person asked me to give the 1000tk otherwise you can't take the sign. This is the system here. this money will be distributed to all officers. This is the system here. you can't complete your task
দ্বীবার্ষিক ব্যক্তিগত গাড়ির ফিটনেস নবায়ন করতে উত্তরাস্থ বি আর টি এ অফিসে যাই। নিজে গাড়ি চালানোর কারনে (সেলফ ড্রাইভ) এসব কাজ অফিস ছুটি নিয়ে নিজেকেই করতে হয়। দায়ীত্বরত অফিসার (বা তার প্রতিনিধি-তার এক হাতে ছয়টি আংগুল আছে) গাড়ির বাম্পারে একটি স্ক্র্যাচ দেখিয়ে বলেন 'এই গাড়ির ফিটনেস দেয়া যাবেনা, গাড়ি রঙ করে নিয়ে আসেন।' কাছাকাছি থাকা একজন আনসার সদস্যের হাতে ফাইল টি দেন। সেই আনসার সদস্য আমাকে অফিস বিল্ডিং-এ একজন ভেহিক্যাল ইন্সপেক্টরের রুমে নিয়ে যান ও টাকা দাবি করেন। আমি টাকা দিতে গেলে সিসি টিভি আছে এই কথা বলে আমাকে অফিস থেকে বাইরে নিয়ে আসেন ও সিড়িতে টাকা নেন এবং গাড়ির কাছে গিয়ে অপেক্ষা করতে বলেন। ১০ মিনিট পরেই আমার কাছে এসে ফিটনেসের কাগজটি দিয়ে দেন।
প্রতিটি ফেক্টরী লাইসেন্স নবায়নের জন্য 5 হাজার থেকে 7 হাজার টাকা ঘুস দিতে হয়।
যেকোনো পুলিশি তদন্তে ঘুষ না দিলে পুলিশ (আইও) কোনো প্রতিবেদন দেয় না। ঘুষ না দিলে পুলিশ (আইও) আমার বিপক্ষে প্রতিবেদন দেবে।
দালাল ছড়াই নিজে নিজে নতুন গাড়ি রেজিষ্ট্রেশন করতে ওজন ইনপুট ভুল হয়, এটা সমাধান করতে অফিসে গেলে কুড়িগ্রাম brta দায়িত্বশীল কর্মকর্তা দালালের কাছে যেতে বলে, দালাল ৪০০০ দাবি করে, ৪০০০ দেওয়ার পরদিন গাড়ির রেজিষ্ট্রেশন সম্পুর্ন হয়।
There is a BDS survey running on Aminbazar. I have a land there. I had to file a case to get the name transfer process from the previous owner. To write the verdict, I had to pay 9000 to them. Paid To: — Designation: Clerk (not sure) Room No: 5 Land Settlement Office, Alamnagar, Hemayetpur
দলিল রেজিস্ট্রেশন এর জন্য নির্ধারিত অর্ধের থেকেও অতিরিক্ত 35 হাজার টাকা দাবি। পরবর্তীতে সেবা গ্রহনের জন্য নিরুপায় হয়ে 15000 টাকা পরিশোধ করতে হইসে।
জন্ম নিবন্ধন করাত জানতাম যে দুইশ আড়াইশো টাকা দিতে হতো। কিন্তু আমাদের পৌরসভায় সবার থেকে নেওয়া হয়েছে এক হাজার টাকা করে।
বড় বড় শিল্প প্রতিষ্টানের ট্রেড লাইসেন্স নবায়নের জন্য ৪ থেকে ৫ লক্ষ টাকা পর্যন্ত ঘুস দিতে হয় সিটি কর্পোরেশনকে