ওয়ারিশান সনদ
ওয়ারিশন সনদ এর জন্য ৬০০০টাকা দাবী করে এবং কম নিতে বলায় পেপার ছুড়ে টেবিলে ফেলেছেন । প্রায় ১.৫ মাস সময় নিয়ে ৮-১০ বার অফিসে গিয়ে তারপর কাগজ হাতে পাই।
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৭,৭৪৩ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
ওয়ারিশন সনদ এর জন্য ৬০০০টাকা দাবী করে এবং কম নিতে বলায় পেপার ছুড়ে টেবিলে ফেলেছেন । প্রায় ১.৫ মাস সময় নিয়ে ৮-১০ বার অফিসে গিয়ে তারপর কাগজ হাতে পাই।
10 year er passport korte 5700 tk lage but dalal chara kora jay na. Dalal odr sathe linked up.extra tk dile sob kora jay
প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় এর অধীন কুমিল্লা জেলার নাঙ্গলকোট উপজেলা শিক্ষা অফিস এর একাউন্টস অফিসে মেডিকেল বিল,এরিয়া বিল করতে গেলেই টাকা দিয়ে কাজ করাতে হয়।গত বছরের শেষের দিকে ৩৮,০০০টাকার একটা বিল করতে ৬০০০টাকা ঘুষ দিতে হয়েছে। নাঙ্গলকোট উপজেলা শিক্ষা অফিস এর পিয়নরা ঘুষ নেওয়ার জন্য বিখ্যাত।
আমি পীরগাছা ভুমি অফিসে নকল দলিল তুলতে গেছিলাম। সরকারী হিসেবে ৬০টাকা হলেও ২০০০ টাকার নিছে এখানে দলিলের নকল পাওয়া যায় না। প্রতি সপ্তাহে ১০০-৩০০ দলিল উত্তোলন হয়। সবাই টাকা দিয়েই করে। না হলে নকল উঠানো যায় না।
ওয়ারিশান পেপার এর জন্য সরাসরি দাবি করেছেন এবং কম নিতে বলায় ফাইল ছুড়ে টেবিলে ফেলেছেন। প্রায় ১.৫ মাস পরে পেপার পেয়েছি।
পুলিশ ভেরিফিকেশন বাবদ— একবার প্রাইমারির নিয়োগ অন্যবার ‘পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় বিভাগে’ দুইখানে ৩০০০ করে ৬০০০ টাকা ঘুস নেয়! কোনো দোষত্রুটি না পেয়েও বাবা-মায়ের আইডির ভুল ধরে ২য়টির জন্য ১০,০০০ টাকা দাবি করে! অনেক তেল মেরে বাবা-সোনা বলে আমার আম্মা ৩০০০/ দিয়ে বিদায় করে। প্রাইমারির জন্য এসে সরাসরি ৫০০০/ দাবি করে; ৩০০০ দিয়ে কাজ শেষ হয়!
বাংলাদেশ এক্সপার্ট প্রমোশন ব্যুরো (EPB) তে এক্সপার্ট রিলেটেড কাজ যেকন SAFTA করাতে গেলে প্রতিটি ডকুমেন্টস সিল এবং সিগনেচার বাবদ ২৫০ টাকা কারওয়ান বাজার অফিসে এবং নারায়ণগঞ্জ অফিসে একই কাজের জন্য ২০০ টাকা ঘুষ দিতে হয়। এছাড়া তারা সিগনেচার দেয়না। এছারা প্রতি ইদেও তারা ইদ বোনাসের নাম করে অনেক টাকা দাবি করেন।
আমি পারিবারিক মারামারির ঘটনায় একটি মামলা করার জন্য বাঁশখালী থানায় যাই। সেখানে সেকেন্ড অপিসার আরিফ হোসেন মামলা রেকর্ড করার জন্য ৩০০০০ টাকা চায়। আমি কোনোমতে অনুরোধ করে তাকে ১০০০০টাকা পরিশোধ করি। পরে আমার মামলাটি নেয়। এই টাকা নাকি ওসিকে ভাগ দিতে হয়।
গণপূর্ত অধিদফতর এর প্রধান কার্যালয় থেকে নকশা অনুমোদন হয়। সাধারণত প্রতি ফাইল পাশ হতে বিল্ডিং এর সাইজ ভেদে ১০ থেকে কোটি টাকা পর্যন্ত টাকা দিতে হয়। এর জন্য অলিখিত চুক্তি থাকে৷ টাকা না দিলে নকশা অনুমোদন হয় না।
১) ২০২০ সালের নভেম্বরের দিকে আমি যখন নতুন ভোটার হব, তখন জন্মনিবন্ধন কাগজটি অনলাইন করার জন্য দায়িত্বরত ইউনিয়ন সচিব যা-তা বুঝিয়ে ৪০০০ টাকা দাবি করে। কিন্তু আমি নিরুপায় হয়ে এবং ইমার্জেন্সি থাকার কারণে ৭০০+ টাকার দিয়ে কাজটি তাৎক্ষণিক করে নিই। এখন কথা হচ্ছে যে কাজ করা যাবে না, সার্ভার অফ করে রাখছে হেড অফিস থেকে ইত্যাদি, সে কাজ ১ কর্ম দিবসে হয়ে গেল🙂 ২) পাসপোর্ট করার জন্য ২০২৪ এর শেষে বাবা মায়ের নাম সংশোধনের জন্য সেই পূর্বের মত ১২০০+ টাকা লেগেছিল 🙂
নিজে নিজে বহু ঝামেলার পরেও ৩ বার পাসপোর্ট অফিসে যাওয়ার পর পাসপোর্ট পুলিশ ভেরিফিকেশন আসে আমার থানায় এসবি শাখায়,পুলিশ আমার কাছে ১৫০০ টাকা দাবি করে আমি দিতে রাজি হয়নি সে কাগজ জেলায় রিটার্ণ পাঠিয়ে দেয়, জেলা এসবি অফিস থেকে কয়েকবার যোগাযোগ করা হয় তবুও আমি রাজি ছিলাম ঘুস দিতে এদিকে আমার পাসপোর্ট জরুরী হওয়ায় অপারগ হয়ে জেলা এসবি অফিসে ১০০০ টাকা দেওয়াই লেগেছে।
মটর বাইক মালিকানা পরিবর্তণের জন্য ৩০০০ টাকা ঘুশ দিতে হয়েছে অন্যথায় অন্যকোনোদিন আসতে হবে এপয়েন্টমেন্ট নিয়ে কিন্তু এপয়েন্টমেন্ট এপ্লিকেশন করলে কবে আপ্রোভ হবে তা কেউ যানে না। মুল মালিক সিলেট থেকে মিরপুর বিআরটিএ তে এসেছিলো সেদিন, পরে আবার কবে সে আসবে তারো নিশ্চিয়তা নেই বলে ৩০০০ টাকা ঘুশ দিয়েই করতে হয়েছিল
গুগোল এডসেন্স এর চিঠি আসছিলো। এরা ঐটা আটকে মিষ্টির টাকা চায়। ৫০ টাকা দিতে চাইলে প্রত্যাখ্যান করে। সম্ভবত ১০০ দিয়ে পরে ম্যানেজ করেছিলাম। ঘটনা ২০২১ এর সম্ভবত।
আমি সম্প্রতি নোয়াখালীর দুটি ভূমি অফিসে গিয়েছিলাম—একটি সংশ্লিষ্ট ভূমি অফিস এবং একটি ইউনিয়ন ভূমি অফিস। জমি-সংক্রান্ত বিভিন্ন কাজ ও খতিয়ান/নামজারি সংক্রান্ত সেবা নিতে গিয়ে আমার ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতায় নির্ধারিত সরকারি ফি-এর বাইরে অতিরিক্ত অর্থ চাওয়ার পরিস্থিতির মুখোমুখি হয়েছি। একটি খতিয়ানের জন্য প্রায় ১০,০০০ টাকা, অন্য একটি খতিয়ানের জন্য প্রথমে কাজ হবে না বলা হলেও পরে অন্য একজনের মাধ্যমে ২০,০০০ টাকা লাগবে বলে জানানো হয়। আরেকটি কাজের জন্য ২৫,০০০ টাকা দাবি করা হলেও শেষ পর্যন্ত ২০,০০০ টাকা দিয়ে কাজ করাতে হয়েছে। এসব অর্থের মধ্যে কোনটি সরকারি ফি এবং কোনটি অতিরিক্ত অর্থ—তা একজন সাধারণ নাগরিক হিসেবে পরিষ্কারভাবে বোঝার সুযোগ ছিল না। আমার কাছে একটি অডিও রেকর্ডিংও রয়েছে, যেখানে ১০,০০০ টাকা চ
আমার মায়ের নাম সার্টিফিকেট ভূল ছিল। পরে তা সংশোধন করতে সরকারি খরচের বাইরে এই ২০০০ টাকা আমার থেকে দাবি করে, পরিশোধ করলে ও সময় মতো কাজ করে দেয় নি। রাজশাহী শিক্ষা বোর্ড সেইম!!
জমি রেজিষ্ট্রেশন করার জন্য দলিল প্রতি ১০ -৫০ হাজার পর্যন্ত টাকা ঘুষ দবি করা হয়। দাবি না মানলে জমি রেজিষ্ট্রেশন করা হয় না।
নতুন এনজিও হিসেবে এনজিও এফেয়ার্স ব্যুরোর মহাপরিচালকের একান্ত সচিবের কাছে পরামর্শ নিতে গিয়েছিলাম।সে সুন্দর করে তার সিন্ডিকেটের ভিতর আমাদের ঢুকায় দিয়ে, ঘুষ দিতে বাধ্য করলো
ড্রাইভিং এ কার এ ২০০ টাকা এবং মোটরবাইকে ১০০ টাকা করে ঘুষ দিয়েছে । না দিলে ফেইল করে দেই । তার সাথে দালাল ধরেছিলাম ওকে দিছি ১১ হাজার ৫০০ টাকা লাইসেন্স বানানু জন্য । দালাল ছাড়া যতই দক্ষ গাড়ি চালক হুক না কেন পাস করতে দেই না
প্রাইভেট কারের লিকানা পরিবর্তন। সরাসরি টাকা চায় না, তবে টাকা ছাড়া,ফাইল ডাটা করে না । আশেপাশে অনেক দালাল থাকে বা ৩য় শ্রেনীর অফিস কর্মকর্তার মাধ্যমে ৪-৫০০০ টাকা বেশি দিয়ে করলে ডাটা করে দেয় তাড়াতাড়ি। একই কাজ সরকারি ফি পরিশোধের পর সব ঠিক থাকলেও শুধু ঐ অতিরিক্ত ৪-৫০০০ টাকা না দিলে ফাইল আটকে থাকে।
আমার কাছে গাড়ির বা আমার কারোর ই পেপার ছিল না । গুলশান ২ এ ধরা খেলাম স্যার দের কাছে । এরপর ৫০০ টাকার বিনিময়ে সেই যাত্রায় রক্ষা পেলাম। পেপার ছাড়া বের হলে মিনিমাম ৫০০ রাখবেন পকেট এ আলাদা করে।