জন্ম নিবন্ধন
৪৫ দিনের মধ্যে নিবন্ধনে কোন খরচ নেই, কিন্তু অফিস সহকারী ইউনিয়ন পরিষদের সহকারী সচিবের সাথে যোগ সাজসে ১৫০ বা এর অতিরিক্ত টাকা নেয়
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৭,৭৪৩ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
৪৫ দিনের মধ্যে নিবন্ধনে কোন খরচ নেই, কিন্তু অফিস সহকারী ইউনিয়ন পরিষদের সহকারী সচিবের সাথে যোগ সাজসে ১৫০ বা এর অতিরিক্ত টাকা নেয়
This is general demand from every passport applican't, otherwise they raise issue. Though those are not relevant.
নামজারি, একবার অন্য একজন দিয়ে করে ৫০ হাজারের মত দিয়েছি। পরে নিজে করতে গিয়ে ৮০০০ টাকা দিয়েছি
কুমিল্লার পাসপোর্ট অফিসে আমি নিজে করতে চেয়েছিলাম,সত্যায়িত করা সহ আমাকে ৪ বার ফেরত পাঠানো হয়েছিলো।শেষে পাসপোর্ট অফিসের বাহিরে ফটোকপির দোকানদারদেরকে ২ হাজার টাকা দেওয়ার পর তারা একটি ছোট স্টিকার লাগিয়ে দিয়েছে,আর কাগজ গুলা সিরিয়াল করে দিয়েছিলো।এগুলা পরে সিরিয়ালে জমা দেওয়াতে ইজিলি প্রাথমিক ভ্যারিফিকেশন হয়ে গেলো,আর স্টিকারটাও ওরা রেখে দিলো। তাছাড়া সিরিয়াল অনেক বড়ো থাকতো,যারা আনসারকে ৫০০ টাকা দিতো,তাদেরকে আগেই ঢুকার সুযোগ করে দিতো।পুরা পাসপোর্ট অফিস করাপ্টেড,বাহিরে যে চেক করে ঢুকায় সে,আনসার বাহিনী থেকে শুরু করে সবাই।ভিতরের লোকজন জানি না পার্মেন্টেজ পায় কি না,তবে আনসার সদস্য আর বাহিরের চেক কারী সম্পূর্ণ জড়িত। আমার নিজে নিজে পাসপোর্ট করা আর হলো না,এখনও মনে হয় আমি হেড়ে গেছি,হেড়ে গেছি দূর্নীতির কাছে।
নামজারি আবেদন করার জন্য | নরমালি তারা ফাইল এর কাজ শুরু করতে সময় নেয়
আমার বাড়ি করার জন্য নিজেদের পৌতৃক ভিটাটির ইমিঊটেশন বা নামজারির দরকার পরে। তাই আমার বাবা টাংাইল বাসাইলের ভুমি অফিসে সরনাপন্য হন। ওখান থেকেই আমাদের অনলাইন আবেদন করে দেয়া হয় আর পর কিযেন একটা ভুল আসে। তারপর সেটা ঠিক করতে আ্যসিলেন্ট এর কাছে যেতে বলে।আব্বু ওখানেও যাই, অনেকদিন ঘুরপাক খাই কিন্তু কাজ হয়না। পরে ওই অফিসের এক কর্মকর্তা তার পিওনকে ১২০০০ টাকা দিতে বলে আর বলে যে কোন সমস্যাই হবে না। আমাদের বাড়ি বানানোর তাড়া থাকাই দিতে বাধ্য হই তখন।
তিনটা খতিয়ান এর ছবি তুলে হটসএপে দিয়েছে ৩০০/- দিতে হয়েছে
পাসপোর্ট এপ্লাই করার সময় আমার নামে একটু ভুল হয়েছিল এর জন্য তারা দুই হাজার টাকা দাবি করেছে এবং আমি পরিশোধ করতে বাধ্যক আমি কারণ আমি একজন প্রবাসী আমার হাতে অতটা সময় ছিল না তাই তারা এটাই সুযোগ টা কাজে লাগিয়েছে
আমি আমার গাড়ির নাম বদলির করার জন্য যাই সেখানে সব কাজ সম্পন্ন হওয়ার পরে আমাকে স্লিপ দিবে কিন্তু দেয়না কিচ্ছুক্ষণ পর বলে কালকে নিতে আমি তো চিন্তায় পড়ে যাই সাথে সাথে আমি যার মাধ্যমে কাজ করেছি আলরেডি ঘুষের বিষয় যা দেয়া লাগে তাকে দিয়ে আসছি ।আমি তারে ফোন দেই যে এরকম বলছে স্লিপ দিবে না। উনি বললেন জিজ্ঞাসা করেন কেন দিবে না । আমি তাই করলা তখন বি আর টি এ এর পরিচালক হারুন রশীদ এর পিস বলে খরচ পাতি কে দিবে আমি বললাম এইটা দিয়ে আসছি বাহিরে সে বললে কল দিতে শেষমেষ দেখলাম ক্যাচাল করলে সময় চলে যাবে অফ করে দিবে। পরে আমি ৫ হাজার দিয়ে আসি এবং সাথে সাথে স্লিপ দিয়ে দেয়।
ভবিষ্যৎ তহবিল থেকে ২৪,০০০ টাকা উত্তোলন করতে ৬০০ টাকা দেওয়া লাগছে না হলে ফাইল স্বাক্ষর হবে না।
প্রত্যেকবার জমির খারিজ বাবদ মোট ৭০০০ টাকা নেওয়া হয়। এই চিত্র নাকি দেশ এর সকল ভূমি অফিসে বিদ্যমান
আমার নিজের বাপের জমি আমার নামে খারিজ করতে ২৫০০০ টাকা নিছে শুয়োরের বাচ্চারা । এতিমের টাকা মারা সবগুলারে আল্লাহ দুনিয়াতেই জাহান্নাম দিক
নতুন পাসপোর্ট এর জন্য ঢাকা মোহাম্মদপুর এ। বার বার অফিসে গিয়ে প্রত্যাখ্যাত হয়েছি, বিভিন্ন ধরনের কাগজ আনতে বলে। পরে দালাল দিয়ে সহজেই করে ফেলি।
Amar garir name transfer er somoy dalal soho 8k gesilo
গত বছর জরুরি পাসপোর্ট করতে মনসুরাবাদ পাসপোর্ট অফিসে গিয়েছিলাম। সব কাগজ ঠিক ছিল, শুধু স্থায়ী ও বর্তমান ঠিকানা আলাদা হওয়ায় নাগরিক সনদ নিয়ে সমস্যা হলো। সকাল ৭টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত লাইনে দাঁড়িয়ে সবশেষে ছবি তুলতে গেলে কর্মচারী স্থায়ী ঠিকানার সনদ চাইলেন। অথচ আমার আগের একজনের একই কাগজ না থাকলেও তার কোনো সমস্যা হয়নি। পরে জানতে পারলাম, সে দালালের মাধ্যমে কাজ করেছিল। বাধ্য হয়ে আমিও ২,৫০০ টাকা দিয়ে দালালের সাহায্য নিলাম। পরদিন কোনো লাইন ছাড়াই সরাসরি ছবি তুলতে গেলাম—একই কাগজপত্র দেখে সেই কর্মচারী এবার আর কিছুই বললেন না! ছবি তোলার পর হাসতে হাসতে শুধু জিজ্ঞেস করলাম, “কাল তো বলেছিলেন হবে না, আজ কীভাবে হয়ে গেল?” .
টাকা দিলে সেবা দেয় না দিলে হয়রানি করে
Even though all process and documentation was followed, SMS received passport printing done —- but not completed for more than a year , so then — by his magic completed and got passport in 3 day
সাধারণ জন্মনিবন্ধ করার জন্যে ৭০০৳ দাবি করে বসে। যদি না দিই তাহলে কার্ড হবে না। কার্ড ইমারজেন্সি ছিলো তাই চেয়ারম্যানের অফিসে টাকা দিয়ে জন্ম নিবন্ধন নিতে হয়েছিলো।
1000 chara dewa jabe na. So u have to pay for it
BDS জরিপে নাম উঠানো নিয়ে, দাগ নাম্বার নিয়ে ঝামেলা করে, টাকা দাবী করে।