Passport
আমি পাসপোর্ট করতে গেছে, আমাকে বলে এই ডকুমেন্টস নাই ওইটা নাই, কিন্তু পরে একটা দোকানে গেলাম ১৬০০ টাকা নিলো, তারপর একটা আনসার আমাকে রুমে গিয়ে বসতে বললো, সব প্রসেস কম্পলিট করে তারাই আমাকে ছবি তোলার রুমে দিয়ে আসলো।
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৭,৭৪৩ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
আমি পাসপোর্ট করতে গেছে, আমাকে বলে এই ডকুমেন্টস নাই ওইটা নাই, কিন্তু পরে একটা দোকানে গেলাম ১৬০০ টাকা নিলো, তারপর একটা আনসার আমাকে রুমে গিয়ে বসতে বললো, সব প্রসেস কম্পলিট করে তারাই আমাকে ছবি তোলার রুমে দিয়ে আসলো।
ট্রান্সফার। এক স্কুল থেকে অন্য স্কুলে (প্রাইমারি স্কুল) ট্রান্সফার।
C-Section এ ঢুকানোর ৩০ মিনিট আগে একটা ছোট্ট কাগজ আসে এবং বলে দেয় হাসপাতাল এর বাইরে একটি নির্দিষ্ট দোকান থেকে মেডিসিন গুলো আনতে হবে । না আনলেও ৪০০০ দিলেই হবে । আমি মেডিসিন এনে দেই । কিন্তু ওরা যেই প্যেকেট দিয়েছিল আমি চেঞ্জ করে দেই । ২ ঘন্টা পর আমার মাথা ব্যাথার মেডিসিন এর জন্য গিয়ে দেখি আমার সেই প্যাকেট ।
নরসিংদী ট্রেজারির — এবং আরেকটা লোক পেনশনের বই বন্ধ হয়ে যাওয়ায় সেটা আবার চালু করার নামে 20000 টাকা দাবি করেছে। সেই টাকা পরিশোধের পরও কয়েকমাস ঘুরাইয়া তারপর কাজ করে দিছে।
সেবাটি ছিল জেলা স্বাস্থ্য অফিস। চাকরির পরীক্ষার জন্য ফিটনেস সার্টিফিকেট দরকার হয়। সে সার্টিফিকেটের জন্য সরকারিভাবে ১০০ টাকা ফি জমা দিতে হয় , সাটিফিকেট তৈরি হলে শেষ মুহূর্তে ৩০০ টাকা অতিরিক্ত দাবি করেন,দিতেই হবে এইটা বলেন।
চুরি যাওয়া মোবাইল ফোন উদ্ধার করার জন্য খুলশী থানায় জিডি করি, থানা থেকে দায়িত্ব প্রাপ্ত পুলিশ কর্মকর্তা উদ্ধারের জন্য ৩০০০ টাকা খরচ দিতে হবে বলে জানান,এবং এই খরচ দিতে রাজী থাকলে ফোন উদ্ধার হবে এই শর্তে ফোন উদ্ধার করে দেন, আমি মোবাইল পেয়ে ৩০০০ টাকা পরিশোধ করি
একটি খতিয়ান করে দিয়েছে।
সিরাজগঞ্জ হাটিকুমরুল গোলচত্তর এ Elevated Expressway তৈরি করতে Building Acquire করার সময় LA এর লোকজন ঘুষ নিয়ে compensation বাড়াচ্ছিল।আবার,ভুয়া মামলায় আটকে যাওয়ায় compensation টা পাইতে আরে ঘুষ দেওয়া লাগছিল।
মৃত্যু সনদ দেওয়ার জন্য এফিডভিট থাকার পরও ভুল আছে বলে টাকা নিয়ে যায়।
সেবা নিতে ২০০০ টাকা ঘুষ দিতে হয়েছিল।
They didn't let people to pass fied test without paying money. So I had to pay otherwise they would fail me and I don't have that much time to take this test multiple time.
অফিসে দালালদের কাছে চায় ১১০০। ওরা ৩০০-৪০০ বাড়িয়ে কাস্টমার এর কাছে চায়। কোনো কোনো ক্ষেত্রে ২-৩ হাজার এক্সট্রা চায় ফাইল জমা করতে।
আমার সরকারি চাকুরির জন্য শারীরিক সুস্থতার সনদ সিভিল সার্জন খুলনা থেকে নিতে যেয়ে সকল টেস্টের রিপোর্ট থাকার পরও যক্ষার টেস্ট নেই মর্মে আমাকে টাকা দিতে বাধ্য করে ওই অফিসের পিয়ন —।
এই টাকা ছাড়া লায়সেন্স দিবেনা।
পাসপোর্ট নবায়ন করতে গিয়ে অফিস থেকে নানান হয়রানি। এটা নাই ওটা নাই, এটা আনেন ওটা আনেন। যখন সব আনা হইছে তখন কিছু না বলেই ফর্ম ফেরত দিয়ে দেয়। বলে নাগরিক সার্টিফিকেট লাগবে। এখন ঐটা কই পাই। দালাল কে মোট ৮ হাজার টাকা দিলাম। ফর্মে একটা ছোট ফোটা দিল। বলল নিয়ে যান। নিয়ে গেলাম। জমা ছবি তোলা সব চোখের পলকে হয়ে গেল।
ঢাকা ডেমরা তে জমি ক্রয় করেছিলাম কিছু মাস আগে। সেই জমি কিছু দিন আগে নামজারি এর জন্য ভুমি অফিসে গেলে ২৫০০০টাকা দাবি করে। পরে ২২০০০টাকা দিয়ে নামজারি করতে দেই। অথচ নামজারি করার সরকারি ফি ১১০০টাকা +
একজনের স্ত্রী দরজা বন্ধ করে গলায় ফাসি দিয়ে আত্মহত্যা করেছে, মেয়ের বাবা থানায় এজাহার দিয়েছে তারপর থেকে পুলিশে নানান ভাবে হয়রানি করছে। ২০০০০ টাকা চেয়েছিলো পরে ১০০০০ দিতে হয়েছে। এখন আবার ফাইনাল রিপোর্ট এর জন্য টাকা চাচ্ছে, না দিলে নাকি চার্জশিট জমা দিবে।
ভূমি নামজারি করতে ১১০০ টাকা সরকারি চার্জ অথচ কালিকাপুর, মাদারীপুর সদর, মাদারীপুর ভূমি অফিস-এ থাকা সরকারি কর্মকর্তা আমার থেকে ৬০০০ টাকা নিয়েছে ১.২৫ শতাংশ জমির নাম জারি করতে.
পুলিশ ভেরিফিকেশনের জন্য একটা হোটেলে যেতে বলে,সেখানে অনেকক্ষন বসে থাকার পর আমার সিরিয়াল আসে।দেখলাম সবাই কাজ শেষে হাতে কিছু দিচ্ছে ।একজন হজে যাবে তার কাছ থেকেও নিচ্ছে । এরপর আমাকে ডেকে কিছু ব্যাসিক প্রশ্ন করে আমার দিকে তাকিয়ে থাকে, বুঝলাম আমাকেও হ্যান্ডশেক করতে হবে যার মুল্য ৫০০ টাকা। আমাকে জিজ্ঞেস ক্রছে মনে কিছু করেছি কিনা কোনো দাবি রেখেছি কিনা।
পটিয়া পৌরসভা অফিসে দুটো প্রত্যয়ন পত্র বানাতে দিয়েছিলাম যেগুলো সরকারি ফি প্রায় 16 টাকা প্রতিটা প্রত্যয়ন পত্রের। কিন্তু অপারেটরকে ১০০ টাকা করে দিতে হয়।