Passport renewal
প্রথমে আমি নিজে জমা দিতে গেছি তারা বলছে যে কাগজ অনেক সমস্যা , পরে যখন জানতে পারলাম দালাল ছাড়া কোন কাজ হবে না তাই বাধ্য হয়ে দালালকেটাকা দিলাম তখন সব কাজ একাই হয়ে গেল তখন আর কোন কাগজপত্র লাগে নাই।
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৮,৯১৪ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
প্রথমে আমি নিজে জমা দিতে গেছি তারা বলছে যে কাগজ অনেক সমস্যা , পরে যখন জানতে পারলাম দালাল ছাড়া কোন কাজ হবে না তাই বাধ্য হয়ে দালালকেটাকা দিলাম তখন সব কাজ একাই হয়ে গেল তখন আর কোন কাগজপত্র লাগে নাই।
Amer bill pass korar jonno ghush dabi kore ta na hole bill pass hobe na ei rokom 2 month gele ami tk fia di
ami exam e fail koreci onara bolloo amk pass korai dibe tai 1000 tk nice
দীর্ঘ ১ বছর ৬ মাস লাগছে তারপর ৪০০০০ টাকা দিয়েছি ৪ টা ফাইল হয়েছে কিন্তু এখনও একটা ফাইল আছে, চাকরি চলমান অবস্থায় মারা গেলে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের কতৃক অনুদানের আবেদন এটার জন্য আবার ৩০ হাজার চাচ্ছে এখনও দিতে না পারায় এখনও ফাইল সাইন হচ্ছে না। এছাড়াও উপজেলা একাউন্স অফিস ও জেলা শিক্ষা অফিসেও টাকা দিতে হয়েছে ২০ হাজার, যেই ফাইলটি আটকে আছে ওটার জন্য জেলা শিক্ষা অফিসেও টাকা দিতে হবে।
২০১৪ সালে আমার নতুন পাসপোর্ট করতে গেছিলাম। সবকিছু ঠিক থাকলেও দায়িত্বরত সহকারী পরিচালক এবং উনার সহকর্মী আমার পাসপোর্ট করতে দেন নি কারণ ওইটা আমার ইউনিভারসিটি টিচার সত্যায়িত করে দিছেন। পরে টাকা দিলে সবকিছু ঠিক হয়ে যায়।
আমি আমার বাবার জমির মিউটেশন করার জন্য আবেদন করি। সরকারি নির্ধারিত খরচ ছিল মাত্র ১১৭০ টাকা। কিন্তু সংশ্লিষ্ট অফিস আমাদের কাছ থেকে ৮০০০ টাকা আদায় করেছে। প্রথমে আমি এই প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে চাইনি, কিন্তু বাধ্য হয়ে অতিরিক্ত অর্থ প্রদান করতে হয়েছে। এ ধরনের অনিয়ম ও অতিরিক্ত অর্থ আদায় জনসাধারণকে হয়রানির শিকার করছে। অভিযোগ দেওয়ার ক্ষেত্রেও দেখা যায়, ঘুষ ছাড়া অভিযোগ গ্রহণ করা হয় না। ফলে সাধারণ মানুষ ন্যায়বিচার থেকে বঞ্চিত হচ্ছে।
কুমিল্লা জেলার লাকসাম উপজেলার নুরপুর উধুইর অফিসের ১১৭০ টাকার খারিজ ১০,০০০ টাকা চাওয়া হয়। যাহা না দিলে খারিজ হবে না বলে জানিয়ে দেয়া হয়। জমি খারিজের আবশ্যকতা আছে বলে টাকাটা দিতে বাধ্য ছিলাম
রাউজান থানায় সেন্ডব্যাক এ না মারার শর্তে ৫০ হাজার টাকা ঘুষ দিতে হয়েছিল এক এসআই কে ২০২৩ সালে।
একটা জিডি করতে থানায় যাই প্রথমে জিডি লিখতে ৫০০ টাকা তা জমা নেয়ার সময় ৫০০ টাকা। এলাকায় পুলিশ গিয়েছিলো কল করে ৩৫০০ টাকা গাড়ির তেল খরচ হয়েছে তার জন্য। মোট ৫০০০ টাকা নিয়েও কোন সমাধান হয় নি। পুলিশ সব সময় এই কাজ টা করছে৷ প্রতিরোধ চাই
গর্ভবতী ভাতার জন্য কালিয়াকৈর পৌরসভায় গিয়েছিলাম। গর্ভবতী ভাতার দায়ীত্বে থাকা কম্পিউটারে সামনে বসা দায়ীত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা বললেন ফি লাগবে ৫০০ টাকা। কিসের ফি, কেন ফি দিতে হবে এটার কোন জবাব নেই। যাই হোক ভাতাটি খুবই প্রয়োজন বিধায় উক্ত অর্থ পরিশোধ করে আবেদন করতে হয়েছে।
২৮ শতক জমি খারিজ করতে ২৮ হাজার টাকা লেগেছিলো, দলিল লেখকের মাধ্যমে তহসিলদার অফিসের মাধ্যমে কাজ করতে হয়েছিল .
ন্যাশনাল হাউজিং অথরিটি ঠিকাদারের নিকট থেকে মোটা অংকের ঘুষ গ্রহন করে
অগ্রণী ব্যাংক নতুন একাউন্ট খোলার সময় চেক বই বলে এক দেড় মাস লাগবে কিন্তু যখন ৫০০ ৬০০ টাকা দিয়ে দি তখন একদিনের মধ্যে চেক বই রেডি হয় কিভাবে
বহুতল ভবনের অনুমতি নেওয়ার জন্য অফিস খরচ বাবদ নিচ্ছে। আমাদের দ্রুত অনুমোদন দরকার। টাকা না দিলে ফাইল পরে থাকবে। অনেক দিন লেগে যাবে। তাই বাধ্য হয়ে টাকা টা দিলাম। আগে এক লাখের উপর দাবি করতো এখন ষাট হাজারে রাজি। এ মুহূর্তে ৩০ হাজার অগ্রীম দিয়েছি।
আমি একটি কোম্পানির কাছ থেকে মোটরসাইকেল কিস্তিতে কিনি। কিস্তির টাকা পরিশোধ না হওয়া পর্যন্ত সেটি কোম্পানির নামেই ছিল। পুরো টাকা পরিশোধ হওয়ার পর কোম্পানি আমাকে এনওসি দেয় এবং মালিকানা পরিবর্তন করে নিতে বলে। এই অনুযায়ী আমি ঢাকা বিআরটিএ (ইকুরিয়া) তে যাই মালিকানা পরিবর্তনের জন্য।এরপর সরকারি সকল পেপারওয়ার্ক ও ব্যাংক রিসিট নিয়ে অফিসারের কাছে দেখালে তিনি কাগজপত্রে বিভিন্ন ভুল আছে মর্মে মালিকানা পরিবর্তন করে দিতে অস্বীকার করেন। পরবর্তীতে তিনি আমাকে সরাসরিই বলেন কোন প্রভাব ছাড়া এজাতীয় মোটরসাইকেলের মালিকানা পরিবর্তন করা সম্ভব নয়। এরপর তিনি ২৫০০ টাকা দাবী করেন। অনেক নেগোসিয়েশন করে ২০০০ টাকা দেয়ার পরে তিনি মালিকানা পরিবর্তন করে দেন।
মেম্বার বাসায় এসে আমার বাবাকে দেখে,, চিকিৎসক এর রিপোর্ট চায় দেওয়ার পর পরে ফোন করে বলে স্যার ৩৫০০ টাকা চাইছে না দিলে কাজ করে দিবে না,,, অনলাইনের খরচ লাগে পরে আমার কাছে দেওয়ার মত টাকা ছিল ২৫০০ তারপরে বলছে ওইটা দেন আমি করে দিবো
সকাল বেলা রিয়াজউদ্দিন বাজার থেকে কাঁচামাল নামিয়ে আসার সময় আমতল তিন পুলের মাথায় ট্রাক থামিয়ে নিষিদ্ধ সময়ের কথা বলে টাকা নিলো ৪০০। এরপর যখন নিউমার্কেট আসলাম তখন টাকা চাইলো ৪০০, বললাম আমতল মোড়ে টাকা দিয়েছি, টাকা দিতে অস্বীকার করাই ট্রাক আটক করে দিল, সদরঘাট ট্রাফিক অফিসে গাড়ি ছারাইতে নিল ৮২৫০। কিন্তু সিলিপ দিল ১২৫০। বাকি টাকার স্লিপ চাইলাম বলল তাহারা ব্যাংকে জমা দিয়ে আসবে, আমরা জানতে চাই চট্টগ্রামে ট্রাফিক পুলিশ যে অফিসে আটক গাড়ি ছারাইতে টাকা রাখে এই টাকাকে সরকারের কোষাগারা জমা হয় নাকি নিজেরা ভাগ বাটোরা করে খায়। দুদক দিয়ে তদন্ত করে খতিয়ে দেখা হোক।
বিষয়: রংপুর পাসপোর্ট অফিসে অতিরিক্ত অর্থ দাবি ও অনিয়মের বিষয়ে অভিযোগ। জনাব, আমি একজন সাধারণ নাগরিক। আমার পাসপোর্ট হারিয়ে যাওয়ার পর আমি সংশ্লিষ্ট থানায় জিডি করি। জিডি করার পর আমার কাছ থেকে ২,০০০ টাকা নেওয়া হয়। পরবর্তীতে আমি হারানো পাসপোর্টের জন্য রংপুর পাসপোর্ট অফিসে আবেদন করতে যাই। পাসপোর্ট অফিসে যাওয়ার পর প্রয়োজনীয় কাগজপত্র জমা দেওয়ার জন্য আমাকে বিভিন্ন কাগজপত্র আনতে বলা হয়। আমি নির্দেশনা অনুযায়ী প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সংগ্রহ করে জমা দিই। এরপর আমার আবেদনটি বিভিন্ন কারণ দেখিয়ে ফেরত দেওয়া হয় এবং আরও কিছু কাগজপত্র, যেমন স্ত্রীর কাবিননামাসহ বিভিন্ন কাগজপত্র চাওয়া হয়। পরবর্তীতে আমার কাছে ২,০০০ টাকা দাবি করা হয়। আমি ২,০০০ টাকা দেওয়ার পর আর কোনো অতিরিক্ত কাগজপত্র চাওয়া হয়ন
মিথ্যা মামলায় তদন্ত কর্মকর্তা তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করিয়াছে এবং সেজন্য জামিন নেওয়ার জন্য ৫০ হাজার টাকা দিতে হয়েছে।
“সার্টিফিকেট সংশোধনের জন্য সরকারি নির্ধারিত ফি পরিশোধ করার পরও প্রায় দুই মাস অতিবাহিত হলেও সংশোধনের প্রক্রিয়ায় আমার নাম/সিরিয়াল না আসায় সিরিয়াল পাওয়ার বিষয়ে জানতে আমি বোর্ডে যাই। সেখানে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির মাধ্যমে আমাকে বলা হয় যে, নির্ধারিত পরিমাণ অতিরিক্ত টাকা প্রদান করলে আগামী সপ্তাহের মধ্যেই আমার নাম/সিরিয়াল আসবে এবং আমাকে বোর্ডে ডাকা হবে। সার্টিফিকেট সংশোধনটি আমার জন্য অত্যন্ত জরুরি হওয়ায় এবং দীর্ঘ সময় ধরে অপেক্ষা করার পরও কোনো অগ্রগতি না হওয়ায়, উক্ত পরিস্থিতিতে বাধ্য হয়ে আমি ওই অর্থ প্রদান করি। বিষয়টি আমার ইচ্ছাকৃত কোনো অনিয়মের উদ্দেশ্যে নয়; বরং জরুরি প্রয়োজনে সংশোধন কার্যক্রম সম্পন্ন করার তাগিদেই আমি অর্থটি প্রদান করতে বাধ্য হয়েছিলাম।”