Mutation
টাকা ছাড়া নামজারি করে দিবে না বাধ্য হয়ে 5000 টাকা দিয়েছি।
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৭,৭৪৩ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
টাকা ছাড়া নামজারি করে দিবে না বাধ্য হয়ে 5000 টাকা দিয়েছি।
ব্যবসায়ীদের vat online এ প্রতি মাসে রিটার্ন সাবমিট করতে হয়। সার্কেলের যে ARO থাকে সে প্রতি মাসে রিটার্নের বিপরীতে ৫০০০ করে টাকা নেয়। এছাড়াও কমার্শিয়াল ইমপোর্টার হলে প্রতি বছর কাগজপত্র চেক করার নামে একটা চিঠি ইস্যু করে ৫০০০০/১০০০০০ করে নেয়।
নতুন পাসপোর্ট করতে গিয়েছিলাম, নানান জিনিসের এই ভুল, সেই ভুল ধরে ধরে,,, কাজ বাতিল করে দিলো, পরে সেটাই অফিসের সামনের কম্পিউটার দোকানদার ২০০০ টাকা ঘুষ নিয়ে, দালালের মাধমে করে দিলো।
বাবা মারা যাওয়ায় পরিবারের অন্য সদস্যদের নামে জমি নামজারি করতে যাই। কিন্তু ভূমি অফিস থেকে সঠিক তথ্য না দিয়ে হয়রানি করে। অনলাইন এ নামজারি করলেও, কোনও না কোনও অজুহাত এবং ভুল বলে নামজারি ঝুলিয়ে রাখে। পরে অফিস এর আসে পাশে কম্পিউটার দোকানে গিয়ে বললে তারা দাবিকৃত অর্থ দিয়ে ধ্রুত কাজ করিয়ে নিতে পারবো আশা দেয়। পরবর্তীতে অতিরিক্ত অর্থ দিয়েই কাজ সম্পন্ন করি।
এজেন্সি / অ্যাম্বাসি যেটিকে সমস্যার কাতারে ফেলে না, সেটিকে বড় ইস্যু বানিয়ে ঘুষ চাওায়া হয়। এমনকি পাসপোর্ট অফিস থেকেই হচ্ছাকৃত ভাবে ভুল তথ্য সাবমিট করা ইয়। নিজেরা সরাসরি ঘুষ নেয় না বরং কম্পিউটার/ ফটোস্ট্যাট এর দোকানিদের সাথে আতাত করে রাখা হয়।
পাসপোর্ট করতে যেয়ে যাবতীয় কাগজপত্র নিয়ে গেছি ব্যবসা কিন্তু এমনেই আমাকে এই ভাবে বলে হুজুর মানুষ ব্যবসা করেন ভালোই ইদানিং হুজুর রা ব্যবসা শুরু করছে এমন ভাবে কটাক্ষ করলো. পরে দালালের সরানাপন্য হলে 2600 টাকা নেয় এক রুমে যেতে বলে বাস কাজ হয়ে যায় 5 মিনিটেই সব
গাইবান্ধা ডিসি অফিস ভূমি অধিগ্রহণ শাখা হতে ঝুকিপূর্ণ সেতুর জমি অধিগ্রহণ করা হয় এবং তার অর্থ উত্তোলন করার জন্য মোট মূল্যের ৩% দাবি করা যা উপরে উল্লেখিত অর্থ গিয়ে দারায় যাহা পরিশোধ না করিলে অর্থ উত্তোলন তো দূরের কথা ১ বছরে আপনার ফাইলটা পর্যন্ত খুলে দেখার প্রয়োজন মনে করে না। বাধ্য করা হয় টাকা প্রদানে অতঃপর নগদ অর্থ পরিশোধের মাধ্যমে কাজ সম্পাদন করা হয়। এখানে প্রায় ১০০ টি বাড়ি অধিগ্রহণ করা হয়। এই অর্থ সকলের জন্য প্রযোজ্য। গাইবান্ধা ডিসি অফিসের ৩ তলা LO Officer এই সমস্ত কিছু গোপনে পরিচালনা করেন। টাকা উত্তোলনের দায়িত্ব বড় বাবু সে পরিচালনা করেন।
সমাজকল্যান অফিস থেকে ক্যন্সার রোগীদের জন্য ৫০০০০ টাকা পেতে তাদের প্রতেককে অফিস খরচ ১৫০০০ দিতে হয়
লাইসেন্স পেতে টাকা চাওয়া হয় ৬০০০ পরে ৪০০০ টাকায় রফা হয়
চেয়ারম্যান সার্টিফিকেট বা নাগরিকত্ব সনদ প্রাপ্তির জন্য অনলাইন এ আবেদন করে (অনলাইন এ নির্দিষ্ট ফি ৩০ টাকা পেমেন্ট করা হয়েছিলো) ফর্ম নিয়ে কুমিল্লা জেলার মুরাদনগর উপজেলা কার্যালয়ে গিয়েছিলাম। তারপর ১০০০ টাকা দিয়ে বাংলা ও ইংরেজি ভার্সন নাগরিকত্ব সনদ নিতে হয়েছে । এই ঘটনা ২০২৩ সালের ।
জাতীয় হৃদরোগ ইন্সটিটিউট এ মা কে নিয়ে গিয়েছিলাম। একদিন ফ্লোরে ছিলাম আমরা। সিট পাওয়া যাচ্ছিল না। পরে এক মহিলাকে ১০০০টাকা দিয়েছি। উনি কিছুক্ষনের মধ্যে সিট ব্যাবস্থা করে দিয়েছেন।
Pabna sujanagar registere office a amader dolil shob thik chilo shudhu Amar choto vai er death certificate a S er jaygay M chilo overwriting etar jnno registere officer 20,000tk dabi korse bole je ei kagoj legal na pore 15 hazar taka dewa lagse gush dewar pore kivabe legal holo? Unara iccha kore khuje khuje emn kore unar main room a lok jon er theke khali tk nicche r kaz kore dicche
amr maa er pension er file approved korar Jonno nogod cash 30000 tk ghush chay ebong ta Ami dite baddho hoi. eta location Hisab Bhaban, Office of the Controller General of Accounts (CGA) হিসাব ভবন, হিসাব মহা নিয়ন্ত্রকের কার্যালয় DOWA er hisab shakay thaka ekjon protinidhi ebong tar immediate senior boss ei ghush ta nen.
পৌরসভার ট্যাক্স হোল্ডিংয়ের মালিকানা পরিবর্তন করতে হলে 2500 টাকা লাগবে তাহলে আগের মালিক এর নাম বাদ দিয়ে আপনার নাম এ ট্যাক্স এর পেমেন্ট রশিদ দিব । না হলে পরে আসেন যান । টাকা নাই অযুহাতে, বলছিল টাকা নিয়া আসেন ম্যানেজ করে । টাকা দিলে এখনই আপনার নামে ফাইল করব।
দলিল করার জন্য অতিরিক্ত ঘুষ। সিঙ্গাইর রেজিস্ট্রি অফিস
আমদানি লাইসেন্স করার আগে ভ্যাট করা লাগে। দয়াগঞ্জ, ঢাকা অফিসে গেলে প্রথমে লাইসেন্স দিতে অপারগতা প্রকাশ করে, পরে ২ টা ভ্যাট লাইসেন্স এর জন্য ১০,০০০ টাকা দিতে রাজি হওয়ার পর লাইসেন্স দিয়েছে
নতুন এনআইডি কার্ড বানাইছিলাম, চট্রগ্রাম এর সাতকানিয়া নির্বাচন অফিস থেকে, ৪ হাজার দিতে হয়ছে দালাল এর মাধ্যমে, দালাল ছিলো ইউনো অফিসের কর্মচারী, নাম মনে হয় —, ২০২২ সালের শেষর দিকে এর ঘটনা।
আমি নতুন ট্রেড লাইসেন্স এ BIN নাম্বার বানিয়েছি। আমাকে অবহিত করা হয় নাই যে মান্থলী এই বীন এর জন্য VAT Return করতে হবে। আমার জরিমানা হয়েছিল ৩৬০০০ টাকা। যেহেতু, আমি BIN বানানোর পর কোন কাজ করি নাই/ পাই নাই, তাই উপরোক্ত অফিসে গিয়েছিলাম কিছু এক্সেম্পট পাওয়া যায় নাকি দেখার জন্য। নীচ তালা থেকে আমাকে একজন রাজস্ব কর্মকর্তা এর কাছে পাঠানো হয়েছিল। উনি আমার ব্যাপারটি শুনলেন তারপরে বললেন যে, আপনার সমস্যা সমাধান তো করাই যায়, কিন্তু আমি এখন আপনার সমস্যার সমাধান করে দিলে আমার অফিসের বাইরের পিয়ন মনে করবে আমি আপনার কাছ থেকে টাকা খেয়েছি। আপনি ওকে কিছু টাকা দিয়েন। আর আপনার কাগজ গুলা তৈরী করতে কিছু টাকা লাগবে সেইটা দিয়েন। চা এর হিসাব, গাড়ি ভাড়া ইত্যাদী আরো অনেক কিছু বলে শেষ পর্যন্ত ৩১০০০ টাকা নেয়।
বাইকের নাম ট্রান্সফার করতে গেসিলাম। প্রতিবার গেলে আমাকে বলে অন্যদিন আসতে কিংবা ফোন দিয়ে জানানো হবে। বাইকের কাগজের অনেক স্তুপ, সেখানে নাকি খুজতে অনেক সময় লাগবে। সব কিছু নিয়ে গেলে বলে কাগজে সমস্যা আরো অনেক কিছু। এভাবে ৩ মাস ঘুরার পর আমার পরিচিত এক দালাল কে ৪ হাজার টাকা দিলে ১ ঘন্টায় নাম ট্রান্সফার করে দেয় এমনকি ট্রান্সফার এর কাগজ বাসায় পৌছায় দেয়।
নতুন পাসপোর্ট কিংবা রি-নিউ সেম খরচ, না হয় একের পর এক অযথা ডুকুমেন্ট চাইবে