উপজেলা হিসাবরক্ষণ অফিস থেকে যে কোনো সরকারি/ বিল উত্তোলন
অফিসটিতে সকল ধরনের বিলে একাউন্টস অফিসারকে ৫% ঘুস প্রদান না করলে কারোর ই বিল পাস হয় না। এমনকি উক্ত উপজেলার ইউএও সহ সকলকেই ঘুস প্রদান করতে হয়।
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৭,৭৪৩ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
অফিসটিতে সকল ধরনের বিলে একাউন্টস অফিসারকে ৫% ঘুস প্রদান না করলে কারোর ই বিল পাস হয় না। এমনকি উক্ত উপজেলার ইউএও সহ সকলকেই ঘুস প্রদান করতে হয়।
আমার পারিবারিক সনদ প্রয়োজন ছিল, যেটা ওয়ার্ড কাউন্সিল থেকে বিনামূল্যে দেয়ার কথা, কিন্তু তারা আমার কাছে ৮০০০ টাকা দাবী করে, এটা না দিলে নাকি ফাইল আটকে থাকবে সিটি কর্পোরেশন এ, অফিসার নাকি সাইন করবেনা। পরবর্তীতে অফিস সহকারী মহিলা আমার থেকে ৫০০০ টাকা নেয়, আমি প্রমাণ স্বরুপ বিকাশে দিতে চাইলে মহিলা বলে, বিকাশে দিলে স্যার কে দিব কিভাবে?
জমি রেজিষ্ট্রেশন করতে যেয়ে সাব রেজিস্ট্রারকে ঘুষ দিতে হয়েছে।তাছাড়া তিনি কোন জমি রেজিষ্ট্রেশন ফাইলে সাইন করেন না।
বর্ডার ক্রস করতে টাকা লাগে। প্রথমে সোনালী ব্যংকে পরে ইমিগ্রেশন এ।
সেবাটি ছিল জমির নামজারি। সেবাটি নেওয়ার জন্য স্থানীয় ভূমি অফিসে গেলে ওনারা জানায় ১৫০০০ টাকা হলে কাজটা হয়ে যাবে। আমি একজন চাকুরিজীবী তাই ছুটি না থাকায় তাদের অবৈধ চাহিদা পূরণপূর্বক কাজটা করে নেই।
নষ্ট বৈদ্যুতিক মিটার পরিবর্তন করে নতুন বিদ্যুত মিটার পুন:স্থাপন
আমার দাদার নাম — ,, যখন আমি ও আমার বাবা জমি রেজিষ্ট্রি করতে যায় তখন আমাদেরকে দাবি করে, 1990 সালে আমাদের বাড়ি কিনা হয় এবং কর রেজিষ্ট্রেশন করার সময় দাদার রবিন্দ্র তুলে ,, তখন বাসার কেউ বেশি একটা পড়াশোনা বুঝতো না , এই একটু ভুলের কারণে এত টাকা দিতে হয়ে ছে,, এই একটা ঘটনা না আমাদের নিজের জায়গা খাজনা দিতে গিয়েও অতিরিক্ত টাকা দেওয়া লাগছে
ট্রেড লাইসেন্স করতে উল্লেখ করা টাকার পরিমাণ ১৮০০ হলেও তারা ৩৫০০ টাকা রেখেছে চা পানির খরচা বাবদ।
court case report submission by ashulia police station
নতুন ড্রাইভিং লাইসেন্স করলাম
আমাদের সম্পত্তির সাথে কিছু অংশ ভিপি সম্পত্তি হয়ে যায়। BRS জরিপে যেটা ভিপি মুক্ত হয়েছিল । কিন্তু ভূমি অফিস SA জরিপ এর উপর ভিত্তি করে অবৈধ ভাবে ভিপি সম্পত্তি লিজ দিচ্ছে। এই অবৈধ জটিলতা হওয়ার কারণে এলাকায় অশান্তি লেগেই থাকে। তাই বাধ্য হয়ে 2 একর সম্পত্তি এক বছরের জন্য ডিসিআর কেটে নেওয়া হয়। ওরা ইচ্ছা মতো হিসাব করে বলে টেবিল খরচ সহ দেড় লক্ষ্য টাকা দিবেন। বাধ্য হয়ে দিতে হয়েছে। এটা সম্পূর্ণ অবৈধ। চালনা ভূমি অফিস এর সাথে জড়িত।
SEIP প্রকল্পের আওতায় বিনামুল্যে ৪ মাস মেয়াদি ড্রাইভিং প্রশিক্ষণ দেয়া হয়। যেখানে শতকরা ৯০ জন লাইসেন্স পরীক্ষায় পাস করার যোগ্য। কিন্তু আমাদের ব্যাচ এর সবার থেকে ১৫০০ টাকা করে আদায় করা হয়। আমরা যারা নিয়মিত ক্লাস করতাম আমাদের শতভাগ নিজের উপর বিশ্বাস ছিলো যে পাশ করবো । কিন্তু প্রথমবার ওই টাকা না দেওয়ায় ফেল করানো হয় । তারপর টাকা দিয়ে নাম লেখানোয় পাশ করানো হয় । যদিও এই টাকা আমাদের নিজের পকেট থেকে দিতে হয়নি কারণ আমরা ৪ মাসে ১২০০০ টাকা ভাতা পেয়েছি। কিন্তু যারা সরকারি প্রকল্পের ছাত্র নয় তাদের কাছ থেকে ৩০০০ টাকা পর্যন্ত আদায় করা হয়ে থাকে । এই ঘটনা ২০২৩ সালের (বিআরটিএ জোয়ার সাহারা) ।
given to staffs of City corporation office in uttara for Trade license. Tells, you have lots of problem in application, do it again and again. then ask for money 2500/- to solve the problem. I got license a weeks before
পুলিশ ক্লিয়ারেন্স এর কাগজ জমা দেওয়ার জন্য যাওয়ার পর, তখন পুলিশ বলে যে তার এগুলো জমা দেওয়ার জন্য কিছু খরচ আছে তাই তাকে টাকা দেওয়া লাগবে। তাকে যখন বলি অনেকেই তো টাকা ছাড়াই জমা দিয়েছেন, তখন বলে এটা মিথ্যা কথা। তারপর টাকা দেওয়ার পর সে জমা নিয়েছে
চট্টগ্রাম পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-১ এ নতুন সংযোগের জন্য ২ টি খুৃটির আবেদন করেছি প্রায় ৬০ হাজার টাকা। যেটা সরকারি খরচের বাইরে।।ইনঞ্জিনিয়ার ঠিকাদার ঠিক করে দেওয়ার পর সে তৃতীয় পক্ষ বা দালালের মাধ্যমে আরো ১৩ হাজার টাকা দাবি করে। দর কষাকষির পর ১০ হাজারে রাজি হয়। দালালকে আলাদা খুশি করতে সেও ২-৩ হাজার টাকা দাবি।।এখনো খুঁটির মুখ দেখিনি। হয়তে আসবে তবে খরচ হবে অনেক।
পাসপোর্ট আবেদন করার সময় স্থায়ী ঠিকানা কক্সবাজার দেয়ার কারণে অযথাই আবেদন গ্রহণ করেনা, বাধ্যতামূলক কক্সবাজার থেকেই আবেদন করায়। কিন্তু বিকাশে ফি দেয়ার কারণে অলরেডি অনলাইনে সাবমিট করা আবেদন বাতিল করলে পুরো টাকাই (আবেদন ফি) বাতিল হয়ে যায়। চট্টগ্রাম - কক্সবাজার বেশ কয়েকবার যাওয়া আসা করার পর শেষ চেষ্টা হিসেবে আবার চট্টগ্রাম পাসপোর্ট অফিস যাই। আনসার একজন কে তিন হাজার টাকা (নিজ থেকে অফার করে) দেয়ার পর magically আবেদন গ্রহণ হয়ে যায়।
ভালো মানের চিকিৎসার জন্য নবজাতক বাচ্চার একটা NICU তে সিট খুজতে ছিলাম,বেশ কয়েকদিন ধরে, স্বাভাবিক সকল প্রক্রিয়া সম্পন্ন করলেও সিট খালি থাকা সত্ত্বেও সিট বরাদ্দ দিচ্ছিল না,পরে ওখানের এক দায়িত্বরত আনসার এক দালালের নাম্বার দেয়,তার সাথে যোগাযোগ করে একটা সিট বরাদ্দ নেই,সে ঘুষ চেয়েছিল ১৫০০০ হাজার,আমি ১৪০০০ হাজার দিয়েছিলাম।আমি ঘুষ দিতে বাধ্য হয়েছিলাম, কারণ বাচ্চার জরুরি ভিত্তিতে ভালো চিকিৎসা দরকার ছিল।
নির্বাচন অফিস কতৃক আমার এনআইডি কার্ডে বয়স ভুল করছে। ১৯৬৭ এর জায়গায় ১৯৭৬ দিয়েছে । একটা ভুলের কারণেই তারতম্য ১০ বছর। অনলাইনে দীর্ঘদীন আবেদন করে অপেক্ষা করছি কোন ফলাফল নেই। ঢাকা নির্বাচন অফিস কিংবা হটলাইনে কল দিলে বলে মোবাইলে এসএমএস পাবেন। ৮/৯ মাস হয়ে গেছে অলরেডি । এই বয়সের জটিলতার কারণে দীর্ঘদিন যাবত বেতন আটকে আছে। পরবর্তীতে একজন মাধ্যমের সাথে যোগাযোগ করা হয়। উনাকে ৮০ হাজার টাকা দেওয়া হয়েছে । ২ মাস থেকে প্রতি সপ্তাহে কাজ হ্চ্ছে। বাট এখনো শেষ হয় না। আমার বৈধ আবেদন ।সপক্ষে সকল ডকুমেন্টস আপলোড করেছি তারপরো হচ্ছে না। কবে বাংলাদেশে সবকিছু সহজ হবে?
ভূমি অফিসে জমি খারিজ জনিত বিষয়ে আমার কাছে ৩০০০০ টাকা দাবি করে ভূমিক কর্মকর্তা।
আমাকে ঘোরানো হয়, কৌশলে টাকা চাওয়া হয়, নায়েব সাহেব তো নিয়েছেন, তার সাথে চৌগাছা ভূমি অফিসের নিচে বসা দুই কর্মচারিও, এনারা ইনিয়ে বিনিয়ে তাদের চা নাস্তা খরচ চায়