ড্রাইভিং লাইসেন্স
ড্রাইভিং লাইসেন্সে পাশ করার পরে লিখিত এবং ভাইভা পরীক্ষা তারা ইচ্ছা করে আমাকে জিগজ্যাক বালুর মধ্যে দিয়ে ফেল করেছিল। পরে তারা টাকা দাবি করে টাকা দেওয়ার পরে আমাকে পাস করিয়ে দেয়।
18,531 bribery reports filed by citizens — search, filter, and switch between list and grid.
ড্রাইভিং লাইসেন্সে পাশ করার পরে লিখিত এবং ভাইভা পরীক্ষা তারা ইচ্ছা করে আমাকে জিগজ্যাক বালুর মধ্যে দিয়ে ফেল করেছিল। পরে তারা টাকা দাবি করে টাকা দেওয়ার পরে আমাকে পাস করিয়ে দেয়।
একটি আবেদন জমা দিতে গিয়েছিলাম, সচিব বরাবর। আমাকে সচিবালয়ের চিঠি গ্রহণ গেট এ যেতে বলা হয়। আবেদন জমা নেবে না। কারণ এটার সাথে রায়ের কপি ছিলো। ৫০০ টাকা দিতেই হবে, কারণ এ সব চিঠি তাদের জমা নেয়া নিষেধ। পরে ২০০ টাকায় দফারফা করে জমা দিয়েছি। কারণ আমি জমা দিতে বাধ্য।
কারিগরি শিক্ষা বোর্ডে সার্টিফিকেট কারেকশন করার সময় আমার কাছে ১০০০ টাকা চাওয়ার পর অনেক ঘটনা ঘটবার পর ৫০০ টাকা রাখছে।
ঘুষ ছাড়া ফাইল এপ্রুভ করতে চায়নি। পরে বাধ্য হয়ে দিতে হয়েছে।
পরীক্ষায় ইচ্ছে করেই ফেইল করিয়ে দিয়েছে পরে টাকা দিয়ে পরিবর্তন করিয়েছি
Basically, trade license korar shomoy bollo, 4700 taka lagbe, then trade license er copy te asche je 5000 taka lagbe and porer bochor renew korte 7000 taka lagbe, shekhane amar theke 9500 newa hoyeche nibondhon korar jonno, prothomdike taka na deway 1 week amake ghuray, je ajk peye jabe klk peye jaben bole, next week je 9,5 porishod korar por trade license 10 min er modhdhe diye dey. eta chilo head clerk and tar assistant. ghotona from mohammadpur.
রেজিষ্ট্রীতে প্রতি লাখে ১% ঘুস নেয়। এটি একটি ওপেন সিক্রেট
ট্রেন এর টিকিট কেটে ঢাকা টু চট্টগ্রাম যাবার সময়, আখাউড়া টু লাকসাম এর টিকিট কাটতে ব্যার্থ হয়। কোনোভাবেই ব্যবস্থা করতে না পেরে অগত্যা এক স্টেশন টিকিট ছাড়ায় যাবার সিদ্ধান্ত নেই। আখাউড়া আসার পর আমাদের সিট এর দিকে এটেন্ডেন্ট চলে আসে। তারাই মূলত এই টিকিট কেটে নেই। যাত্রীদের থেকে টাকা উশুল করতে। সেম বগিতেই আমাদের লাকসাম টু চট্টগ্রাম এর টিকিট কাটা ছিলো। চট্টগ্রাম গিয়ে নামলাম, গেট পাস হতে এবার ধরলো টিটি। আবার ২০০ টাকা নিলো কোনো রশিদ ছাড়ায়। কারন আমাদের কাছে টিকিট আছে লাকসাম টু চট্টগ্রাম কিন্তু টিকিট কাউন্টার থেকে নিয়েছি ঢাকায়। এখনও এই সিস্টেম বাজ রা বাংলাদেশ রেল এ আছে কিনা জানার ইচ্ছা আছে। ২০২২ এর ঘটনা।
২০২৩ সাল। মহাখালি ব্র্যাকের সামনে। রাত ১০টার দিকে পুলিশ বাইকে করে এসে হুট করে রাস্তায় গাড়ি থামিয়ে বলে আমাকে অনেকক্ষণ ধরে সিগনাল দিচ্ছে, আমি থামিনি। তাড়াহুড়ায় ছিলাম, ওয়াইফ রাস্তায় অপেক্ষা করছিল আমার আসার। পুলিশ চা-নাস্তার টাঁকা চেলো। মানি ব্যাগে হাত দেওয়াটাই ভুল ছিল। বের করে দেখি ছোট নোট নেই। ১০০০ টাকার নোট হাতে নিয়ে অন্য নোট খুজা শুরু করলাম। উনি ওই নোটটাই টান দিয়ে নিয়ে বললেন 'চলবে'।
গত ৩রা আগস্ট দিবাগত রাত আনুমানিক ৪ টায় নিটোর / পংগু হাসপাতালের জ্যাজুয়ালিটু অপারেশন থিয়েটার এ সিরিয়াল এর জন্য প্রথমে দারোয়ান / আনসার কে ২০০ দিতে হয়৷ তার পর রোগীকে ভিতরে নেয়ার পর একটু পরে একটা ছেলে এপ্রোন পরা ভিতরে থেকে এসে বলে রোগির পায়ে যে মেটাল পিন দিতে হবে তার সাপ্লাই নেই এজন্য তাকে আরো ৫০০ টাকা অবশেষে অপারেশন হওয়ার পরে রিকভারি রুমে অপর একজন ওয়ার্ড বয় বয়স ৪০/৪৫ হবে সে আবার ২০০ দিলে কোন মতে একটা ওয়ার্ড এর এক চিপায় রোগি সহ ট্রলি রাখার একটু জায়গা দেয়। মোট কথা আনসার, ওয়ার্ড বয় এরাই বেশী ধান্দা বাজ। কিন্তু নার্স / ডাক্তার রা খুব ভাল ও হেল্পফুল ছিল৷
অনলাইনে আবেদন করে সবকিছু রেডি করে অফিসে গেছি। কি জানি একটা ভুল ধরল, ওইদিন চলে আসলাম। পরের দিন একজন পীরের সাথে যোগাযোগ হল এবং ১৫০০ টাকা হাদিয়া দিলাম। ব্যাস। একেবারে ছবি তুলে ফিঙ্গার দিয়ে চলে আসলাম ওই একই কাগজপত্র দিয়ে।🤣🤣😅😅
ভূমির নামজারি করতে গিয়ে ৬০০০ হাজার টাকা ঘুষ দিয়েছি।
কোর্টের একটি মামলার জন্য তদন্তকারী কর্মকর্তা ১২০০০ টাকা ঘুষ নিয়েছে যাতায়াতের খরচাপাতি বাবদ।
BDS joripe khatian ghush Chara kore dey na. Office theke spot e ashar jonno ghush nise, jodio se TA DA pabe. Officer er nam —, mobile 01*77*55117 . Jhilongjha, cox'sbazar Sadar. Karo karo kase se lakh taka ghush O khaise, BDS khatiane korte giye.
নতুনভাবে সিটি কর্পোরশনের আন্ডারে যাওয়ার পর ভুল এসেসমেন্ট করে ট্যাক্স বেশি ধরছে। ওইগুলা নিয়ে দৌড়াদৌড়ি করার পর বিভাগীয় কমিশনারের কাছ থেকে একটা বিশেষ ছাড় পাওয়া যায় ট্যাক্সে সেটা করার জন্য ঘুষ দেওয়া লাগছে।
প্রতিটি সাব রেজিস্ট্রার অফিসেই ৭০০০ করে দিতে হয়েছে, যেহেতু আমাদের কয়েকটি ইউনিয়নএ জমি। ১ টা জমি "ভুলে" বাদ পড়ায় আবার দিতে হয়েছে। যদিও সেটা এখানো করেনি
ফটিকছড়িতে কর্মরত ডিএসবি — চাকরির পুলিশ ভেরিফিকেশনের সময় ২০ হাজার থেকে ১ লাখ টাকা দাবি করে। সব কাগজপত্র দেওয়ার পরেও কাউকে জঙ্গি বলা, কারো কাগজপত্রে অকারণে ভুল ধরে হয়রানি করে। অত্যন্ত খারাপ ব্যবহার করে। চাওয়া অর্থ না দিলে চাকরি খেয়ে ফেলার হুমকি দেয়। ফটিকছড়ি উপজেলার ডিএসবি —র দ্বারা সকল চাকরির ভেরিফিকেশন প্রার্থী হুমকির মুখে। সে হোয়াটস অ্যাপে কল দেয়, যেনো কল রেকর্ড করা না যায়। তার নম্বর: +880 1712-598998
আমি নতুন করে ট্রেড লাইসেন্স করতে গিয়ে ডকুমেন্টস এর কথা জানতে চাই আমাকে বলে আপনের কিছু করা লাগবে না, শুধুমাত্র ছবি আর এনআইডি দিয়ে জান আর ৪০০০ টাকা দেন বাকি সব আমি করে দিতেছি।
পাসপোর্ট করতে হবে, টাংগাইল গেলাম, তারপর জিবরাঈলের মতো কিছু দরবেশ বাবা এলো এসে বল্লো একা একা করতে পারবেন না অনেক সমস্যা হবে, তারপরে খোজ খবর নিয়ে দেখলাম ঘনটা সাত্য, কিন্তু স্বাক্ষী দুর্বল, মানে তারা যে দরবেশ বাবার মাধ্যমে টাকা খাচ্ছে সবাই জানে কিন্তু কেউ কিছু বলবে না স্বীকার ও করবে না,, তারপর নিজেই একবার চেষ্টা করলাম কাজ হলো না,,তখন বাধ্য হয়ে জিবরাঈলের মতো উড়ে আসা দরবেশ বাবার সাথে যোগাযোগ করলাম তিনি প্রথমে ৯৫০০ চেয়েছিলো,, পরে দেখে যে আমি আবেদন করে ফেলছি তারপর তিনি ১৫০০ টাকা হাদিয়া নিয়ে আমাকে বল্লো হাসরের মাঠে যাবো আমাকে ফলো করো,, যেই কথা সেই কাজ তাকে অনুসরণ করলাম কোনো সিরিয়াল নাই, কাগজে কোনো ভুল নাই কোনো সমস্যা নাই সবার আগে আমার কাজ হয়ে গেলো,,
আমার মা ব্রাহ্মণবাড়িয়া সরকারি হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন। যখন আমি তাদের কাছে ক্যাবিন চেয়েছিলাম, তারা আমাকে বলেছিল যে তখন কোনো ক্যাবিন পাওয়া যাচ্ছে না। কিছুক্ষণ পর, একজন মহিলা, যিনি হাসপাতালে পরিষ্কারকর্মী ছিলেন, আমাকে বললেন যে যদি আমি তাকে ১০০০ টাকা দিই তবে তিনি আমাকে একটি ক্যাবিন দিতে পারবেন, কিন্তু আমি তা অস্বীকার করেছিলাম। তারপর তিনি আবার ৪০০ টাকা চাইলেন, এবং আমি তাঁকে ৪০০ টাকা দিলাম; তখন তিনি আমাকে একটি এসি দিলেন, যা পুরোপুরি খালি ছিল, কিন্তু কর্তৃপক্ষ আমাকে বলেছিল যে তখন কোনো ক্যাবিন পাওয়া যাচ্ছিল না।