কাস্টমস বন্ড
প্রতিষ্ঠানের বাৎসরিক অডিট
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৮,৫৩১ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
প্রতিষ্ঠানের বাৎসরিক অডিট
পুলিশ ভেরিফিকেশন বাবদ— একবার প্রাইমারির নিয়োগ অন্যবার ‘পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় বিভাগে’ দুইখানে ৩০০০ করে ৬০০০ টাকা ঘুস নেয়! কোনো দোষত্রুটি না পেয়েও বাবা-মায়ের আইডির ভুল ধরে ২য়টির জন্য ১০,০০০ টাকা দাবি করে! অনেক তেল মেরে বাবা-সোনা বলে আমার আম্মা ৩০০০/ দিয়ে বিদায় করে। প্রাইমারির জন্য এসে সরাসরি ৫০০০/ দাবি করে; ৩০০০ দিয়ে কাজ শেষ হয়!
কাগজ পত্র সব ঠিক থাকার পড়েও আমার আবেদন বার বার বাতিল করে তারপর পিয়ন কে দিয়ে ১০ হাজার দেয়ার পর জমি খাজির হয়
দোকান রেজিস্ট্রেশন বাবত ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন কর অঞ্চল ৫
ড্রাইভিং লাইসেন্স পরীক্ষায় পাস করার জন্য ৩০০০ টাকা দিতে হবে।অন্যথায় ফেল করে দেওয়া হবে।আমি সব পরীক্ষা ভালো দিয়েছিলাম, পাস ও করেছি তবুও দিতে হবে
সেবাটি ছিল ভুমি অধিগ্রহণের জন্য ক্ষতি পুরন। ক্ষতিপূরণের জন্য যথাযথভাবে আবেদন করার পরও ২ বছর ফাইল প্রসেস করে নাই। প্রতি মাসে একবার করে দেখা করি। যত টাকা পাবো তার ২৫% টাকা দাবি করে। উপায়ন্তর না দেখে ১৫% এ রাজি হই।
আমি ভূমি নামজারি করার জন্য গিয়েছিলাম
বাংলাদেশ এক্সপার্ট প্রমোশন ব্যুরো (EPB) তে এক্সপার্ট রিলেটেড কাজ যেকন SAFTA করাতে গেলে প্রতিটি ডকুমেন্টস সিল এবং সিগনেচার বাবদ ২৫০ টাকা কারওয়ান বাজার অফিসে এবং নারায়ণগঞ্জ অফিসে একই কাজের জন্য ২০০ টাকা ঘুষ দিতে হয়। এছাড়া তারা সিগনেচার দেয়না। এছারা প্রতি ইদেও তারা ইদ বোনাসের নাম করে অনেক টাকা দাবি করেন।
Driving licences and Digital Registration Certificate
ইউনিয়ন ভূমি অফিসে নামজারি করার জন্য যাই সেখানে নামজারি করার জন্য আমার কাছে ১১ হাজার টাকা চাওয়া হয় এবং ১১ হাজার টাকা দেওয়ার পরও এখনো আমার কাজ হচ্ছে না
একটা জমি নামজারি করার জন্য ৭০০০ টাকা নিয়েছে। আমাদের নামজারি করা দরকার ছিল তাই করে নিয়েছি। জমির কাগজপত্র সব একদম ঠিকঠাক ছিল।তারপরেও এত টাকা নিয়েছে একটা জমি নামজারি করতে।
Driving licence BRTA not approved 😪
আমার চাচা বিদেশে থাকেন উনার জন্য অবিবাহিত সনদ উত্তোলনের জন্য গেলে আমাকে প্রথমে এই কাগজ সেই কাগজ বলে অনেক দিন হয়রানি করা হয় পরবর্তীতে একজন আমাকে ২০ হাজার দাবী করে & ১৩ হাজার টাকায় কাজ টি করাতে হয়ে ইমার্জেন্সি ছিলো বিদায়। এই সময় ডিসি সারওয়ার সাহেব আমাদের জেলা প্রশাসক ছিলেন
ওয়ারিশন সনদ এর জন্য ৬০০০টাকা দাবী করে এবং কম নিতে বলায় পেপার ছুড়ে টেবিলে ফেলেছেন । প্রায় ১.৫ মাস সময় নিয়ে ৮-১০ বার অফিসে গিয়ে তারপর কাগজ হাতে পাই।
10 year er passport korte 5700 tk lage but dalal chara kora jay na. Dalal odr sathe linked up.extra tk dile sob kora jay
প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় এর অধীন কুমিল্লা জেলার নাঙ্গলকোট উপজেলা শিক্ষা অফিস এর একাউন্টস অফিসে মেডিকেল বিল,এরিয়া বিল করতে গেলেই টাকা দিয়ে কাজ করাতে হয়।গত বছরের শেষের দিকে ৩৮,০০০টাকার একটা বিল করতে ৬০০০টাকা ঘুষ দিতে হয়েছে। নাঙ্গলকোট উপজেলা শিক্ষা অফিস এর পিয়নরা ঘুষ নেওয়ার জন্য বিখ্যাত।
আমি পীরগাছা ভুমি অফিসে নকল দলিল তুলতে গেছিলাম। সরকারী হিসেবে ৬০টাকা হলেও ২০০০ টাকার নিছে এখানে দলিলের নকল পাওয়া যায় না। প্রতি সপ্তাহে ১০০-৩০০ দলিল উত্তোলন হয়। সবাই টাকা দিয়েই করে। না হলে নকল উঠানো যায় না।
ওয়ারিশান পেপার এর জন্য সরাসরি দাবি করেছেন এবং কম নিতে বলায় ফাইল ছুড়ে টেবিলে ফেলেছেন। প্রায় ১.৫ মাস পরে পেপার পেয়েছি।
বেতন চালু করার জন্য এই টাকা দিতে হয়েছে
মোহাম্মদপুরের ট্রেড লাইসেন্স অফিসে গেলে ঘুষ ছাড়া কোনো কাজ হবেই না, বিশেষ করে কর্মকর্তাদের কাছে গেলে তারা দালাল ধরায় দেয়।