Quarterly Tax Return Submission
During monthly tax return submission, tax office employee demanded 20000-30000 taka only to record it in their book of entry otherwise they'd hold the return which would cause a penalty.
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৮,৫৩১ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
During monthly tax return submission, tax office employee demanded 20000-30000 taka only to record it in their book of entry otherwise they'd hold the return which would cause a penalty.
পাসপোর্ট ভেরিফিকেশনের জন্য পুলিশ টাকা নিয়েছিল, টাকা ছাড়া ভেরিফিকেশন করতে চাইনি।
Demanded a bribe of 3000 BDT around 1 AM at Gulshan checkpost due to finding a rolling paper in my wallet. This is from two years ago but yet warrants reporting
ইচ্চেক্ক্রিত দাবি। টাক্স অডিটে দেয়ার হুমকি
১১৭০ টাকার নামজারী করতে ১৬০০০ টাকা নিলো। আমরা দুইজন করেছিলাম, একজন টাকা ঘুষ দিছে, একজন দেয়নি। সাতদিনেই ঘুষের টাকা দেয়াজনের নামজারী ও খাজনা কমপ্লিট। বাকি জনকে নামঞ্জুর করে দিছে। একই বিল্ডিং, একই জমি, একই কাগজ!!!
টাকা না দিলে পাসপোর্ট দিতে লেইট হবে বলে দুটি পাসপোর্টের জন্য ১০,০০০/- টাকা নেয় এজেন্ট । এজেন্ট তারপর কাকে টাকা দেয় সেটা জানার চেস্টা করিনি
without money they will give false reports and delaying and to avoid harassments
Tender Bill withdraw from BIWTA
নরসিংদী সদরের প্রবাসে যাওয়ার জন্য ফিংগারপ্রিন্ট দেওয়ার সময় ১০০/- করে সকলের কাছ থেকে নিছে, ২০২৩/ সালে তবে এখনও এটা চালু আছে কি না আমার জানা নেই।
নতুন জমি কিনেছিলাম । কিনার পর নামজারি করতে গেলে বলে ১৫০০০ টাকা লাগবে । আমি জানি যে সরকারি ফি ১১৭০ টাকা ।ভেবেছিলাম হয়তো কত আর লাগবে ৩-৪ হাজার টাকা হয়তো । শেষ মেশ ১৩ হাজার টাকায় করাইতে হইছে । কি একটা জুলুম চিন্তা করেন । অনলাইন করে , এখন হয়রানি আরো বেশি
আগে লাইসেন্স রিনিউ করতে ফি লাগত সরকারি ফি ৫০০ টাকা+ ঘুষ ৩০০০ টাকা। কিন্তু এই বছর লাইসেন্স এর উপর সরকারী ফি বসিয়েছে অতিরিক্ত ১৫০০০ টাকা আর ঘুষ দাবি করছে ১০০০০ টাকা।
রাজশাহী মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের বালি ভরাট কাজটি পাওয়ার জন্য ২৫ লক্ষ টাকা রাজশাহীতে গিয়ে ঘুষ দিয়েছি
পাসপোর্ট এর সকল কাগজ ঠিক থাকার পরে ও বাহানা করে বাতিল করা হয়, পরে অফিস থেকে বের হইবার সময় বাহিরে দায়িত্বরত কিছু পুলিশ আমাকে ডেকে পাশে নিয়ে বলে এইগুলো কোনো ব্যাপার ই না ১৫০০৳ দিলে তোমার কোনো লাইনে ও দারাতে হবে না সোজা গিয়ে ছবি তুলবা ও fingerprint দিয়ে চলে আসবা। আমার দেখা মতে ১০ জনের ভিতরে ৭-৮ জন ই সেইম সিস্টেম এ হয়রানি হচ্ছে।
trade license renewal
সেপ্টেম্বর মাসে ৬ষ্ঠ গণবিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে নিবন্ধনধারীদের উচ্চবিদ্যালয়ে নিয়োগ করা হয়। MPO আবেদন করার জন্য ফাইল পাঠানো হলে থানা শিক্ষা অফিসার, অপর্যাপ্ত লিখে সেটি রিটার্ন করে দেয়। পরবর্তীতে প্রধান শিক্ষকের সহায়তায় তিনি বিদ্যালয় পরিদর্শনে আসেন। এবং তাকে জানিয়ে দেন ঘুষের ব্যপারটা। MPO আবেদনের জন্য মাধ্যমিক থানা শিক্ষা অফিসার ১০০০ এবং এরিয়ার আবেদন বাবদ ২০০০ টাকা মোট ৩০০০ টাকা তিনি ঘুষ নেন। ৩ জন নতুন শিক্ষক ঘুষ প্রদানে বাধ্য হয়েছি। ঘুষের পরিমাণ ছিলো ৯০০০ টাকা। থানা শিক্ষা অফিসারকে না দিলে তিনি কোনভাবেই MPO ফাইল ও বকেয়ার ফাইল এপ্রোভ করতেন না। তাছাড়া থানা শিক্ষা অফিসের পর জেলা শিক্ষা অফিসে ১০০০+১০০০ টাকা দিতে হয়েছে। জেলা শিক্ষা অফিস মাসের পর মাস ফাইল আটকে রাখে এবং শেষ সময়ে পাঠিয়ে দেয়।
পাসপোর্ট ভেরিফিকেশনের সময় আমার কাছে সরাসরি ঘুষ চাওয়া হয়। আমি রাজি না হওয়ায়, পাসপোর্ট আটকে রাখাসহ নানা রকম হয়রানির কথা বলে। পরবর্তীতে বন্ধুর কাছ থেকে বিকাশে ১০০০ টাকা ধার করে পরিশোধ করতে হয়েছে।
২০২৪ এর ঘটনা। পাসপোর্ট নবায়ন এর আবেদন করি অনলাইনে কিন্তু প্রথম appointment মিস করি। অফিসার বল্লো কোন ভাবে সম্ভব না। অনলাইন পোর্টালেও এই ধরনের সমস্যা সমাধানের সহিজ কোন উপায় নেই। দালাল কে ১৫০০টাকা দেয়ার পর ঠিকই সাবমিট করে দিল কোন সমস্যা ছাড়া। এর পর সব সাভাবিক তবে কিছুদিন পর একজন নিজেকে ইন্সপেক্টর দাবি করে খরচা চাইলো, ৫০০ দেয়ার পর আরো ২০০০ চাইলো, এর অনেকদিন পর নিজ জেলা থেকে একজন মহিলা নিজেকে কর্মকরতা দাবি করে আবার টাকা চাইলো, তাকেও ৩০০০ টাকা দিলাম। বিদ্র : তাদের টাকা দেয়ার পর যথারিতি এসএমএস ও ফাইল স্টাটাস আপডেট হয়েছিল। আমি সময়ের অনেক আগেই কোন ঝামেলা ছাড়া নতুন পাসপোর্ট পেয়েছি। পাসপোর্টের বর্তমান ঠিকানা ও বৈবাহিক অবস্থা পরিবর্তন করা হয়েছে। কোথাও কেউ আটকায়নি বরং কিছু ক্ষেত্রে লাইনের আগে দিয়ে
ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের, সেবাটি ছিল হোল্ডিং ট্যাক্স পরিশোধের বিষয়ে, আমি যখন বাৎসরিক হোল্ডিং ট্যাক্স পরিশোধ করতে যাই তখন আমাকে জানায় আমার হোল্ডিং ট্যাক্স প্রায় চার গুণ বেড়ে গেছে এবং তাদেরকে যদি ঘুষ দেওয়া হয় তাহলে তা আগের মত অথবা কিছুটা বেশি করবে, এমত অবস্থায় আমার কাছে ৩ লক্ষ টাকা দাবি করে পরে তা দুই লক্ষ টাকায় দফারফা করে,
দুর্নীতির মামলায় হয়রানিমূলক ভাবে জড়িয়ে, পরে টাকার বিনিময়ে আসামির তালিকা থেকে নাম বাদ দেওয়ার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল। মামলা চলাকালীন সময়ে আমার বেতন স্থগিত আছে । এইভাবে চলতে থাকলে দীর্ঘমেয়াদে আমার পক্ষে সংসার চালানো অসম্ভব হয়ে পড়বে। তাই বাধ্য হয়ে দিতে হলো।
বাড়ির জায়গা সংক্রান্ত মামলায় ইনজাংশন জারি করলে, রায় পাইয়ে দেওয়ার কথা বলে ১ লক্ষ টাকা দাবি করে এবং ৭০০০০ টাকা নেয়। টাকাটা নেয় জজের কথা বলে তার পেশকার।