সব রিপোর্ট

নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৮,৫৩১ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।

১৩,০১৩ টি রিপোর্ট পাওয়া গেছে
ঘুষ রিপোর্ট করুন
ঘুষ দিয়েছি অন্যান্য সরকারি দপ্তর ৳৩.০০ লাখ

দুদক

দুর্নীতির মামলায় হয়রানিমূলক ভাবে জড়িয়ে, পরে টাকার বিনিময়ে আসামির তালিকা থেকে নাম বাদ দেওয়ার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল। মামলা চলাকালীন সময়ে আমার বেতন স্থগিত আছে । এইভাবে চলতে থাকলে দীর্ঘমেয়াদে আমার পক্ষে সংসার চালানো অসম্ভব হয়ে পড়বে। তাই বাধ্য হয়ে দিতে হলো।

রাজশাহী, রাজশাহী ২৩ আগস্ট ২০২৬ ১ বার দেখা হয়েছে
মন্তব্য
ঘুষ দিয়েছি অন্যান্য সরকারি দপ্তর ৳৭০.০ হাজার

দেওয়ানী মামলা

বাড়ির জায়গা সংক্রান্ত মামলায় ইনজাংশন জারি করলে, রায় পাইয়ে দেওয়ার কথা বলে ১ লক্ষ টাকা দাবি করে এবং ৭০০০০ টাকা নেয়। টাকাটা নেয় জজের কথা বলে তার পেশকার।

গোপালগঞ্জ সদর, ঢাকা ২৩ আগস্ট ২০২৬ ১ বার দেখা হয়েছে
মন্তব্য
ঘুষ দিয়েছি ভূমি অফিস ৳৩.০ হাজার

দলিলের নকল

জমির নকল দলিল নেয়ার জন্য ৩০০০ টাকা দাবি করা হয়। কিন্তু সরকারি খরচ যেখানে ৮০০-১২০০ টাকা হয়ে থাকে।

নোয়াখালী, চট্টগ্রাম ২৩ আগস্ট ২০২৬ ১ বার দেখা হয়েছে
মন্তব্য
ঘুষ দিয়েছি অন্যান্য সরকারি দপ্তর ৳৭.০০ লাখ

ভূমি অধিগ্রণ এর ক্ষতিপূরণ আদায়

রাস্তা সম্প্রসারণ এর জন্য ভূমি অধিগ্রহণ করা হয়েছে । এর ক্ষতি পূরণ আদায় করার জন্য ভূমি অধিগ্রহণ অফিসে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র দাখিল করা হয়েছে । এর পরেও কাজ হচ্ছিল না । পরে একজন সার্ভেয়ার অফার করে ১১% ঘুষ দিলে টাকা পাওয়া যাবে । ২৩ লাখ টাকা ক্ষতিপূরণের জন্য প্রায় সাড়ে ৫ লাখ টাকা ঘুষ দেয়া হয়েছে । চেক ও হয়ে গেছিল । পরে তাদের নিজেদের ভাগাভাগির গন্ডগোলের কারণে চেক আটকে দেয় ।এখনও টাকাটা পাওয়া যায়নি ।

Cox’s Bazar, চট্টগ্রাম ২৩ আগস্ট ২০২৬ ১ বার দেখা হয়েছে
মন্তব্য
ঘুষ দিয়েছি ভূমি অফিস ৳১০.০ হাজার

নামজারি

ভূমি অফিসে গিয়ে প্রথমে দলিল তোলার চেষ্টা করেছিলাম। কোন ব্যক্তি সাহায্য বা সঠিক তথ্য দেয়নি। এরপর নামজারি করার প্রক্রিয়া জানতে গিয়ে বুঝলাম, এখানে টাকা ছাড়া কেউ কথা বলে না। পরে, এক অফিস সহকারীকে ঘুষ দিয়ে কাজ করিয়েছি। পরে জানতে পারি, সে কোন প্রয়োজনীয় ডকুমেন্ট ছাড়াই এই কাজ করেছে, যেখানে সাধারণ মানুষ একই কাজ করতে গেলে ও ডকুমেন্টগুলো ছাড়াও আরো অনেক কিছু দিতে বলে। যেটা কেবলই হয়রানি করার জন্যে।

রাঙ্গুনিয়া, চট্টগ্রাম ২৩ আগস্ট ২০২৬ ১ বার দেখা হয়েছে
মন্তব্য
ঘুষ দিয়েছি অন্যান্য সরকারি দপ্তর ৳২৫০

Export Promotion Bureau EPB, C.O.

Export Promotion Bureau EPB issues Certificate of Origin CO for Export, they receive black money to issue this certificate, Black money receiver: Officer who sign (—) Peon who give reference number (—) Peon who give seal Location: Karwan Bazar, TCB building 4 th floor.

Dhaka, ঢাকা ২৩ আগস্ট ২০২৬ ১ বার দেখা হয়েছে
মন্তব্য
ঘুষ দিয়েছি ভূমি অফিস ৳১.৫ হাজার

ভূমি উন্নয়ন কর

ভূমি উন্নয়ন কর দেবো, তাই আগে প্রতিনিধি পেমেন্ট অপশন থেকে ৩ বছরের বকেয়া ৬০ টাকা দেখি। যখন খতিয়ান যুক্ত করার জন্য আবেদন করি তখন সংশ্লিষ্ট ভূমি কর্মকর্তা ১৯ বছরের বকেয়া দিয়ে ১৫০০ টাকা করে অনুমোদন দেয়।

নেত্রকোনা জেলার খালিয়াজুরী উপজেলার একটি ইউনিয়ন, ময়মনসিংহ ২৩ আগস্ট ২০২৬ ১ বার দেখা হয়েছে
মন্তব্য
ঘুষ দিয়েছি অন্যান্য সরকারি দপ্তর ৳১.০ হাজার

শিপিং অফিস / সাইন অফ

সাইন অফ করার জন্য দিতে হয়েছে। না দিলে ২/৩ দিন ঘুরায়। প্রচুর নাবিক ভুক্তভোগী

চট্টগ্রাম, চট্টগ্রাম ২৩ আগস্ট ২০২৬ ১ বার দেখা হয়েছে
মন্তব্য
ঘুষ দিয়েছি পাসপোর্ট অফিস ৳২.৫ হাজার

নতুন পাসপোর্ট তৈরি

সকাল ৯ta থেকে ৫ta পর্যন্ত লাইন এ দাড়িয়ে কাগজ নেই এইটা নেই সেইটা নেই করছিল পরে দালাল ধরেছি আম্র কাগজ এর উপর একটা রিফেন্স এ স্টিকার দিয়ে ইমেল বসিয়ে দিয়েছিলো বাস সব কাগজ জমা নিয়ে বলল ফিঙ্গার প্রিন্ট দিন

Dhaka, ঢাকা ২৩ আগস্ট ২০২৬ ১ বার দেখা হয়েছে
মন্তব্য
ঘুষ দিয়েছি ভূমি অফিস ৳২৫০

জমির কাগজ তোলা

জমির প্রিন্ট পরচা তুলতে গিয়েছিলাম । বলে বিতরণের ডেট শেষ । এখন তুলতে গেলে 500 টাকা লাগবে। অথচ সরকারি ফি 140 টাকা । পরে অনেক জোরাজুরি করে 400 টাকায় মিটমাট করছি ।

বগুড়া, কালিতলা, রাজশাহী ২৩ আগস্ট ২০২৬ ১ বার দেখা হয়েছে
মন্তব্য
ঘুষ দিয়েছি সিটি কর্পোরেশন ৳২.০ হাজার

হোল্ডিং ট্যাক্স

ডেমরা অর্থাৎ ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের ৬৮ নং ওয়ার্ডের কর অঞ্চল ৮ এর উপর এরা পুরো অফিস সংঘবদ্ধভাবে জুলুম চালাচ্ছে। ২০২০ সালে এরা প্রথমে উচ্চ হারে হোল্ডিং ট্যাক্সের দাবি জানিয়ে যায়। কিন্তু অনুন্নত এলাকা বলে এখানে বাড়ির আয় ঢাকার অন্যান্য এলাকা হতে নেহাতই কম। এরা নিজেরাই প্রস্তাব দেয় প্রতি বাড়ি থেকে গড়ে ১০,০০০ টাকা খরচ দিলে এরা এই হোল্ডিংয়ের বিপরীতে দুইটি মামলা চালাবে। গ্রাহকরা নিজেরাও খরচ কমানোর মামলা ব্যক্তিগতভাবে করতে পারে এমনটাও দাবী করেছিল। সকল গ্রাহক এই টাকা দিতে বাধ্য হয়েছিল। প্রতি বাড়ির হোল্ডিং ট্যাক্স কমিয়ে লেখার জন্য কম করেও ১-১০ হাজার টাকা পর্যন্ত সংগ্রহ করেছে এরা। ৪০% কম করের বদলে যদিও তারা ২৫% কম কর ধরে। কর দিতে গেলে বিভিন্ন গোঁজামিল দিয়ে প্রচুর টাকা পকেটস্থ করে

ঢাকা, ঢাকা ২৩ আগস্ট ২০২৬ ১ বার দেখা হয়েছে
মন্তব্য