খাজনা
খাজনা ফি ৬১৭টাকা হয়েছিলো, দাবি করেছিলো ৮০০০,আমি বাধ্য হয়ে পরিশোধ করেছিলাম!
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৮,৫৩১ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
খাজনা ফি ৬১৭টাকা হয়েছিলো, দাবি করেছিলো ৮০০০,আমি বাধ্য হয়ে পরিশোধ করেছিলাম!
নামজারির আবেদন করেছিলাম। ওয়ারিশান সম্পত্তি কোন ধরনের ডকুমেন্টারি লেপ্সেস ছিল না। এর পরেও ইউনিয়ন ভূমি অফিশে ৪০০০, উপজেলা ভূমি অফিশে ৪০০০ মোট আট হাজার টাকা ঘুষ দিতে হয়েছে। যেথানে সরকারি ফি মাত্র ১১৫০
পাকেরহাট রহাট সরকারি কলেজে যেকোনো কাগজপত্র। যেমন সার্টিফিকেট, মার্কশিট ইত্যাদি তোলার জন্য বাধ্যতামূলক ২০০ টাকা করে নেওয়া হচ্ছে। ২০০ টাকার কোন রশিদ চাইলে তারা দেয় না। সো এটা বেআইনিভাবে নেওয়া হচ্ছে।
আমি পিএসসি সনদ কারেকশনের জন্য উপজেলা সংশ্লিষ্ট অফিসে গেলে সেখান থেকে অফিসার কেউ ই আমাকে সাহায্য করেন নি বরং তারা তাদের পিয়নের শরনাপন্ন হতে বলেন। পিয়ন ৭ ঘাটের পানির মতো প্রসেস টা জটিল করে এবং তা সহজ করার জন্য ১৫০০ টাকা দাবি করে। চাকরির ব্যাস্ততায় দৌড় ঝাপের সুযোগ না থাকায় আমি তা দেই। ১০ মিনিটেই সংশোধনের বিপরীতে নতুন সনদ হাজির
আমি অনলাইন ভ্যাট রেজিষ্ট্রেশন এর জন্য আবেদন করেছিলাম আমার আবেদনটি ইচ্ছাকৃত ভাবে আটকিয়ে রাখা হয়েছিলো, হটলাইনে কল দিলে আমাকে অফিসে গিয়ে যোগাযোগ করতে বলা হয় এরপর অফিসে গেলে আমাকে নানা রকম নিয়ম দেখায় এবং অনেক জটিল এবং অর্থদণ্ড এর ভয় দেখানো হয় এবং ১ দিনের মধ্যে BIN নাম্বার পেতে হলে ১০০০০ টাকা চাওয়া হয়, আমি পরেরদিন টাকা নিয়ে গিয়ে দিয়ে BIN সার্টিফিকেট নিয়ে এসেছি
সম্প্রতি একটি সরকারি প্রতিষ্ঠানে চাকরি হয়েছিল। সরকারি চাকরি হওয়ার পর পুলিশ ভেরিফিকেশন হয়। সেখানে আমাদের সকলের কাছ থেকে ২০০০-৫০০০ পর্যন্ত ঘুষ দাবি করা হয়। আমার এক সহকর্মী ঘুষ না দেওয়ার তার ভেরিফিকেশন রিপোর্টে পূর্ববর্তী সরকারি দলের ছাত্র সংগঠন এর সাথে জড়িত বলে নেগেটিভ রিপোর্ট দিয়েছিল। যার কারণে বাধ্য হয়ে আমরা বাকিরা চাহিদা অনুযায়ী ঘুষ দিয়েছি।
প্রথমে স্বাভাবিকভাবে উল্লেখিত ডকুমেন্টস নিয়ে যাই জকা দিতে, তারা নেয় না, বিভিন্ন কারন দেখায়। অথচ গাইডলাইনে যা উল্লেখিত ছিলো সবই আনার সাথে ছিলো। পরবর্তীতে, বের হয়ে আসি, গেট এর বাহিরে লোক দাঁড়ানো ছিলো, আমাকে দেখে সমস্যা জিজ্ঞাস করে। খুলে বললে বলে ৩০০০ টাকা দিতে হবে সব ওকে হয়ে যাবে। জিজ্ঞাসা করলাম আমার তো ডকুমেন্টস চাচ্ছে আরো অনেক কিছু, সেগুলা তো নাই। বলে সমস্যা নাই শুধু টাকা দিবেন সব ওকে। পরে উপায় না পেয়ে রাজি হই। আমাকে বলে ডকুমেন্টসগুলা ২০২২ এ যেয়ে বলবেন ১২০৭ অথবা ৩০০৪ এই টাইপের একটা নাম্বার বলতে বলে। যেভাবে বলে, বলি। এবার সেই একই কর্মকর্তারা আমার ডকুমেন্টস চেইক দেয় কিন্তু কোনো প্রশ্ন নাই। শুধু বললো নাম কি? বললাম পুরা নাম বল্লো ওকে। পরের দিনই পাসপোর্ট রেডি।
সাইন অফ করাতে, অনলাইনে ভয়েজ আপডেট এসব ঘুরায়, পরে আসতে বলে ইত্যাদি নানবিধ অজুহাত। ৪ টেবিলে ৫০০+২০০+২০০+১০০ করে ১০০০টাকা দিয়ে ১ ঘন্টায় কাজ করেছে। টাকা না দিলে ২ দিন লাগায় বা নানাবিধ অজুহাত। প্রচুর নাবিক ভুক্তভোগী। এভাবেই সবাই টাকা দেয় তাদের।
আমি জাতীয় পরিচয়পত্র করার জন্য সব কাগজপত্র জমা দেই।কিন্তু তাও আমার কাগজ টেবিলে তোলা হায় নি।পরে আমার কাছে ইন্ডাইরেক্টলি টাকা দাবি করা হয়।২ সপ্তাহ হয়রানির পর আমাকে ৫ হাজার টাকা দিতে হয়।পরে ২ দিন পর আমার কাগজ টেবিলে তোলা হয়।পরে সবার থেকে জানলাম,সবার থেকেই ২-৩ হাজার টাকা করে নিচ্ছে।এমন একজনও নেই যে টাকা ছাড়া জাতীয় পরিচয় পত্র বানাতে পারছে ভোটের সময় বাদে।যেখান থেকে আমি হয়রানির শিলার হই-শিদলাই,ব্রাহ্মণপাড়া,উপজেলা অফিস,কুমিল্লা।
ব্রাহ্মণবাড়িয়া রেল স্টেশন থেকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া রেলের টিকিট মূল্য ১৪৫ টাকা। যেহেতু ঐ স্টেশন থেকে অনলাইনে টিকিট পাওয়া দুষ্কর, অধিকাংশ স্ট্যান্ডিং টিকেট কাটতে হয়। প্রতি টিকেটে কাউন্টারে ৫টাকা বেশি নেয়া হয়। টাকার অংকে সেটা প্রতি টিকেটে ৫ টাকা হলেও মাস শেষে লাখ টাকার উপরে হয়। আল্লাহ তাদেরকে হেদায়েত নসীব করুক!
আমার গাড়ির চাকার সাইজ এবং কালার পরিবর্তন করার জন্য এই প্যাকেজ। সরকারি ফি ৩৬০০ টাকা, কিন্তু কাজ হয়না। অপরদিকে গাড়ি নিচু হওয়ায় বড় চাকা লাগিয়ে চালানো লাগে। পুলিশের কাছে অলরেডি ৫ হাজার টাকা জরিমানা দেওয়া হয়েছে। কয়েকবার কেসের টাকা দিয়ে পরে দালাল ধরে ঘরে বসে সব ঘুষ দিয়ে আইন অনুযায়ী গাড়ি চালাচ্ছি!
ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স অধিদপ্তর এ Garments Factory Fire License Renew এর জন্য দেয়া হয়েছে।
বাইক নিয়ে ধরা খাওয়ার পর মামলা হয়েছে, গাড়ী র কোন কাগজ নেই, ৬ হাজার টাকায় মামলা প্রত্যাহার, গাড়ী আমি চালাই
কলকারখানা অধিদপ্তর এ Garments Factory License renew এর জন্য দেয়া হয়েছে।
আমি ড্রাইভিং লাইসেন্সের মাঠ পরীক্ষা দিতে ছিলাম। বাইক চালানোর সময় একবারের শেষের দিকে বাইক থেকে মাটিতে পড়ে। পরে একজন জানায় উনাকে ৪০০০টাকা দিলে পাস করে দিতে পারবে। এখন আমার একাডেমিক পরীক্ষা থাকার জন্য আগেও একবার ড্রাইভিং লাইসেন্স পরীক্ষা দিতে পারিনি। পরে আবার কিছুদিন পরেই আমার পরীক্ষা ছিল। তাই লাইসেন্সটা নেওয়ার জন্যই তাকে ৪ হাজার টাকা দিয়েছিলাম যেন পাস করে দেয়।
আমার একটা জমির নামজারির জন্য আমি গিয়েছিলাম হচ্ছে আমাদের এলাকার একজন দলিল লেখক এর কাছে তিনি আমাদের সবার মানে আমাদের এলাকার সব জমির যাবতীয় কাজ সেই দেখে আমি এটা দিয়েছি ডিসেম্বর ৩ ২০২৫ তারিখে আমি তার কাছে কাজটা করতে দেই প্রায় এক বছর হয়ে গেল আমার কাজটা করে দিতেছেনা আর বলতেছেন যে ২৫ হাজার টাকা লাগবে না হইলে ঝামেলা হবে তখন আমি কোন কিছু বুঝতে না পেরে টাকা পরিশোধ করে দেই
আমার স্ত্রীর এন আইডি কার্ড করার জন্য গিয়েছিলাম। তারা কাগজপাতির নানান ইস্যু তৈরি করে বলে কাজ হবে না। আমার জানামতে সব ঠিক ছিল কিন্তু তাদের নাকি সমস্যা আছে।এরপর একটু রিকুয়েষ্ট করার পর ৫০০ টাকা দাবি করে।তাৎক্ষণিকভাবে আমার রাজি না হওয়া ছাড়া উপায় ছিলনা। তাদের আমি মোবাইল ব্যংকিংয়ের মাধ্যমে টাকা দিতে চেষ্টা করি কিন্তু নেয়নি। অফিসে সিসি ক্যামেরা আছে কিন্তু মনে হয় পুরো অফিস এই সিস্টেমের সাথে জরিত।পরবর্তীতে টাকা দেওয়ার পর আমার কাজ করে দেওয়া হয়।
amar Birth certificate e English name and address chilo oi gulo new Certificate e bengali soho ase oi ta onara vul kore bengali kore dey nai. ekhon jokhon info update korte gechi 2k taka nilo na dile bivinno kagoj potro chailo ja amar kache nai. already birth site e ami registered tao amar kache theke taka nia ei birth certificate ta korlo tao 2 week ghuranor pore. jodi birth certificate online e hoy tahole onader kache keno jaoya lagbe 1 bar to verifiy kore sob info dia koriyechi and website eo ache akhon keno taka dia ai gulo korte hobe. ai ghush banijjo bondo hoya dorkar.
আমার মামাতো ভাই পাসপোর্ট করতে গেছিলাম। অনেক হয়রানী করছে। ডিডি — শালা একটা বেশ্যার দালাল। টাকা না খেয়ে দিলোই না।
একটি গার্মেন্টস ফ্যাক্টরির ট্রেড লাইসেন্স নবায়নের জন্য টাকা চেয়েছে ১,৮০,০০০। তার মধ্যে সরকারি ফি প্রায় ৩০,০০০ বাকি ১,৫০,০০০ টাকা ঘুষ