Nid Card
নতুন এনআইডি কার্ড বানাইছিলাম, চট্রগ্রাম এর সাতকানিয়া নির্বাচন অফিস থেকে, ৪ হাজার দিতে হয়ছে দালাল এর মাধ্যমে, দালাল ছিলো ইউনো অফিসের কর্মচারী, নাম মনে হয় —, ২০২২ সালের শেষর দিকে এর ঘটনা।
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৮,৫৩১ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
নতুন এনআইডি কার্ড বানাইছিলাম, চট্রগ্রাম এর সাতকানিয়া নির্বাচন অফিস থেকে, ৪ হাজার দিতে হয়ছে দালাল এর মাধ্যমে, দালাল ছিলো ইউনো অফিসের কর্মচারী, নাম মনে হয় —, ২০২২ সালের শেষর দিকে এর ঘটনা।
আমি নতুন ট্রেড লাইসেন্স এ BIN নাম্বার বানিয়েছি। আমাকে অবহিত করা হয় নাই যে মান্থলী এই বীন এর জন্য VAT Return করতে হবে। আমার জরিমানা হয়েছিল ৩৬০০০ টাকা। যেহেতু, আমি BIN বানানোর পর কোন কাজ করি নাই/ পাই নাই, তাই উপরোক্ত অফিসে গিয়েছিলাম কিছু এক্সেম্পট পাওয়া যায় নাকি দেখার জন্য। নীচ তালা থেকে আমাকে একজন রাজস্ব কর্মকর্তা এর কাছে পাঠানো হয়েছিল। উনি আমার ব্যাপারটি শুনলেন তারপরে বললেন যে, আপনার সমস্যা সমাধান তো করাই যায়, কিন্তু আমি এখন আপনার সমস্যার সমাধান করে দিলে আমার অফিসের বাইরের পিয়ন মনে করবে আমি আপনার কাছ থেকে টাকা খেয়েছি। আপনি ওকে কিছু টাকা দিয়েন। আর আপনার কাগজ গুলা তৈরী করতে কিছু টাকা লাগবে সেইটা দিয়েন। চা এর হিসাব, গাড়ি ভাড়া ইত্যাদী আরো অনেক কিছু বলে শেষ পর্যন্ত ৩১০০০ টাকা নেয়।
বাইকের নাম ট্রান্সফার করতে গেসিলাম। প্রতিবার গেলে আমাকে বলে অন্যদিন আসতে কিংবা ফোন দিয়ে জানানো হবে। বাইকের কাগজের অনেক স্তুপ, সেখানে নাকি খুজতে অনেক সময় লাগবে। সব কিছু নিয়ে গেলে বলে কাগজে সমস্যা আরো অনেক কিছু। এভাবে ৩ মাস ঘুরার পর আমার পরিচিত এক দালাল কে ৪ হাজার টাকা দিলে ১ ঘন্টায় নাম ট্রান্সফার করে দেয় এমনকি ট্রান্সফার এর কাগজ বাসায় পৌছায় দেয়।
নতুন পাসপোর্ট কিংবা রি-নিউ সেম খরচ, না হয় একের পর এক অযথা ডুকুমেন্ট চাইবে
অফিসটিতে সকল ধরনের বিলে একাউন্টস অফিসারকে ৫% ঘুস প্রদান না করলে কারোর ই বিল পাস হয় না। এমনকি উক্ত উপজেলার ইউএও সহ সকলকেই ঘুস প্রদান করতে হয়।
সমাজকল্যান অফিস থেকে ক্যন্সার রোগীদের জন্য ৫০০০০ টাকা পেতে তাদের প্রতেককে অফিস খরচ ১৫০০০ দিতে হয়
লাইসেন্স পেতে টাকা চাওয়া হয় ৬০০০ পরে ৪০০০ টাকায় রফা হয়
আমার দাদার নাম — ,, যখন আমি ও আমার বাবা জমি রেজিষ্ট্রি করতে যায় তখন আমাদেরকে দাবি করে, 1990 সালে আমাদের বাড়ি কিনা হয় এবং কর রেজিষ্ট্রেশন করার সময় দাদার রবিন্দ্র তুলে ,, তখন বাসার কেউ বেশি একটা পড়াশোনা বুঝতো না , এই একটু ভুলের কারণে এত টাকা দিতে হয়ে ছে,, এই একটা ঘটনা না আমাদের নিজের জায়গা খাজনা দিতে গিয়েও অতিরিক্ত টাকা দেওয়া লাগছে
ট্রেড লাইসেন্স করতে উল্লেখ করা টাকার পরিমাণ ১৮০০ হলেও তারা ৩৫০০ টাকা রেখেছে চা পানির খরচা বাবদ।
নতুন ড্রাইভিং লাইসেন্স করলাম
আমাদের সম্পত্তির সাথে কিছু অংশ ভিপি সম্পত্তি হয়ে যায়। BRS জরিপে যেটা ভিপি মুক্ত হয়েছিল । কিন্তু ভূমি অফিস SA জরিপ এর উপর ভিত্তি করে অবৈধ ভাবে ভিপি সম্পত্তি লিজ দিচ্ছে। এই অবৈধ জটিলতা হওয়ার কারণে এলাকায় অশান্তি লেগেই থাকে। তাই বাধ্য হয়ে 2 একর সম্পত্তি এক বছরের জন্য ডিসিআর কেটে নেওয়া হয়। ওরা ইচ্ছা মতো হিসাব করে বলে টেবিল খরচ সহ দেড় লক্ষ্য টাকা দিবেন। বাধ্য হয়ে দিতে হয়েছে। এটা সম্পূর্ণ অবৈধ। চালনা ভূমি অফিস এর সাথে জড়িত।
সেবাটি ছিল জমির নামজারি। সেবাটি নেওয়ার জন্য স্থানীয় ভূমি অফিসে গেলে ওনারা জানায় ১৫০০০ টাকা হলে কাজটা হয়ে যাবে। আমি একজন চাকুরিজীবী তাই ছুটি না থাকায় তাদের অবৈধ চাহিদা পূরণপূর্বক কাজটা করে নেই।
নষ্ট বৈদ্যুতিক মিটার পরিবর্তন করে নতুন বিদ্যুত মিটার পুন:স্থাপন
court case report submission by ashulia police station
পাসপোর্ট করতে পুলিশ ভেরিফিকেশন লাগে সবাই জানে, এপ্লাই করার পর ১ সপ্তাহ পরে কল আসলো, পুলিশ ভেরিফিকেশনর জন্যে গেলাম। গিয়েই টাকা চায় ১০০০ প্রতি জনের। আমার কথা হলো আমি সারাজীবন অন্যায় করি নাই, আমার খারাপ রেকর্ড পাবে না তাও কেনো ভেরিফিকেশনে টাকার মাধ্যমেই নিজেকে ভালো দেখাতে হবে???? পরিবারের আরও ২ জন এর জন্যে পাসপোর্ট সহ মোট ৩০০০ টাকা দিয়ে চলে আসছি।
আমার বাবার কেনা এক জমি দাতার নাম থেকে আমার বাবার নামে খতিয়ান করিয়েছি, যেটা অনলাইনে এপ্লাই করলেই ১০৩০ টাকা খরচ পড়ে।তারা সেটা অনলাইনে আবেদন করলে অনুমোদন করেনা,অফিসে গিয়েই করতে হয়-এবং এর জন্য মান্দারি ভূমি অফিসে ১৪০০০ টাকা দাবি করা হয়, আমরা ১২০০০ টাকা পরিশোধ করি
সদরে যতগুলা লোক নামজারি কাজ করে তারা সবাই তার হাতে নাকি দরা আগে ৫ হাজর এর মধ্যে হতো এখন ৮ ছাড়া হয় না । এই ৩ হাজার নাকি তার, বাকি 5000 টাকা মধ্য় ভাগ পায় ইউনিয়ন ভুমি অফিস , এসিলেন্ড অফিস এর কানুগো ,আর একজন আছে তার পোস্ট জাননি না , আর বাকি টাকা নেয়ে যে লোক আবেদন করে সেও দালাল জড়িত ।
সরাসরি পিয়নের মাধ্যমে আমার কাছে ৫হাজার টাকা দাবি করেছে।
আমরা মামলার এজাহার কপি চেয়ে ছিলাম। প্রথমে বলে কোট নিয়েন।পরে বলে খরচাপাতি দিলে দেওয়া যাবে
একটা লাইসেন্স করতে গেলাম, ডক্যুমেন্টস এ অনেক ভুল ধরিয়ে দিলো। আর বলল ৬০০০ টাকা লাগবে। ক্যাশ দিলাম, ট্রাস্পারেন্সি ছিলনা না কোন। আমার লাইসেন্স এর টাকাটাও ওনি পেয় করে দিসে, ওইখানে ৩৪০০ সরকারি ফি ছিল।