রেজিষ্ট্রেশন
এসএসসি ২০২৬ সালের শিক্ষার্থীর ৮ম শ্রেণির পুরোনো রেজিষ্ট্রেশন বাবদ ১৫০০ টাকা দিতে হয়েছে ঢাকা শিক্ষা বোর্ডে...অথচ উক্ত রেজিষ্ট্রেশন এর সরকারি ফি মাত্র ১৯৫ টাকা
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৮,৫৩১ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
এসএসসি ২০২৬ সালের শিক্ষার্থীর ৮ম শ্রেণির পুরোনো রেজিষ্ট্রেশন বাবদ ১৫০০ টাকা দিতে হয়েছে ঢাকা শিক্ষা বোর্ডে...অথচ উক্ত রেজিষ্ট্রেশন এর সরকারি ফি মাত্র ১৯৫ টাকা
ডিলার নিয়োগ ও নিবন্ধন নবায়ন আবেদন করতে এই টাকা চাওয়া হয়েছে।
অগ্রাণ হাই স্কুলে চাকরি দেওয়ার নাম করে স্থানীয় চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে অনেক টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। চাকরি দেওয়ার কথা বলে স্থানীয় কয়েকজনের কাছ থেকে টাকা নেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে। বিষয়টি সুষ্ঠুভাবে তদন্ত করে সত্যতা যাচাই এবং প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানানো হচ্ছে।
I was trying to get my unmarried Certificate
আমি একটি সেকেন্ড হ্যান্ড মোটরসাইকেল কিনি সেকেন্ড হ্যান্ড শোরুম থেকে, ওই শোরুমে যিনি মোটরসাইকেলটি বিক্রি করেছেন উনি উনার নামে গাড়ির রেজিস্ট্রেশনের টাকা জমা দেন। পরবর্তী তে আমি যখন ওই শোরুম থেকে গাড়িটি কিনে আমার নামে কাগজপত্র পরিবর্তন করে নেই। পরবর্তীতে যখন আমি বিআরটিএতে ফাইল জমা দিতে যাই তখন উনারা বলে যে টাকা জমাতে অন্য একজনের নামে কাগজপত্র আপনার নামে এই কাজটা হবে না এই টাকা দিয়ে রেজিস্ট্রেশন হবে না। পরে আমি যখন অনেক রিকোয়েস্ট করি তখন বিআরটিএর এক কর্মকর্তা আমাকে বলে আমি আপনার এই টাকাটা কাজে লাগিয়ে দিব কিন্তু আমাকে 10000 টাকা দিতে হবে। পরে তার সাথে নেগোসিয়েশন করে পাঁচ হাজার টাকায় চুক্তিবদ্ধ হই, এবং পরিশোধ করি। কিন্তু অতীব দুঃখের বিষয় আজও আমার গাড়ির রেজিস্ট্রেশন হয়নি
ভ্রম সংশোধন দলিল এর জন্য
আমি একজন দুবাই প্রবাসী । বাংলাদেশের ভুমি অফিসগুলো দুর্নীতিতে ভরপুর । কয়টার কথা বলবো জানি না প্রায় প্রতিটা কাজের জন্য টাকা ছাড়া কোন রকম কাজ হয়না অথবা জমিরেজিষ্টিরি হয় না। আমি যেহেতু একজন প্রবাসী তাই সময় কম থাকে ।সেজন্য অহেতুক ঝামেলা থেকে বাঁচার জন্য টাকা দিতে হয়। আমি ড্রাইভিং লাইসেন্স নিতে গিয়ে ইচ্ছা ছিলো টাকা ছাড়া লাইসেন্স নিবো শুধু সরকারি ফি জমা দিবো কিন্তু প্রায় দুই বছর ঘুরেছি কিন্তু লাইসেন্স পাইনি । তারপর বাধ্য হয়েই ১২০০০ টাকা দিয়ে একদিনে লাইসেন্স পাই । বলে রাখি আমার কাছে দুবাইয়ের প্রায় ২০ বছর আগের লাইসেন্স আছে । তারপর ঐ সময় আমার কাছে international license ছিলো । আমি একজন দক্ষ ড্রাইভার । দুবাইতে ব্যবসা করি। বাংলাদেশে এমন কোন দপ্তর নাই যেখানে দুর্নীতি নাই ।আমি আমার দেশকে ভালোবাসি
Everyday they come and take TK500 from tea shop in Dhanmondi Lake, they normally comes at 8pm to 10pm
আমি সিটি মিউটেশন এর জন্য দাগ খতিয়ান এর জন্য আবেদন করি কিন্তু টাকা ছাড়া আমার আবেদন এর তথ্য তারা দিবে না। পরে উক্ত টাকা দিয়ে তথ্য নিতে হয়েছে।
আমি জমির খাজনা দিতে গিয়ে দেখি আমার জমির শ্রেনি আবাসিক করে রাখা হয়েছে। পরবর্তীতে আমার খারিজ অনুযায়ী জমি শ্রেনি সংসধন করতে বললে তহশিলদার উক্ত টাকা দাবি করে বসে। কয়েক দিন ঘুরাঘুরি করার পর উপায় না দেখে টাকা দিতে বাধ্য হই।
কুমিল্লা জেলার দেবিদ্বার ভূমি সাব রেজিস্ট্রি অফিসে ৩৫০০ টাকা বা তার বেশি ঘুষ দিতে হয় ৩৫০০ টাকা না দিলে হয়রানি করে এবং খারিজের আবেদন বাতিল করে দেয়। এই ঘটনা এখন নিত্যনৈমিত্তিক ব্যাপার
এয়ারপোর্টে চাকরি করতে পুলিশ ক্লিয়ারেন্স লাগে। তাই ঢাকার মিরপুর থানা থেকে ক্লিয়ারেন্স করত্র ৫০০০ টাকা লাগছে।
হোল্ডিং এন্ট্রি ও অনুমোদনের জন্য ছয় হাজার টাকা পরিশোধ করতে হয়েছে
২০২১ সালে আমার সরকারি চাকরি (বাহিনীতে) হয় । তারপর পুলিশ ভেরিফিকেশন এর জন্য একজন ASI আসে। সব কিছু ঠিক থাকা সত্ত্বেও ১১০০০ টাকা দাবি করে। এবং বলে যদি আমি টাকা না দেই তো আমার নামে ভুয়া রিপোর্ট দিবে। তাহলে আমার আর চাকরি হবে না। আমার যেহেতু চাকরি হইতে কোনো টাকা লাগে নি, তাই আমি তাকে ১১০০০ টাকা দিতে রাজি হই। অনেক রিকোয়েস্ট করেছিলাম যেন একটু কম রাখে। কিন্তু উনি টেবিল চাপড়ায় বলে পুরাটাই দিতে হবে। আমি দিতে বাধ্য হয়েছি।
ফায়ার লাইসেন্স নবায়ন এর জন্য সরকারি ফি বাবদ ৯২০০ টাকা আর তাদের অফিস খরচ বাবদ ৬০০০ টাকা, অর্থাৎ ১৫০০০/- চেয়েছিল। কিন্তু আমি ১৪০০০/- দিয়েছিলাম। পরে দেখলাম তারা সরকারি ফি বাবদ ৮০০০/- জমা দিয়েছে এবং তাদের অফিস খরচ বাবদ ৬০০০/- রেখেছে।
ড্রাইভিং লাইসেন্স ভাইভাতে ফেইল করিয়ে দেয়। পরে অফিসের পিয়ন — এর মাধ্যমে ৪০০০ টাকা দিলে পাশ করিয়ে দেয়।
বিভাগীয় অফিসের গ্রহণ প্রেরণ ডেস্কের ডান পাশের রুমে চশমা পড়া একজন লোক বসেন। তার কাছে ভ্যাটের মূল্য ঘোষনা (মূসক ৪.৩) জমা দিতে হয়। তার কাছে গেলে ঘোষণা (আবেদন) প্রতি ৫০০ টাকা করে রাখা হয়। টাকা না দিলে চিল্লাচিল্লি করে।
Bribe for a new passport. Harassment to the general public.
They ask their usual way, money for sweets. If we don't pay, they will do this task but they'll make up excuses for the future tasks. Everyone knows but doesn't do anything.
For making new passport, I give 1500 for my police verification. I didn't want to give but if I didn't give my passport won't make.