চাঁদা
সদরঘাট এলাকা থেকে বিভিন্ন জিনিস যেমন সূতা ,কাপড় ও এমন দ্রব্য সামগ্রী বিপুল পরিমাণে ক্রয় করলে অটো অথবা সিএনজি দিয়ে সদরঘাট থেকে বের হওয়ার সময় তারা চাঁদা স্বরূপ যার থেকে যা নেয়া যায় তা বিভিন্ন ইস্যু তৈরি করে তারা আদায় করে নেয়
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৮,৯১৪ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
সদরঘাট এলাকা থেকে বিভিন্ন জিনিস যেমন সূতা ,কাপড় ও এমন দ্রব্য সামগ্রী বিপুল পরিমাণে ক্রয় করলে অটো অথবা সিএনজি দিয়ে সদরঘাট থেকে বের হওয়ার সময় তারা চাঁদা স্বরূপ যার থেকে যা নেয়া যায় তা বিভিন্ন ইস্যু তৈরি করে তারা আদায় করে নেয়
আমি ১৫০০ টাকা দিছি কিন্তু কাজ গুলো বিনামূল্যে করার নিয়ম
আমাদের এম্ব্রয়ডারী কারখানার জন্য লাইসেন্স করতে গিয়েছিলাম, অনেকগুলা কাগজপত্র চাইলো।তাদের চাহিদামাফিক সব কাগজপত্র দিয়েছি।তারপরও প্রতিবার নতুন নতুন কাগজ চাওয়া শুরু করলো। এরপর একজন পিয়ন এসে বলে ৩০০০ টাকা আমাকে দেন।আর ফরম পূরণ করেন,আর কিচ্ছু লাগবেনা।তারপর গিয়ে সরকারি ফি জমা দেন। ওনাকে টাকা দেওয়ার পরদিনই ট্রেড লাইসেন্স হাতে পেয়ছিলাম।
আমার সাথে পাসপোর্ট অফিসে যা ঘটলো, তা সত্যিই হতাশাজনক।আমি অনলাইনে পাসপোর্টের রিনিউয়ালের সব কাজ শেষ করে, ফাইল পুরোপুরি রেডি করে অফিসে গিয়েছিলাম। আমার ফাইল শতভাগ ঠিক থাকা সত্ত্বেও কাউন্টার থেকে বলা হলো ফাইলে নাকি ভুল আছে এবং জমা নেওয়া যাবে না। এরপর তারা আমাকে একটা কাগজে একটি সংখ্যা (কোড) লিখে দিয়ে বললো, "নদীর পাড়ের যেকোনো ফটোকপির দোকানে যান, তারা ঠিক করে দেবে।"আমি সরল বিশ্বাসে ওই দোকানে গেলাম। তারা আমার ফাইলটা নিয়ে একটা প্রিন্ট বের করে দিলো। আমি যখন জিজ্ঞেস করলাম ফটোকপির জন্য কত টাকা দিতে হবে, তখন দোকানদার যা বললো তা শুনে আমার চোখ কপালে উঠলো! সে বললো— "ফটোকপির কোনো টাকা লাগবে না, আপনি আমাকে ৫,০০০ টাকা দেন। আপনাকে আর লাইনে দাঁড়াতে হবে না, টাকাটা সরাসরি আনসার সদস্যের কাছে দিলেই বাকি সব কাজ হয়ে
আমি একজন প্রবাসী বাংলাদেশি।আমার স্ত্রী কে বিদেশে আনার জন্য কাবিননামা অনলাইন এ আবেদন করার পর জেলা রেজিস্ট্রি অফিসে যায় ওখানে বলে রেজিস্টার এর খরচ না দিলে অনলাইন হবে না, তারা ৪০০০ টাকা দাবি করে আমি বাধ্য হয়ে টাকা দেই।আর টাকা না দিলে কবে হবে বলতে পারে না।ভিসার মেয়াদ কম থাকায় আমি ঘুস দিতে বাধ্য হই।গতো জুলাই ২০২৬ এ ঐ দিন জেলা রেজিস্ট্রার এর লাস্ট কর্ম দিবস ছিলো।পরদিন উনি বদলি হয়ে যায়। ঐ দিন সকালে আমি টাকা দেওয়ার পর বিকালেই অনলাইন হয়ে যায়। ঘুষ মুক্ত দেশ চাই। সবার আগে বাংলাদেশ।
ভূমি খারিজ করার জন্য নিয়েছে
আমি আমার মায়ের পাসপোর্ট করতে যাই। কারণ আমার মা ওমরা করার ইচ্ছে হইছ ঐ সুবাধে আমি অনলাইনে আবেদন করি আবেদন মোতাবেক নির্ধারিত তারিখে কুমিল্লা পাসপোর্ট অফিসে কাগজ পত্র জমা দিই ২ঘন্টা বসাইয়া রাখার পরে বলে যে এই আবেদনে হবে না? আমি কারণ জানতে চাইলে বলে নতুন আবেদন করতে হবে আর না হয় ৩০০০ টাকা দিতে হবে এখানে আসলে এমপি ও মন্ত্রীরা ও টাকা দিতে হয়। আমার মা উনাকে বললো বাবা তুমি আমার ছেলের সমান কিছু টাকা কমাই নেও সে শুনতে নারাজ তার পরে বাধ্য হয়ে ২০০০ টাকা দিয়েছি।
আমি আর আমার ওয়াইফ দেশের বাইরে আসার সময় ( ডিসেম্বর, ২০২৫ সাল) পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট নেয়ার জন্যে সিতাকুন্ড থানায় ( আমার নিজ থানা) বসে ১৫০০ টাকা ঘুষ দিয়েছি। সে আমার কাছ থেকে ২০০০ দাবি করেছিল থান্য বসে। এসব নাকি তার আর উপরের লেভেল এর জন্যে চা নাস্তার খরচ। সে নাকি এক এটা নিবেনা। আর ও অনেকজন কে দিতে হবে।
আমি প্রবাসী দেশে এসে উপজেলা নির্বাচন কমিশন অফিস থেকে স্মার্ট কার্ড নিতে আসলাম তারা বললো ৪৫০ টাকা পেমেন্ট করতে হবে, এটা নাকি সরকার নির্ধারিত করেছে।
ইউনিয়ন ভূমি অফিসে নামজারি করার জন্য ঘস দাবি করা হয় এবং আমি সেটা পরিশোধ করি।
“আমি তল্লাশি দেওয়ার জন্য আবেদন/অনুরোধ করেছিলাম। কিন্তু আমার কাছ থেকে নির্ধারিত টাকার চেয়ে বেশি টাকা নেওয়া হয়েছে। বিষয়টি তদন্ত করে অতিরিক্ত নেওয়া টাকা ফেরত দেওয়ার ব্যবস্থা করার জন্য অনুরোধ করছি।”
অস্বাভাবিক বিদ্যুত বিল আসার কারণে অফিসে যোগাযোগ করলে মিটার পাল্টে দেওয়ার কথা বলে বার বার টাকা নেয়,কিন্তু মিটার পাল্টে দেয় না। এদিকে বিদ্যুত বিলের কাগজে অস্বাভাবিক বিদ্যুত বিল এসেই চলছে।
নামজারি করতে ২০,০০০ টাকা ঘুষ দিতে হয়েছে বিভিন্ন পর্যায়ে। ইউনিয়ন, উপজেলা অফিস, স্থানীয় পাতি নেতা সব মিলিয়ে ২০,০০০ টাকা।
নাম্বার প্লেট গাড়িতে লাগানোর জন্যই তারা মূলত ডাকছে। অথচ তারা নাম্বার প্লেট লাগানোর জন্য ১০০ টাকা দাবি করতেছে।
আমি আমার দোকানের ৪৫ সেন্ট জায়গার খারিজ করার জন্য আবেদন করি,পরবর্তীতে আমাকে অনেক হয়রানি করে উপজেলা একদিন পর পর নিয়ে এই সমস্যা সেই সমস্যা। পরে আমি নিরুপায় হয়ে তাদের নাস্তার টাকা দিতে হয়েছে।
হটাৎ আমাদের কিছু পুরাতন দলিল বাসায় খুঁজে না পেলে সংশ্লিষ্ট জেলা রেজিস্ট্রারের কার্যালয়ে গেলে সেখানকার রেকর্ড কিপার সুনির্দিষ্ট দলিলগুলোর সঠিক তথ্য আমাদের কাছে থাকার পরও আমার কাছে মোট চারটি দলিলের বিপরীতে ১২ হাজার টাকা ঘুষ দাবি করে। যা আমি পরবর্তীতে পরিশোধ করতে বাধ্য হই।
ফ্যাক্টরি লাইসেন্স ফি ছিলো ৫০০ টাকা। বিভিন্ন বিষয় এবং দ্রুত সময়ে করার জন্য দাবি করেছিল ৩৫ হাজার টাকা এককালীন। পনেরো বিশ হাজার টাকা মত দেওয়া হয়েছিল। অন্যগুলো এখন ডিও আছে ।
কোর্ট থেকে একটা জমির মামলার তদন্ত আসলে রিপোর্ট দিবে বলে তিরিশ হাজার টাকা লাগে
এডি স্যারের সাথে সাক্ষাৎ ও আবেদন পত্র অনুমোদিত করতে রুমে যাওয়ার জন্য দরজায় থাকা আনসার সদস্য টাকা ছাড়া কোন ভাবেই স্যারের সাথে সাক্ষাৎ করতে দিল না। বিপদে পড়ে টাকা দিয়ে ঢুকতে হয়েছে । কম বেশি সবার থেকে ওপেনে টাকা নিয়ে স্যারের সাথে সাক্ষাৎ ও ফাইল নেয়া দেয়া ও বিশেষ সুবিধা দেয়।
আমি নিজে কম্পিউটারের দোকান থেকে এপ্পলাই করে গিয়েছি।আফতাব নগর পাসপোর্ট অফিসে যাওয়ার পর বলল আপনার পাসপোর্ট এখানে হবে না ময়মনসিংহ যেতে হবে। আমি বললাম তবে আমার টাকা ফেরত দেন আমি পাসপোর্ট করবব না। তারপর মন খারাপ করে বের হলাম হতাশ হয়ে, বের হয়ে দরবেশ (দালাল) এর মাথে দেখা হলো!বলল টাকা ছাড়া পাসপোর্ট হয় না। ২,০০০ টাকা চাওয়া হলো আমি দিলাম এবং আমার কাগজপত্র গুলোতে ২ টা পিন মেরে দিল এবং বলল সরকারি লাইনে যান হয়ে যাবে। সরকারি লাইনে যাওয়ার পর কোনো প্রশ্ন নেই কোনো কইফত নেই, একদম উপর পর্ন্তত রাস্তা ক্লিয়ার।