নামজারি
বিগত ৮ বছর আগে, হেবা দলিল নামজারি করার সময় আমার বাবাকে এই ঘুষ দিতে হয়েছিল। ১২ শতাংশ জমি
নাগরিকদের জমা দেওয়া ২০,৪৪৭ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
বিগত ৮ বছর আগে, হেবা দলিল নামজারি করার সময় আমার বাবাকে এই ঘুষ দিতে হয়েছিল। ১২ শতাংশ জমি
বিআরটিএ থেকে গাড়ির লাইসেন্সের জন্য এপ্লাই করেছিলাম। এবং সবাই বলসে দালাল না ধরলে পাস করতে দেয় না। এবং সত্যি সত্যি যেয়ে দেখলাম যারা দালাল ধরসে ওদের গাড়িতেও উঠা লাগে নাই। ওখানের যিনি প্রধান তিনি পর্যন্ত এর সাথে জড়িত। যেহেতু লাইসেন্স জরুরী তাই আমিও সেইম ওয়েতে নিয়ে নিসি ঝামেলায় না যেয়ে।
আমার পাসপোর্টের নামের বানান সংশোধনের জন্য আগারগাঁও অফিসে আবেদন জমা দিই। কাগজপত্র পরীক্ষা করার পর কাউন্টারের একজন কর্মী আমাকে আলাদা করে বলেন, অতিরিক্ত টাকা দিলে সংশোধনের কাজ দ্রুত শেষ হবে, নইলে ফাইল অনেকদিন পড়ে থাকতে পারে। তিনি ১৮,৭৫০ টাকা চান। আবেদনটি জরুরি হওয়ায় এবং দেরির আশঙ্কায় আমি শেষ পর্যন্ত ওই অনানুষ্ঠানিক টাকা পরিশোধ করি। পরে আমার আবেদনটি গ্রহণ করে সংশোধিত পাসপোর্ট দেওয়ার সম্ভাব্য তারিখ জানানো হয়।
পাসপোর্ট নবায়নের আবেদন নিয়ে দ্বিতীয়বার অফিসে গেলে একজন মধ্যস্থতাকারী আমার সঙ্গে কথা বলেন। তিনি বলেন, ফাইলে ছোটখাটো অসঙ্গতি দেখিয়ে আবেদন ফেরত পাঠানো হতে পারে, কিন্তু ৬১,২৫০ টাকা দিলে ভেতরের কর্মী সেটি ঠিকভাবে এগিয়ে দেবেন। আমি বিষয়টি নিয়ে নিশ্চিত ছিলাম না, তবু দীর্ঘ বিলম্ব এড়াতে শেষ পর্যন্ত অনানুষ্ঠানিক অর্থ প্রদান করি। এরপর আমার আবেদনটি পরবর্তী পর্যায়ে পাঠানো হয়।
আমার আবেদনটির অবস্থা জানতে কয়েকবার অফিসে যোগাযোগ করেও পরিষ্কার উত্তর পাচ্ছিলাম না। একদিন একজন দালাল আমাকে বলেন, সংশ্লিষ্ট ডেস্কে কথা বলে ফাইলের বর্তমান অবস্থা জানাতে এবং দ্রুত নড়াচড়া করাতে ১১,৯০০ টাকা দিতে হবে। আমি জানতাম এটি নির্ধারিত ফি নয়, কিন্তু দীর্ঘ অপেক্ষার কারণে রাজি হয়ে যাই। টাকা দেওয়ার পর তিনি আমাকে ফাইলের অগ্রগতি জানান এবং পরের সপ্তাহে নতুন বার্তা পাই।
পাসপোর্ট এর এন আইডি ভেরিফিকেশন করে দেয়া
পাসপোর্ট করতে গিয়েছিলাম
বায়োমেট্রিক দেওয়ার নির্ধারিত দিনে লাইনে দাঁড়িয়ে থাকার সময় একজন কর্মচারী আমাকে আলাদা করে বলেন, নিয়মিত সিরিয়ালে আজ আমার কাজ নাও হতে পারে। ১২,৮০০ টাকা দিলে দ্রুত আঙুলের ছাপ ও ছবি নেওয়ার ব্যবস্থা করবেন বলে তিনি জানান। অপেক্ষা ও যাতায়াতের সমস্যা থাকায় আমি শেষ পর্যন্ত চাওয়া টাকাটি দিয়ে দিই। এরপর অল্প সময়ের মধ্যেই আমার বায়োমেট্রিক সম্পন্ন হয়।
আমাদের মরহুুম বাবা- মার জমি, ওয়ারিশ হিসেবে আমাদের নামে নামজারি করানোর জন্য ভুমি অফিসে ২ বার ৫,০০০+৭,০০০/- মোট ১২,০০০/- টাকা ঘুষ দেয়ার পর জয়কালী মন্দির ভুমি অফিসের এসি ল্যান্ড ২ বার ফাইল রিজেক্ট করে। যা ৬ মাসের অধিক সময় পর্যন্ত হয়রানি করা হয়। পরবর্তীতে ৩০,০০০/- টাকা ঘুষ দিয়ে ১ দিনের মধ্যে নামজারি করে দেয়।
orem ipsum dolor sit amet, consectetur adipiscing elit. Integer hendrerit est sed porttitor egestas. Quisque rhoncus id velit eu viverra. Mauris ac eros tempus, consequat sapien at, aliquam erat. Ut sed urna vitae diam scelerisque pellentesque. Mauris porta tincidunt leo, vel fermentum augue vulputate finibus. Integer sit amet nisl eget lectus malesuada eleifend quis nec massa. Sed ut scelerisque ipsum. Aliquam facilisis id urna sit amet bibendum. Suspendisse a viverra erat, quis sollicitudin diam. Cras eget erat neque.
I was mugged near banasree, and when I reported it to the Rampura Thana located in Banasree, the assigned investigation officer worked on the case. He asked if he should put "full effort" into it. I wasn't sure what he meant, but I told him to do so. It took four to six months to recover the phone. Once it was recovered, he called to deliver it and mentioned that he required abo20% of the phone's value (around 10K–12K BDT) or he wouldn't hand it over. After going back and forth for some time, I had to pay about 10K BDT just to get back the phone that was stolen from me! These people are paid from my tax money, yet I am forced to pay for their service and effectively buy back my own phone.
Directorate General of Drug Administration Jashore এ প্রয়োজনীয় সকল কাগজপত্র নিয়ে যাওয়া এবং সকল সরকারি ফি পরিশোধ করার পর ও বড় স্যার কে দিতে হবে বলে ১০০০ টাকা দাবি করে কর্মরত ব্যাক্তি
পৌরসভার নামে পরিবহনের জন্য চাঁদার দাবিতে গাড়ি আটকে দেয়। টাকা দিয়ে আসতে হয়েছে।
আমার মায়ের পেনশন এর টাকা চালু করার সময় জেলা একাউন্ট অফিসার সই করার পূর্বে তার সহকারী কে ডেকে টাকা দাবি করে, নাস্তা খাওয়ার কথা বলে। আমরা দিতে বাধ্য হই।
এখানে ঘুষের আদানপ্রদানটা হয় মূলত ওপেন সিক্রেট ভাবে। আপনি যদি পাসপোর্ট অফিসের সামনের ফটোকপির দোকান গুলো থেকে এক্সট্রা টাকা দিয়ে পেমেন্ট চালান স্লিপে কোড সিল মেরে না নিয়ে কাগজ জমা দিতে যান আপনাকে তারা প্রচন্ড হ্যারাস করবে। মূল কাবিননামা, সার্টিফিকেটের কপি, জাতীয়তা সনদ, যত রকম কাগজ চাওয়া পসিবল, সব চাইবে। আর যদি ১২০০ বা ১৫০০টাকা বেশি দেন, তাহলে সেই দোকান গুলো থেকে কাগজে একটা সিল দিয়ে একটা সাইন দিয়ে দিবে। আপনি বিনা বাধায় কাগজ জমা দিয়ে বের হয়ে আসতে পারবেন। আমার সামনে অন্তত ৫জনকে তারা ফিরিয়ে দিয়েছে নানান রকম কাগজ চেয়ে। সেখানে আমি ১২০০ টাকা বেশি দিয়েছিলাম তাই কোনো ঝামেলা ছাড়াই, শুধু স্মার্ট এনআইডির কপি দিয়ে কাজ সম্পন্ন করেছি।
যাচাই বাছাই এর সময় বলে আমার কাগজে সমস্যা আছে । জিজ্ঞেস করলাম কোথায় সমস্যা বলে খতিয়ান, কারেন্ট বিল বং চং । যাওয়ার সময় এক দালাল বুঝতে পারলেন । বললেন উনার লোক আছে । এপ্লিকেশন এর পেছনে একটা সিরিয়াল নম্বর লিখলেন তারপর বললেন সরাসরি জমা দিতে । আমি সরাসরি ওই অফিসারের কাছে জমা দিলাম। সে নম্বরটি দেখে আর কিছু বললেন না । আমাকে ভেতরে পাঠিয়ে দিলেন । তবে একটা জিনিস লক্ষ করলাম ২ বার ওই অফিসারের সামনে গিয়েছি, তিনি আমার চোখে চোখ রেখে কথা বলতে পারেননি। বুঝলাম আসলে এসব ইতরামি করে টাকা খাওয়া যায় কিন্তু তাতে আত্ম সম্মান থাকে না ।
১০ মাস ঘুরার পর বুঝতে পারি, টাকা ছাড়া অপারেশনের জন্য সিলেক্ট করেনা, আর কানের মধ্যে চেক করতে একটা পার্টস লাগবে, যেটা বাইরে পাওয়া যায়না, ওরাই দিয়ে টাকা নিছে, অপারেশনর পর সেটা চাইলে বলল, বড় ডাক্তার নিয়ে গেছে।
আমার বাবা দলিল করে মারা গেছেন।আমি নামজারী করতে গিয়েছি।.65 শতাংশ ।তাদের পাকেজ ১ শতক হলেও ২৩ হাজার ১০০ শতক হলেও ২৩ হাজার লাগবে।তানাহলে হবেনা।বাধ্য হয়ে দিলাম।
খারিজ সঙ্ক্রান্ত, তারপরেও কাজ হয় নি
বয়লার লাইসেন্স নবায়ন এর জন্য ব্যাংক ড্রাফট জমা দেয়ার পর নিযোক্ত বয়লার পরিদর্শক পরিদর্শন এ আসে, সব কিছু ঠিক থাকার পরও দির্গ দিন দরে নবায়ণপ্রপ্ত চলে আসা বয়লারকে নানা ভাবে অবৈধ বলে বয়লার চালানোর নিষেধ করে চলে যায়। যার ফলে কলকারখানার কার্যক্রম বন্ধ হলে যায়। তারপর অফিসের পিয়ন ও অন্যান্য পরিদর্শকের কাছের মানুষ দিয়ে কল করে ঘুষ অফার করার জন্য না রকম চাপ সৃষ্টি করে এবং অফিসে দেখা করতে বলে। ওনার কথা ঐভাবে কাজ না করলে উনি বয়ল্যার চালানোর পারমিশন দিবে না। তারপর বাধ্য হয়ে ওনার ডিমান্ড করা টাকা দিতে হলাম এবং এর পর উনি বয়লার চালানোর পারমিশন দিয়ে লাইসেন্স নবায়ন করে দিল।