জমি খারিজ
জমি খারজ। সরকারি খরচ ১২০০। চেয়েছিল ১০০০০।
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৮,৯১৪ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
জমি খারজ। সরকারি খরচ ১২০০। চেয়েছিল ১০০০০।
জবের ভেরিফিকেশনের জন্য নির্ধারিত পুলিশ ভাই আমার কাছে টাকা দাবি করে।পরে বাধ্য হয়ে ১ হাজার টাকা দেয়।কিন্তু সে ১ হাজার টাকা নিবে না। পরে আমি ২ হাজার টাকা পরিশোধ করি।সখিপুর থানার ঘটনা এটি।
তহশিলদার জমি নামজারি অনুমোদন করতে গেলেই টাকা চান। না দিলে ভুয়া প্রতিবেদন দেন৷
ওখানে জাওয়ার পর ওরা বলে। ২৫০০৳কম হলে আমরা পারবো না। এটা হইচ্ছিলো নাটোর সাব-রেজিস্টি আফিসে
আমি বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর সদস্য। পেনশনের টাকা পেতে তাদের ১৫০০০ দিয়েছি। সময়কাল ছিল মে -জুলাই ২০২৪ সাল
যদিও ওয়াসা একটি সরকারি প্রতিষ্ঠান,এখানেও অনেক টাকার ঘুষ লেনদেন হয়।আমার একটি নতুন সংযোগ প্রয়োজন হওয়ায় ওয়াসা অফিসে গিয়ে কথা বলি।যেখানে ডিমান্ড নোট অনুযায়ী সরকার পাবে ১৬,৮২৫টাকা। সেখানে আমার কাছ থেকে বিভিন্ন অযুহাত,অফিস খরচ, ইত্যাদি বলে সর্বমোট ৪২,০০০হাজার টাকা ঘুষ নিয়েছে।
আমি ১৮ তম নিবন্ধনে সুপারিশ প্রাপ্ত হয়ে একটা স্কুলে যোগদান করি। যে খানে NTRCA আমাকে রিকমেন্ডেশন দিয়েছে সেখানে আমার MPO ফাইল এপ্রুফ করার জন্য আমার হেডমাস্টার আমি সহ আরো চার জনের কাছ থেকে ৩০০০০ করে মোট ১৫০০০০ টাকা নিয়েছিল। আমরা টাকা দিতে বাধ্য হয়েছিলাম তারাতাড়ি বিল পাবার জন্য। আমরা এই টাকাটা দিয়েছিলাম হেডমাস্টারকে।। প্রতিটা MPO প্রতিসঠানের হেডমাস্টার যে কি পরিমান দুর্নীতির সাথে জড়িত , তা আমরা বুঝি।। এগুলো নিয়ে যদি সরকার সচেতন হত, এদের লাগাম টানা সহজ হত।।
ট্রাফিক পুলিশ আমার দুই মাস হয় নাই নতুন মোটরসাইকেলটা গাড়িটা ধরেছিল। আমি বলেছিলাম তিন মাসের ভিতরে আমি গাড়ির কাগজপত্র করে নিব। ম্যাজিস্ট্রেট আমার কথা না শুনে গাড়ির নামে মামলা দিয়ে দেয়। সারাদিন তাদের অফিসে ঘুরি কিন্তু গাড়িটা আমার দেয় না ছেড়ে গাড়িটা রেখে দিয়েছিল ফাড়ির ভিতরে। সারাদিন হয়রানির পরে রাত দশটা বাজে আমাকে একজন ট্রাফিক পুলিশ বলে, ১০,০০০ টাকা দিলে গাড়িটা ছেড়ে দিব। এই যে দুর্নীতির একটা অভিজ্ঞতা আমি সারা জীবন কখনো ভুলবো না। পরে আট হাজার টাকা দিয়ে আমি গাড়িটা নিয়ে যাই বাড়িতে।
আমার দোকান রাজধানীর একটি বড় শপিং মলে। প্রতি ৬ মাসে এই শপিং মল থেকে কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিদপ্তর ঢাকা পল্টন অফিসে ২০০০০০০ টাকা দিতে হয়। বিনিময়ে উক্ত মার্কেটে ওরা পরিদর্শন করবেনা এবং লাইসেন্স করতে হবে না এই সুবিধা দেয়।
আমার গ্রামের 10 শতাংশ জায়গা খারিজ করার জন্য কাগজপত্র নিয়ে আমার আত্মীয় কে অফিসে পাঠাই সেখানে কাগজের বিভিন্ন ভুলত্রুটি অহেতুক উল্লেখ করে ১২০০০ টাকা দাবি করে ।12000টাকা না দিলে কোন ভাবেই খারিজ করা সম্ভব না ।অনেক ঘোরাঘুরির পরে আমি বাধ্য হয়ে টাকাটা দিতে হয়েছে। দুই মাস ধরে অনুরোধ করছি ঘোষ ছাড়া ঐ অফিসে কোন কাজ হয় না আমার জানা মতে
আমি সকাল ৭.৩০/৪০ এর দিকে মিরপুর-১ এর চাইনিজ এর বশিরুদ্দিন রোড থেকে বের হয়ে ডান পাশের রোড দিয়ে ঢুকে ইউটার্ন নিতে গেলে আমার বাইক দার করায় আর বলে আমি নাকি উল্টাপথে এসেছি। তারপর কাজ পত্র দেখতে চায় আমিও দেখাইতেছিলাম এরি মধ্যে আমার বাইকের চাবি নিয়ে যায়, তারপর ১ম ৩ হাজার টাকা দাবি করে আস্তে আস্তে ১ হাজার টাকার মামলা দিয়ে দেয়, এরপর সিলিপ নিয়ে সেই সকালে বিভিন্ন যায়গায় ঘোরাঘুরি করে মামলার টাকা পরিশোধ করি শিওরক্যাশের মাধ্যমে দোকান থেকে, তারপর তাকে খুজে বেরকরতে অনেক সময় চলে যায়, পরিশোধকৃত সিলিপ পাওয়ার পর সিলিপ নিয়ে আমার বাইক ছেড়ে দেয়। তাদের একজন বলে একবার ডাম্পিং এ দিলে আর নাকি বের করা যাবে না এসব হুমকিও দিয়ে ছিল, বাইক ডাম্পিং সম্পর্কে আমি বেশি কিছু জানতাম না, আরেকজন বলেছিল ওনার বস নাকি এরকমই।
কেউ নিজে আবেদন লিখে নিয়ে গেলে নানা অযুহাতে তা কেনচেল করার পরামর্শ দিয়ে ফেরৎ দেয়। অফিসের সামনে কম্পিউটার দোকান রয়েছে সেখান থেকে ঘুষের টাকা সহ সেইম আবেদনটি জমা নেন। দালালরা হুয়াটস এপপ এর মাধ্যমে তথ্য অফিসারদের সরবরাহ করে থাকে। রুন নং 101 এবং 205 নং কক্ষতে বসা অফিসার গনই সব নিয়ন্ত্রন করে। সরকারের দোষ দিয়ে লাভ নাই। যে সরবারই আসুক এই সমস্ত ঘোষখোর ভালো হবে না। প্রতি দিন লক্ষ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে তারা। আমার ছেলের জন্য পাসপোট করতে গিয়ে আমি এর শিকার হই। বাধ্য হয়ে দালালকে টাকাি দিয়েছি পরে। তার আগে আমি নিজেই অনলাইনে আবেদন করে পেমেন্ট করি। নিজে ছেলেকে নিয়ে ফরম জমা দিতে গেলাম। সারাটা দিন আমার মাটি হলো। নিচে উপরের দুড়াতে দুড়াতে।
বিনীতভাবে জানাচ্ছি যে, আমি বিদেশ যাওয়ার উদ্দেশ্যে পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেটের জন্য আবেদন করলে সংশ্লিষ্ট থানায় আমার কাছ থেকে ১০,০০০ (দশ হাজার) টাকা নেওয়া হয়। মূলত, আমার বর্তমান উপজেলা তারাকান্দা, কিন্তু আমার NID-তে পূর্বের উপজেলা ফুলপুর উল্লেখ থাকায় পুলিশ ক্লিয়ারেন্সের কাজের জন্য আমার কাছ থেকে অতিরিক্ত ১০,০০০ টাকা দাবি ও গ্রহণ করা হয়। উক্ত অর্থ থানার অভ্যন্তরেই গ্রহণ করা হয়েছে। এছাড়াও, সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা আমাকে বলেন যে, “আপনি নিজে ময়মনসিংহ থেকে পুলিশ ক্লিয়ারেন্স নিয়ে আসতে পারবেন না, আমরা নিজেরাই ময়মনসিংহ থেকে নিয়ে আসব।” এভাবে থানার ভেতরেই পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সংক্রান্ত কাজে অতিরিক্ত অর্থ গ্রহণ করা হয়েছে, যা অনিয়ম ও দুর্নীতির শামিল বলে আমি মনে করছি।
রিমান্ড রিপোর্ট যেনো সঠিক প্রদান করে সেজন্য টাকা দিয়েসি ।কিন্তু তারপরও মিথ্যা রিপোর্ট দিয়েসে তদন্ত ওসি ।
আমি আমার মোটর বাইকের নাম্বার প্লেট এবং স্মার্ট কার্ড নিতে গেলে বলা হয় আপনি অনেক দেরি করে আসছেন নিতে আপনাকে এখন দেয়া যাবে না পরবর্তীতে ঘুষের বিনিময়ের দেয়া যেতে পারে বলা হয় আমি বাধ্য হয়ে দিয়েছি কারণ আমি একটি জব করি প্রতিনিয়ত তাদের সাথে যোগাযোগ করার উপায় ছিল না এবং বারবার তারা আমাকে প্রচারিত করতেছিল
বাবার মৃত্যর পর পেনশনের টাকা তুলতে গিয়ে ঘুস দাবি করে। এবং বাধ্য হয়ে ঘুষ দিয়ে তারপর সেবা নিতে হয়েছে।
মোবাইলটি দরকারি ছিল সাথে মোটামুটি দামি। বাসে জাওয়ার সময় হারায়, কিছুক্ষণ পর অভিযোগ করি। পরে থানা থেকে একজন পুলিশ ফোন দিয়ে জানায় যে ফোন পাওয়া যাবে সমস্যা নাই ৭০০০ টাকা দিতে হবে ।
পিরোজপুরের মঠবাড়িয়া উপজেলার একটি কলেজে বিনা রশিদে(অবৈধভাবে )ভর্তি ফরম বাবদ ৩০০ টাকা, প্রবেশপত্র বিতরণের সময় বিভাগ থেকে ৩০০ টাকা, পরীক্ষার ফরমপূরণের সময় ফরম বাবদ ৩০০ টাকা, ব্যবহারিক পরীক্ষায় প্রতি বিষয়ে ২০০ টাকা,অনার্স চতুর্থ বর্ষের ভাইবার সময় ১০০০ টাকা করে শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে জোরপূর্বক আদায় করা হয়।এর বিনিময়ে পরীক্ষার হলে ছাড় দেয় এবং ব্যবহারিক, ইনকোর্স ও ভাইভায় বেশি নাম্বার দেয়।
ডিসেম্বরে চট্টগ্রাম পাঁচলাইশ পাসপোর্ট অফিসে নিজে নিজে আবেদন করে নিয়ে যায়। কিন্তু জমা দিতে গিয়ে এই ভূল সেই ভূল বলে ২য় তলা নীচতলা ঘুরাতে থাকে। হতাশ হয়ে পাসপোর্ট অফিসের বাইরে বের হলে, দালাল পাসপোর্ট করার জন্য ২৫০০ টাকা দবি করে। দরদাম করে ২২০০ টাকা দিতে বলে। একি আবেদন পত্রে শুধু দালালের ইমেল লিখে দিয়ে আমাকে জমা দিতে পাঠায় কিন্তু পাসপোর্ট আফিস নেয় না আবেদন। আমি পুনঃরায় দালালের কাছে গেলে দালাল পাসপোর্ট অফিসের অফিসারকে ফোন দিলে বলে আমার আবেদন নাকি আজ নিবে না কারন আমিআবেদন কেন নিবেন না এসব বলার জন্য আমাকে শাস্তি দিবেন। আমি অসুস্থ ছিলাম অনেক কাকুতি মিনতি করেও ২২০০ টাকা ঘুষ দিয়েও ওদের মন গলাতে পারি নি। পরের দিন আবার জমা দিতে গেলে দালাল আরো ৫০০ দাবী করে। বাধ্য হয়ে আরো ৫০০ সহ ২৭০০ দিয়ে পাসপোর্ট হল।
আমার এক ক্লায়েন্ট আমার ছোট মেয়ের জন্য কিছু চকলেট এবং কিছু উপহার সামগ্রী পাঠাতে চেয়ে ছিলেন, আমি অনেকবার তাকে মানা করেছিলাম, এগুলো না পাঠানোর জন্য কারণ আমি জানি, এগুলো আসতে আসতে অর্ধেক হয়ে যাবে; আমি আমার দেশের দূর্ণাম করতে পারছিলাম না। শেষ পর্যন্ত তিনি ছোট মেয়ের জন্য কিছু চকলেট এবং কিছু উপহার সামগ্রী পাঠিয়েছিলেন এবং একটি ভিডিও পাঠিয়েছিলেন। সেই পার্সেল পোস্ট অফিস থেকে সংগ্রহ করতে যাই, সেখানে গিয়ে দেখি ক্লায়েন্ট যেভাবে প্যাকট করেছে সেভাবে নেই, এবং সেই সাথে ৩০০০/- কাস্টমস্ ভ্যাট যোগ করেছে (যার ভিতরে ছিল একটি খেলনা ঘর এবং কিছু চকলেট (যার অর্ধেক কাস্টমস অথবা পোস্ট অফিস রেখে দিয়েছে)। পরে আমিও ঐ প্যাকেট খোলার একটি ভিডিও ক্লায়েন্টকে শেয়ার করেছিলাম, ঊনি দেশে বললে আর চকলেট কই।