KHATIAN
খতিয়ান এর নকল এর জন্য ১৭ টা খতিয়ান ১৭০০০ টাকা দিলাম , না দিলে নকল দিবে না
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৮,৯৪৩ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
খতিয়ান এর নকল এর জন্য ১৭ টা খতিয়ান ১৭০০০ টাকা দিলাম , না দিলে নকল দিবে না
রোগীর জন্য বেড ব্যাবস্থা করে দেওয়া ট্রলি দেওয়া, স্যালাইন ফিট করা।
সে বলে ছিলো একাগজ টা আনতে তাদের নাকি টাকা খরচ হয়েছিল তাই
এটা না দিয়ে কাজ হবে না
আমি আমার এক ছোট ভাই কে নিয়ে যাই HSC এর সার্টিফিকেট তুলতে। সেখানে থাকা অফিস সহকারী স্যার আমাদের থেকে সরাসরি টাকা চায়। জিজ্ঞেস করলে বলে এটা নিয়ম সবাই দেয় কিছু একটা দিয়ে নিয়ে যাও। অনিচ্ছা সত্ত্বেও দেওয়া লাগে স্যার দেখে কিছু বলতেও পারি নি
আমার ফ্যামিলির জন্ম সনদের জন্ম সাল এস এস সি সার্টিফিকেট সাথে মিল ছিলো না , তা জন্য আমি আবেদন করেছি একে একে ৪ বার। যখন যেবাবে বলা হইছে তখন সেই ভাবে আবেদন করেছি , তাও কাজ হইনি, অন্য এক লোক দেখিয়ে দিলো সে ২০০০ টাকা নিলো , অই দিন আমার কাজটা হয়ে গেলো ।
ভূমি অফিসে এটি একটি রমরমা ব্যবসা হয়ে দাড়িয়েছে। সরাসরি ডিল করছেন ওনারা। প্রতিটা কাজের জন্য দাম ফিক্সড করা। নামজারি করতে ১১০০ টাকা লাগে। অথচ তারা ৭,০০০-১৫,০০০ টাকা পর্যন্ত নিয়ে থাকে। দালাল ছাড়া সরাসরি করতে গেলে তারা গরিমাসি করে। তাই সাধারন জনগণ হিসেবে আমি এই জুলুমের শেষ চাই।
বর্তমান সময় আমি জানি নামজারি করতে সরকারি একটা ফি আছে তার থেকেও আমার কাছ থেকে অনেক বেশি নেওয়া হয়েছে ১০ হাজার টাকা নেওয়া হয়েছে আমি জানি এতে এত টাকা নেওয়া হয় না। কি করবে বলেন টাকা না দিলে তো কাজ করবে না আমাদের এ কাজ নিয়ে ঘুরাবে, এইজন্য এই টাকা দিতে বাধ্য হয়েছে সরকারের কাছে একটি দাবি এইসব সেক্টর থেকে দুর্নীতি বন্ধ করার।
চাকরিরত অবস্থায় সরকারি চাকরিজীবী মারা গেলে যে যে ধাপে টাকা উঠাতে হয় সব জায়গায় দশ বিশ হাজার টাকা করে ঘুষ দিতে হয়েছে এভাবে ১ লাখ টাকা গেছে। এখনো কল্যান তহবিলে দুই লাখ টাকা পায়নি
আমি পুলিশ ক্লিয়ারেন্সের আবেদন করেছিলাম গত ১ মাস আগে, পুলিশ ফোন করে বলে থানাশ আসতে ভেরিফিকেসনের জন্য। থানায় গেলে পুলিশ ১০০০ টাকা দাবি করে, পুলিশ ক্লিয়ারেন্স আমার ইমারজেন্সি ছিল তাই ৬০০ টাকা দিতে বাধ্য হই।প্রতি থানা ঘুষের মুল কারখানা।
কিশোরগঞ্জের জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের বানিজ্য শাখায় কারিগরি লাইসেন্স (স্বর্নকার) নবায়ন করতে অতিরিক্ত টাকা প্রধান করতে হয়।৪র্থ শ্রেনির কর্মচারি থেকে উপর পর্যন্ত ভাগ যায়।সবচেয়ে বড় দুর্নীতিটা হয় যখন আপনি নিজে কাজটা করতে যাবেন। জেলা প্রশাসক নির্ধারিত এসটিডি ফান্ডে উত্তরা ব্যাংক শাখায় জমা দিতে হয় ৫০০ কিন্তু আপনাকে বলবে ১০০০ জমা দেন। সাথে যোগ হবে লাইসেন্স পি, ট্যাক্স ও ভ্যাট। এদিকে ঘুষ দিয়ে করে সেটা ১৩০০ টাকার মধ্যে করে দিবে।প্রশ্ন হল স্বাভাবিকভাবে করতে গেলে অনেক টাকা লাগে দেখুন ঘুষ দিয়ে করলে তেরোশো টাকায় হয়ে যায়। এই শুভঙ্করের ফাঁকি সবাই কে ক্ষতি করছে। জেলা প্রশাসন সেটা অনলাইনেও করবে না আবার বাণিজ্য শাখায় এ বিষয়ে নাগরিক সনদ নাই যে কোন খাতে কত টাকা করে ব্যাংকে জমা দিতে হবে।
কেনা বাইক রেজিষ্ট্রেশন করার জন্য প্রয়োজনীয় ডকুমেন্টস সহ ঠাকুরগাঁও বিআরটিএ অফিসে গেলে তারা আমার কাছে ১৮০০ টাকা দাবি করে। কারণ ফাইল জমা করতে দেরি হয়ে গেছে। টাকা ছাড়া কোন ভাবেই তারা আমার ফাইল জমা নিচ্ছে না। অগত্যা বাধ্য হয়ে তাদেরকে ১৫০০ টাকা দিতে হয়েছে। ঘটনাটা ২০১৮ সালের দিকে।
প্রতিটা নামজারি র জন্যে 5000 টাকা দিতে হবে
নতুন ট্রেড লাইসেন্স দরকার। সরকারের কি অনুসারে আড়াই হাজার টাকা দিলেই হয়। বলা হলো সাড়ে ৫ হাজার টাকা দিতে হবে। না হয় ট্রেড লাইসেন্স নবায়ন হতে সময় লাগবে ৬ মাস। আমার ১৫ দিনের ভিতরে দরকার। কিন্তু অতিরিক্ত টাকা পেমেন্ট করাই পাঁচ দিনের মধ্যে আমি ট্রেড লাইসেন্সটা পাই।
স্মার্ট আইডি কার্ড ধ্রুত নেওয়ার জন্য টাকা দিতে হয়েছিল।
during joining or leaving ship in port we need to complete immigration procedure.there we have to give 500 taka per person to immigration police.
জমির যাবতীয় বৈধ কাগজপত্র থাকা সত্ত্বেও জমির রেকর্ড সম্পন্ন করার জন্য ১,০০,০০০ (এক লক্ষ) টাকা দাবি করা হয়। টাকা না দিলে রেকর্ড করে দেওয়া হবে না বলে সাফ জানিয়ে দেওয়া হয়। এমতাবস্থায়, জমি নিজের আয়ত্তে ও রেকর্ডের স্বার্থে বাধ্য হয়েই উক্ত পরিমাণ অর্থ প্রদান করতে আমি বাধ্য হই।
আমি নিজে নিজে পাসপোর্ট এর আবেদন করি সব ডকুমেন্ট একসাথে করে পাসপোর্ট করতে জমা দিলে ওখানে থাকা অফিসার আমার এপ্লিকেশন ফরম এ ডট ভুল আছে বলে সংশোধন করতে বলে । আমি হেল্প লাইন এ গেলে আমাকে বলা হয় বাইরে কম্পিউটার দোকান থেকে আবেদন করে নিয়ে আসতে আমি আবেদন করে নিয়ে আসি সেটা এক অফিসার এর কাছে জমা দিলে আমাকে বলে ২ মাস পর দেখা করতে । আমার নাকি কোনো ভাবে হবে না। পরে আমি নিচে চলে গেলে এক দালাল আমাকে বলে সবাইকে এরকম ভুল ধরে বের করে দেয় পরে তারা নাকি করে দেয় । আমার থেকে ১৫০০ টাকা চাওয়া হয়। বাধ্য হয়ে আমি তাকে টাকা দিতে রাজি হই পরে আমাকে এক কম্পিউটার দোকানে নিয়ে গিয়ে একটা আবেদন করে দেওয়া হয়। যেহেতু একবার আমার এনআইডি দিয়ে রেজিস্ট্রেশন করা হয়েছে তাই আমার এনআইডি দিয়ে আর হয় না । তাই সে শেষের
২০২৩ পাসপোর্ট করে দিবে বলে এবং দ্রুত দিবে বলে আমার কাছ থেকে অতিরিক্ত ৩০০০ টাকা নিয়েছিলো এবং পাশাপাশি পুলিশ ৫০০ টাকা নিয়েছিলো ভেরিফিকেশনে
আমি ২০২৫ সালে আমার এইচ এস সি সার্টিফিকেট তুলতে সিলেট শিক্ষা অফিসে যাই ওই সময় আমাকে ৫ ঘন্টা বসিয়ে রেখে লাষ্টে উচ্চ মাধ্যমিক অফিসার ৪০০ টাকা ঘুষের বিনিময়ে আমার সার্টিফিকেটে সাক্ষর করে সার্টিফিকেট দেয়।মুল বিষয়ঃ ২০২২সালে ইন্টার পরীক্ষা দিয়ে ২০২৫এ সার্টিফিকেট কলেজে আসেনা।কারণঃ ঘুষ খেতে পারবেনা অফিসাররা।সিলেট শিক্ষা অফিসে মানুষের চেয়ে দালাল বেশি।