ঝিনাইদহ বিআরটিএ অফিসে
গাড়ির স্মার্ট কার্ড আনার সময় ৩০০ টাকা ডিজিটাল গাড়ির প্লেট লাগানোর সময়১০০
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৮,৯১৪ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
গাড়ির স্মার্ট কার্ড আনার সময় ৩০০ টাকা ডিজিটাল গাড়ির প্লেট লাগানোর সময়১০০
আমাদের পরিবারের জমি রেললাইন এর জন্য সরকার অধিগ্রহণ করেছে। তো সেটার টাকা তুলতে গিয়ে সকল কাগজ ঠিক থাকা সত্তেও ৪ পার্সেন্ট টাকা ছাড়া কাজ হবে না বলে। এটা নিয়ে অনেক ঘোরার পর বুঝে যাই যে এটা থেকে বাচার তেমন কোন উপায় নাই। এক দালাল এর মাধ্যমে তাদেরকে ৩ পার্সেন্ট (২,৭০,০০০) এ কাজ সম্পন্ন করি
সরকারি রেট ৫৮০০টাকার মত কম বশি হতে পারে কিনতু পাসপোর্ট অফিসে আসে পাশে ে কম্পিউটার দোকান গুলো আছে তারা সব কিছু ঐ দোকান থেকে ম্যানেজকরে । ৯০০০হাজার বা ব্যেক্তি বেশি নেয়। ওরে দোকানগুলোর সাথে কর্মচারী কর্মকর্তাদের জোকস সাজেশন এইগুলা হয়। দোকান থেকে সবকিছু কমপ্লিট করার পরে ফিঙ্গার দিলে আজকে জেগে হলে পাসপোর্ট হয়ে যাবে আর নরমাল ভাবে করতে গেলে অনেক কিছু দয়া করে আইল ফের অধ্যায় এটা নাই ওটা নাই
আমার যায়গা দখল করেছে বা বিভিন্নভাবে আমাদেরকে হয়রানি করার বিরুদ্ধে মামলা করতে গিয়েছিলাম, মামলা নেয়নি, অভিযোগ সত্য মিথ্যা যাচাই করতে এসে অন্যায়কারীর কাছ থেকে টাকা খেয়ে ওটাকে আর আমলে নেয়নি বা মামলা নেয়নি, বা জিডিও নেয়নি, তার পরে বিভিন্ন সময়ে থানায় যাওয়ার পরে বা 2/1 বার 2 জন পুলিশ সিভিলে আসছে শুধু টাকা আমাদের কাছ থেকেও খেয়েছে আবার অন্যায়কারীর কাছ থেকেও খেয়েছে। তার পরে আর সামনের দিকে আগাইনি।
ড্রাইভিং লাইসেন্স পরীক্ষায় পাশ হওয়ার জন্য ৩০০০ টাকা ঘুষ দিতে হয়েছিল বি আর টি এর কর্মকর্তাদের ইচ্ছা না থাকা সত্ত্বেও লাইসেন্স করার জন্য দিতে হয়েছিল সকল পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হওয়ার পরও পোস্টটি দেওয়া লাগছে
সরাসরি 1200 টাকার নামজারি ভোগান্তি ছাড়া 5000 টাকায় করে দেবে বলে 5000 নিয়েছে
অনলাইনে ১৫০০ টাকা দিয়ে পুলিশ ভেরিফিকেশন সারটিফিকেট এর জন্য আবেদন করি ২০২৬ এর জুলাই মাসে। স্থানীয় থানা থেকে কল করে আমাকে দেখা করতে বলে , অনলাইন আবেদনের সফট কপি জমা নেয়, এরপর ৩০০০ টাকা দাবি করে। বেকার পরিচয় দিয়ে কাজ না হলে শেষে ৫০০ টাকা দিতে চাইলাম, বলল তাইলে আর দিতে হবে না, শেষে ১০০০ টাকা দিয়ে মুক্ত হলাম। কিন্তু পরের দিন আবার থানা থেকে আরেকজন কম্পিউটার অপারেটর কল দিয়ে বলে আপনার নামে মামলা আছে। এরপর আবারো ২০০০ টাকা ধার হিসেবে চায়, দিতে পারব না বলার পরেও বার বার কল দেয়, কল রিসিভ না করলে এলাকায় বাড়ির পাশে এসে বাড়ির লোকদের থেকে নিয়ে দিতে বলে। পরে অনেক কস্টে রেহায় পাই।
পারিবারিকভাবে আমাদের জমি কে কেন্দ্র করে একটা মামলা করে দিয়েছে আমার বড় চাচা , এজন্য এটার এগেনস্ট আমাকে মামলা করতে হবে তাই মামলার আরজি কপি উঠাইতে হবে গেলাম সেখানে। জাস্ট একটা ছবি তুলে দেবে আমাকে বলতেছে ৫০০ টাকা লাগবে , যেহেতু আর অপশন নেই পরবর্তীতে ৩০০ টাকা দিয়ে করে নিলাম । শুধু জাস্ট উনি ভিতর থেকে দেখলাম ফাইলটা নিয়ে আসলো আমাদের জমিনের আমি সেই ফাইল এর থেকে আরজি এর একটা ছবি তুললাম। এই হল অবস্থা। আমি ওনাকে বিকাশে টাকা দিতে চাইলাম উনি হ্যান্ডকেস ছাড়া নিবে না।
দলিল রেজিষ্ট্রেশন এর জন্য দিতে হয়েছে। দলিল লেখকগন এই ডিল করেছেন। এই চক্র ভাংগা প্রায় অসম্ভব। এটাই নিয়মে পরিনত হয়েছে। দলিল রেজিষ্ট্রেশন এ অনলাইন আবেদনের ব্যবস্থা করতে হবে। গ্রাহক যে কোন স্থান হতে সঠিকভাবে দলিল লিখে অনলাইন আবেদনের মাধ্যমে জমা দিবে।
দলিল রেজিষ্ট্রেশন এর জন্য দলিল লেখক বলেন সাব রেজিস্ট্রার কে টাকা দিতে হবে। এটাই নিয়ম, এটা নাকি তার হকের টাকা। ভেতরের টিপ সহি দিতে গেলেও ১০০ টাকা দিতে হয়। এই অচলায়তন ভাঙার জন্য কঠোর পদক্ষেপ প্রয়োজন।
আমি জামালপুর শহরে এক খন্ড জমি কিনি। পরবর্তীতে নাম জারি করতে গেলে আমার নিকট ৫৮০০ টাকা দাবি করা হয়।যেখানে সরকারি ফি ১১৭০ টাকা এবং আমি সেটা পরিশোধ করি
সরকারি সেবা যেখানে সবার জন্য ফ্রি,কিন্তু প্রত্যেক নাবিক সাইন অন ও সাইন অফ এর সময় তার এজেন্সির লোক দারা ১০০০-১৫০০ টাকা নিয়ে থাকে চা নাস্তা খাওয়ার কথা বলে ।
আর্মিতে ছিলাম,,,, পেনশনের সময় দিয়েছি। ঘুষ না দিলে পেনশন কম পাওয়া যাবে এবং সময় লাগবে। ১০০% দিতেই হবে। তাই আমি দিতে বাধ্য হয়েছি। এবং এক দু মাসের মধ্যে পেয়ে গেছি।
আমি ভূমি অফিসে যাই নামজাৱী কৱতে এৱ পৱ যেয়ে আবেদন ফি 500 টাকা প্ৰতিবেদন ফি 500টাকা তাৱ পৱ সব কাজ অফিসাৱ কৱে দিবে 3000 টাকা দিতে হবে তা না হলে আমি নিজে কৱতে গেলে নানান সমস্যা দেখাচ্ছে অফিসাৱ
Union land office er pion dari ala beda bole 6000 tk dan tahole r kisu problem hbena AC land office a o jaite hbena 30 din por aisa papers nia jaben.....opai na pia tk dite badho holam
আমি পুলিশ ক্লিয়ারেন্স এর জন্য অনলাইনে টাকা পেমেন্ট করেছি তারপর আমাকে একদিন কল দিলো পুলিশ আপনার প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সহ থানায় আসুন তারপর আমি থানায় গেলাম সেখানে যাওয়ার পর ওসি আমার থেকে আবার ১৫০০ টাকা নিলো এখন আমার প্রশ্ন হচ্ছে একবার আমি অনলাইনে পরিশোধ করার পর পুলিশ অফিসার আমার থেকে আবার ১৫০০ টাকা কেন নিলো
শিক্ষক নিয়োগ (ক) তম গণ বিজ্ঞপ্তিতে সুপারিশ প্রাপ্তির পর এম. পি. ও করন প্রক্রিয়ার জন্য ১০০০০ টাকা দাবি করেন প্রধান শিক্ষক। না দিলে বেতন পাব না। তাই ১০০০০ টাকা ঘুষ দিতে বাধ্য হই। প্রায় ১০-১৫ জন শিক্ষক থেকে এম.পি.ও করন প্রক্রিয়ার জন্য ১০০০০ টাকা করে ঘুষ নিয়েছেন তিনি ( আমার জানামতে)
আমি টাকা দিয়েছি, পরে সংশোধন হয়েছে কি না জানি না। আমি ওই রেজুলেশন বই এর ছবি তুলতে চাইছিলাম আমাকে দেয় নাই। আবাট টাকা গ্রহণের রশিদ ও দেয় না-ই। বললাম এটা তো টাইপিং মিসটেক আপনারাই ঠিক করে দিন। আমার তো যাবতীয় কাগজপত্র ঠিক আছে। তাহলে টাকা দিবো কেন তারা বলে যে এটা এভাবেই পাঠাবো তাহলে। তাহলে আর বড় ভুল হবে, তখন মামলা মোকদ্দমা করে জমির কাগজপত্র ঠিক করতে হবে। তাই আর কিছু না বলে ২৫০০ টাকা দিয়েছিলাম।
সরকারি হাসপাতালে সেবা নিতে গেলে টাকা দাবি করে, তাহলে এক্সট্রা ভাবে দেখবে, তার ভিসিট ২০০ টাকা , যতবার তাকে আপনি এক্সট্রা ভাবে দেখাবেন ততবার ২০০ করে টাকা নিবে আমার স্ত্রীকে তিনটি স্যালাইন লিখে দিয়েছিলেন লাইনগুলোর নাম তিনি লিখে দিয়েছিলেন প্রেসক্রিপশনে, পরবর্তীতে আমি বাহিরে থেকে কিনে আনি তিনি পর্যায়ে কর্মে তিনটি লাইন দিয়েছিলেন ২০০ করে টাকা নিয়েছে, যতবার তার কাছে আমার স্ত্রী চিকিৎসার জন্য গিয়েছে ততবারই তাকে অর্থ প্রদান করতে হয়েছে আমি যতটুক জানি প্রায় দুই হাজার টাকার মত দেয়া হয়েছে। আমার মত এরকম অনেকেই ভুক্তভোগী আছেন, চিকন্দি সরকারি হাসপাত
আমি ভুমি রেজিস্টেশন করতে গেছি যখন আমাদের দলিল লেখক সাব রেজিস্টারের কাছে দলিল নিয়ে গেছে তখন সাব রেজিস্টার ২০০০০ হাজার টাকা দাবি করে ঘটনাটি ২০২১ সালের