ভেরিফিকেশন
আমার পরিচয় ভেরিফাই এর জন্য কোর্ট থেকে থানায় একটি কাগজ পাঠানো হয়, পুলিশ ভেরিফাই এর জন্য আমাকে থানায় ডাকে এবং কাগজটি অনুমোদন দেওয়ার জন্য নাস্তা খরচ হিসেবে ১০ টাকা দাবি করে, পরবর্তীতে আমি সেটা পরিশোধ করি
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৮,৯১৪ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
আমার পরিচয় ভেরিফাই এর জন্য কোর্ট থেকে থানায় একটি কাগজ পাঠানো হয়, পুলিশ ভেরিফাই এর জন্য আমাকে থানায় ডাকে এবং কাগজটি অনুমোদন দেওয়ার জন্য নাস্তা খরচ হিসেবে ১০ টাকা দাবি করে, পরবর্তীতে আমি সেটা পরিশোধ করি
কাজটি করেছিল যিনি অফিস আদেশ রেডি করে দেন তার মাধ্যমে। বলে পেপারে ভুল আছে তাকে আসতে বলেন। আমি এভাবে প্রেগনেন্ট অবস্থায় সিড়ি বেয়ে বারবার উপরে নিচে যেতে ও পারছিলামনা। তাই প্রতিবাদ না করে দ্রুত তাদের কথামতো কাজ করেছিলাম।
আমি পাসপোর্ট এর নিজে আবেদন করেছি সব কিছু ঠিক ছিল কিন্তু আমার ফাইলটা রিটার্ন করে দিয়েছে, পরবর্তীতে আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিসের সামনে, অনেক গুলা কম্পিউটারে দোকান আছে একটি দোখানে গিয়েছি, বলেছে আমার ফাইল জমা করিয়ে দিবে ২ হাজার টাকা লাগবে, আমি দামা দামি করে ১৭০০ টাকা দিয়ে ফাইল জমা করিয়েছি। এইবাবে প্রতি দিন তাদের চ্যানেল এর মাধমে ৩০০ থেকে ৪০০ ফাইল জমা হয়, যত টুকু বুঝলাম উনারা প্রতি ফাইলে ১১০০ টাকা করে পাসপোর্ট অফিসের লোকেরা পাই। যদি ৩০০ ফাইল হয় তাহলে প্রতি দিন ৩৩০০০০ টাকা উনারা ঘোষ খায়।
আমি বিদেশ যাওয়ার জন্য পাসপোর্ট বানাবো তাই পুলিশ ক্লিয়ারেন্স বানানোর জন্য পুলিশ সুপার বা উর্ধতন কর্মকর্তার বলা যায় সম্মতি লাগে তাই আমি ফাইলগুলো জমা দিতে গিয়ে পুলিশের সাথে সাক্ষাৎ করার সময় সে আমার কাছে স্পষ্টভাবে ঘুস দাবি করেছে। পরে আমাকে কথা কাটাকাটির এক পর্যায় বাধ্য হয়ে ৫০০ টাকা। আমি তো তাও ৫০০ টাকার উপর দিয়ে পার পেয়ে গেছি কেউ আছে ১৫০০ বা ২০০০ দিয়েও পার পাইনি।
না না অযুহাতে তিতাস গ্যাসের যার খুলে নিয়ে গিয়েছিল। টাকা পরিশোধ করার পর আবার ভাইজান লাগিয়ে দিয়ে গেছে।
আমি প্রথমে পাসপোর্ট এর জন্য আবেদন করি আমি যখন কাগজ পত্র জমা দিতে যাই তখন আমার পাসপোর্ট তাড়া জমা নেয় না। আমি জানতাম আমাকে অনেক ঝামেলা পেরোতে হবে তাই আগে থেকেই প্রস্তুত ছিলাম তারপর ও শেষ পর্যন্ত সেই দালাল এর কাছে হার মানতে হয়েছে। আমি পাসপোর্ট এর জন্য আমার জন্ম নিবন্ধন এন আইডি কার্ড বাবা মার জন্ম নিবন্ধন এবং এন আইডি কার্ড বিদ্যুৎ বিল নাগরিক সনদ স্টুডেন্ট আইডি কার্ড এ মাদ্রাসার সার্টিফিকেট ট্যাক্স এর কাগজ ইত্যাদি এই সব কাগজপত্র দেয়ার পর ও এরা নেয় নাই মজার বিষয় হচ্ছে তাড়া আমাকে অজুহাত দেয় আপনার কারেন্ট বিল এর কাগজ ঝাপসা সেটা বলে তারা আমার থেকে আবেদন জমা নেয় নাই যখন আমি বাহির থেকে দালালকে টাকা দিয়ে আসি তখন হয়তো আমার আইডি কার্ড এবং বাবার আইডি কার্ড দিলে আর কোন প্রশ্ন না করে জমা নেয়
সার্টিফিকেট হারিয়ে ফেলায় সার্টিফিকেট তুলতে যাই। সেখানে দায়িত্বরত এক সহায়তাকারী আমার সাথে নানা অজুহাতে ৫০০০ টাকা ঘুষ নেন।
পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী উপ সহকারী প্রকৌশলীর মাধ্যমে প্রতি বিলের ২% টাকা দাবি করে। (উক্ত কমিশন কনস্ট্রাকশন কোম্পানিগুলোতে PC হিসেবে পরিচিত।এটা সারা বাংলাদেশের BWDB & LGED তে না দিলে কাজও দেয় না বিলও আটকে রাখে।)
নিরধারিতো পাসপোট ফি বাদে ২০০০ টাকা বেশি দিলে ২ দিনে মিলবে পাসপোর্ট সাধারন আনসার সদস্য
My tax file selected automatically by the NBR. i’m one of the unlucky 75,000 assesses. I had no issue in the file but they want 100,000 taka to settle. now i’m ending up with paying 50,000 taka which is insane and unjustified.
নামের পূর্বে ছিলো,, মোঃ যা করা হয়ছে মোহাম্মদ। বয়সে মাসের জায়গায় jun নয়, হয়ছে jan
জমির খাজনা দিতে গিয়ে, নিজের এনআইডি দিয়ে একটি প্রফাইল খুলতে ১০০০ টাকা ঘুষ দাবি করে।
আমি একজন চায়নিজ গার্মেন্টস ব্যাবসায়ী কে বাংলা দেশে গার্মেন্ট ব্যবসার জন্য আনি ।তারা অনেক কাজ আইনজীবী মাধ্যমে সম্পন্ন করে। কিছু কাজ করতে তারা লোকাল মানুষের সাহায্য নেন।এই লোকাল মানুষের সাহায্য নিতে তারা কৌশলে চাঁদাবাজি শিকার হন।6000স্কায়ার ফিট এর একটি ফায়ার লাইসেন্স করতে কম্পানির কাছ থেকে 160000 টাকা নেন। এটি আমাদের দেশের জন্য ভাবমূর্তি নষ্টের কারণ । বিদেশীরা আমাদেরকে বলে তোমরা চোর। তোমাদের দপ্তর গুলো চোর। তোমাদের এলাকার লোকগুলা চাঁদাবাজ। আমার এই রিপোর্টটি আপনারা গুরুত্বের সাথে প্রচার করবেন। বিদেশীরা আমাদের দেশে ব্যবসা করতে এসে আমাদের দেশে কিছু চাঁদাবাজার কারণে তারা ব্যবসা করতে অনিয়া প্রকাশ করি।
আমি সৌদি আরব প্রবাসী, আমি সৌদিতে গাড়ী ড্রাইভ করি। বাংলাদেশের ড্রাইভিং লাইসেন্স দরকার ছিল তাই আমি বিআরটি এ অফিসে যাই উনারা আমার সাথে কথাই বলে নাই ঘন্টা দুয়েক চেষ্টার পর কথা বলতেই পারি নাই। তার পর একজন আমাকে বলে এভাবে হবেনা দালাল ধরতে হবে!! কি আর করা দালাল ধরপ ১৪ হাজার খরচ করে লাইসেন্স বানিয়েছি।
আমি ম্যান পাওয়ার কার্ড টির জন্য ওয়েব সাইটে আবেদন করেছি। কিন্তু ফেনী ম্যানপাওয়ার অফিসে কর্মরত ব্যক্তি বলছে এটা হয়নি। আবার করতে হবে। যখন পুনরায় করার জন্য টাকা দিলাম, আমার আবেন করা পেপারটাই আমার হাতে ধরিয়ে দিল।
আমার এইচএসসি এর রেজিষ্ট্রেশন কার্ড হারিয়ে যাওয়ার কারণে, জিডি করতে হয়েছিলো। তো থানার পুলিশ, সরাসরি চা পানির কথা বলে টাকা চেয়েছিলো।।
আমার সাথে অনেক কথা কাটাকাটি হয় তারপর ও টাকা দিয়ে ভোটার আইডি কার্ডে বানাতে হয় তাহলে কিছুই করার ছিল না
হোল্ডিং ট্যাক্স প্রথমবার ২৪ কিস্তি (ছয় বছর) একসাথে প্রদান করতে গেলে প্রথমে অনেক বেশী ট্যাক্স ধার্য করেন জনৈক ভদ্রনোক। নিজে যেহেতু আবাসিকভাবে ব্যবহার করছি, কর কমানো যাবে, তবে মামলা করতে হবে ইত্যাদি কথামালার মাধ্যমে ২৫ হাজার টাকা দাবি করলে, অগত্যা দিতেই হয়। নাহলে সারাজীবন অতিরিক্ত কর টানতে হতো।
পাসপোর্ট করতে গিয়ে সব ডকুমেন্টস ঠিক থাকা সত্বেও বারবার ফাইল ফেরত দেওয়া হয়। পরে অফিসের ভেতর ঘুরতে থাকা দালাল ধরে ৩০০০ টাকার বিনিময়ে মুহূর্তেই আবার একই কাগজপত্র দিয়ে পাসপোর্ট হয়েছে। এই ঘটনা আমার শহর Faridpur আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিস
২০২৫ সালের অক্টোবর মাস। BRS খতিয়ান পাওয়া যাচ্ছিল না । সব রেজিস্ট্রি অফিস থেকে জানাইলো বি আর এস খতিয়ান ছাড়া জমির দলিল হবে না। তখন বাধ্য হয়ে বিশ হাজার টাকার বিনিময়ে এটা করতে হয়েছে ।