মামলার হাজিরার ডেট পিছানো
মামলার হাজিরার ডেট যাতে দেরি করে পরে তাই পেশকারকে ঘুষ দেই। এবং পেশকার ডেট পিছিয়ে দেয়।
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৮,৫৩১ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
মামলার হাজিরার ডেট যাতে দেরি করে পরে তাই পেশকারকে ঘুষ দেই। এবং পেশকার ডেট পিছিয়ে দেয়।
আমি একজন চালক, আমি জানি ইয়ালো সিগন্যালে গাড়ি রানিং অবস্থায় থাকলে পার হওয়া যাবে এবং এটা সঠিক। কিন্তু হোটেল কন্টিনেন্টালের পাশে সার্জেন্ট আমাকে সিগন্যাল দিয়ে পেপারগুলো চায় এবং আমি ভদ্রতার সহিত দেই, আমাকে জানায় আমার বিরুদ্ধে মামলা দিবে আমি সিগন্যাল অমান্য করেছি। আমি তাকে জানাই আমি যতটুকু জানি ইয়ালো সিগন্যালে গাড়ি রানিং থাকলে যাওয়া যাবে কিন্তু সে হেসে দেয় আমাকে জানায় ইয়ালো সিগন্যালে যাওয়া যাবেনা, পরবর্তীতে আমাকে জানায় আমার বিরুদ্ধে মামলা দিলে অনেকগুলো টাকা দিতে হবে, তাই সে রেকার বিল করে দিবে। আমি জানি, মামলায় আপিল করতে গেলে আইনজীবী হায়ার করতে হয় এবং দ্বিগুণ টাকা সময় দুইটাই নষ্ট হয়। তাই আমি বাধ্য হয়ে হাফ রেকার বিল করতে বললে টাকা নিয়ে নেয়, বারবার চাওয়ার পরেও কোন রিসিট দেয়নি, মানে ঘুস!
আমার বাবা একটি মামলায় হাজিরা দিকে গেলে জজ তাকে জেলে প্রেরনের জন্য আটক করে কোর্টের গারদে আটকে রাখে। গারদে খাবার দিতে গেলে দায়িত্বরত পুলিশকে ২০০০ টাকা দিলে সে খাবর দিতে সহায়তা করেন এবং বাবাকে চেয়ারে বসার ব্যাবস্থা করে দেন।
আমি কালিগঞ্জ ভূমি অফিসে আমার পৈতৃক সম্পত্তি নামজারি করার জন্য অনলাইনে অনেকবার চেষ্টা করেও সম্ভব হয়নি। পরে ভূমি অফিসের দায়িত্বরত কর্মকর্তাকে তার দাবিকৃত ১০০০০ টাকা ঘুষ পরিশোধ করার পর সেবাটি পেতে সক্ষম হই।
Driving Licence test pass koranor jonne 4000 tk, Driving Licence international koranor jonne 26000 tk dite hoyeche.
এন আই ডি বানানোর বাবদ
আমি বাকেরগঞ্জে অর্ন্তগত সাহেবগঞ্জ ভূমি অফিসে জমির দাগ নম্বর উঠাতে গেলে দায়িত্বরত অফিসার আমার কাছে এক হাজার টাকা দাবি করে। আমি বাধ্য হয়ে টাকা পরিশোধ করে সেবাটি আংশিক পাই।
for collecting certificate and other things with certificate
শাহজালাল বিমানবন্দরে ৫০০ টাকা না দিলে ট্রলি দেয়া হয় না। অফিসিয়ালস এগুলো আটকে রাখে। অথচ এই ট্রলি ফ্রি পাবার কথা।
আমি একজনকে নিয়ে মোল্লাহাট নির্বাচন অফিসে যাইব সেখানে গিয়ে বলি আমার ছোট বনের নতুন আইডি কার্ড করতে হবে। ভালো কথা একজন সব কিছু চেক করল বললো স্যারের কাছে যান। তার কাছে গেলে কাহিনি শুরু এই লাগবে সেই লাগবে এই করো সেই করো বহুদ কাহিনি এক পর্যন্ত ধৈর্য্য হারা হয়ে আমি না করে চলে আসি পাশের কম্পিউটার এর দোকানে জায় স্যার কে গালাগালি করি। তখন সে শুনে বলে আমাকে ২,৫০০ টাকা দেন আমি ১০ আমি এর ভিতর ফিংগার করায় দেয় ওমা সত্য সে ১০ মিনিট এ করায় নিয়ে আসে তখন আর কিছু লাগি নাই কি আর বলবো সব এক নায়ের মাঝী
আমার আম্মুর নামের বানান ইংরেজিতে আক্তার Akhter এ T,H আগে পরে হয়ে যায় রেজিস্ট্রেশন কাগজে, এটা ঠিক করতে যখন আমি অফিসের লোকের কাছে যাই তখন থেকে 4500 দাবি করে,,, তারপরআমি একজন স্যারের মাধ্যমে সুপারিশ করে ৩৫০০ টাকা দিতে বাধ্য হই, তারপরের লোকে আরো টাকা চাই এডমিট কার্ডে ভুল করে আমার আব্বুর চেয়ে অনেক রাগানি টাকা নেই আর টাকা দেই নাই
ভূমি অধিগ্রহণ বাবদ প্রাপ্য চেকের LA office হতে ১০% দাবী করেন। প্রায় ২৫ বছর আগের ঘটনা।
Passport korty desalam dhaka agargo. Amr addresss selo 2 jaygay. Present r permanent. Permanent selo jhalokathi. Amk phn desy. Jokhn sunsay ami dhaka thaki tokhn amr kachy 3000tk chaisy. Pory 2500 tk dety hoisy
জন্ম নিবন্ধন করতে গেলে বা জন্ম নিবন্ধন সংশোধন করতে গেলে ঘুষ চাওয়া হয় ৪০০ ৫০০ ১০০০ যার থেকে যেরকম নিতে পারে
আমি আমার চাচাতো বোন আইডি কাড সংশোধন করার জন্য নিবাচন আফিসে চাকরি করে তাকে ২৫ হাজার টাকা দিয়ে আমার প্রতারনার শিকার। আমার টাকা ব্যাক দেয় না।আমার নাম্বার ব্লক মেরে দিছে। এখন কি করবো বলেন
চট্টগ্রাম বন্দর থানার শিক্ষা অফিস, আমি সহকারি শিক্ষক, বন্দর থানা। আমার প্রয়োজনে আমার জিপিএফ থেকে লোনের জন্য আবেদন করতে যখন গেলাম দুই হাজার টাকা শিক্ষা অফিসকে দিয়ে আবেদন করতে হয়েছে। টাকা ১০ লক্ষ ৫০হাজার টাকা। আমার ইচ্ছার বিরুদ্বে বাধ্য হয়ে দিয়েছি না হলে আমার লোন প্রসেস হচ্ছিল না। ট্রাজারি অফিস চট্টগ্রাম কে দিতে হয়েছে প্রায় ৩ হাজার টাকার মতো। আমি যিনি কাজ করেছে ওনাকে দিয়েছি ৪ হাজার টাকা। মোট ৬ হাজার টাকা আরো গাড়িভাড়া বাবদ যিনি কাজ করেছে ওনাকে দিতে হয়েছে ৫ শত টাকা।
যশোর পৌরসভার কর বিভাগের কর্মকর্তা প্রথমে ৮০০০ টাকা বাৎসরিক কর নিদ্ধারন করে আমাকে নোটিশ দেয়। আমি তার সঙ্গে যোগাযোগ করিলে সে আমার কাছে তিন হাজার টাকা দাবি করে এবং বলে যে, তাকে তিন হাজার টাকা দিলে সে বাৎসরিক কর দুই হাজার নিদ্ধারন করে চুড়ান্ত করে দিবে।
কাপাসিয়া সাব রেজিষ্ট্রী অফিসে হেবা দলিল করতে গেলে মূলের উপর ১% টাকা দিতে হয়। টিন সার্টিফিকেট না থাকলে জন প্রতি ৩/৪ হাজার টাকা দিতে হয় তা না হলে জমি রেজিষ্ট্রী করতে দেয় না। বাজার মূলের উপর অতিরিক্ত মূল লেখালে ১% দিতে হয়।
বাংলাদেশ শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়।কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিদপ্তর। নরসিংদীতে কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিদপ্তরের পক্ষ থেকে সকল ব্র্যান্ড শপ/শোরুমকে সপ্তাহে একদিন (বুধবার) বন্ধ রাখার কথা বলা হয়েছে। কিন্তু তারা সেই নিয়ম না মেনে সপ্তাহে ৭ দিনই শোরুম খোলা রাখে। এর বিনিময়ে প্রতি মাসে প্রতি শোরুম থেকে ১,৫০০ টাকা করে নিচ্ছে। নরসিংদীতে বর্তমানে ২০টির বেশি শোরুম রয়েছে। সে হিসেবে প্রতি মাসে (১,৫০০ × ২০) = ৩০,০০০ টাকা নেওয়া হচ্ছে। এভাবে এক বছরে ৩,৬০,০০০ টাকা নেওয়া হচ্ছে। আমি এই বিষয়টি ডিসেম্বর ২০২৪ সাল থেকে দেখে আসছি। আবার প্রতি ঈদে শর্ট প্যান্ট গিফট নেওয়া হয়। এছাড়াও বছরে দোকান লাইসেন্স নবায়নের জন্য নির্ধারিত ফির চেয়ে ৩,০০০ থেকে ১০,০০০ টাকা বেশি নেওয়া হচ্ছে।
আমি একদিন আমার কাকি কে নিয়ে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজে নিয়ে যাই,উনাকে সিজার করার পরে আইসিইউ তে ভর্তি দেন,সেখানেই মুলত অনিয়ম।,ভর্তি দেওয়ার পরে উনাকে নিয়ে যাই বেডে। যাওয়ার পরে উনাকে ডাইপার পরাতে হবে বলে,কিন্তু আমি দেখলাম অই ডিপার্টমেন্ট এর ডাইপার টাই ব্যবহার করা হল,কিন্তু এই ডাইপার এর জন্য আমার কাছ থেকে ৫০০ টাকা নিল,এটা একটা বিষয়,বেডে রাখে আসার পর ক্লিনিং টিমের লোক আইসা বলতেছে উনাদের খালাদের টাকা দিতে হবে,সেখানে জোর পূর্বক ১০০০ টাকা দেওয়া হল,আমার কাছে মনে হল উনাদের এই সিন্ডিকেট এর কারণে প্রতিদিন হাজার হাজার মানুষ দুর্নীতির স্বীকার হচ্ছে,মানুষ অপারগ হয়ে এই জায়গা টা ফেইস করে।