নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৭,৩২৬ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
পোস্ট অফিস থেকে টাকা তুলতে হয়রানি । তাদের টাকা দিতে অস্বীকার করলে বিভিন্ন অজুহাতে সময় খেপন করে এবং পরবর্তীতে তাদের আবদার পুরুন করে টাকা তুলতে সক্ষম হই।
Driving license এর জন্য ১০০০০ টাকা খরচ করতে হয়েছে । এই টাকা এক দালাল কে দেওয়া হয়েছে
নামজারি করতে ভূমি অফিস এর এক কর্মচারী ১৫০০০ টাকা দাবী করলে তাকে টাকা দিয়ে নামজারি করতে হয়
আমার পাসপোর্ট পুলিশ ভেরিফাই করার জন্য পুলিশ আমার কাছে ৩০০০ টাকা দাবি করে। আমার সব কাগজ পত্র ক্লিয়ার এবং আমার নামে কোনো মামলা নাই, তারপর ও তিনি আমার থেকে টাকা দাবি করে। আমি যখন দিব না বলছিলাম তখন আমাকে ওল্টা দমক দেয় যে, আমার পাসপোর্ট ভেরিফাই করবে না, লেইট করবে। আমি বাধ্য হয়ে দাম দর করে ১৫০০ টাকা দিয়ে পাসপোর্ট ভেরিফাই করালাম।
আমার কাছে সময় কম ছিল তারাতারি পাসপোর্ট করা লাগবে পরে একজন পাসপোর্ট এর দালাল ধরি তারাতারি করার জন্য সে প্রথমে ৭০০০ টাকা চাইল সময় ১ মাস লাগবে। তারপর আমি বললাম আমার ১৫ দিনের মধ্যে লাগবে পাসপোর্ট। পরে বলল করে দেওয়া যাবে তবে কিছু টাকা লাগবে আরো বাড়তি। আমি বললাম টাকা ত নিচ্ছেন ই সে বলে উওঠল তারাতাড়ি বলে কথা। তারপর আমার ভিসা চিন্তা করে তাকে তারাতাড়ি করার জন্য আরো ৫০০০ টাকা দেওয়া লাগছে।
রাস্তা ঢালাই হলে তাকে ২০০ টাকা দিতেই হবে।
উল্টোপাল্টা ভুল ধরে তার বলে পাসপোর্ট অফিসে তারা পাসপোর্ট ভেরিফিকেশনের পেপার সাবমিট করবেনা, এই বলে ভেরিফিকেশন পুলিশ আমার পেজ থেকে ঘুষ খায়, আর মানসিকভাবে প্রচুর ডিপ্রেস করে দেয়, মানসিকভাবে তখন আমি খুব আঘাত পাই এবং কষ্ট পাই
Sub register has fixed .5% as bribe for registration of Power of Attorney
আমি প্রত্যক্ষ করেছি,ঢাকা নতুন বাজার ট্রাফিক সারজেন্ট বাসটিকে দাড় করিয়ে সুপারভাইজার থেকে টাকা দাবি করেছে, পরে সুপারভাইজার এর তথ্য মতে সে ২০০ টাকা দিয়েছে।
জনৈক ব্যক্তি আমাদের জমীতে ভূয়া ওয়ারিশ দাবি করে তাই আমাদের একটা মৃত্যু সনদের প্রয়োজন পরে, যখন পরিষদ কর্তৃপক্ষ বলে অন্য পক্ষ ২০,০০০৳ দিতে প্রস্তুত আপনারা কত দিবেন? তখন ১২০০০৳ দিতে হয় তারপরও ----
ট্রেড লাইসেন্স নবায়ন করতে গেলে একজন কর্মকর্তা বলেন উপরোক্ত টাকা না দিলে হবেনা। পূর্বেও টাকা না দিয়ে দেখেছি যে, ফাইলের সকল ডকুমেন্টস ঠিক থাকা সত্তেও লাইসেন্স পেতে অনেক বেশী সময় লাগে বা বারবার বিভিন্ন রকমের হয়রানী করা হয়। যার ফলে আমাদের ব্যবসায়ীক কার্যক্রম বিঘ্নিতি হয় বিধায় টাকা পরিশোদ করে লাইসেন্স নিতে বাধ্য হয়েছি।
একটি পুরনো জমির দলিল তোলার জন্য। দুইটা শাল খুঁজতে লাগবে সর্বোচ্চ সরকারি ফিস ৪০০ টাকা তারা নিয়েছে এক হাজার টাকা। শুধু সরকারি ফিস দিলে পারে তারা বলে পাওয়া যায় নাই। কিন্তু বাড়তি টাকা দিলে ঠিকই পরে সেটা খুঁজে পাওয়া যায়।
আমি একটা মামলা খেয়ে গ্রেফতার হই। পরে হাইকোর্ট থেকে জামিন করাতে গেলে কোর্টে চার্জশিট বা জবানবন্দির মূলকপি চায়। কিন্তু আমাকে গ্রেফতার করা এসআই চার্জশিট আটকে দেয়। এবং আমার জামিন হতে দুই মাস দেরি হয়। তারপর টাকা দিয়ে চার্জশিট ছাড়িয়ে জাবিনে বের হই।
আমি একটি কোম্পানির কাছ থেকে মোটরসাইকেল কিস্তিতে কিনি। কিস্তির টাকা পরিশোধ না হওয়া পর্যন্ত সেটি কোম্পানির নামেই ছিল। পুরো টাকা পরিশোধ হওয়ার পর কোম্পানি আমাকে এনওসি দেয় এবং মালিকানা পরিবর্তন করে নিতে বলে। এই অনুযায়ী আমি ঢাকা বিআরটিএ (ইকুরিয়া) তে যাই মালিকানা পরিবর্তনের জন্য।এরপর সরকারি সকল পেপারওয়ার্ক ও ব্যাংক রিসিট নিয়ে অফিসারের কাছে দেখালে তিনি কাগজপত্রে বিভিন্ন ভুল আছে মর্মে মালিকানা পরিবর্তন করে দিতে অস্বীকার করেন। পরবর্তীতে তিনি আমাকে সরাসরিই বলেন কোন প্রভাব ছাড়া এজাতীয় মোটরসাইকেলের মালিকানা পরিবর্তন করা সম্ভব নয়। এরপর তিনি ২৫০০ টাকা দাবী করেন। অনেক নেগোসিয়েশন করে ২০০০ টাকা দেয়ার পরে তিনি মালিকানা পরিবর্তন করে দেন।
Amer bill pass korar jonno ghush dabi kore ta na hole bill pass hobe na ei rokom 2 month gele ami tk fia di
ami exam e fail koreci onara bolloo amk pass korai dibe tai 1000 tk nice
পাসপোর্ট এর জন্য প্রয়োজনীয় সকল কাগজ থাকার পরেও আমাকে অপ্রোয়জনীয় অনেক কাগজের জন্য হয়রানি করা হচ্ছিলো । আমাকে আমার বাবার কাজের স্থানে সে কি কাজ করে সেগুলোর সত্যায়িত কপি , তারপর আমার মায়ের চাকরির ব্যাংক স্টেটমেন্ট , সত্যায়িত কপি । আমার ভার্সিটিতে যেখানে আমি পড়াশোনা করি এরকম অনেক কপি তারা চেয়ে বসে । যা আমার জন্য সংগ্রহ করা অনেক সময় সাপেক্ষ ব্যাপার । এরপর এ পাশের ফটোকপির দোকান এর আড়ালে থাকা দালাল দের কাছে ২ টা ফটোকপি করেছি ২৬০০ টাকায় । আমার জন্ম নিবন্ধন টা পর্যন্ত আর লাগে নি তাদের । বায়োমেট্রিক কম্পলিট করে দিয়ে আসছি ৭ দিন পরে আমার পাসপোর্ট চলে আসছে ।
২০১৪ সালে আমার নতুন পাসপোর্ট করতে গেছিলাম। সবকিছু ঠিক থাকলেও দায়িত্বরত সহকারী পরিচালক এবং উনার সহকর্মী আমার পাসপোর্ট করতে দেন নি কারণ ওইটা আমার ইউনিভারসিটি টিচার সত্যায়িত করে দিছেন। পরে টাকা দিলে সবকিছু ঠিক হয়ে যায়।
প্রথমে আমি নিজে জমা দিতে গেছি তারা বলছে যে কাগজ অনেক সমস্যা , পরে যখন জানতে পারলাম দালাল ছাড়া কোন কাজ হবে না তাই বাধ্য হয়ে দালালকেটাকা দিলাম তখন সব কাজ একাই হয়ে গেল তখন আর কোন কাগজপত্র লাগে নাই।
দীর্ঘ ১ বছর ৬ মাস লাগছে তারপর ৪০০০০ টাকা দিয়েছি ৪ টা ফাইল হয়েছে কিন্তু এখনও একটা ফাইল আছে, চাকরি চলমান অবস্থায় মারা গেলে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের কতৃক অনুদানের আবেদন এটার জন্য আবার ৩০ হাজার চাচ্ছে এখনও দিতে না পারায় এখনও ফাইল সাইন হচ্ছে না। এছাড়াও উপজেলা একাউন্স অফিস ও জেলা শিক্ষা অফিসেও টাকা দিতে হয়েছে ২০ হাজার, যেই ফাইলটি আটকে আছে ওটার জন্য জেলা শিক্ষা অফিসেও টাকা দিতে হবে।