জন্ম নিবন্ধন
জন্ম নিবন্ধন করতে গেছি এটা এটা সমস্যা দেখা বলছে এটা হবে না পরে তিন হাজার টাকা নিয়ে করে দিছে
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৮,৯১৪ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
জন্ম নিবন্ধন করতে গেছি এটা এটা সমস্যা দেখা বলছে এটা হবে না পরে তিন হাজার টাকা নিয়ে করে দিছে
১৪৭ শতাংশ জায়গা নাম জারি করার জন্য যেখানে সরকারি খরচ ১১৭০ টাকা সেখানে দেড় লক্ষ টাকা দালাল প্লাস ভূমি অফিসে দেওয়া লাগছে, এরপর আবার ৩৫ শতাংশ জায়গার নাম জারি করার জন্য উপজেলা ভূমি অফিসে বিশ হাজার টাকা দেওয়া লাগছে তারা শতাংশে৫০০ টাকা ঘুষ নিয়ে থাকে
সরকার বেশি টাকা নিছে তাই বাড়তি
পাসপোর্ট পেতে গেলে দেয়া লাগবে
পাসপোর্ট জমা নে না আলাদা মার্কা ছাড়া
আমার পরিবার বিএনপি করে এই বলে টাকা দাবি।
০.৩৬ পয়েন্ট জমির নাম জারি করতে ভূমি অফিসে সকল কাগজপএ ঠিকঠাক জমা দিলেও নাম জারি বাতিল করে দেয় পরে আমার থেকে ওরা টাকা দাবি করে পরে আমি ঐ টাকা পরিশোধ করলে আমার নাম জারি সফল হয়।
আমি টাংগাঈল ডিস্ট্রিকের মির্জাপুর থানার বাঁশতৈল ইউনিয়ন পরিষদে গত সপ্তাহে একটি ওয়ারিশ সনদ তুলতে যায় এবং কম্পিউটার অপারেটরের কাছ থেকে সনদটি সংগ্রহ করে চেয়ারম্যানের কাছ থেকে স্বাক্ষর নিই।এতে করে আমার কাছে থেকে 300/টাকা নেওয়া হয়।পরবর্তীতে আমি ইন্টারনেট ঘেঁটে দেখতে পাই যে,এই ফি মাত্র 50-100/বেশী নয়।বাকি টাকা আমার কাছে থেকে আমার অজান্তেই ঘুষ হিসেবে নিয়ে নিয়েছে।ইউনিয়নের সচীব অবশ্য আমায় জিজ্ঞেস করেছিল ফি কত দিয়েছেন।আমি বলেছি 300/,এটি শোনে তিনিও আর কিছুই বললেন না।আর আমি সনদটি নিয়ে চলে আসি।এভাবেই দেশের রন্ধ্রে রন্ধ্রে ঘুষের সিন্ডিকেট লুকিয়ে আছে।তবে কি এই দেশ দুর্নীতির কাছেই হেঁড়ে যাবে??
আমি ঢাকা ওয়াসার মডস জোন-৮ এর অধীন মধ্যবাড্ডা থেকে বলছি। প্রতিমাসে ঢাকা ওয়াসার বিলিং সহকারীকে ২০০০/- ঘুষ দিতে হচ্ছে। তারা পানির মিটার দেখে বিল করে না। টাকা দিলে বিল কমিয়ে দেয়। তাদের নিজস্ব মিস্ত্রি দিয়ে পানির মিটারের রিডিং ও টেম্পারিং করে। ঘুষ না দিলে ইচ্ছামত বিল বানিয়ে দিতে বাধ্য করে। না হলে লাইন কেটে দেয়ার হুমকি দেয়। এর সাথে ঢাকা ওয়াসার ম্যাক্সিমাম সাধারণ বিলিং সহকারী জড়িত।
নারায়ণগঞ্জের দেওভোগ ম খন্ড এর বি ডি এস পরচা সরকারী ভাবে করছে। এখন কাজ কমপ্লিট করে বি ডি এস করে কাগজ নিতে জেতে বলে, জাবার পর বলে অফিসার ওই রুমে জান তার সহোকারী সাথে, গেলে দুই হাজার দাবী করে না দিলে বলে পরে আসবেন কিছু সই বাকি........ জারা না দিসে তাদের রেকর্ড ভুল লিখসে আর কোর্টে গিয়ে সঙ্গসদন মামলা করে হয়রানি করাচ্ছে. আবার বড়ো টাকা খেয়ে এক জনের মোদদে কম আরেক জনের বেশি করে দিচ্ছে ।
আমার আইডি কার্ড এবং পাসপোর্ট এ জন্ম তারিখ পরিবর্তন প্রসঙ্গে।এ কাজ করতে 120000 টাকা চাওয়া হয়। পরে আমি রাজি না হওয়ায় কাজটি ঐ ভাবে পরে আছে।
২ টা এন আই ডি ভেরিফিকেশনের জন্য ৫০০ টাকা নিয়েছে এই কথা বলে যে এখন এই প্রক্রিয়াটি বন্ধ থাকা সত্ত্বেও আমি আপনাকে করে দেবো ৫০০ টাকা দিতে হবে
আমার স্কুলের সভাপতি ছিলেন ডিসি সাহেব। আমার এমপিও রেজুলেশনের ফাইল সাইন করার দরকার ছিলো। অফিস সহকারী আমার কাছে মিষ্টি খাইতে ১০০০ টাকা চায়। আমি প্রত্যাখান করাতে দীর্ঘ দিনেও আমার ফাইলটা সাইন হয় নি। পরবর্তীতে উপায়ান্তর না দেখে, আমি ১০০০ টাকা ঘুষ দেই।
অনলাইনে আবেদন, ব্যাংকে টাকা জমা, সব কাগজ ঠিক থাকার পরও পাসপোর্ট অফিসে আমাকে ফিরিয়ে দেওয়া হলো বিদ্যুৎ বিল নিয়ে নানা অজুহাতে হয়রানি করা হলো। অথচ বাইরে কম্পিউটারের দোকানে ২,০০০ টাকা দেওয়ার পর একটি সিল দিয়েই কাজ হয়ে গেল! প্রশ্ন হলো—সরকারি বেতন পাওয়ার পরও ঘুষ ছাড়া কেন নাগরিকের কাজ হবে না? “ঘুষ দেবেন না”—বলা সহজ; কিন্তু ঘুষ না দিলে যদি কাজই আটকে থাকে, তাহলে সাধারণ মানুষ যাবে কোথায়?
আমি একজন সরকারী কর্মকর্তা আমার প্রতিষ্ঠানে দু্ই বছরের আয়কর ফাইল সমাধানের জন্য আয়কর অফিসে গেলে আয়কর অফিসের বড় বাবু আমাকে বলেন ফাইলটি সমাধান করা হবে। তবে টেবিলে টেবিলে টাকা দিতে হবে। আমাকে ১,০০,০০০/- টাকা দিলে সমাধানের চেষ্ঠা করবো। আমার স্যার বলেন আমারতে সরকারি প্রতিষ্ঠান আমরা এতো টাকা দিবে কিভাবে , তখন স্যার ও সে আলাপ আলোচনা করে ৫০,০০০/- টাকা চুক্তি করে। সেই হিসাবে আমি বড় বাবু এর কাছে টাকাটি দিয়ে আসি।
আমি প্রথমে দেয়নি। কিন্তু আমার অন্য সহকর্মীদের ফিক্সেশন হয়ে যায় । এর মধ্যে তিন মাস পার হয়ে যায়। পরে বাধ্য হয়ে ২০,০০০ টাকা দিয়ে ফিক্সেশন করে নিয়।
খতিয়ান তুলতে গেলে ২০০ টাকার কমে তারা নেয় না মানবে তো এটা ২০০০ টাকা পর্যন্ত হয়
কাগজপত্রের নাম ঠিক নাই স্বাক্ষর ঠিক নাই এ সমস্ত আবোল তাবোল কথা বলে ১৫ টাকা এক্সট্রা দাবি করছে। পনেরশো টাকা দিলে আর কিছু লাগবে না তারা সব কাজ ওকে করে দিবে। ১৫০০ টাকা না দিলে চেয়ারম্যানের কাছে গিয়ে সিগনেচার আনতে হবে অনেক কিছু কাগজপত্র জমা দিতে হবে
জমির খাজনা দিতে গেছি ওনারা বলতেছে জমি সমস্যা আছে অনেক টাকা ঘুষ চাইছিল পরে ১৫ হাজার টাকার কথা হইছে কাজ করে দিবে যেটা দিয়েই করতে হয়েছে নওগাঁ ভূমি অফিস খাজনা যিনি নেন এটাই আসল কালপিট
২০০টাকা দিয়ে উদ্ধার মটর সাইকেলের পেছনে একজন বসা ছিলো তাই