নামজারি
আমি আমার জমির নামজারি করতে গেলে আমার কাছে ১৫ হাজার টাকা ঘুস দাবি করে। অনেকটা বাধ্য হয়েই আমি টাকা টা দেই।
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৮,৯৮২ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
আমি আমার জমির নামজারি করতে গেলে আমার কাছে ১৫ হাজার টাকা ঘুস দাবি করে। অনেকটা বাধ্য হয়েই আমি টাকা টা দেই।
প্রথম ডেস্কে ১০০০০/- টাকা দেয়া হয়। উনি একজন লেডি উপকর কমিশনার। কিন্তু উনি বদলী হয়ে যান এবং কাজটি করে যান নাই। উনার জায়গায় আগত অন্য আরেকজন নথিটি উপরে পাঠান। ইনাকেও ১০,০০০/- টাকা দেয়া হয়। উর্ধতন কর্মকর্তাকে ২০,০০০/- টাকা দেয়া হয়। সর্বমোট ৪০,০০০ টাকা ঘুষ দিতে হয়েছে। উনারা যদি হিসাব করে বলতেন অপনি -----অত টাকা ট্যাক্স ফাঁকি দিয়েছেন, তবে ঐ পরিমাণ টাকা সরকারকে দিতে পারলে ভালো লাগতো।
আমি ঢাকা টু কুমিল্লা টিকিট ক্রয় করে, ভৈরব থেকে লাকসাম গিয়ে নামি। এখানে আমার কুমিল্লা থেকে লাকসাম পর্যন্ত টিকিট ছাড়া ভ্রমণ করায় প্লাটফর্মে টিটি চেক করে জরিমানার হুমকি দিয়ে কিছু টাকা দিতে বললে আমার কাছে থাকা ৪০ টাকা দিলে আমাকে ছেড়ে দেয়।
অভিযোগের বিষয়: BMAT প্রশিক্ষণের সার্টিফিকেট প্রদানের জন্য অতিরিক্ত টাকা দাবি আমি সৌদি আরব যাওয়ার উদ্দেশ্যে BMAT প্রশিক্ষণে অংশগ্রহণ করেছি এবং প্রশিক্ষণটি সম্পন্ন করেছি। প্রশিক্ষণ শেষে নিয়ম অনুযায়ী সার্টিফিকেট পাওয়ার কথা থাকলেও বর্তমানে সার্টিফিকেট দেওয়ার জন্য আমার কাছে অতিরিক্ত ২,৫০০ টাকা দাবি করা হচ্ছে।
আমার জন্ম নির্বধন জন্ম তারিখ ঠিক করতে গেচি. তখন আমার থেকে ৬ হাজার টাকা নিয়ে তারপর ঠিক করে দিচে.
ভ্রম সংশোধন দলিল করার জন্য টাকা দিতে হইছে
পাসপোর্ট ভেরিফেকিশন এর জন্য ডিবি কর্তৃক যে ভেরিফাই করার পুলিশ আসে ওনি ডিরেক্ট বলছে টাকা দিলে দ্রুত ভেরিফাই হয়ে যাবে আর দ্রুত পাসপোর্ট পেয়ে যাবেন। পরে আমার ১০০০ টাকা ঘুষ দিতে হইছে।
আমার মেয়ের প্রতিবন্ধী কার্ড করার জন্য যাই ফরম জমা দিতে গিয়ে ১০০০ টাকা নিয়েছে এবং পরবর্তীতে আবার ১০০০ টাকা চেয়েছে দেইনি বলে কার্ডটি এখনো হয়নি ।আমি একজন বেকার যুবক মেয়ের ঐষধ যোগাতে হিমসিম খেতে হয়। এক মাস থেকে ঘুরাচ্ছে আমাকে।।
টাকা দিতে যা চাওয়া পাসপোর্ট করতে পারবে না বলেছে।নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক উনি বলেন যে পাসপোর্টের ফর্ম নেই কিন্তু যখন সিকিউরিটি কে বললাম কিভাবে পাসপোর্টের ফর্ম পাবো তখন তিনি বললেন আপনি কিছু করতে হবে না টাকা বেশি দিলে খুব সহজেই আপনার পাসপোর্ট হয়ে যাবে।
একটা জমির নামজারি করতে দুই হাজার টাকা দিতে হয়েছিল
ঘুস না দিলে বলে ভুল হইছে
আমি পাসপোর্ট নবায়ন এ গেলে ওরা আমাকে লাইনে 3 ঘণ্টা পর বলে ম্যারেজ সার্টিফিকেট লাগবে নবায়ন করার জন্য, সেই দিন পারিনি , আরেক দিন মেরিজ সার্টিফিকেট নিয়ে গেলে বলে আসল সার্টিফিকেট লাগবে,ফটোকপি হবে না বলে বাতিল করে দেয়, পরে বাহিরে আসার পর দালালরা আমাকে পাশের কম্পিউটার দোকানে নিয়ে যায়, সেই খানে 1500 টাকা পরিশোধে পাসপোর্ট নবায়ন এর সুযোগ হয়, তখন আর মেরিজ সার্টিফিকেট ও লাগে না।
প্রেমের বিয়া নিয়ে একটা মামলা হয় মূলত ছেলে ও মেয়ে উভয়ই পালিয়ে বিয়া করে এই বিষয় ছেলে বাবা মা কেউ জানতো না, পরে মেয়ে বাবা মামলা করে থানাই সেই পুলিশ সবাই কে মামলা ভয় দেখিয়ে টাকা আদাই করে, আপরাদ করছে এক জন, আর সে আপরাদ অন্য কে মামলা দিবে বলে টাকা নিয়ে নাওয়া হয়,বাংলাদেশ বড় দুনীতি হয় থানায়, বাংলাদেশ পুলিশ এতো খারাপ যাহ বলার বাহিরে,তাই আমি চাই পুলিশ নামক জাহেল তাদের কি বিচার করবে সরকার, এখন তো বর্তমানে অভিযোগ দিলো তাও বিপদ কার সত্য কথা দাম নাই, চুর চরি করবে ডাকাত ডাকাতি করবে ঘুষ খোর ঘুষ খাবে, কাউকে কিছু বলা যাবে না,
আমি যায় পাসপোর্ট করতে আমার সব কিছু ঠিক ছিল । কিন্তু চেকার আমাকে বলে ট্রেড লাইসেন্স এর অরজিনাল কপি আনতে ,ফটোকপি হবে না ।আমার ব্যবসা ছিল ঢাকায় তাই সম্ভব নয় । পরে বাহিরে অনেক দালাল ঘুরে আমি যদিও করতে চাচ্ছিলাম না কিন্তু আমার বন্ধু কথা বলে দালালের সাথে ,পরে একটা কম্পিউটার দোকান নিয়ে যায় । সেখানে শুধু আমার ইমেইল চেঞ্জ করে তাদের ইমেইল দেয় । তারপর আর কোন সমস্যা হয় নি
ভুমি অফিস কর্মকতা আমার জায়গা নামজারি সংশোধন জন্য ২৫০০০ টাকা দাবি করে আমি পর্যাপ্ত পরিমাণে ডকুমেন্টস দেই। তার পর টাকা না দেওয়ায় ১ বছর তালবাহানা করে। পরে আমি নিরুপায় হয়ে ২৫০০০ টাকা দেই। ফলে ৭ দিনে এ সংশোধন রায় এর কপি দিয়ে দেয়।
দুর্ঘটনায় গুরুতর আহত রোগি কে নিয়ে ঢাকা মেডিকেলে গিয়েছিলাম। এম্বুলেন্স থেকে রোগিকে নামানোর জন্যে একটা স্ট্রেচার পাইনি, প্রায় ১০-১৫ মিনিট খোজার পরে একজন বয় কে পেলাম যিনি এইগুলা ঠেলার কাজ করে স্বম্ববত। তাকে কিছু টাকা দিবো বলার পরে সে কোথা থেকে যেনো একটা স্ট্রেচার নিয়ে আসছিল। বিনিময়ে তাকে আমি ভাংতি না থাকায় ১ হাজারের নোট দিলে সে পূরোটাই রেখে চোখের পলকে উধাও হয়ে যায়।
আমার জায়গার করণীক ভুল সংশোধন এ টাকা চাওয়া হয়।
এ বছর -জুলাইয়ের ২১ তারিখ আমার খালাকে নিয়ে গেছিলাম পঙ্গু হাসপাতালে। খালার হাত ভাঙ্গা ছিল।পঙ্গু হাসপাতালের টিন সেট বিল্ডিংয়ের ডাক্তার দেখনোর জন্য সিরিয়ালে দাঁড়ানোর পর অনেক খুন অপেক্ষা করি।ঘন্টা খানেক পর দ্বায়িত্বে থাকা কর্মচারীরা বলে ডাক্তার আজকে আর রুগী দেখবেন না।তখন আনুমানিক সকাল ১১.৩০ বাজে।তারপর আমি খালার হাত গুরুতর হওয়ার জন্য তাকে যাতে ডক্টর দেখার সুযোগ দেয় তার জন্য অনুরোধ করি।তারপরে সে ৫০০ টাকা দাবি করে।তার পরে টাকা দিলে বিতরে ডুকতে দেয় আমাদেরকে। প্রতি মঙ্গল ও বুধবার এখানে গেলে যে কারোর ই বিষয়টি চোখে পরবে।যারা টাকা দিবে তাদের সিরিয়াল ছাড়াই ডুকিয়ে দেওয়া হয়।তা না হলে আপনাকে ঘন্টার পর ঘন্টা দাঁড়িয়ে রাখবে
babar jomi namjari korte gesi, prothome onk help korse kivabe apply korte hobe shob dekhae dise, pore jedin applicitaion niye gesi oidin 12000 tk sara kaj hobena , ulta krishi jomi bannijik hisabe tax nisse, jor kore ko tofsil vukto kore tk nise.
নতুন পাসপোর্ট করতে গিয়ে সবকিছু ঠিক থাকা সত্ত্বেও বার বার আমাকে ফিরানো হয়, স্থানীয় ঠিকানা বেশি বড় লেখা হয়ছে, আমি পড়াশোনা করি আমি কেনো আন এমপ্লয় দিয়েছি, আরো ছোট বড় অনেক, এর পড়ে ওখানে থাকা আনসার সদস্য আমাকে সাইটে ডাকে বলে ১৫০০ টাকা দিলে সে ফাইল জমা নিবে, আমি গতো তিন দিন ধরে বিরক্ত হয়ে শেষ মেশ তার কাছে দেয়, এবং আমার সেই বাতিল হওয়া কাগজ নিয়ে গিয়ে জমা করে এবং সেই সময় এ সমস্যা শেষ এতো সমস্যা এক মিনিটে শেষ ৫ মিনিট এ আমার কাগজ নিয়ে ছবি তুলে ফিঙ্গার নিয়ে নেয়, আমি গতো ৩ দিন ধরে গিয়ে গিয়ে ঘুরতেছি আমার এটা সমস্যা ওটা সমস্যা টাকা দিয়া মাত্র ১ মিনিট এ সমস্যা শেষ, আর বাহিরে গিয়ে তারদের বেতন এর জন্য রেমিট্যান্স পাঠায় আমরা