নামজারি
ময়মনসিংহের নান্দাইল উপজেলার ৭নং মুশলী ভূমি অফিসে নামজারির সরকারি ফি ১,১৭০ টাকা নির্ধারিত থাকা সত্ত্বেও আমার কাছ থেকে নামজারি করার জন্য ১০,০০০ টাকা নেওয়া হয়েছে।
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৮,৯১৪ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
ময়মনসিংহের নান্দাইল উপজেলার ৭নং মুশলী ভূমি অফিসে নামজারির সরকারি ফি ১,১৭০ টাকা নির্ধারিত থাকা সত্ত্বেও আমার কাছ থেকে নামজারি করার জন্য ১০,০০০ টাকা নেওয়া হয়েছে।
পাশে ডেকে নিয়ে টাকা চেয়েছিলো তখন দিনি পরে দিতে হয়েছে নাহয় পাসপোর্ট পাচ্ছিলাম না
গাড়িতে সকল ডকুমেন্ট থাকার পরেও গাড়িতে বিজ্ঞাপন মামলা দেওয়ার ভয়। মাসিক ১ লক্ষ টাকারও বেশি।
বন্ডের মাধ্যমে আমদানিকৃত পণ্য কাস্টমস ছাড় করতে সর্বনিম্ন ৩০০০ টাকা থেকে ১০,০০০ টাকা পর্যন্ত লাগে (পণ্য ভেদে)। যেটা আমরা প্রতিনিয়ত করে থাকি। আমি পরিশোধ কেনো করেছি? টাকা পরিশোধ না করলে পণ্য ছাড় করানো সম্ভব না তাতে করে তৈরি পোশাক রপ্তানি বাধাগ্রস্থহবে। বন্ডের পণ্য বাদে অন্য পণ্যের ফাইল ছাড়াতে টাকার হিসাব আনলিমিটেড।
করাইকৃত জমি, যে বিক্রি করেছে পুনরায় সে আবার খারিজ করে নিয়েছে, কিভাবে খারিজ হয়েছে, সে জানে না, আমার এখন পুনরায় খারিজ করার জন্য তাকে টাকা প্রদান করা লাগতেছে, একান্ন হাজার দিয়েছি আরো লাগবে, কাজ শেষে আরো দুই লক্ষ টাকা দিতে হবে।
আমার বাবা মারা যাওয়ার পরে আমি উনার মৃতু সনদ করতে গেলে আমাকে অনেকদিন ঘুরানো হয় এর পরে আমার কাছে টাকা দাবি করা হয় আমি দিতে বাধ্য কারণ আমার এই সনদের জন্য আমার গ্যাস অফিসের একটা কাজ আটকে ছিলো।
সাধারণত NU থেকে admit card দেয় ফ্রী তে। কিন্তু পিরোজপুর সোহরাওয়ার্দী কলেজের পিয়ন প্রত্যেক স্টুডেন্ট এর কাছ থেকে ১০০ টাকা করে নেয়। মোট স্টুডেন্ট ৮০ জন। তাহলে টোটাল দাঁড়ায় ৮০,০০০ টাকা। তার উপর সে আবার সরকারি বেতন পায়। সে প্রত্যেক ইয়ার থেকে এত টাকা নিয়ে থাকে। তাহলে বুঝেন ১০ বছরে সে কত টাকা হাতাইছে।
আমি ফাদারের সাথে অধিদপ্তরে যায়। সেখান থেকে সরকারি কাগজ নিতে গেলে , তারা প্রথমে বিভিন্ন বাহানা দেখিয়ে কাগজ দিতে অস্বীকার করে। পরে ৩০০ টাকার বিনিময়ে কাগজ দেয়। ফাদার সরকারি মানুষ হয়েও, সংশ্লিষ্ট অফিসে ঘুষ দিয়ে ফরম কালেকশন করতে হয়েছে। অথচ ফরম নিতেবকোন টাকা লাগেনা। ফাদার টাকা দিতে বাধ্য হয়েছে। কারণ ফাদারের কর্মস্থান গ্রামে। সেখান থেকে দ্বিতীয়বার আসাযাওয়া অনেক ব্যয়বহুল। ফলশ্রুতিতে, ৩০০ টাকা ঘুষ দিতে বাধ্য হয়েছ।
ফাইলের সবকিছু ঠিক থাকা সত্ত্বেও জমা না নিয়ে ফেরত দেয় তখন এক আনসার সদস্য আমার সাথে এসে কথা বলে এবং টাকা দাবি করে আমি টাকা দিলে সবকিছু সমাধান হয়ে যায় পরবর্তীতে আমার ফিঙ্গার হয় এবং আমি পাসপোর্টটা ২২ দিনের মাথায় পাই. টাকাটা দেওয়ার পরে একটা পেপার এর উপরে ইন্সট্রাকশন দিয়ে দেয় যেটাকে চিহ্ন বলে তখন ওই ফাইলটা আর কেউ আটকে রাখে না।
আমি শুধু সুনামগঞ্জের কথা বলতেছি। স্থানীয় সরকার প্রকৌশলী অধিদপ্তর এলজিআরই সুনামগঞ্জ। এখানে আপনি এক্সেন হতে শুরু করে সিনিয়র এসিস্ট্যান্ট ইঞ্জিনিয়ার, ল্যাপ টেকনিশিয়ান সবাইকে বিশাল পরিমাণ টাকা পিসি টাকা দিতে হয়। এটা একটা লিখিত আমলনামার মত হয়ে গেছে। আমার কথা হচ্ছে ঠিকাদার কেন এদেরকে পিসি দিবে। এটাতো জেলা অফিসের কথা বললাম এখন উপজেলা অফিসে কথা বলি, উপজেলা ইঞ্জিনিয়ার, সাব এসিস্ট্যান্ট ইঞ্জিনিয়ার, একাউন্ট ঠিকাদার যখন বিল করে, প্রতিটি বিলে প্রচুর পরিমাণ পিসির টাকা ওনারা নেয়। সরকার কোন ইনকারই করো না কেন। সামান্য বেতনে চাকরি করে কিন্তু একেকজনে চলাফেরা রাজা বাদশার মত। এদের আয়েরস্য খতিয়ে দেখা উচিত। এরা বিশাল পরিমাণ করাপটেড
শহীদ সরোওয়ারর্দী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের ব্লক-৭এ ওটিতে অপারেশন শেষে রোগী বাহিরে হয়ে যায় এবং ডাক্তারের প্রেসক্রিপশন লেখা হলে খয়রি কালারের ড্রেস পড়া মহিলা, প্রেসক্রিপশন নিয়ে এসে রোগী হাতে দিয়ে ২০০৳ টাকা দাবি করে এবং নেয়। সার্জারী -১১ তে ড্রেসিং শেষে চা পানির জন্য যা পারেন বলে নেয়, সেখানে আমি ৫০৳ টাকা পরিশোধ করেছি।
গত ২৩/৮/২৬ ইং তারিখে তারিখ ছিল জবানবন্দির জন্য। পেশকার ৫০০টাকা চেয়েছিল দিয়েছি ২০০টাকা ।কারন যদি পেশকার পরবর্তী তারিখ দেয় এই ভয়ে। বিবাদীরা চায় তারিখের পর তারিখ পিছিয়ে দিতে।
আমি বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি পরীক্ষায় প্রতিবন্ধী কোটা দেই। পরবর্তীতে প্রতিবন্ধী সনদ আনতে উপজেলা সমাজসেবা অফিসে গেলে ১ মাস আমাকে শুধু তারিখ দিয়ে ঘোরাই। তারপর একদিন আমাকে কিছু খরচ দিতে বলে কাজটা করে দেই, তখন আমি বাধ্য হয়ে ৫০০ টাকা দেই এবং পরের দিনই সনদ পেয়ে যাই।
আমার স্ত্রী প্রাইমারী সহকারী শিক্ষক এর পুলিশ ভেরিফিকেশন এর সময় ৩০০০ টাকা দাবী করে। আমি টাকা না দিলে ফাইলে কোন সমস্যা হলে ওনি দায়ভার নিবে না বলে দিয়েছে।এবং ফ্যাসিস্ট এর সাথে সম্পৃক্ত থাকলে চাকরি চলে যাওয়ার হুমকি দেয়।
জেলা: কুমিল্লা | থানা/উপজেলা: মনোহরগঞ্জ | ৪ নং উত্তর ঝলোম ইউনিয়ন, লালচাঁদপুর। আমার বয়স্ক মায়ের জন্মতারিখের ভুল সংশোধনের জন্য আবেদন করতে গিয়ে দীর্ঘদিন ধরে হয়রানির শিকার হচ্ছি। অভিযোগ রয়েছে, ভোট অফিসের সামনে “তাকওয়া” নামের একটি কম্পিউটার দোকানের মাধ্যমে আবেদন করতে বাধ্য করা হয় এবং দোকানটির সঙ্গে ইউনিয়ন পরিষদ ও নির্বাচন অফিসের কিছু সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির সম্ভাব্য যোগসাজশে অতিরিক্ত বা অবৈধ অর্থ দাবি করা হয়। সরাসরি অফিসে গেলে নানা অজুহাতে হয়রানি করে মাসের পর মাস ঘুরানো হয়। বিষয়টি নিরপেক্ষভাবে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া এবং আমার পরিচয় গোপন রাখার অনুরোধ করছি।
আমি একটি ফুড ফ্যাক্টরী ফায়ার লাইসেন্স নবায়ন করতে যেয়ে ফায়ার সার্ভিসের একজন কর্ম কর্তাকে ঘুস দিতে হয়েছে না দিলে বিভিন্ন বাহানায় কাজ করে দিতে চায় না মজার ব্যাপার এগুলোর সাথে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা জড়িত থাকে।
মূলত আমাদের বাড়ি ও তার আশে পাশের কিছুর জমির কাগজপত্র সমস্যা ছিল।সেগুলো সব ঠিক করে তারপর অনলাইন করে খাজনা দেয়ার পর আমাদের ইউনিয়নের ভুমি অফিসে পাঠানো সরকারি খাতায় নাম উঠানো নাকি নামজারি বলে হয়তো তা করার জন্য কিন্তু প্রত্যেকটার জন্য ১০০ করে টোটাল ৫০০ টাকা নিছে।আমি জানতাম না যে এগুলোর জন্য টাকা লাগে না।তাহলে তখন প্রতিবাদ করতাম।কিন্তু পরবর্তীতে যখন অন্য ইউনিয়নের আরেকটা ভূমি অফিসে গিয়ে একটা কাজ করাই।তার পর টাকা দেই তখন তিনি নেননি।বলেন এটার জন্য কোন টাকা লাগে না।তখন আমি বুঝতে পারি আগের লোক অথ্যৎ আমাদের ইউনিয়নের ভুমি অফিসের লোক ঘুষ নিয়ছে।
এলাকার পাতিনি তাদের কারণে ব্যবসা করতে পারি না, তারা চাঁদাবাজির কারণে আমার ব্যবসা বন্ধ হয়েছে, আজকে আমি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে ১৫ বছর বয়স থেকে আমি কর্ম করি, আজকে আমার একটি ছোট্ট পরিবার আছে, কোনমতে জীবন চলছে আলহামদুলিল্লাহ
আমি জমি নামজারি করার জন্য ভূমি অফিসে যাই দেবিদ্বার পদ্মকোট ভূমি অফিসে। সেখানে আমার কাছে ১৫০০০ টাকা ঘুষ দাবি করে, যেখানে শুধুমাত্র বারোশো টাকা গভমেন্ট জমি নাম জারি করা বাবদ সেখানে আমার কাছে ১৫০০০ টাকা ঘুষ দাবি করে এবং বলে এক টাকা কম দিলেও করা হবে না। তখন আমি ১৫ হাজার টাকা ঘুষ দিতে রাজি হই তারপর আমার কাজটা সম্পন্ন করে দেয়া হয়।
আমি সাব রিজিসটার এর নিকট একটা দলিল এর জন্য যাই।উনি আমাকে ই চালান এর হিসাব দেয় ১৭৬০০০ বেশি আজ তা গ্রহন করে নি ওনার পিয়ন কে দিয়া ২০০০০ টাকা নিছে।তার পর দলিল পার করছে। আমার ১৭৬০০০ টাকা এর ইচালান আমার নিকট আছে আমি এখন কি করব।