পিটিআই ট্রেনিং প্রতিষ্ঠান পরিবর্তন
পিটিআই ট্রেনিং নরসিংদী দিয়েছিলো কিন্তু আমি কিশোরগঞ্জ জেলার, টাকার বিনিময়ে কিশোরগঞ্জ দিবে বলে দাবী করে।বাধ্য হয়ে টাকা দিয়ে কিশোরগঞ্জ জেলায় আসি। কারণ আমার নিজ জেলা কিশোরগঞ্জ।
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৮,৯১৪ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
পিটিআই ট্রেনিং নরসিংদী দিয়েছিলো কিন্তু আমি কিশোরগঞ্জ জেলার, টাকার বিনিময়ে কিশোরগঞ্জ দিবে বলে দাবী করে।বাধ্য হয়ে টাকা দিয়ে কিশোরগঞ্জ জেলায় আসি। কারণ আমার নিজ জেলা কিশোরগঞ্জ।
আমি জমাখাইজ করতে গিয়েছিলাম আমার জমিনে উনি প্রথমে 11 হাজার টাকা চেয়েছিল পরে দরদাম করে আট হাজার টাকা আমি সম্পন্ন করেছি তাও ২৩ মাস উনারা ব্যয় করেছেন সময় বলছিল যে ১৫ দিনের মধ্যে বা সর্বোচ্চ এক মাস প্রায় তিন মাস লাগাইছিল
৮ লক্ষ টাকার ফিক্সড ডিপোজিট, ৬ বছর পরে টাকা গুলা ওঠানোর সময় ২ হাজার দাবি করে,১০০০টাকা দিয়ে বাধ্য চলে আসি
মামলার সমন নোটিস বিবাদী বরাবর পৌঁছে দেওয়া। টাকা না দেওয়ায় ২১ দিন আমাকে ঘুরিয়েছে। পরে টাকা দিতে হইছে।
আমি একজন সরকারি চাকুরীজীবি। আমি বাংলাদেশ রেলওয়ে এর একজন কর্মচারি। ২০২৪ এর জানুয়ারি মাসে আমার আমার সহ কর্মি সহ মোট ১০-১২ এর পদোন্নতি হয়। আমাদের পদোন্নতি হলে অন লাইনে ফিক্সেশন করে ফাইল নথিভুক্ত করতে হয়। এই কাজ করেন আমাদের ডি,পি,ও ( সংস্থাপন) শাখা, আর এই কাজ এর জন্য আমার ও সবার কাছ থেকে ২০০০ টাকা করে নিয়েছে। টাকা না দেওয়া পর্যন্ত তারা কাজ করেনাই আর এর জন্য আমার বেতন ৩ মাস বন্ধ ছিলো ২০০০ টাকা দেওয়ার পর আমার নতুন স্কেলে বেতন পাই। আর এই কাজ করে ঢাকা কমলাপুর রেলওয়ে প্রশাসন ভবন এর ডি,পি,ও অফিস। এখনো কোন কাজ টাকা না দিলে হয়না মাস ও বছর পার হয়ে যায় কাজ হয়না।
জানুয়ারি ২০২৬ হইতে উল্লেখিত এলাকায় মাঠ জরিপ কাজ চলমান। জমির বর্তমানে কারা মালিক কি ভাবে মালিক দখলে কে আছে নিশ্চত হয়ে মাঠ পর্চা বিতরন করা কিন্তু তা না করে অহেতূক হয়রানি করতেছে। ১৫ থেকে ২০ হাজারের নিছে কাউকে মাঠ পর্চ বিতরণ করছেন না। টাকা দেওয়ার পরে ও বার বার বিতরনের তারিখ দিয়ে ঘুরাইতেছে।
এই টাকা না দিলে আমার সংশোধিত এস্টিমিটি ঢাকা শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তর হেড অফিসের সিলেট বিভাগের দায়িত্বপ্রাপ্ত উপসহকারী প্রকৌশলী কর্তৃক চেক করার ভয় দেখানো হয়। আমি বাধ্য হয়ে এই টাকা পরিশোধ করি। আমার খুবই কষ্ট লাগলো। মানুষ গড়ার কারিগর বিদ্যালয় তৈরি করতে আমারা ঠিকাদারগণ ক্লান্ত পরিশ্রম করে কিন্তু দায়িত্বপ্রাপ্তরা তাদের পিসি না পেলে আমাদের এস্টিমেট কর্তন করে কর্তন করে। আল্লাহ তাদের বিচার করবে
জমি নামজারি করবো।তার স্বক্ষর করার জন্য ২০০০ হাজার।আগে যিনি ছিলেন সে বলে নাম জারিতে ভুল করছে তার জন্য দুই হাজার।এসিল্যান্ড অফিসে ৬ হাজার।
বিভিন্ন অজুহাতে আমাদের ক্রয়করা ১১ শতক জমির নামজারী বছর দেড় এক সময় আটকিয়ে রাখা হয়। এসিল্যান্ড তহশীলদারের মাধ্যমে জনপ্রতি্ (আমরা ১৮জন) ৫০,০০০/- দাবি করেছিলো। আমার পরিচয় ( গোয়েন্দা কর্মকর্তা) পাওয়াতে আমাদের জনপ্রতি ২০,০০০/- কম নেয়। তহশিলদার ক্যাশ ৫,৪০,০০০/- গ্রহন করে। ৮২ জনের আর একটা জমি নামজারী করতে ৪১,০০,০০০/- আদায় করেছিল।
সন্দ্বীপে আমাদের একটা জমি সরকার অধিগ্রহণ করেছিল। সে টাকাটা অনেকদিন ঘোরাঘুরির পরও পাচ্ছিলাম না। অন্যান্য আত্মীয়-স্বজনরা বলল ঘুষ দিলে কাজ কখনো হবে না। আসলেও কিছুই হচ্ছিল না। বিভিন্ন কথা বলে ঘোরাচ্ছিল। পরে খরচপাতি দিতে রাজি হলে ২৫ হাজার টাকা দাবি করে। যে টাকার চেক কোর্বিল্ডিং এর বাইরে চায়ের দোকানে দুইজন লোক গ্রহণ করে। আমার একাউন্টে টাকা জমা হওয়ার সাথে সাথে ওরা ব্যাংক থেকে টাকাটা তুলে নেয়। মানে আগেই ওরা ব্যাংকে গিয়ে বসেছিল।
ছেলেদের পরীক্ষা শেষ হয়েছে ভেবে অনলাইনে এনআইডি করার জন্য আবেদন করি। বায়োমেট্রিক দেওয়ার জন্য মেসেজ পাই এবং আবেদনের ফরম বের করে বাকেরগঞ্জ উপজেলা নির্বাচন কমিশন অফিসে গেলে তারা প্রথমেই বলে, একেক এনআইডি করার জন্য কাগজ পত্রের সাথে ৫০০ টাকা দিতে হবে। শুধু টাকা দিয়েই শেষ হয় না ভোগের; আজ নয় আগামী সপ্তাহে, আগামী মাসে ইত্যাদি অজুহাত। এরপর রিকোয়েস্ট করার পর কাগজ পত্র হাতে নিয়ে বলে, জরুরী দরকার? এই ভোগান্তি শুধু একজন দুজন নয়, প্রতিদিন শত শত মানুষের ভুগতে হচ্ছে। মানুষ কাজ ফেলে নির্বাচন কমিশন অফিসে দিনের পর দিন এনআইডি করার জন্য বসে থাকে, ধরনা দিতে থাকে এই টেবিল ওই টেবিল। কিন্তু তার পরেও শেষ নয়; কাজ করবে বলে ছয়মাস একবছর লেগে যায় একটি এনআইডি বের হতে।
আমি ড্রাইভিং লাইসেন্স করার জন্য বিআরটিএতে এপ্লাই করি অনলাইনের মাধ্যমে তারপর নির্ধারিত একটা তারিখ নির্বাচন করে দেওয়া হয় এই তারিখে গিয়ে ইন্টারভিউ দেওয়ার জন্য। যাওয়ার পরে দালাল চক্র আমাকে ঘিরে ধরে এবং বলে যে ড্রাইভিং লাইসেন্স করে দেবে তার জন্য ১২০০০ টাকা আমার কাছে ঘুষ দাবি করে। আমি এতে অসম্মতি প্রকাশ করলে পরিশেষে তারা বলে আমাকে আট হাজার টাকা দিলে আমরা করে দেব। অবশেষে আমি রাজি হই এবং আট হাজার টাকা ঘুষ আমি পরিশোধ করি।
সরকারি চাকুরীতে এটি খুব কমন বিষয় যে কোন কর্মকর্তা বা কর্মচারী এক কর্মস্থল থেকে আরেক কর্মস্থলে বদলী হলে LPC( Last pay certificate) নিতে হয় সংশ্লিষ্ট হিসাবরক্ষণ অফিস থেকে।। এটি আবার বদলীকৃত জেলা/উপজেলায় জমা দিতে হয়। দুটো কাজেরই বর্তমান রেট (ঘুষ) ১০০০ টাকা।।
অভিযোগের বিষয়: পাসপোর্ট পুনরায় করতে অতিরিক্ত ১২,০০০ টাকা প্রদান আমার পাসপোর্ট হারিয়ে যাওয়ার পর নতুন পাসপোর্টের জন্য আবেদন করতে গিয়ে সরকারি নির্ধারিত ফি’র বাইরে অতিরিক্ত ১২,০০০ টাকা দিতে হয়েছে। সংশ্লিষ্ট সেবা পাওয়ার প্রক্রিয়ায় এই অতিরিক্ত অর্থ নেওয়া হয়েছে। অতিরিক্ত টাকা দেওয়ার কারণ বা সরকারি কোনো বৈধ ফি হিসেবে এর প্রমাণ আমাকে দেওয়া হয়নি। বিষয়টি তদন্ত করে অতিরিক্ত অর্থ গ্রহণের সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার অনুরোধ করছি।
আব্বার মৃত্যুর পরে তার পেনশনের কাগজ রেডি করার জন্য গেলে অনেক ঘুরা ঘুরির পরে পিওন টাকা দাবি করে বলে স্যারদের দিলেই কাজ করবে । তখন আমার কোন চাকরি ছিলনা খাবার মত তেমন বেশি টাকা পয়সা ছিল না । এক কথায় তারাতাড়ি পেনশন পাবার জন্য অসহায়ের মত দেই ।
ঢাকা বক্ষব্যাধি হাসপাতালে আমি, আমার চেষ্ট এর এক্সরে করাই তারা বলতেছে আজকে রিপোর্ট দেয়ার হবে না আগামীকাল রিপোর্ট দেয়া হবে তারপর একজন আনসার আমাকে বলল আজকে পাবেন কিন্তু ২০০টাকা দিতে হবে তারপর আমি তাকে ২০০ টাকা দেই এবং সাথে সাথে হাতে পাই। আমার মত ভুক্তভোগী হাজার হাজার মানুষ প্রতিদিন এভাবে তাদেরকে ঘুষ দিয়ে রিপোর্ট নিতে হয়।
আমার স্ত্রী এর নাগরিকত্ব সার্টিফিকেট লাগবে একটা সরকারি কাজের জন্য । সেইটা আনার জন্য মহাখালী সিটি কর্পোরেশনে আমাকে ২,০০০/- ঘুষ দিয়ে ২/৩ দিন ঘুরে কাজটি করে নিতে হয় । যেহেতু এখন জনপ্রতিনিধি নেই তাই এভাবেই কাজ করতে হলো ।
আমরা ইন্ডিয়া মেডিকেল পারপাসে যাই। আমাদের ভিশা ওকে ছিল। দর্শনা ইমিগ্রেশনের পুলিশ আমাদের প্রফেশন নিয়ে জেড়া শুরু করে। আমাদের NOC ছিল না বিধায় আমাদের আটকে দেয়।। আমাদের আগে থেকেই কিছু দরবেশ দের সাথে। পরে দরবেশ এটার মধ্যস্থতা করে আমাদের ইমিগ্রেশান এর ক্লিয়ারেন্স নিয়ে দেয় আর ৩০০০ টাকা ঘুষ অফিসার দেয়া হয়। সেটা অফিসের ভিতরে না, পাশের দোকান গুলো তে দরবেশ রা থাকে। এখানে অফিসারেরা নিজেরা ঘুষ টা নেয় না। অদের সাথে দরবেশ দের ভাল কানেকশন থাকে। তারা ভিতরে গিয়ে অথবা সুবিধা মতন সময় তাদের উতকোচ সরবরাহ করে।। আপনি পরিচিত নিজে গেলে সেখানে হেরেজ হবে। একমাত্র দরবেশ ছাড়া দ্রুত ইমিগ্রেশান পার করা যায় না।। বাহিরে যেতে এত গুলা কাগজ লাগে। কোন না কোন কাগজে ঝামেলা থাকেই। এগুলা র জন্য আটকে এরা হেরেজ করতে থাকে।।
এমপিওভুক্ত হওয়ার পর বেতনের জন্য EFT তথ্য সাবমিটের কাগজপত্র জমা দিতে আসলে অফিস সহায়ক ১০০০ টাকা দাবি করেন। কিন্তু আমি ২০০ টাকা দেই কিন্তু সে নিতে অস্বীকার করেন পরবর্তীতে আমি চলে আসি। উনি নিজের মুখেই বলেন যে সবার থেকেই টাকা নিয়েছেন ৬০০/৭০০ করে। স্থান : ময়মনসিংহ আঞ্চলিক শিক্ষা অফিস, ল্যাবরেটরি উচ্চ বিদ্যালয়ের পাশে।
আমি আমার জন্ম সনদ জন্য গিয়েছিলাম তারা আমার কাজটি করে দেয় না বারবার আমাকে ঘুরায় এবং বিভিন্নভাবে বোঝায়। পরে আমি বুঝতে পারি যে টাকা আনা দিলে কাজ হবে না