পাসপোর্ট বানানো
পাশে ডেকে নিয়ে টাকা চেয়েছিলো তখন দিনি পরে দিতে হয়েছে নাহয় পাসপোর্ট পাচ্ছিলাম না
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৮,৯৮২ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
পাশে ডেকে নিয়ে টাকা চেয়েছিলো তখন দিনি পরে দিতে হয়েছে নাহয় পাসপোর্ট পাচ্ছিলাম না
গাড়িতে সকল ডকুমেন্ট থাকার পরেও গাড়িতে বিজ্ঞাপন মামলা দেওয়ার ভয়। মাসিক ১ লক্ষ টাকারও বেশি।
বন্ডের মাধ্যমে আমদানিকৃত পণ্য কাস্টমস ছাড় করতে সর্বনিম্ন ৩০০০ টাকা থেকে ১০,০০০ টাকা পর্যন্ত লাগে (পণ্য ভেদে)। যেটা আমরা প্রতিনিয়ত করে থাকি। আমি পরিশোধ কেনো করেছি? টাকা পরিশোধ না করলে পণ্য ছাড় করানো সম্ভব না তাতে করে তৈরি পোশাক রপ্তানি বাধাগ্রস্থহবে। বন্ডের পণ্য বাদে অন্য পণ্যের ফাইল ছাড়াতে টাকার হিসাব আনলিমিটেড।
গত ২৩/৮/২৬ ইং তারিখে তারিখ ছিল জবানবন্দির জন্য। পেশকার ৫০০টাকা চেয়েছিল দিয়েছি ২০০টাকা ।কারন যদি পেশকার পরবর্তী তারিখ দেয় এই ভয়ে। বিবাদীরা চায় তারিখের পর তারিখ পিছিয়ে দিতে।
আমি বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি পরীক্ষায় প্রতিবন্ধী কোটা দেই। পরবর্তীতে প্রতিবন্ধী সনদ আনতে উপজেলা সমাজসেবা অফিসে গেলে ১ মাস আমাকে শুধু তারিখ দিয়ে ঘোরাই। তারপর একদিন আমাকে কিছু খরচ দিতে বলে কাজটা করে দেই, তখন আমি বাধ্য হয়ে ৫০০ টাকা দেই এবং পরের দিনই সনদ পেয়ে যাই।
আমার স্ত্রী প্রাইমারী সহকারী শিক্ষক এর পুলিশ ভেরিফিকেশন এর সময় ৩০০০ টাকা দাবী করে। আমি টাকা না দিলে ফাইলে কোন সমস্যা হলে ওনি দায়ভার নিবে না বলে দিয়েছে।এবং ফ্যাসিস্ট এর সাথে সম্পৃক্ত থাকলে চাকরি চলে যাওয়ার হুমকি দেয়।
জেলা: কুমিল্লা | থানা/উপজেলা: মনোহরগঞ্জ | ৪ নং উত্তর ঝলোম ইউনিয়ন, লালচাঁদপুর। আমার বয়স্ক মায়ের জন্মতারিখের ভুল সংশোধনের জন্য আবেদন করতে গিয়ে দীর্ঘদিন ধরে হয়রানির শিকার হচ্ছি। অভিযোগ রয়েছে, ভোট অফিসের সামনে “তাকওয়া” নামের একটি কম্পিউটার দোকানের মাধ্যমে আবেদন করতে বাধ্য করা হয় এবং দোকানটির সঙ্গে ইউনিয়ন পরিষদ ও নির্বাচন অফিসের কিছু সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির সম্ভাব্য যোগসাজশে অতিরিক্ত বা অবৈধ অর্থ দাবি করা হয়। সরাসরি অফিসে গেলে নানা অজুহাতে হয়রানি করে মাসের পর মাস ঘুরানো হয়। বিষয়টি নিরপেক্ষভাবে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া এবং আমার পরিচয় গোপন রাখার অনুরোধ করছি।
আমি একটি ফুড ফ্যাক্টরী ফায়ার লাইসেন্স নবায়ন করতে যেয়ে ফায়ার সার্ভিসের একজন কর্ম কর্তাকে ঘুস দিতে হয়েছে না দিলে বিভিন্ন বাহানায় কাজ করে দিতে চায় না মজার ব্যাপার এগুলোর সাথে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা জড়িত থাকে।
মূলত আমাদের বাড়ি ও তার আশে পাশের কিছুর জমির কাগজপত্র সমস্যা ছিল।সেগুলো সব ঠিক করে তারপর অনলাইন করে খাজনা দেয়ার পর আমাদের ইউনিয়নের ভুমি অফিসে পাঠানো সরকারি খাতায় নাম উঠানো নাকি নামজারি বলে হয়তো তা করার জন্য কিন্তু প্রত্যেকটার জন্য ১০০ করে টোটাল ৫০০ টাকা নিছে।আমি জানতাম না যে এগুলোর জন্য টাকা লাগে না।তাহলে তখন প্রতিবাদ করতাম।কিন্তু পরবর্তীতে যখন অন্য ইউনিয়নের আরেকটা ভূমি অফিসে গিয়ে একটা কাজ করাই।তার পর টাকা দেই তখন তিনি নেননি।বলেন এটার জন্য কোন টাকা লাগে না।তখন আমি বুঝতে পারি আগের লোক অথ্যৎ আমাদের ইউনিয়নের ভুমি অফিসের লোক ঘুষ নিয়ছে।
এলাকার পাতিনি তাদের কারণে ব্যবসা করতে পারি না, তারা চাঁদাবাজির কারণে আমার ব্যবসা বন্ধ হয়েছে, আজকে আমি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে ১৫ বছর বয়স থেকে আমি কর্ম করি, আজকে আমার একটি ছোট্ট পরিবার আছে, কোনমতে জীবন চলছে আলহামদুলিল্লাহ
আমি জমি নামজারি করার জন্য ভূমি অফিসে যাই দেবিদ্বার পদ্মকোট ভূমি অফিসে। সেখানে আমার কাছে ১৫০০০ টাকা ঘুষ দাবি করে, যেখানে শুধুমাত্র বারোশো টাকা গভমেন্ট জমি নাম জারি করা বাবদ সেখানে আমার কাছে ১৫০০০ টাকা ঘুষ দাবি করে এবং বলে এক টাকা কম দিলেও করা হবে না। তখন আমি ১৫ হাজার টাকা ঘুষ দিতে রাজি হই তারপর আমার কাজটা সম্পন্ন করে দেয়া হয়।
আমি সাব রিজিসটার এর নিকট একটা দলিল এর জন্য যাই।উনি আমাকে ই চালান এর হিসাব দেয় ১৭৬০০০ বেশি আজ তা গ্রহন করে নি ওনার পিয়ন কে দিয়া ২০০০০ টাকা নিছে।তার পর দলিল পার করছে। আমার ১৭৬০০০ টাকা এর ইচালান আমার নিকট আছে আমি এখন কি করব।
পিটিআই ট্রেনিং নরসিংদী দিয়েছিলো কিন্তু আমি কিশোরগঞ্জ জেলার, টাকার বিনিময়ে কিশোরগঞ্জ দিবে বলে দাবী করে।বাধ্য হয়ে টাকা দিয়ে কিশোরগঞ্জ জেলায় আসি। কারণ আমার নিজ জেলা কিশোরগঞ্জ।
আমি জমাখাইজ করতে গিয়েছিলাম আমার জমিনে উনি প্রথমে 11 হাজার টাকা চেয়েছিল পরে দরদাম করে আট হাজার টাকা আমি সম্পন্ন করেছি তাও ২৩ মাস উনারা ব্যয় করেছেন সময় বলছিল যে ১৫ দিনের মধ্যে বা সর্বোচ্চ এক মাস প্রায় তিন মাস লাগাইছিল
৮ লক্ষ টাকার ফিক্সড ডিপোজিট, ৬ বছর পরে টাকা গুলা ওঠানোর সময় ২ হাজার দাবি করে,১০০০টাকা দিয়ে বাধ্য চলে আসি
মামলার সমন নোটিস বিবাদী বরাবর পৌঁছে দেওয়া। টাকা না দেওয়ায় ২১ দিন আমাকে ঘুরিয়েছে। পরে টাকা দিতে হইছে।
আমি একজন সরকারি চাকুরীজীবি। আমি বাংলাদেশ রেলওয়ে এর একজন কর্মচারি। ২০২৪ এর জানুয়ারি মাসে আমার আমার সহ কর্মি সহ মোট ১০-১২ এর পদোন্নতি হয়। আমাদের পদোন্নতি হলে অন লাইনে ফিক্সেশন করে ফাইল নথিভুক্ত করতে হয়। এই কাজ করেন আমাদের ডি,পি,ও ( সংস্থাপন) শাখা, আর এই কাজ এর জন্য আমার ও সবার কাছ থেকে ২০০০ টাকা করে নিয়েছে। টাকা না দেওয়া পর্যন্ত তারা কাজ করেনাই আর এর জন্য আমার বেতন ৩ মাস বন্ধ ছিলো ২০০০ টাকা দেওয়ার পর আমার নতুন স্কেলে বেতন পাই। আর এই কাজ করে ঢাকা কমলাপুর রেলওয়ে প্রশাসন ভবন এর ডি,পি,ও অফিস। এখনো কোন কাজ টাকা না দিলে হয়না মাস ও বছর পার হয়ে যায় কাজ হয়না।
জানুয়ারি ২০২৬ হইতে উল্লেখিত এলাকায় মাঠ জরিপ কাজ চলমান। জমির বর্তমানে কারা মালিক কি ভাবে মালিক দখলে কে আছে নিশ্চত হয়ে মাঠ পর্চা বিতরন করা কিন্তু তা না করে অহেতূক হয়রানি করতেছে। ১৫ থেকে ২০ হাজারের নিছে কাউকে মাঠ পর্চ বিতরণ করছেন না। টাকা দেওয়ার পরে ও বার বার বিতরনের তারিখ দিয়ে ঘুরাইতেছে।
জমি নামজারি করবো।তার স্বক্ষর করার জন্য ২০০০ হাজার।আগে যিনি ছিলেন সে বলে নাম জারিতে ভুল করছে তার জন্য দুই হাজার।এসিল্যান্ড অফিসে ৬ হাজার।
বিভিন্ন অজুহাতে আমাদের ক্রয়করা ১১ শতক জমির নামজারী বছর দেড় এক সময় আটকিয়ে রাখা হয়। এসিল্যান্ড তহশীলদারের মাধ্যমে জনপ্রতি্ (আমরা ১৮জন) ৫০,০০০/- দাবি করেছিলো। আমার পরিচয় ( গোয়েন্দা কর্মকর্তা) পাওয়াতে আমাদের জনপ্রতি ২০,০০০/- কম নেয়। তহশিলদার ক্যাশ ৫,৪০,০০০/- গ্রহন করে। ৮২ জনের আর একটা জমি নামজারী করতে ৪১,০০,০০০/- আদায় করেছিল।