শ্রান্তি ভাতা প্রাপ্তি
শ্রান্তি বিনোদন ভাতার কাজে আগ্রহ নেই। বাজেট নাই এগুলা বলে। তাই ঘুষ দিতে হয় প্রায় ৫০ জন মিলে ৫০০০ টাকা দিই।
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৮,৯৯৪ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
শ্রান্তি বিনোদন ভাতার কাজে আগ্রহ নেই। বাজেট নাই এগুলা বলে। তাই ঘুষ দিতে হয় প্রায় ৫০ জন মিলে ৫০০০ টাকা দিই।
জন্মনিবন্ধন ভুল ঠিক করতে ও অনলাইন করতে ১০০০ টাকা বাড়তি নিয়েছে ।
কোন প্রকার নোটিশ ছাড়া সিটি কর্পোরেশনের হোল্ডিং ট্যাক্স নির্ধারণ করে কাগজ দিয়ে গিয়েছিলো, চার বছর আগে। আপিল বাবদ টাকাটা নিয়েছেন, এবং কাজ করে দিয়েছে। কাজের ক্ষেত্রে খুবই সৎ, একটা পেপার্স দিতে ভুলে গিয়েছিলো৷ সেটা এক বছর পর এসে দিয়ে গেছে৷ চোর হলেই ইমান ভালো আছে।
২টা নতুন পাসপোর্ট এর জন্য আবেদন করতে গেছি বলে এভাবে হবে না। প্রতি পাসপোর্ট এর জন্য ১৫০০ টাকা করে লাগবে। তাহলে সপ্তার মধ্যে পাসপোর্ট পেয়ে যাবে। না হলে নাকি পাসপোর্ট এর কাগজপত্র জমা নিবে না। বিভিন্ন অজুহাত দেখিয়ে প্রত্যাখ্যান করে।
গাইবান্ধা জেলা কর্মসংস্থান ও জনশক্তি অফিসে ৩ দিনের পিডিও ট্রেনিং করতেছি ২ দিন হলো। এবং আমরা সর্বমোট ১০০ জন ছাত্র আছি। সরকারের পক্ষ থেকে যারা পিডিও ট্রেনিং করবে তাদের প্রত্যেক কে দিন ১৫০×১০০ টাকা দেওয়ার কঘা ছিলো সেটা দেয়নি এবং সবার থেকে Extra হুূদাই ১০০ টাকা করে নিছে।
আমাকে বলেছিল আপনার পাসপোর্ট জব কমপ্লিট হয়নি আপনার পাসপোর্ট এর জব কমপ্লিট করাইতে হবে। জব কমপ্লিট করাইতে আপনাকে আগরতলা যেতে হবে অন্যতায় আমাদেরকে দিয়ে করালে ২৫০০ টাকা দিতে হবে। আমি বললাম এত টাকা কেন ওই লোকটি বলল আমি মাত্র ৫০০ টাকা পাবো বাকি অন্যগুলা স্যাররা পাবে। আমার ছুটি শেষ হওয়ার ২০ দিন বাকি ছিল এমতাবস্থায় আমার আর কোন উপায় ছিল না তাই আমি 2500 টাকা দিয়েছি
১০০০ টাকা না দেওয়াতে আমাকে ৩ দিন ঘুরায়। বলে এই কাগজ লাগবে ওই কাগজ লাগবে। তারপর ১০০০ টাকা দিই। দেওয়ার সাথে সাথে আমার কাজ হয়ে যায় শুধু মাত্র এনআইডি কার্ড দিয়
আমি ঢাকা ওয়াসার মডস জোন-৮ এর অধীন মধ্যবাড্ডা থেকে বলছি। প্রতিমাসে ঢাকা ওয়াসার বিলিং সহকারীকে ২০০০/- ঘুষ দিতে হচ্ছে। তারা পানির মিটার দেখে বিল করে না। টাকা দিলে বিল কমিয়ে দেয়। তাদের নিজস্ব মিস্ত্রি দিয়ে পানির মিটারের রিডিং ও টেম্পারিং করে। ঘুষ না দিলে ইচ্ছামত বিল বানিয়ে দিতে বাধ্য করে। না হলে লাইন কেটে দেয়ার হুমকি দেয়। এর সাথে ঢাকা ওয়াসার ম্যাক্সিমাম সাধারণ বিলিং সহকারী জড়িত।
২০১৮ সালে একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে আমার জব হয়।কিন্ত একাডেমিক সার্টিফিকেটে নামের সামনে মোঃ ছিলোনা।কিন্তু ভোটার আইডিতে মোঃ ছিলো।প্রতিষ্ঠানটির HRD থেকে আমাকে বলা হয় যতদিন ভোটার আইডিটা সংশোধন করতে পারবেন না, ততদিন বেতন পাবেন না। এরপর নির্বাচন অফিস ও অনলাইনে আাবেদন করি।একে একে চার মাস চলে গেলো কোন কাজ আর হচ্ছে না।চাকরি করতাম রংপুরের পীরগাছা, ভোটার বোদা,পঞ্চগড়ে।এই দুই জায়গার নির্বাচন অফিসে অনেকে কান্নাকাটি করলাম কোন কাজ হচ্ছে না।শেষে গেলাম প্রধান নির্বাচন কমিশনের কার্যলয়,আগারগাঁও, ঢাকায়।একে একে তিনদিন চলে যায়।পুরুষ মহিলা লাইনের পর লাইন।কারো নামের বানান ভুল। কেউবা বয়স কমাতে আসছে।লাইন আর শে্য হয়না। লাইন শেষ হলে পরে তখন বলছে সার্ভার বিজি।এদিকে পরপর তিনদিন হোটেলে থাকা খাওয়াতো আছে।শেষে টাকা ফুরিয়ে আসে
ময়মনসিংহের নান্দাইল উপজেলার ৭নং মুশলী ভূমি অফিসে নামজারির সরকারি ফি ১,১৭০ টাকা নির্ধারিত থাকা সত্ত্বেও আমার কাছ থেকে নামজারি করার জন্য ১০,০০০ টাকা নেওয়া হয়েছে।
পাশে ডেকে নিয়ে টাকা চেয়েছিলো তখন দিনি পরে দিতে হয়েছে নাহয় পাসপোর্ট পাচ্ছিলাম না
গাড়িতে সকল ডকুমেন্ট থাকার পরেও গাড়িতে বিজ্ঞাপন মামলা দেওয়ার ভয়। মাসিক ১ লক্ষ টাকারও বেশি।
বন্ডের মাধ্যমে আমদানিকৃত পণ্য কাস্টমস ছাড় করতে সর্বনিম্ন ৩০০০ টাকা থেকে ১০,০০০ টাকা পর্যন্ত লাগে (পণ্য ভেদে)। যেটা আমরা প্রতিনিয়ত করে থাকি। আমি পরিশোধ কেনো করেছি? টাকা পরিশোধ না করলে পণ্য ছাড় করানো সম্ভব না তাতে করে তৈরি পোশাক রপ্তানি বাধাগ্রস্থহবে। বন্ডের পণ্য বাদে অন্য পণ্যের ফাইল ছাড়াতে টাকার হিসাব আনলিমিটেড।
গত ২৩/৮/২৬ ইং তারিখে তারিখ ছিল জবানবন্দির জন্য। পেশকার ৫০০টাকা চেয়েছিল দিয়েছি ২০০টাকা ।কারন যদি পেশকার পরবর্তী তারিখ দেয় এই ভয়ে। বিবাদীরা চায় তারিখের পর তারিখ পিছিয়ে দিতে।
আমি বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি পরীক্ষায় প্রতিবন্ধী কোটা দেই। পরবর্তীতে প্রতিবন্ধী সনদ আনতে উপজেলা সমাজসেবা অফিসে গেলে ১ মাস আমাকে শুধু তারিখ দিয়ে ঘোরাই। তারপর একদিন আমাকে কিছু খরচ দিতে বলে কাজটা করে দেই, তখন আমি বাধ্য হয়ে ৫০০ টাকা দেই এবং পরের দিনই সনদ পেয়ে যাই।
আমার স্ত্রী প্রাইমারী সহকারী শিক্ষক এর পুলিশ ভেরিফিকেশন এর সময় ৩০০০ টাকা দাবী করে। আমি টাকা না দিলে ফাইলে কোন সমস্যা হলে ওনি দায়ভার নিবে না বলে দিয়েছে।এবং ফ্যাসিস্ট এর সাথে সম্পৃক্ত থাকলে চাকরি চলে যাওয়ার হুমকি দেয়।
জেলা: কুমিল্লা | থানা/উপজেলা: মনোহরগঞ্জ | ৪ নং উত্তর ঝলোম ইউনিয়ন, লালচাঁদপুর। আমার বয়স্ক মায়ের জন্মতারিখের ভুল সংশোধনের জন্য আবেদন করতে গিয়ে দীর্ঘদিন ধরে হয়রানির শিকার হচ্ছি। অভিযোগ রয়েছে, ভোট অফিসের সামনে “তাকওয়া” নামের একটি কম্পিউটার দোকানের মাধ্যমে আবেদন করতে বাধ্য করা হয় এবং দোকানটির সঙ্গে ইউনিয়ন পরিষদ ও নির্বাচন অফিসের কিছু সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির সম্ভাব্য যোগসাজশে অতিরিক্ত বা অবৈধ অর্থ দাবি করা হয়। সরাসরি অফিসে গেলে নানা অজুহাতে হয়রানি করে মাসের পর মাস ঘুরানো হয়। বিষয়টি নিরপেক্ষভাবে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া এবং আমার পরিচয় গোপন রাখার অনুরোধ করছি।
আমি একটি ফুড ফ্যাক্টরী ফায়ার লাইসেন্স নবায়ন করতে যেয়ে ফায়ার সার্ভিসের একজন কর্ম কর্তাকে ঘুস দিতে হয়েছে না দিলে বিভিন্ন বাহানায় কাজ করে দিতে চায় না মজার ব্যাপার এগুলোর সাথে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা জড়িত থাকে।
মূলত আমাদের বাড়ি ও তার আশে পাশের কিছুর জমির কাগজপত্র সমস্যা ছিল।সেগুলো সব ঠিক করে তারপর অনলাইন করে খাজনা দেয়ার পর আমাদের ইউনিয়নের ভুমি অফিসে পাঠানো সরকারি খাতায় নাম উঠানো নাকি নামজারি বলে হয়তো তা করার জন্য কিন্তু প্রত্যেকটার জন্য ১০০ করে টোটাল ৫০০ টাকা নিছে।আমি জানতাম না যে এগুলোর জন্য টাকা লাগে না।তাহলে তখন প্রতিবাদ করতাম।কিন্তু পরবর্তীতে যখন অন্য ইউনিয়নের আরেকটা ভূমি অফিসে গিয়ে একটা কাজ করাই।তার পর টাকা দেই তখন তিনি নেননি।বলেন এটার জন্য কোন টাকা লাগে না।তখন আমি বুঝতে পারি আগের লোক অথ্যৎ আমাদের ইউনিয়নের ভুমি অফিসের লোক ঘুষ নিয়ছে।
এলাকার পাতিনি তাদের কারণে ব্যবসা করতে পারি না, তারা চাঁদাবাজির কারণে আমার ব্যবসা বন্ধ হয়েছে, আজকে আমি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে ১৫ বছর বয়স থেকে আমি কর্ম করি, আজকে আমার একটি ছোট্ট পরিবার আছে, কোনমতে জীবন চলছে আলহামদুলিল্লাহ