জন্ম ও মৃত্যু সনদ
আমি আমার জন্ম সনদ জন্য গিয়েছিলাম তারা আমার কাজটি করে দেয় না বারবার আমাকে ঘুরায় এবং বিভিন্নভাবে বোঝায়। পরে আমি বুঝতে পারি যে টাকা আনা দিলে কাজ হবে না
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৮,৯৯৪ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
আমি আমার জন্ম সনদ জন্য গিয়েছিলাম তারা আমার কাজটি করে দেয় না বারবার আমাকে ঘুরায় এবং বিভিন্নভাবে বোঝায়। পরে আমি বুঝতে পারি যে টাকা আনা দিলে কাজ হবে না
পাসপোর্ট অফিসের গেটে যেতেই পাহারারত পুলিশ বলে কোথয় যাবেন আমি বললাম আমার পাসপোর্টের মেয়াদ শেষ রিনিও করালাগে। আমার হাত থেকে কাগজ গুলো নিয়ে বলে আপনি পারবেন না আমাকে মোট ৮০০০ দিলে আপনি আজকের মধ্যেই সব কাজ সেরে যেতে পারবেন। আমার পাসপোর্ট অফিসের অভিজ্ঞতা ভালোছিল না তাই সব কিছু বিবেচনা করে বাধ্য হয়ে দেই । কারণ পাসপোর্ট আমার জরুরি ছিল।
আমার বাড়ীর বিদ্যুৎ বিলের নামের বানানে একটা বানান সমস্যা ছিলো এজন্য ২০০০ টাকা দাবি করেছে।
আমি সমাজ সেবা অফিসে আমার প্রতিবন্ধী ভাতা কার্ড করার জন্য যাই, সেখানে এক মহিলা কর্মকর্তা আমার সব প্রয়োজনীয় ডকুমেন্টস নেন, আর একটা ফর্ম পুরন করেন। সব কাজ শেষে সেই মহিলা কর্মকর্তা আমারদের কাছে ৫০০টাকা দাবি করে সেই ফর্ম পুরন ও আনুষাঙ্গিক খরচের কথা বলে। ব্যাপারটা এমন ভাবে বলে যে এই টাকাটা দিতে আমি বাধ্য বা নিয়ম দিতেই হবে সবাই দেয়। আমাদের আসলে জানা ছিল না এপ্লাই করতে টাকা লাগে না। কার্ডের জন্য ১ বছর ৭ মাসে তারা ৮/১০ ঘুরাই অফিসে। তারপর রাগে আমি চিল্লাচিল্লি করে ৫০০ টাকা নেয়ার কথা বলতেই তার ভয় পায় আর আমায় আকুতি করতে শুরু করে। আর এক রাতের মধ্যে কার্ড বানায়া দেয়।( ঘটনা অনেক কথা আছে সব লেখা যাচ্ছে না)। প্রশ্ন এতো মাস ঘুরালো কেন_?
দূর্ঘটনার পর থানায় জিডি করতে গেলে টাকা দাবি করে
বিএস খতিয়ানে নাম ভুল উঠেছিল। এসি ল্যান্ডের কাছে গেলে জানালেন এটা এখানে হবেনা। নামের বিষয় আদালত থেকে সুরাহা করে আসতে হবে। উকিলের সাথে পরামর্শ করলে জানালো এটার রায় হতে ২ থেকে চার বছর সময় লাগবে। অথচ ১০/১৫ দিনের ভিতর কাজটা নাহলে আমার বিরাট সমস্যা হয়ে যায়। আবার এক দালালের মাধ্যমে এসিল্যান্ড অফিসে আসি। শেষে ২৫ হাজার টাকা দিলে এসিল্যান্ড কাজটি করে দেয়।
৪ টা নতুন পাসপোর্ট করেছি বিনিময়ে ২৫০০ টাকা করে মোট ১০০০০ টাকা দিতে হয়
ঘাগড়া উচ্চ বিদ্যালয়ে আমি এসএসসি সার্টিফিকেট তুলতে গিয়ে ৫০০ টাকা দিতে হয়েছে। ৫০০ টাকা চা নাস্তার জন্য রেখেছে বলে জানিয়েছে ওনারা।
মাদকদ্রব্য অফিসে একটি ক্লিনিক এর জন্য লাইসেন্স করতে গিয়েছিলাম সেখানে লাইসেন্স করার জন্য এক লক্ষ চল্লিশ হাজার টাকা দিতে হয়েছিল।
আমার বিড়াল অনেক অসুস্থ,ডাক্তার প্রেসক্রিপশন লিখে দিয়েছেন,৷ ০৩ টা ইঞ্জেকশন পুষ করতে হবে, একটা ইঞ্জেকশন পুশ করে দিয়ে,৫০০ টাকা দাবি করেন, অথচ এটি একটি সরকারি পশু-প্রাণী হাসপাতাল,টাংগাইল
আমি ডাক্তার দেখাতে গিয়েছিলাম আমার মাকে নিয়ে। যাওয়ার পরে টিকেট নিয়ে সিরিয়ালে দাঁড়ায়। সিরিয়াল আসলো মা কে একাই নিয়ে গেলি রোগীর সাথে কাউকে যেতে দিলো না। আমি বললাম সে মুরুব্বি, মানুষ তার মধ্যে লেখা পড়ারও জানে না। বিষয় টা আমাকে শুনতে তো হবে কি হয়েছে। দরজায় দাঁড়িয়ে থাকা এক স্টাফ বলো ভিতরে গ্যাঞ্জাম করা যাবে না তাই। ৩০। সেকেন্টে রুগী দেখা শেষ। মা কে বললাম কি বলল r তুমি কি বলেছ। মা বলে শুধু বলেছি আমার কোমরের ব্যথা অনেক দিন হলো এর মধ্যে প্রেস্কিপসন লিখে বিদায় করে দিছে। তখন আমি দরজায় থাকা স্টাফ কে বললাম কেমনে কি এত কষ্ট করে ভোরে চলে আসলাম, কি হলো কিছুই বুঝলাম না। সে বলল তাহলে ডিউটি শেষে এসো ৪০০ নিবে সব শুনবে এবং বুঝিয়ে বলবে। আমি অপেক্ষা করে তাই করলাম ডিউটি শেষে তার সাথে দেখা করলাম। টা
আমার ছোট ভাইয়ের পাসপোর্ট করতে গেলে ই-পাসপোর্ট এ ঠিকানা NID এর সাথে ১০০% মিল না হওয়ায় বাতিল করে দেয়। পরে দালাল সব ঠিক করে দিবে বলে দুই হাজার টাকা দাবি করে। কিন্তু পরে একি ঠিকানায় ২০০০ টাকা দেওয়ার পর । জমা নেয়।
সরকারি অফিসের কেনাকাটা, অধিকাল ভাতা, ভ্রমণ বিল, জ্বালানি তেল বিল ভাউচার সহ ইত্যাদি সরকারি দপ্তরের কাজের জন্য ৫%/৪% দেওয়া লাগে এজি অফিস / হিসাব রক্ষন অফিস রাজশাহী কে দেওয়া লাগে
আমি পাসপোর্ট আবেদন করার পরে সকল কাগজ নিয়ে জমা দিতে চাই।তারা নামের বানানে ভুল ধরে।আমাকে বলা হয় হেড অফিস বরাবর আবেদন করতে।তারা যদি অনুমোদন দেয় তবেই আমি ছবি উঠাতে পারবো।আমাকে বলা হয় সেটাতে অনেক সময় লাগবে।আমি বাইরে দিয়ে কম্পিউটার এর দোকানে গিয়ে বলতেই তারা বলে ১৫০০ টাকা লাগবে।বাকি সব করে দিবে।আমি ১৫০০ টাকা দিলাম আমার কাজ ১০ মিনিটের মধ্যে হয়ে গেল। আমি ঢাকায় থাকি একবার রাজশাহী গেলে অন্তত ৩০০০ টাকা খরচ হবে ভেবে কোন উপায় না পেয়ে ১৫০০ টাকা দিয়ে কাজ টা করিয়েছিলাম
১। ২০১৯ সালে পিজি হাসপাতালে আমার মা আই সি ও তে ভর্তি থাকা অবস্থায় মারা যান মৃত মায়ের লাশ ওয়ার্ড বয়রা টাকা না দিলে হস্তান্তর করে না বিদায় আমি টাকা দিতে বাধ্য হয়েছি। ২। হাসপাতালে রোগী দেখতে হলে ওয়ার্ড বয় এবং ডিউটিতে থাকা আনসার সদস্যদের টাকা না দিলে রোগীর সাথে সাক্ষাৎ করতে দেওয়া হয় না।
আমার ফোন হারিয়ে যাওয়ায় আমি একটি জিডি করি। তারপর ফোন পাওয়া গেলে, একটা নাম্বার থেকে কল দিয়ে টাকা চাওয়া হয়। থানায় ফোন আনতে গিয়ে দেখি, ফোন করা ব্যক্তি টি একজন পুলিশ ওই থানার। টাকা নেয়,তারপর ফোন হস্তান্তর করে।
এন আইডি ভুল সংশোধন করতে ৫০.০০০পঞাশ হাজার টাকা ঘুষ দিয়েছি ।
আমার সব কাগজ ঠিক থাকা সত্ত্বেও নয় ছয় বুঝিয়ে ঘুষ নিছে, তা মহিলা মানুষ,ঘুষ খোর দের চাকরি চ্যুত করা হোক
আমি পাসপোর্ট করেছি আমার লেপটপ দিয়ে, টাকা দিসি বিকাশের মাদ্দমে, তারপরও আরো বেস্তি টাকা দিতে হয়েছে নয়তো আমার পাসপোর্ট করতে দিবে না বল্লেন
পাসপোর্ট তৈরি করতে যাওয়ার পরে পাসপোর্ট এর কাগজপতির দ্রুত সাবমিট করার জন্য ১৫০০ টাকা দাবি করেন তারা বলেন এই টাকা পরিশোধ করলে আপনার দ্রুত কাগজ পাতি কমপ্লিট করা হবে। এরপর পুলিশ ভেরিফিকেশন এর জন্য পুলিশ মোটা অংকের কিছু টাকা দান করেন সেটা আমরা দিতে অনিচ্ছুক প্রকাশ করি তারপরও বাধ্য হয়ে 500 টাকা দিতে হয়। এরপরে সেখান থেকে পরবর্তী সব কিছু কমপ্লিট হওয়ার পরে রাজশাহী ফিঙ্গারপ্রিন্ট দিতে গিয়ে সেখানে ৫০০ টাকা দাবি করেন তাছাড়া ফিঙ্গারপ্রিন্ট করা সম্ভব নয় সেখানে সেই টাকা পরিশোধ করার পরে সবকিছু ওকে হলো