নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৭,৩২৩ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
আপনি যদি একটি মামলার সার্টিফাই কপি তুলতে যান এডভোকেটের দালালেরা দ্রুত করে দেওয়ার নামে আপনার কাছ থেকে ১০ হাজার টাকা চাইবে।
ভূমি নায়েব দাবী প্রতি পাইলে ১০,০০০/- টাকা
আমি একটি পাসপোর্ট করার জন্য কিশোরগঞ্জ আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিসে যাই তারপর আমাকে অনেকক্ষণ লাইনে দাঁড়াতে হয় লাইনে দাঁড়ানো অবস্থায় কিছু কিছু লোক এসে আমাকে অফার করে আপনাকে লাইনে দাঁড়াতে হবে না আপনি ৩০০০ টাকা দেন আপনার কাজ দশ মিনিটে হয়ে যাবে তখন আমি তাদের সাথে আলাপ করলাম আপনারা কিভাবে পারবেন আপনারা তো সাধারন মানুষ তখন তারা বলল যে ভিতরে আমাদের স্যার আছে স্যার সরাসরি টাকা নেয় না আমাদের মাধ্যমে কাজ করে
মায়ের মৃত্যুর পরে তার নামে থাকা একটি প্রাইভেট কারের মালিকানা পরিবর্তনের জন্য বিআরটিএ অফিস , মিরপুরে যাই। আমাকে বলা হয় ৩ নাম্বার কাউন্টারে যোগাযোগ করতে, প্রায় ২ ঘন্টা অপেক্ষা করেও কাউকে পাওয়া যায় না । কিছুক্ষণ পরপর একজন লোক এসে জানতে চায় কি কাজ? । তাকে বলার পরে সে জানায় নিজে নিজে করতে পারবেন না। কাগজপত্র নিয়ে আসেন, একদিনে করে দিবো। বিনিময়ে কত লাগবে বলার পরে সে জানায় ৪০,০০০ টাকা। আমি কিছু না বলে তার নাম্বার নিয়ে বাসায় চলে আসি।
নামজারি করতে গিয়েছিলাম, মামলায় জিতে মামলার রায়ের কপি নিয়ে জায়গা বড় দেখে নামজারি করতে টাকা চেয়েছে এক লাখ, নইলে আর একটি রায় লাগবে অথবা এক লাখ টাকা লাগবে, এক মামলায় জিতে আসতে আমার ১৪ বছর লেগেছে এখন আমি আর একটি রায় কোথায় পাবো, একখন আমার এক লাখ টাকা ঘুষ দিলে আমার কাজ হইবে আর ঘুষ দিতে না পারলে আমার কাজ হইবে না।
কিশোরগঞ্জ জেলার তাড়াইল উপজেলার একটি ইউনিয়নের ভুমি সহকারী কর্মকর্তার সাথে ঘটনা। আমি একটা বি আর এস রেকর্ড সংশোধন করতে আবেদন করি উপজেলা ভুমি অফিসে।এই আবেদন ইউনিয়ন ভুমি অফিসে আসে।সে রিপোর্ট দিতে চায় না,৭মাস হয়ে গেছে।আবেদনে যা ছিল"আমার একটা জমি সি এস রেকর্ড এ ৩২ শতাংশ এস এ রেকর্ড এ ৩২ শতক কিন্তু বি আর এস রেকর্ড এ ১৬ শতাংশ লিখা।বি আর এস রেকর্ড এর পর আমি ৩য় ক্রেতা।নক্সাতেও আছে ৩২ শতাংশ। এখন আমি ৩২ শতাংশ খারিজ করতে গেলে ১৬ শতাংশের খারিজ দিতে চায়।তাই রেকর্ড সংশোধন এর জন্য ৩২ শতাংশের আবেদন করি।আমি সি এস, এস এ,বি আর এস রেকর্ড জমা দেই।সাথে আমার দলিল, আগের দুইটা ভায়া দলিল এবং কলমি নক্সা জমা দেই।কিন্তু কিছুতেই নায়েব রিপোর্ট দেয় না।শেষে অফিস সহায়ক কে দিয়ে দেড় লাখ টাকা চায়।নাহলে রিপোর্ট দিবে না বলেছে।
যখন আমি নিজে আবেদন ও জমা দেওয়ার জন্য নোয়াখালী পাসপোর্ট অফিসে যাই, সবকিছু ঠিকঠাক থাকা সত্ত্বেও জমাটি গ্রহণ করা হয় না। পাসপোর্ট অফিসের বাইরে প্রধান সড়কে অনেক দোকান আছে। ঐ দোকানগুলোর ভেতরের কর্মকর্তাদের সাথে যোগাযোগ আছে। দোকানগুলোকে অতিরিক্ত দুই-তিন হাজার টাকা দিলে তারা ফাইলে কিছু একটা লিখে, শনাক্ত করে ফাইলটি পাসপোর্ট অফিসের ভেতরে জমা দিয়ে দেয়।
নারায়ণগঞ্জ ১৬ নং ওয়ার্ডে কিছুদিন আগে BDS জরিপ এর জন্য জায়গা মেপে নিয়ে যায়। পরবর্তীতে আমাদের ডেকে সকল দলিলাদির কপি সংগ্রহ করেন এবং পরবর্তীতে BDS খতিয়ান দেওয়ার নামে প্রতিটি খতিয়ানের বিপরীতে ২০,০০০/- টাকা দাবি করেন। যখন জানতে চাওয়া হয় কিসের জন্য টাকা দেওয়া লাগবে তখন তারা উত্তর দেন তারা মিষ্টি খাবেন।
আমরা মূলত আমাদের বাসার জমির খারিজ করার জন্য আবেদন করেছিলাম, তো আবেদন করার পর দেখি আমাদের যে দাগ নাম্বার এই দাগে অন্য আরেকজনের সাড়ে চার শতাংশ জমি খারিজ দেখাচ্ছে, তারপর আমাদেরকে একজন পরামর্শ দিল যার নামে আপনার জমিতে খারিজ দেখাচ্ছে তার বিরুদ্ধে খারিজ বাতিলের আবেদন করতে হবে এসি ল্যান্ড অফিসে, তারপর আমরা হারিস বাতিলের আবেদন করি, আবেদন করার পর উনারা বাদী-বিবাদী দুইজনকেই চিঠি প্রদান করে, পরবর্তীতে নির্দিষ্ট তারিখ অনুযায়ী আমরা বাদী বিবাদী উভয়ে হাজির হই, তখন ভূমি অফিসের কর্মকর্তা নাজির সাথে আরো ১-২ জন মিলে আমাদেরকে জানায় এই কাগজ লাগবে সেই কাগজ লাগবে, তারা আমাদেরকে বলে আপনারা কন্টাকে আসেন, সব মিলে ২০ হাজার টাকা লাগবে, তাহলে এই খারিজ বাতিল হবে, আমরা রাজি হই নাই, চলে এসেছি, এখন ভাবতেছি কি করা যায়
MRI Security Service job er jonno 600 tk gush cacche
আমার বাবা মারা গেছেন ২০১৫ সালে। সে পর্যন্ত ভূমির কর দেয়া ছিলো, এরপর কর দেয়া হয়নি। এখন অনলাইনে রেজিষ্ট্রেশন করতে যেয়ে জানতে পারি খতিয়ানের নামজারি করতে হবে আমরা যারা ওয়ারিশ আছি। অনলাইনে আবেদন করেছি, করার পরে বাউনিয়া ভূমি অফিস সংলগ্ন যেসব কম্পিউটার দোকান আছে সেখানেই মুলতঃ আবেদন করতে হয়, আর মেইন অফিসে গেলে কেউ কোন সদুত্তর দেয় না। তারা কম্পিউটার দোকান দেখিয়ে দেয়, যার কারণে ওদেরকে জিজ্ঞেস করি ওরা বলে এই কাজ আপনি এমনিতে করাতে পারবেন না, ঘুষ না দিলে কাজ ভুল করবে প্রতিবেদন ভুল করবে। এর জন্য ৫০০০০ টাকা দিতে হবে। আমি এখনো বুঝতে পারছি না কি করা উচিত। তারাও এইভাবেই কাজ করে।
ঘুস চায় নামজারি করতে
বন্দর এসি লেন্ড রুপালি খাজনা বাবদ। কম্পিউটার অপারেটিং ম্যান বয়স আনুমানিক ২৬ বা ২৭ গায়ের রং ফর্সা
আমি আমাদের জমি নামজারি করতে গেলে বলে সরকারি ভাবে করলে অনেক সময় লাগবে আবার নাও হতে পারে।অথচ সরকারি ফি মাত্র ১১৫০ টাকা।আর যদি কনটাকে করি তাড়াতাড়ি হয়ে যাবে।টাকা লাগবে ৬০,০০০।
সর্বপ্রথম আমি ওখানে পাসপোর্ট বানাতে চাই তখন একজন এসে বলে যে খুব দ্রুত পাসপোর্টটি আমরা করে দেবো । কিন্তু পাসপোর্ট বানাতে যে পরিমাণ টাকা লাগে তার থেকে দ্বিগুণ তারা টাকা চাচ্ছে । ঘটনাটি হচ্ছে ২০১৮ সালের
টিসিবির ডিলারশিপ নিতে বাধ্য করা হয় নতুবা ডিলারশিপ দিবেনা।আমি একজনের পক্ষ হয়ে রিপোর্ট করতে বাধ্য হলাম।আমি নিজে ওই প্রতিষ্ঠানে একসময় কর্মরত ছিলাম।
নামজারি মিসকেইসের মালালা করে সকল দলিলাদিসহ প্রমান সরূপ প্রদান করার পরও নামজারি বাতিল করে দিচ্ছেন না। বিবাদির নিকট হতে ঘুস নিয়ে জমির ন্যায্য হিস্যা অনুযায়ী বাদিদের ফরায়েজ করে দিচ্ছেন না।
২০১৮ সালে একটি নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি ছিল midwife সে পরীক্ষা ২০২১ সালে হয় এবং ২১ সালের নিয়োগ হয় সেখানে ১৮৪৭ জন নিয়োগের জায়গায় ১৪০্১ একজন নিয়োগ হয় সরাসরি সেখানে শুধু পরীক্ষা হয় কোনটাই হয় না করোনা মহামারী কারণে তখন মোটামুটি ২২৪৬ জন সেখানে তারা পিলি পরীক্ষা উত্তীর্ণ হয়, সেখানে ১৮৪৭ জন নিয়োগ হবে হবে মোটামুটি সবাই শিওর ছিল তাদের সরকার চাকরিটা হয়ে যাবে কিন্তু দুর্নীতি কারণে ঘুষ লেনদেনের কারণে , তারা জরুরী ভিত্তিতে বিপিএস ৫ পেপার সহ সকল সার্টিফিকেট এবং জরির কাগজপত্র সনদ ফার্স্ট ক্লাস অফিস জমা দিতে বলেন তখন করোনা কারণে কোন গাড়ি-ঘোড়া চলতেছিল না সবাই প্রাইভেটকার সিএনজির হিসাব নিয়ে ঢাকায় এসে কাগজপত্র জমা দেয় কিন্তু তারা কাগজপত্র জমা দেওয়ার তিন দিনে মাথায় ফাইনাল শিট রেজাল্ট দিয়ে
কাজটি সম্পন্ন করার জন্য 5000/- বেশি চেয়েছেন.
In 2023 from USAID I've a package in USD 3000,000(Three million) and after reaching out Dhaka airport customs delivery department someone named Murad informed me and; he advised me to send him TK 55000 to his bkash number but I requested him that I'll pay him TK 100,000 please wait for only one week but he refunded to USAID bd office.