নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৭,৩২৬ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
নাম জারির করার জন্য কাগজ দিয়েছি ১৯ শতাংশ জমির জন্য। দাবিকৃত ঘুষ ১৫০০০৳।এখন পযন্ত তার কাছে কাগজ পরে আছে টাকা না দিলে কাগজ দিবে না।
শ্রম আইন এর বিভিন্ন কারণ দেখিয়ে ঢাকা জেলা কর্যালয় এর ডি আই জি তার ইন্সপেক্টর কে দিয়ে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান কে মামলা দেয়ার হুমকি দেয়। টাকা দিলে আর মামলা দেয় না। এছাড়া ব্যক্তিগত সুবিধা ও শ্রম সচিব এর কথা বলে বড় কোম্পানিগুলোর কাছে টাকা চায়। না দিলে খুবই ঝামেলা করে। তাদেরকে মামলার ভয় দেখায়। সিন্ডিকেট করে এসব করে, কারো কাছে বললেও কাজ হয় না। কয়েকদিন ধরে একটা পত্রিকার বিজ্ঞাপন দেয়ার জন্য চাপ দিচ্ছে, বিজ্ঞাপন দিতে গেলে তার কাছেই টাকা দিতে হবে।
নামজারি করছে না, এক ভূমিদস্যুর কাছ থেকে ঘুষ খেয়ে আমাদের বৈধ নামজারি আটকে দিচেছ আর ওই দুবৃত্তের অবৈধ নামজারি করে দিচ্ছে এক কানুনগো ।
আমার এলাকায় ভূমি জরিপের কাজ মানে বিডিএস জরিপের কাজ চলমান আমার কাগজপত্র সবকিছু ঠিক থাকা সত্ত্বেও তারা আমার কাছে অর্থ দাবি করা তো আমি এখন ওটা ভেবে রাখছি টাকা পয়সা দেই নাই দেখি কি হয়।
বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ ঘোষবাণিজ্য ঘটে থাকে গণপূর্ত অধিদপ্তরে এখানে টেন্ডার থেকে শুরু করে সব ধরনের চাকরি ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান এবং সকল ধরনের অফিসার লেভেল থেকে শুরু করে একজন সরকারি পিয়ন পর্যন্ত ঘুষের লেনদেন করে থাকে। টাকা ছাড়া এখানে কোনভাবেই কোন কাজ করা যায় না আমার বাস্তব অভিজ্ঞতা থেকে পাঁচ বছর চাকরি করছিলাম সেখান থেকে মূলত এগুলো আমার জানা এবং এত অনিয়ম দেখে আমি আমার মাস্টার রোলের চাকরি ছেড়ে দিয়েছি লাস্ট দুই মাস আগে এখানে বেতন নিলেও দিতে হয় খরচ
To obtain my new driving license, I have been asked to pay this amount.
সঠিকভাবে কাজ করে যখন নাজ্য অধিকার পাচ্ছিলাম না। তখন আমার কাছে ঘুষ দাবি করে। সাড়ে ৫ হাজার টাকা দিলে পাস করিয়ে দেব। পরীক্ষা দেওয়া লাগবে না।
দালালের মাধ্যমে টাকা চাওয়া হয়েছে।
চাপান খাওয়ার জন্য চেয়ে নিয়েছে
ওয়ারিশ দিয়ে জমি খারিজ এর জন্য ২৫০০০ টাকা চেয়েছে এবং খাজনা দিতে ২৩০০০ টাকা বাড়তি নিয়েছে যা সরকারের খাতায় জমা হয়নি।
কাজনা কারিজ করতে গিয়েছিম ৫ বিঘা জমির জন্য। ঘুষ চেয়েছলো ৫০,০০০ টাকা।
টিন দাখিল করা হয়নি চার বছর উনাকে 5000টাকা দিলে সব ঠিক করে দিবে
আমার ক্রয় কৃত মোট জমি সাড়ে তিন শতক,ভূমি উন্নয়ন কর অনলাইনে পরিশোধ করতে গিয়ে দেখি আমার নামের ৩০ শতক উঠিয়ে রাখছে, মোট টাকার পরিমান চার হাজার টাকার উপরে দাবী করে কিন্তু আমার তো এত জমি নাই,আমার সর্বোচ্চ ভূমি উন্নয়ন কর ১০০ থেকে দেড়শ বা ২০০ টাকার মধ্যে হবে কিন্তু ওনারা দাবি করছে 4000 উপরে।
প্রতিটা দলিল লেখনী বাবদ বি এন সি নেতাদের 5000 টাকা করে বেশী দিতে হয়
আমি অফিসে গেলে আমাকে বলাহয় লাইসেন্স বানাতে হলে প্রথমে কম্পিউটার দোকান থেকে অনলাইনে আবেদন করবেন।তারপর নিছে সিডির কাছে একজন লোক টেবিল নিয়ে বসে আছেন। উনাকে সাথে যোগাযোগ করেন।আমি নিছে উনার কাছে যাই উনি ১৬০০০ টাকা দাবি করেন।টাকা দেই নাই কিন্তু ঘুষ ছাডা লাইসেন্স কিভাবে পাব?
আমাদের কেরানীগঞ্জে গত কয়েক মাস ধরে বি.এস পর্চার কাজ চলতেছে। আমাদের ১২শতাংশ জায়গায় সব কাগজপত্র নিয়ে যেতে বলে আমরা সব কাগজপত্র দিয়ে আসার পর আমাদের একটি মোবাইল নাম্বার দেওয়া হয় এবং মাসখানেক পর যোগাযোগ করতে বলা হয়। কয়েকবার ফোন দেওয়ার পর তাদের অফিসে যেতে বলে অফিসে যাওয়ার পর বলা হয় আমাদের জায়গায় কিছু অংশ খাস দাগে পরছে। অথচ বায়া দলিল, নামজারি, খাজনা সবকিছু ঠিকঠাক আছে। তারা সব ঠিক করে দিবে এই মর্মে ৩,৫০,০০০ টাকা দাবি করে।
দলিল লেখার জন্য টাকা চেয়েছিলো।।। সাবরেজিস্টার ২০০০০/ দলিল লেখক ২৫০০০/=
আমি প্রথমে কম্পিউটারের দোকান থেকে প্রয়োজনীয় ফর্মটি পূরণ করি। ফর্মের কাজ সম্পন্ন করার পর মঙ্গলবার সেটি সংশ্লিষ্ট ভূমি অফিসে জমা দিতে যাই। সেখানে আমাকে বলা হয়, রবিবার এসে যোগাযোগ করতে। রবিবার অফিসে গিয়ে দেখি, সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা ছুটিতে আছেন। এরপর মঙ্গলবার আবার অফিসে যাই। তখন আমার কাজটি করার সময় আমাকে বলা হয়, এই সমস্যাটি এখন সমাধান করা সম্ভব নয়, তাই পরের দিন আবার আসতে হবে। আমি পরদিন বুধবার আবার অফিসে যাই। গিয়ে দেখি, আমার কাজটি এখনও করা হয়নি। তখন অফিসের আরেকজনের কাছ থেকে জানতে পারি, সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাকে ৫০০ টাকা ঘুষ দিলে আমার কাজটি হয়ে যাবে। এরপর আমাকে আরও বলা হয়, কাজটি শেষ পর্যন্ত মূল অফিসে জমা দিতে হবে এবং সেখানে ২,০০০ থেকে ৩,০০০ টাকা পর্যন্ত ঘুষ দিতে হবে। পরবর্তীতে আমি সেই মূল অফিসে যাই।
Evaluation করে প্রতিটি Package এর অনূকূলে ২% টাকা ঘুস নিচ্ছে। তার পিডি মহোদয় ২% নিচ্ছে
Fire Service and Civil Defence, Cumilla/ warehouse inspectors demand from BDT300,000 to BDT200,000 for approval of Fire Safety Plan for new factory building.