Registration Driving licence
Varitiies Broker ar maddhoim a tk received
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৮,৫৩১ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
Varitiies Broker ar maddhoim a tk received
ভূমি অফিসে নায়েব এই টাকা চাইছে। কিন্তু জমি আমরা ৪০ বছর দখলে।
নিজের নামে দলিল নামজারি করার জন্য ইউনিয়ন ভূমি অফিসে কর্মচারির কাছে গিয়ে সহয়তা চাইলে তিনি বলেন হবে তার জন্য এ করতে হবে ও করতে হবে দলীল প্রতি ৫ হাজার আবার অনেক দিনের পুরাতন কাগজ তুলা লাগবে আবেদন খরচ আছে ইত্যাদি বুঝিয়ে টাকা দাবি করে ২৫০০০ টাকা
দলিলের ভুল ধরে নামজারি হবে না জানিয়ে দেয়, পরে ফোন দিয়ে ৫০,০০০/- টাকা হলে কাজ করে দিবে জানায়।
যুব উন্নয়ন ঝিনাইদহ, পরিচালক কোন অনুষ্ঠানে যোগ দিতে হলে তাকে অনারিয়াম হিসবে ৭-৮ হাজার দেওয়া লাগে যদি কোর্স হয় ওই কোর্স থেকে এই অনারিয়াম কাটা যায় জীবন আবাসিক প্রকল্প যেগুলো আছে ওখান থেকে যদি কাটা যায় ৭০০০ তাহলে খাওয়া দাওয়া থেকে দেখা যায় , তার অনুষ্ঠানে বা কোন কাজে উপস্থিত হলে তাকে সাত থেকে আট হাজার টাকা দেওয়া লাগে খালি হিসাব করুন কত টাকা নেয়
পেনশনে যাওয়ার প্রাথমিক কাগজ জমা দেওয়ার সময় ফাইল পাঠানো নিয়ে।৫০০০০ হাজার টাকা না দিলে।ফাইল ছারবেনা।একজন শিক্ষিকা ৩৯ বছর চাকুরী শেষে ফাইল জমাদিতে গিয়ে।কলমাকান্দা ট্রেজারী অফিস।যে অফিসার টাকা ছেয়েছে তার বাড়ি দুর্গাপুর,নেত্রকোনা।
বণ্টনামা দলিল আছে, পারিবারিক জমি খারিজ করার জন্য দেওয়া হয়েছে, তাতে ২৫ হাজার টাকা অতিরিক্ত দাবি করা হয়েছে,সরকারি খরচের বাহিরে ২৫ হাজার টাকা দিতে হবে।
3x-4x bill than regular due to government cable connection mess up. We reported that in the department office and they demanded 6.5k BDT for their own created problem. Also, one of my friends whos family wasn't that well educated, was manipulated by them for 700bdt about the new 220 digit meter input number recently added to update the meters.
আইটেম বেশি, টাকা না দিলে পরীক্ষন রিপোর্টে সাক্ষর করবেন না।
আমার জমির রেজিস্ট্রার দলিল থাকার পরেও আমার নামজারি আমার অজ্ঞাতে পুর্বের মালিকের (যার কাছে থেকে কিনেছি) সন্তানের নামে নামজারি করে। নামজারি বাতিল করে আমার নামে রেজিস্ট্রি দলিল থাকা সাপেক্ষে নামজারির আবেদন করলে এসিল্যান্ড অফিস ১০০০০০০ টাকা ঘুষ দাবি করে।
আসসালামু আলাইকুম স্যার আমি বিদ্যুৎ গ্রাহক আবু জাকের বলছি। এলাকা কৃষ্ণরামপুর নোয়াখালী। আমার মিটারে গত কয়েক মাস যাবৎ বিদ্যুৎ বিল বেশি আসছে তাই অভিযোগ করলে বলে আপনার কিলোওয়াট বেশি কমাতে হবে।পরে ৩৫০ টাকা অফিস ফি পরিশোধ করি ও আবেদন করি ৩কিলোওয়াট কে ২ কিলোওয়াট করার জন্য। কিন্তু দুঃখের বিষয় হলো রেজিস্ট্রারে ৪১৭ নম্বর সিরিয়াল আমার কিন্তু ২/৩ দিন পরে সাইন হয়েছে কিনা খবর নিতে গেলে দেখি আমারটা পড়ে আছে পরে ৮/৯টা সাইন ও অনুমোদন হয়েছে।যে লোকটি আমাকে দেখালো খাতা সে আমাকে বল্লো ২০০/৩০] টাকা চা নাস্তার খরচ দিলে সাইন করে রাখবে।কিন্তু কথা হলো আমি সব রেডি করে দিছি এখন তাকে কেন খরচ দিতে হবে?? আমার পরের গুলো আগে কেন সাইন হলো??
ভূমি দস্যুরা দলিল সৃজন করে জমি খারিজ করে, তাদের সেই দলিল এর বিরুদ্ধে মামলা ও চলমান তবুও জোর দখল এর চেষ্টা করে যাচ্ছে। প্রকমত মালিক এর মারা যাওয়ার পর ওয়ারিশরা ও খারিজ করতে গেলে এ দাবি করে।যেহেতু মাঝে কিছু ভূমি দস্যু আছে, সে সুযোগে।
ঢাকার আগারগাঁও অবস্থিত জাতীয় দক্ষতা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ বিভিন্ন বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে থেকে ঘুষ গ্রহণ করে তাদের মনোনীত নিজস্ব অ্যাসেসর ধারা এসেসমেন্ট পরিচালনা করে এবং ১০০% Competent দিয়ে আসে।তাদের মনোনীত অ্যাসেসগণ সপ্তাহে দুটি অ্যাসেসমেন্ট পরিচালনা করে থাকে এবং অন্যান্য অ্যাসেসর 2থেকে তিন মাসও একটাই অ্যাসেসমেন্ট পায় না।এর কারণের দক্ষ জনশক্তি তৈরিতে বাধা সৃষ্টি হচ্ছে।
আমি একটি নামজারী খতিয়ান করতে অনলাইন আবেদনের পর তহসিলদার রিপোর্ট এর জন্য যাই। তহসিলদার আমার দলিলে ভুল আছে বলিয়া ২০ হাজার টাকা ঘুষ চায়।
আমি জানি খাজনা দাখিলা অনলাইনে ফ্রিতে করানো হয় সে অনলাইনে সেট করার বাবদ আমার কাছ থেকে ৩০০ টাকা দাবি করে আমি পরে করব বলে আমি চলে আসছি।
আগারগাঁও অবস্থিত বাংলাদেশ জাতীয় দক্ষতা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ হিসেবে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা বিভিন্ন ট্রেনিং সেন্টার থেকে ঘুষ নিয়ে তাদের মনোনীত অ্যাসেসর ধারা ধারাই অ্যাসেসমেন্ট কার্যক্রম পরিচালনা করে এবং ১০০% কম্পিডেন্ট করে দিয়ে আসে। তাদের নিজস্ব নিয়োজিত অ্যাসেসর ছাড়া বাহিরের যারা অ্যাসেসর রয়েছেন তারা কোন অ্যাসেসমেন্ট পায় না।তাদের পরিচিত অ্যাসেসর সপ্তাহের দুটি অ্যাসেসমেন্টও পরিচালনা করে যার কারণে দক্ষ জনশক্তি তৈরিতে প্রধান বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে।
ঢাকা জেলার সাভার থানার আমিন বাজার ল্যান্ড ফিল্ডের জন্য আমাদের জমি সরকার অধিকরন করে। অধিকরন ভূমির মোট বিল আসে ৮৯,১৮,০৩২ টাকা। দীর্ঘ ১ বছর ফাইলটি আটকে থাকে নগদ ১০% টাকা কমিশন না দেওয়ার ফলে। পরবর্তীতে, কানুনকোকে জেলা প্রশাসক সকল পেন্ডিং বিলগুলো ছড়ানোর বন্দবস্ত করার জন্য তাগাদা দেন। একটা পর্যায়ে তারা আমাদের সাথে সিদ্ধান্ত নেন যে, বিলের মোট এমাউন্টের উপর ৮% কমিশনে তাদেরকে পার্সোনাল একটা ব্যাংক চেক দিতে হবে যা ৬,২৪,০০০ টাকা। বিলের সম্পূর্ন টাকা পাওয়ার পর। তাদের খুশি করার জন্য ৫০,০০০ হাজার টাকা নগদ দিতে সম্মতি হই এবং চেকটি ফেরত চাওয়া হয়। কিন্তু তারা অসম্মতি জানায়। পরবর্তীতে ১ লক্ষ টাকা পর্যন্ত তাদের অফার করা হয়। কিন্তু তারা তৃতীয় পার্টির মাধ্যমে চেকের মামলা দিয়ে দেয়। এখনও তা চালিয়ে যাচ্ছি
নামজারি সংক্রান্ত ১০হাজার এবং ভূমি উন্নয়ন কর অতিরিক্ত চাওয়া হয়। ও খতিয়ান উত্তোলন সংক্রান্ত চর আলগী ইউনিয়ন ভূমি অফিসে ৩০০ /৫০০ শ টাকা করে চাওয়া হয় কি ইউনিয়ন ও চর কলাকোপা ইউনিয়ন ভূমি অফিসে চরম ভোগান্তি ও নামজারীতে ১৫/২০ হাজার টাকা নেওয়া হয়। ঠিকমতো অফিসে আসে না এবং পাবলিক সার্ভিস দেওয়ার ক্ষেত্রে অত্যন্ত উৎশৃংখল আচরণ করা অফিসের পিয়ন এবং কর্মকর্তারা।
কোন কারণ ছাড়া ঘুস ও অন্য অন্য দাবি।
বরিশালের গৌরনদীতে পেনশনের টাকা তুলতে দিতে হবে ঘুষ, যদি ঘুষ না দেওয়া হয় তাহলে কাজ ধরা হবে না, টাকা কম দেওয়া হবে এবং বিভিন্ন ধরনের ভয় দেখানো হয়ে থাকে। এ রকম প্রতিটি কাজের জন্য যদি ঘুষ দিয়ে কাজ করতে হয় কোন দেশে বসবাস করতেছি জানি না,এতো বছর কষ্ট করে একজন শিক্ষক -শিক্ষিকা যদি নিজের টাকার জন্য ভোগান্তিতে পড়তে হয়, আর এই ঘুষের সাথে প্রতিষ্ঠানের ছোট বড় সকল কর্মকর্তা এই জড়িত,আল্লাহ জানে কবে এইসব দুনীতি বন্ধ হবে। যে কোনো কাজ করতে গেলে কম বেশি যদি ঘুষ প্রদান করা লাগে।