ভুমি নাম জারির কাগজ।
নাম জারির করার জন্য কাগজ দিয়েছি ১৯ শতাংশ জমির জন্য। দাবিকৃত ঘুষ ১৫০০০৳।এখন পযন্ত তার কাছে কাগজ পরে আছে টাকা না দিলে কাগজ দিবে না।
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৮,৫৩১ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
নাম জারির করার জন্য কাগজ দিয়েছি ১৯ শতাংশ জমির জন্য। দাবিকৃত ঘুষ ১৫০০০৳।এখন পযন্ত তার কাছে কাগজ পরে আছে টাকা না দিলে কাগজ দিবে না।
সেবাটি এক উকিলের মাধ্যমে হয়েছে। টাকা না দেওয়ায় আমাকে খতিয়ান হস্তান্তর করেনি
আমি বিদ্যুতের মিটার আনার জন্য, বিদ্যুৎ অফিসে গিয়ে কাগজপত্র গ্রহণ করি। কাগজপত্র পূরণ করে জমা দিলে ডিপিডিসি প্রকৌশলী আমাকে জানায় আমার বাড়ির উপরে সৌরভ প্যানেল লাগাতে হবে যা লাগাতে আমার অনেক খরচ লাগবে,আমি অপারগ জানালে উনি বলে 85 হাজার টাকা দিলে কিছুই লাগাতে হবে না উনি সব করে দিবে, এখন আমি কি করবো ঠিকানা :টিটিপাড়া আন্ডার পাশের সাথে বিদ্যুৎ অফিস
শ্রম আইন এর বিভিন্ন কারণ দেখিয়ে ঢাকা জেলা কর্যালয় এর ডি আই জি তার ইন্সপেক্টর কে দিয়ে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান কে মামলা দেয়ার হুমকি দেয়। টাকা দিলে আর মামলা দেয় না। এছাড়া ব্যক্তিগত সুবিধা ও শ্রম সচিব এর কথা বলে বড় কোম্পানিগুলোর কাছে টাকা চায়। না দিলে খুবই ঝামেলা করে। তাদেরকে মামলার ভয় দেখায়। সিন্ডিকেট করে এসব করে, কারো কাছে বললেও কাজ হয় না। কয়েকদিন ধরে একটা পত্রিকার বিজ্ঞাপন দেয়ার জন্য চাপ দিচ্ছে, বিজ্ঞাপন দিতে গেলে তার কাছেই টাকা দিতে হবে।
বেলকুচি উপজেলা শিক্ষা অফিসের আওতাধীন যাদের 2023 সালে প্রাথমিক শিক্ষক হিসেবে নিয়োগ হয়েছে তাদের বলে চাকরি স্থায়ীকরণ করতে পুলিশ ভেরিফিকেশন ফরম লাগবে সেই ব্যক্তিদের সবাইকে অর্থাৎ ১৩০ জন এর মত শিক্ষক অফিসে ডেকে প্রত্যেকের কাছ থেকে তিন হাজার টাকা দাবি করছে টাকা না দিলে চাকরি স্থায়ীকরণ হবে না
সঠিকভাবে কাজ করে যখন নাজ্য অধিকার পাচ্ছিলাম না। তখন আমার কাছে ঘুষ দাবি করে। সাড়ে ৫ হাজার টাকা দিলে পাস করিয়ে দেব। পরীক্ষা দেওয়া লাগবে না।
বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ ঘোষবাণিজ্য ঘটে থাকে গণপূর্ত অধিদপ্তরে এখানে টেন্ডার থেকে শুরু করে সব ধরনের চাকরি ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান এবং সকল ধরনের অফিসার লেভেল থেকে শুরু করে একজন সরকারি পিয়ন পর্যন্ত ঘুষের লেনদেন করে থাকে। টাকা ছাড়া এখানে কোনভাবেই কোন কাজ করা যায় না আমার বাস্তব অভিজ্ঞতা থেকে পাঁচ বছর চাকরি করছিলাম সেখান থেকে মূলত এগুলো আমার জানা এবং এত অনিয়ম দেখে আমি আমার মাস্টার রোলের চাকরি ছেড়ে দিয়েছি লাস্ট দুই মাস আগে এখানে বেতন নিলেও দিতে হয় খরচ
নামজারি করছে না, এক ভূমিদস্যুর কাছ থেকে ঘুষ খেয়ে আমাদের বৈধ নামজারি আটকে দিচেছ আর ওই দুবৃত্তের অবৈধ নামজারি করে দিচ্ছে এক কানুনগো ।
আমার এলাকায় ভূমি জরিপের কাজ মানে বিডিএস জরিপের কাজ চলমান আমার কাগজপত্র সবকিছু ঠিক থাকা সত্ত্বেও তারা আমার কাছে অর্থ দাবি করা তো আমি এখন ওটা ভেবে রাখছি টাকা পয়সা দেই নাই দেখি কি হয়।
To obtain my new driving license, I have been asked to pay this amount.
আমার ক্রয় কৃত মোট জমি সাড়ে তিন শতক,ভূমি উন্নয়ন কর অনলাইনে পরিশোধ করতে গিয়ে দেখি আমার নামের ৩০ শতক উঠিয়ে রাখছে, মোট টাকার পরিমান চার হাজার টাকার উপরে দাবী করে কিন্তু আমার তো এত জমি নাই,আমার সর্বোচ্চ ভূমি উন্নয়ন কর ১০০ থেকে দেড়শ বা ২০০ টাকার মধ্যে হবে কিন্তু ওনারা দাবি করছে 4000 উপরে।
কাজনা কারিজ করতে গিয়েছিম ৫ বিঘা জমির জন্য। ঘুষ চেয়েছলো ৫০,০০০ টাকা।
চাপান খাওয়ার জন্য চেয়ে নিয়েছে
টিন দাখিল করা হয়নি চার বছর উনাকে 5000টাকা দিলে সব ঠিক করে দিবে
ওয়ারিশ দিয়ে জমি খারিজ এর জন্য ২৫০০০ টাকা চেয়েছে এবং খাজনা দিতে ২৩০০০ টাকা বাড়তি নিয়েছে যা সরকারের খাতায় জমা হয়নি।
দালালের মাধ্যমে টাকা চাওয়া হয়েছে।
আমাদের কেরানীগঞ্জে গত কয়েক মাস ধরে বি.এস পর্চার কাজ চলতেছে। আমাদের ১২শতাংশ জায়গায় সব কাগজপত্র নিয়ে যেতে বলে আমরা সব কাগজপত্র দিয়ে আসার পর আমাদের একটি মোবাইল নাম্বার দেওয়া হয় এবং মাসখানেক পর যোগাযোগ করতে বলা হয়। কয়েকবার ফোন দেওয়ার পর তাদের অফিসে যেতে বলে অফিসে যাওয়ার পর বলা হয় আমাদের জায়গায় কিছু অংশ খাস দাগে পরছে। অথচ বায়া দলিল, নামজারি, খাজনা সবকিছু ঠিকঠাক আছে। তারা সব ঠিক করে দিবে এই মর্মে ৩,৫০,০০০ টাকা দাবি করে।
দলিল লেখার জন্য টাকা চেয়েছিলো।।। সাবরেজিস্টার ২০০০০/ দলিল লেখক ২৫০০০/=
প্রতিটা দলিল লেখনী বাবদ বি এন সি নেতাদের 5000 টাকা করে বেশী দিতে হয়
আমি অফিসে গেলে আমাকে বলাহয় লাইসেন্স বানাতে হলে প্রথমে কম্পিউটার দোকান থেকে অনলাইনে আবেদন করবেন।তারপর নিছে সিডির কাছে একজন লোক টেবিল নিয়ে বসে আছেন। উনাকে সাথে যোগাযোগ করেন।আমি নিছে উনার কাছে যাই উনি ১৬০০০ টাকা দাবি করেন।টাকা দেই নাই কিন্তু ঘুষ ছাডা লাইসেন্স কিভাবে পাব?