এলে শাখা জমি অধিগ্রহণের টাকা উত্তোলনের সময়
জমি অধিগ্রহণ সংক্রান্ত টাকা উত্তোলনের ক্ষেত্রে ১০০০০০ (এক লক্ষ) টাকায় ৬০০০ টাকা দিতে হবে না দিলে কোন যে পাশ হয় না
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৭,৭৪৩ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
জমি অধিগ্রহণ সংক্রান্ত টাকা উত্তোলনের ক্ষেত্রে ১০০০০০ (এক লক্ষ) টাকায় ৬০০০ টাকা দিতে হবে না দিলে কোন যে পাশ হয় না
নামজারি, দেরি হবে, ঝামেলা আছে। কিছু খরচাপাতি করলে দেখতে পারি করা যায় কিনা
আমার একটা জমির নামজারি করতে গেলাম,আর উনারা আমার কাছে ১০০০০ টাকা দাবি করছে
একজনের কাছে ১৬ লক্ষ টাকা পাওনা ছিল।বহু দরবার করেও টাকা না পেয়ে মামলা করি।৪ বছর মামলা চালিয়ে সর্বশেষ টাকা দেয়ার আদেশ দিল আদালত।তা না দিয়ে জেলার বিএনপি চেয়ারম্যানে নিকট যায়।উনি ডেকে একপ্রকার হুমকি দিয়ে মামলা তুলতে নির্দেশ দেয়।আমাকে মাত্র ৩ লাখ দিবে বাকী ওরা ৫ লাখ নিবে।৮ লাখে সব শেষ। ওদের ৮ লাখ মাপ।
ভূমি উন্নয়ন ফি অনলাইনে প্রদানের রিকোয়েস্ট পাঠিয়েছিলাম প্রথমে তারা খুব অল্প বয়সে টাকা দেখিয়ে কোন উন্নয়নশ নির্ধারণ করে কিন্তু অনুমতি দেয় বেশ কিছুদিন পরে দেখা যোগাযোগ না করার কারণে খতিয়ানে করোনিক অনেক ভুল বলে বাতিল করে দেয়। কিন্তু যেয়ে দেখা করলে কিছু অর্থ প্রদান সাপেক্ষে অনুমতি দেয়।
আমার ছোট ভাই ২০২৪ সালে এসএসসি পাশ করে একটি কিন্টারগাডের্ন স্কুুল থেকে , সেখানে সার্টিফিকেট উত্তলনের জন্য গেলে প্রতিষ্ঠান কৃপক্ষ ৩০০০ টাকা দাবি করে তাছাড়া সাটিফিকেট দিচ্ছেনা । কিন্তু সার্টিফিকেট তো সরকার থেকে ফ্রি দেওয়ার কথা । প্রত্যাগ স্টুডেন্টকেই ৩ হাজার টাকা দিয়ে নিতে হয়েছে আমার ভাই এর টা এখনো তুলতে পারিনি অতিরুক্ত টাকার জন্য ।
পুরান ঢাকার ঢাকা মেডিকেলে, আই সি ইউ সেবা নাম করে, প্রতিমাসে তিন কোটি টাকারও বেশি, বাগবাটোরা হচ্ছে, এইসব কিছু নিয়ন্ত্রণ করছে, ওয়ার্ড মাস্টার, ও ওয়ার্ড বয় থেকে শুরু করে, ঢাকা মেডিকেলের আশেপাশে, বিভিন্ন ডায়গনিক সেন্টার ও ছোটখাটো ক্লিনিক গুলো, এই ব্যবসার সাথে জড়িত, এখানে সবাই পার্সেন্টেজ পায়,
আমি তিনটা পাসপোর্ট নবায়ন করতে দেবো আমার কাছে থেকে ২৪ হাজার টাকা চেয়েছে দালাল। অফিস কাজ করে না সেজন্য দালালকে ধরা।
এন আইডি কার্ড এর নিজ নাম ও পিতার নাম আংশিক ভুল সংশোধনের জন্য আমি একাধিক বার পর্যাপ্ত ডকুমেন্টস যেমন: শিক্ষাগত যোগ্যতার প্রত্যায়ন, জন্ম নিবন্ধন, পাসপোর্ট, ভিসা কপি, ড্রাইভিং লাইসেন্স, নাগরিক সনদ, চেয়ারম্যান এর প্রত্যায়ন পৌর কর, সহ আরো অনেক সঠিক ডকুমেন্টস নিয়ে ও আজ অনেক দিন যাবৎ ভোলা জেলা নির্বাচন কমিশন অফিসে ঘুরতেছি, আমার সংশোধন আবেদন টা এপ্রুভ করতেছে না, তৃতীয় ব্যক্তি মাধ্যমে ৩০০০০ টাকার প্রস্তাব দিয়েছেন, তাহলে সাথে সাথে এপ্রুভ করে দিবেন, আমি এখন কি করবো ভাবতেছি, এদিকে আমার পাসপোর্টের মেয়াদ শেষ পর্যায়ে, আমি এন আইডি সংশোধন করে পাসপোর্ট রিনিউ না করতে পারলে আমার রানিং ভিসা ক্যানসেল হয়ে যাবে।
নামজারি করতে গেলে বেহুদা সমস্যার কথা বলে। আর ডি এ কর্তৃক বরাদ্দ প্লটের আগের নামজারিতে সমস্যা আছে বলে জানায়। সমাধান জানতে চাইলে বলে ৫০,০০০ টাকা দিলে কাজ হয়ে যাবে।
দিয়ারা জোনাল সেটেলমেন্ট অফিস বরিশালে অনলাইন ভিএস পর্চায় নামের বানান ঠিক করতে গেলে ১৫০০০ টাকা ঘুস চায়.
শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এ চাকরি দেওয়ার কথা বলে টাকা নেয় প্রধান শিক্ষক
আমি এবার এসএসসি পরিক্ষা উত্তীর্ণ হয়েছি।কলেজে ভর্তির জন্য প্রশংসা পত্র ও মাধ্যমিক পাশের সার্টিফিকেট প্রয়োজন যা স্কুল থেকে নিতে হয় কিন্তু কর্তিপক্ষ ৫০০ টাকা দাবি করেছে। স্কুলের নাম সরিষাকোল উচ্চ বিদ্যালয় (EIIN128288)। তছারাও পরিক্ষার প্রবেশপত্র দিতে ৫০০ টাকা এবং প্র্যাকটিক্যাল খাতা স্বাক্ষর করতে ১২০০ টাকা নেয়। এমন অনিয়ম যাতে আমার কনো ছোটো ভাই বোনদের পরিবারকে সহ্য করে না হয়।
আমার মাটি একটি দাগ ছিল পরে দেখি ২ টি দাগ আমি বললাম আমার মাটি ১ টি দাগ rs খতিয়ানে করা আছে আপনি একটি দাগ করে দেন উনারা বলছে টাকা লাগবে আমি বললাম এইটা আপনাদের ভুল টাকা কেন দিব উনারা বললো তাহলে ২দাগে নিতে হবে এমন কি আমারা দাগ হাত ছাড়ার উপাই
আমাদের ৮ শতাংশ জমি দুই ভাইয়ের নামে আছে, তো সেটা নামজারি করে আলাদা দলিল করতে গিয়েছিলাম, প্রথমে বলল যে এখন এই সেবা বন্ধ আছে, তার কিছুক্ষণ পরেই পিয়ন সাহেব বলতেছে ঠিক করা যাবে, কিন্তু স্যারদের কিছু চা পানির ব্যবস্থা করতে হবে, আমি পরিমাণ জিজ্ঞেস করলে বলে যে ৪০০০০ টাকার মতো হলেই হয়ে যাবে।
মূলত ঘটনা আমার বাবার। আমাদের ভিটে বাড়ির জায়গার খারিজ,জরিপসহ কোনো ট্যাক্স প্রদান করা হয়নি। ফলে জায়গাটি সরকারিকরণ হয়ে যায়। ফলে আমার বাবা মামলা করেছে। এতে সরকারি নামকরণ থেকে নাম কেটে দিয়েছে। এখন নামজারি করতে ভূমি অফিট থেকে ৫ লাখ। আর দালালচক্র এক্সট্রা ৫০ হাজার টাকা দাবি করেছে।
লোহাগাড়া, আধুনগর হাসমহলে কর্মরত মহিলা এবং বারান্দায় বসা ছেলেটা নামজারি করতে অতিরিক্ত টাকা হাতিয়ে নেই। দিতে না চাইলে ফাইল ফেলে রাখে এবং মিথ্যে মামলার হইরানি করে। প্রতিবাদ করলে হুমকি দেই আর নাইলে ফাইলে ভুল করে দেই।
আমি রিটায়ার্ড যাই নি। তবে যারা রিটায়ার্ড যাবে তাদের দেখেছি আলাদা ভাবে টাকা জমাতে। কারন তার পেনশন যাওয়ার সময় বিভিন্ন সমস্যা দেখিয়ে টাকা চাইবে তখন টাকা টা পেতে যেনো সমস্যা না হয় তাই। এসময় যারা টাকা দিতে ব্যার্থ হয় তখন তাকে নানা জটিল সমস্যায় পরতে হয় পেনসনের টাকা তুলতে। তাই কেউ চায় না কোন সমস্যায় না পরতে। কিছু টাকা দিলে যদি কাজটা হয়ে যায়।তাই সকলে এটা মেনে নেয়৷ কিন্তু বিষয় টা সকল স্তরের ব্যাক্তি বর্গ কমান্ড চ্যানেল অবগত থাকার পরেও কেউ কিছু করতে পারে না কারন যারা পেনশনের কাজ করে তারা সামরিক সদস্য না।
সরকার নির্ধারিত মাসলের থেকে ৩ হাজার টাকা বেশি চাওয়া হয়েছে। প্রবাসে আমার একটি পার্সেল পাঠাতে হবে। বেসরকারি সেবা ব্যায় বহুল হওয়ায় ডাক বিভাগের ই এম এস সেবার দ্বারস্থ হই। ভ্যাটসহ মাশুলের সাথে আরো দ্বিগুন মাশুল ধরেন, যা এক প্রকার গোপন ঘুষ! ডাক বিভাগের এই কর্মকর্তা তরুনী হওয়াতে বেশি তর্ক না গিয়ে চলে আসি। তবে যদি সাশ্রয়ী কোথাও সেবা না পাই তবে এইখানেই ফেরত আসতে হবে।
আমার একটা হোল্ডিং নম্বর এর জন্য, যিনি দায়িত্বরত আছেন তাকে ফোন করে বলছি, তিনি বলেন যে খরচ পাতি আছে ৫০০ টাকা দিলে কাগজ পাওয়া যাবে। আমার জমির নামজারি এবং এন আইডি ফটোকপি চাইছে। আমি পরে আর তার সাথে যোগাযোগ করি নাই। তিনি ৩ নং ওয়ার্ডের দায়িত্বরত আছেন।