বদলি LPC নিতে ২০০০ টাকা দাবি করে ক্যাশ সরকার।
বদলি LPC নিতে ২০০০ টাকা দাবি করে ক্যাশ সরকার। জুনে বেতন করানো জন্য ২৫০০ টাকা নিয়েছে। এখন আবার ২০০০ টাকা চাই
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৭,৭৪৩ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
বদলি LPC নিতে ২০০০ টাকা দাবি করে ক্যাশ সরকার। জুনে বেতন করানো জন্য ২৫০০ টাকা নিয়েছে। এখন আবার ২০০০ টাকা চাই
চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের রাজস্ব বিভাগের একজন কর্মকর্তার বিরুদ্ধে হোল্ডিং ট্যাক্স নির্ধারণ ও আদায়ের ক্ষেত্রে অনিয়ম এবং অবৈধ অর্থ দাবির অভিযোগ রয়েছে। আমাদের ফ্ল্যাটগুলোর নামজারি এখনও সম্পন্ন হয়নি। এর মধ্যেই হোল্ডিং ট্যাক্স দাবি করা হচ্ছে। অভিযোগ রয়েছে, প্রযোজ্য সরকারি হারের তুলনায় বেশি ট্যাক্স নির্ধারণ করা হয়েছে এবং ট্যাক্সের পরিমাণ কমানোর জন্য প্রতিটি ফ্ল্যাট মালিকের কাছ থেকে ১০,০০০ টাকা ঘুষ দাবি করা হয়েছে।
টাকা দিলে ফাইল জমা পড়বে ফাইলে সিগনেচার করা হবে তাছাড়া সিগনেচার করা হবে না। আর সিগনেচার খারিজ ছাড়া সম্পন্ন হবে না। এইভাবে আমার কাছ থেকে তিনবার টাকা চেয়েছে। আর টাকা না দিলে হয়রানি তো আছেই।
কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিদপ্তর এ আউটসোর্সিং লাইসেন্স নবায়নের জন্য জমা দিয়েছিলাম। টাকা দেইনি বলে এখনো লাইসেন্স দিচ্ছে না।
লাইসেন্স নবায়ন এর জন্য পরিবেশ অধিদপ্তর ১০০০০ টাকা ঘুষ নিচ্ছে নতুন আবেদন করলে প্রতিটি ক্লিনিক এবং ডায়াগনস্টিক ১ লক্ষ থেকে দেড় লক্ষ পর্যন্ত নিচ্ছে, আমি ১ লক্ষ টাকা দিয়ে লাইসেন্স নিয়েছি এখন নবায়ন ১০ হাজার চায়। ফায়ার সার্ভিস কুষ্টিয়া প্রতিটি ক্লিনিক থেকে ৫-৮ হাজার টাকা ঘুষ না দিলে নবায়ন করছে না
সহকারী ভুমি কর্মকর্তা কর্তৃক নামজারি আবেদন এর প্রস্তাব প্রেরণ করার জন্য রংপুর মে্েট্রাপলিটন সার্কেল এর উত্তম ভূমি অফিসের সহকারী ভুমি কর্মকর্তা ১০০০ বা ৫০০ টাকা না দিলে প্রস্তাব প্রেরণ করেন না। ফলে নামজারি শুনানীর তারিখ দেয়া হয় না। সরকারি নিয়মানুায়ী তিনগুন বেশি সময় ধরে উক্ত উত্তম ভূমি অফিসে আবেদন পরে আছে।
জেলা শিক্ষা অফিসে অনলাইনে ফাইল যাওয়ার পর এটি D D অফিসে পাঠানো হয়না। খবর নিলে টাকা দাবি করেন না দিলে ফাইল রিজেক্ট করে।
প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর থেকে প্রত্যেক উপজেলায় শিক্ষকদের সমন্বিত গ্রেডেশন করার নির্দেশ দেওয়া হয়। এ প্রেক্ষিতে আমরা আমাদের সকল ডকুমেন্টস জমা দিলে ডেপুটেশনে কর্মরত শিক্ষক আমাদের কাছে ২০ জনের জন্য জনপ্রতি ৩০০ টাকা করে দাবি করেন। জোর গলায় আরও বলেন, যারা দিবেন না তাদের নাম গুলো যেন তাকে লিখে দিই।
নিয়ম মেনে আমি বিএড সম্পন্ন করি সরকারি টিচার্স ট্রেনিং কলেজ থেকে, কিন্তু প্রধান শিক্ষক আমার বিএড ফাইলের জন্য রেজুলেশন করে দিচ্ছেন না। মে ২০২৬ এ রেজাল্ট পাওয়া। রেজুলেশন করে দেওয়ার জন্য ২০০০০ টাকা দাবি করছেন। সামনের মাসে ফাইল পাঠাতে হবে, দাবি মুলতবি আছে।
বিডিএস জরিপ এর জন্য ১ লক্ষ টাকা চেয়েছিলেন। ৩০০০০/= টাকা দিয়ে কাজ করানো হয়েছে। এভাবে প্রত্যেকের কাছ থেকে টাকা নিয়ে কাজ করা হচ্ছে।
আমি নতুন BPDP বিদ্যুৎ সংযোগের জন্য বিদ্যুৎ অফিসে গিয়েছিলাম তখন নির্বাহী প্রকৌশলী অন্য রুমে পাঠিয়েছিল সেই রুমে আরেক রুমে পাঠিয়ে ছিল সে খানে গিয়ে দেখি এক অফিসার কে বললাম আমার ঘটনাটা সে আরেক জনকে দেখিয়ে দিয়েছিল সে অফিসের সহকারী তিনি আমাকে বললেন নতুন সংযোগের জন্যসব মিলে নতুন মিটারসহ মোট ১০ হাজার ৫০০ টাকা লাগবে, এর ভিতরে নতুন মিটার বাবদ ৫৫০০ আবেদন জন্য ৩৫০ টাকা আর বাকিগুলো অফিস খরচ বলছিল
নামজারির জন্য আমি অনলাইনে অন্তত তিন-চার বার আবেদন করেছি। কিন্তু পূর্বের জমির মালিকের নামের ভুল দেখিয়ে প্রতিবারই আবেদন প্রত্যাখ্যান করা হয়েছে। এ বিষয়ে নাম সংশোধনের কাগজপত্র, ইউনিয়ন মেম্বার ও চেয়ারম্যানের সার্টিফিকেটসহ প্রয়োজনীয় প্রমাণাদি দাখিল ও প্রদর্শন করা হয়েছে। পরবর্তীতে উপজেলা ভূমি অফিসে গেলে আমাকে প্রায় ১০০ বছর আগের জমির সম্পূর্ণ ইতিহাস ও কাগজপত্র সংগ্রহ করতে বলা হয়, যা বাস্তবে অত্যন্ত কঠিন ও প্রায় অসম্ভব। পূর্বের নামের ভুলটি ইচ্ছাকৃত নয় এবং এসব রেকর্ড তৎকালীন সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের মাধ্যমেই তৈরি হয়েছে। অথচ সংশোধিত কাগজপত্র দেখানোর পরও তা নিয়ে প্রশ্ন তোলা হয়েছে। ভূমি অফিসে একাধিকবার গিয়ে আমার অভিজ্ঞতায় মনে হয়েছে, সরকারি সেবা পেতে অনৈতিক অর্থ লেনদেনের একটি প্রবণতা রয়ে
মায়ের এনআইডি সংশোধনে টাকা চেয়েছে।
স্কুলের পিওনের চাকরির জন্য এ টাকা দাবী করা হয় আমার ব্যাংকের সিকিউরিটি গার্ডের কাছ থেকে।।
বরিশাল সিটি কর্পোরেশেরন সিভিল ইঞ্জিনদের সবাই 2/3টি বাড়ি তারা কত টাকা বেতন পাই তার কি ভাবে এত সম্পতির মালিক হয় কি ভাবে তাদের ব্যাপারে তদন্ত করা উচিত
একটা দলিলের নকল তুলবো তাই বললাম কিন্তু সে বলছে ২০০০ টাকা লাগবে আগে দরখাস্ত করতে হবে তারপরে ১৫ দিন পর পাওয়া যেতে পারে এই হলো অবস্থা
jonoiko bekti mara jawar por pension er taka tulte giye ghush dite hoyeche.
কিছুদিন পূর্বে প্রতিষ্ঠানের ট্রেড লাইসেন্স নবায়নের জন্য পৌরসভায় গেলে তারা নতুন করে সকল কাগজ নিতে বলে। অথচ আমার নবায়নের জন্য সকল কাগজ কেন লাগবে? মূল ট্রেড লাইসেন্স কপিটা নিয়ে যাওয়ার পরেও তারা অনুনয়-বিনয় করতে থাকে। সর্বশেষ ৫ হাজার টাকা দাবি করেন৷ বিষয়টি আপাদত সিদ্ধান্ত নিতে পারছি না৷ টাকা দিয়ে ট্রেড লাইসেন্স করবো কি না? প্রতি বছর সরকার কত রাজস্ব হারাচ্ছে, তা তো এটাতে বুঝাই যায়। সরকারী খাতে ১০ টাকা জমা দিয়ে নিজেরা ৯০ টাকা খেয়ে ফেলে। এর থেকে পরিত্রান এর উপায় কি!
আমার চাকুরি স্থায়ীকরণ হয়ে ২০২১ সালে একটা প্রজ্ঞাপন হয়েছিলো।বিষয়টি করোনা সময় হওয়াতে অবগত ছিলাম না। পরে এবার নতুন করে স্থায়ীকরণের জন্য আবার আবেদন জানাতে গেলে আমাকে জানানো হয় আবেদন করা লাগবে না,আমার স্থায়ীকরণ করা হয়ে গেছে। এখন ঐ পেপার টা সংগ্রহ করতে কিছু খরচপাতি আছে। সেটার জন্য দাবি ছিলো ২০০০ টাকা। অথচ পেপারস গুলো অফিস ঘোষণা দিয়ে যার যার পেপারস সংগ্রহ করতে বলার কথা। অত্র অফিসে ছোট খাটো সকল ধরনের কার্যক্ষেত্রে ৫০টাকা থেকে শুরু করে হাজার টাকা লেনদেন করতে হয় অত্র অফিসাধীন কর্মচারীদের। আর এসব ঘুষের লেনদেনের সাথে ওখানকার কর্মকর্তারা জড়িত নয়, অফিস অপারেটররা জড়িত। স্থান ফেনী জেলার সোনাগাজী উপজেলার প্রাথমিক শিক্ষা অফিস।
১৮ তম শিক্ষক নিবন্ধনে আমি সরাসরি একটি কলেজে নিয়োগ পাই। কলেজের কাগজপত্র চাইলে প্রথমে আমার কাছে কলেজের একজন শিক্ষক ১০ হাজার টাকা দাবি করেন। টাকা দেওয়ার পর প্রয়োজনীয় কাগজ হাতে পাই। পরবর্তীতে শারীরিক অসুস্থতার জন্য আমার ছুটি নিতে হয়। বিনিময়ে কলেজে আমার পরিবর্তে একজন ক্লাস নিবে এই মর্মে আমার ছুটির চারমাসে মোট ২৪ হাজার টাকা প্রদান করতে হয় (প্রতিমাসে ৬ হাজার)। পরে জানতে পারি উনারা ১ মাসের জন্য শিক্ষক নিয়েছিলেন, বাকি ৩মাসে এমনি টাকা নিয়েছেন। পুনরায় আমি কলেজে যাওয়া শুরু করলে কলেজ কতৃপক্ষ আমার প্রথম ৫ মাসের বেতন দাবী করেন (২২ হাজার×৫মাস)। এখনও আমার বেতন হয়নি। একে তো বেতনের অভাবে মানবেতর জীবনযাপন করছি, তার উপর বেতনের টাকা কতৃপক্ষের হাতে তুলে দেওয়ার মানসিক চাপ আর নিতে পারছিনা।