জমির মিউটেশন
৫ কাঠা জমির মিউটেশন করার জন্য ২০ হাজার টাকা দাবী করে, ভূমি অফিসের পিয়ন থেকে উচ্চ পদস্থ কর্মকর্তারা
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৮,৫৩১ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
৫ কাঠা জমির মিউটেশন করার জন্য ২০ হাজার টাকা দাবী করে, ভূমি অফিসের পিয়ন থেকে উচ্চ পদস্থ কর্মকর্তারা
আজ ২৭.০৮.২০২৬ টাঙ্গাইল সদর বিআরটি অফিসে গিয়েছিলাম, নতুন ড্রাইভিং লাইসেন্স করতে, সেখানে যেয়ে অফিস এর লোকজনের সাথে কথা বলি, তারা ১২০০০ হাজার টাকা ঘুষ চেয়ে বসে।
৫ কাঠা জমির মিউটেশন করার জন্য ২০ হাজার টাকা দাবী
Ami amar jomi te kaj korar shomoy Awami League shorkar er shomoy land pirate syndicate permission na niyei jomi te bali bhorat kore tokhon theke amake takar jonne pressure diye asche.. ekhon ami kaj korte gele police amake help korleo tarpor SI — (CID) South Keraniganj e currently duty officer hisheb e ache offer dilo taka jotto dawa jay totoi uni help korben.
প্রতারক চক্রের হাতে আমার ৪০ হাজার টাকা বিকাশ থেকে নিয়ে গেছে এই জন্য থানায় জিডি করতে গেলে তারা বলে এই জিডি করে লাভ নাই এটা এখানেই পড়ে থাকবে আপনি জদি আমাদের ২০ হাজার টাকা না দেন তাহলে আরো বলেন যে পুলিশের কাছে ১ টাকা উদ্ধার করতে ২ টাকা খরচ করতে হয় জানেন না নাকি?
আমি আমার জায়গার ভূমি উন্নয়ন কর এর জন্য আবেদন করেছি ৮ জুলাই ২০২৬ । সেটা ভূমি অফিস থেকে অনুমোদন দিতে হয় । আগে আমি কর দিতাম ভূমি অফিসের সরাসরি গিয়ে । কিন্তু এখন অনলাইন সহজে সহজে দেওয়া যায় শুনে আমি অনলাইন এ আবেদন করলাম প্রয়োজনীয় সব কাগজ পত্র দিয়ে । অফিসে গিয়ে বলে আসার পরেও ওরা অনুমোদন দিচ্ছে না । এখন ঠিকেই অফিসে গিয়ে ওদের মাধ্যমে বেশি টাকা দিয়ে করতে হবে কাজ ।
আমার একটা জমি খারিজ করতে দিয়েছি। ১ বছর ধরে ঘুরাইতেছে , ঘুষ দেই নাই দেখে করে দিচ্ছে না
কাজী ফিরোজ, ৫ নং ওয়ার্ড, লক্ষ্মীপুর বাহ্যিকভাবে ভদ্র আচরণ করলেও মূলত সাধারণ মানুষের অসহায়ত্বের সুযোগ নিয়ে অতিরিক্ত অর্থ আদায় করছেন। আমার ভাইয়ের অনলাইন ম্যারেজ সার্টিফিকেট তোলার প্রয়োজন হলে আমার ভাবি নেওয়ার জন্য, আমরা তাঁর কাছে যাই। সরকারি নিয়মানুযায়ী ও অনলাইন সাইটগুলোর তথ্য অনুযায়ী এই প্রক্রিয়ায় খরচ খুব সামান্য বা নামমাত্র হওয়ার কথা। কিন্তু কাজী সাহেবের নির্দিষ্ট সিন্ডিকেট ও রেফারেন্স ছাড়া এই কাজ করা সম্ভব নয় এবং তিনি কোনো নিয়ম না মেনে সরাসরি ২০,০০০ (বিশ হাজার) টাকা দাবি করেন। আমার ভাইয়ের পক্ষে ২০,০০০ টাকা দেওয়া কোনোভাবেই সম্ভব নয়। কিন্তু বিদেশে স্ত্রী নেওয়ার প্রয়োজনের তাগিদে বাধ্য হয়েই আমাদের এই অতিরিক্ত টাকার মুখোমুখি হতে হচ্ছে।
আপানারা তো জানেনই সরকার পরিবর্তন হয়ছে, কত জায়গায় দেওয়া লাগে জানেন ই তো।
জোমির মামলায় পজেটিভ রায় শুনিষ্টচিত করে দেওয়ার জন্য আমার কাছ থেকে সেরেস্টা ৫০০০০ টাকা দাবি করেছিল। অন্যথায় রিভিউ তে ঝামেলা করে রেখে দেওয়ার মতো একটা হুমকি বললেই চলে।
সাব মার্সিবল টিউবওয়েল
An officer took 45,000/TK from me for police clearance.
উপজেলা এসিল্যান্ড অফিস, কুড়িগ্রাম বরাবর সিএস, এস এ খতিয়ান মতে আর এস খতিয়াবের তর্কিত দাগ উঠেনি, আমি উক্ত খতিয়ানে আমার উল্লেখ্য দাগ অন্তর্ভুক্ত করতে আবেদন করেছি ৩ মাস পূর্বে। এখনও দেই, দিবো করে ঘুরাচ্ছে। ১,০০,০০০/ টাকা দাবী করেছে। আমি দেইনি।
ভাই ঘুষ সাইট, আল্লাহর ওয়াস্তে নামটা চেঞ্জ করে আয়কর দেন। ভ্যাট, কাস্টমস সব কিছুর রিপোর্ট এই মডুউলে পড়তেছে। পাব্লিক জানে না ট্যাক্স আর ভ্যাট, কাস্টমস আলাদা আবার আসছে রিপোর্ট করতে।
আমার গ্রামের বাড়িতে দীর্ঘদিন ধরে বিদ্যুত বিচ্ছিন্ন অবস্থায় ছিলো। তাই আমি বিদ্যুত সংযোগ এর জন্য পল্লিবিদ্যুতে আবেদন করি। প্রায় ২মাস পর আমার নামে মিটার আসে। আমি এই মিটার এত জন্য সরকারি যাবতীয় সকল খরচ পরিশোধও করি। কিন্তু বিপত্তি বাধে মিটার লাগানো কে কেন্দ্র করে। আমার এলাকার সাব স্টেশনে আমার নামে মিটার আসা সত্ত্বেও ঘুষ নেওয়া কে কেন্দ্র করে আমার মিটার টিকে প্রায় দেড় মাস যাবত আটকে রাখা হচ্ছে। স্থানীয়দের ভাষ্য মতে, যিনি মিটার লাগিয়ে সব ফিটিং করে দিবেন তাকে অতিরিক্ত ৫হাজার থেকে ৭হাজার টাকা না দিলে তিনি মিটার লাগিয়ে দেন না। গ্রামের প্রায় সব মানুষ এভাবেই তাকে বা তার প্রতিষ্ঠান কে ঘুষ দিয়ে বিদ্যুত সংযোগ নেয় কিন্তু একজন সচেতন নাগরিক হিসেবে ঘুষ না দেওয়ায় আমার বিদ্যুত সংযোগ কোনোভাবেই দেওয়া হচ্ছে না।
দলিল লিখক, শহীদুল্লাহ্ ও মরফুজ, এর একটা গ্রুপ দলিল লিখার জন্য আমার কাছে। ৪৪০০০০ টাকা চান। কিন্তু সরকার কর্তৃক নির্ধারণ ফি দেওয়ার পরেও তারা অতিরিক্ত টাকা দাবি করেন। আমি তাদের কে দিয়ে দলিল লিখাতে অপারগতা প্রকাশ করলে তারা ভিবিন্নভাবে আমাকে দলিল লিখানোর জন্য বাদা প্রদান করে। অবশেষে এটা অমিমাংশিত অবস্থায় আছে।
টিসিবি ডিলারশিপ নেওয়ার জন্য এই টাকা দাবি করেছে।
একই নম্বর দুই যায়গাতে থাকায়, ট্রেড লাইসেন্স ফটোকপি দেওয়া Rejected করে দেয় টাঙ্গাইল পাসপোর্ট অফিসের কাছে ফটোকপি দোকরন দার দাবি করে-2000, অফিসার কে ভেলকি দিয়ে কাজ কোরেছি, পরে অফিসার ফোন দিছিল দেখা করেত, করি নাই Block করে দিছিলাম, পরে পাসপোর্ট হাতে পাইলাম
আমরা ভুমিহীন।বাপ দাদার কোনো সম্পতি নাই। অর্পিত সম্পত্তিতে বছর বছর লীজ মানি দেওয়ার মাধ্যমে ৬ শতাংশ জমিতে কাঁচা বাড়ি করে আছি। পূর্বের সব টাকা পরিশোধ আছে। বাংলা সন ১৪৩২ এর লীজ মানি দিতে গিয়ে আমার দাদির কাছে থেকে ভুমি অফিসের কর্মকর্তা কর্মচারীরা পূর্বের তুলনায় প্রায় ৪ গুন টাকা বেশি চেয়েছেন। পূর্বের ৬,৭ বছরে লীজ মানি দিতো ১৬০০ টাকা করে।এই চেয়েছেন ৭০০০ টাকা। আমাদের প্রতি বছর এত টাকা লীজ মানি দেওয়ার সামর্থ্য নেই জন্য আমার দাদি লীজ মানি না দিয়ে চলে এসেছে। আমরা গ্রামের মানুষ ওসব হিসাব তো বুঝি না। এখন আপনারাই বলেন ০.০৬ একর বা ৬ শতাংশ জমির কি লীজ মানি প্রতি বছর ৭০০০ টাকা করে হয়।
গত বছর অনলাইনে ভুমি উন্নয়ন কর দিয়েছি। এ বছর এটা বন্ধ করে রাখছে। এখন শুধু অফিস গেলে তারা দিয়ে পারে। ১১০ টাকার খাজনা তারা বলে ৮০০০ টাকা বাকি। অনলাইনে ভুমি কর প্রদান আবার চালু করা হোক।