বদলি হওয়ার দরখাস্তে উপজেলা শিক্ষা অফিসারের একটি স্বাক্ষরের জন্য হয়রানি ১৫ দিনের অধিক
অভিযোগকারীদের ভাষ্য, কোনো শিক্ষক প্রয়োজনীয় কাগজপত্র বা সেবা নিতে শিক্ষা অফিসে গেলে কখনো বলা হয়—‘এটা নেই’, ‘ওটা নেই’, আবার কখনো বিভিন্ন কারণ দেখিয়ে ফাইল বা কাগজপত্র আটকে রাখা হয়। পরে অতিরিক্ত অর্থ দিলে কাজ দ্রুত করে দেওয়ার অভিযোগও রয়েছে। এতে নিয়মিত সেবা পাওয়ার পরিবর্তে শিক্ষকদের এক ধরনের অনিশ্চয়তা ও হয়রানির মধ্যে পড়তে হচ্ছে বলে অভিযোগ করেন মির্জাগঞ্জ উপজেলার অনেক শিক্ষক। অনেক শিক্ষক চাকরিসংক্রান্ত জটিলতা বা হয়রানির আশঙ্কায় প্রকাশ্যে প্রতিবাদ করতেও সাহস পান না বলে দাবি অভিযোগকারীদের।