নামজারি
পৈত্রিক সূত্রে প্রাপ্ত জমির নামজারির জন্য শতাংশ প্রতি ১ হাজার টাকা করে দাবি করা হয়েছে।
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৮,৫৩১ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
পৈত্রিক সূত্রে প্রাপ্ত জমির নামজারির জন্য শতাংশ প্রতি ১ হাজার টাকা করে দাবি করা হয়েছে।
Ami nid korte gase tara amk 3 din basai pathai desa bolce nid hobe na gono bot hole korian ami 4 bar ar somoi gase tokon oi khaner ak jon amk bolce 3000 taka dela kori debo asob ki ami ak jon Bangladesh ar manush amr kase sob kagoj ase tar pore o taka lagtace
হবিগঞ্জ জেলা ও দায়রা জজ আদালত এর ফেসকার, —। এবং সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট আদালত -৩ এর ফেসকার, —। ওনাদের ২ জনকে একটু নজরদারি করার জন্য বিনীত ভাবে অনুরোধ করছি 🙏
আমি সৌদি থাকি,আমার ই পাসপোর্ট সাথে,জন্ম নিবন্ধন বয়স মিল নেই,তাই আমার ইউনিয়ন মানিকগঞ্জ,সদর,পুটাইল ইউনিয়ন।আমার বাবা কে পাঠাই, জন্ম নিবন্ধন সংশোধন করার জন্য,কিন্তু ইউনিয়ন থেকে জন্ম নিবন্ধন সংশোধন করার জন্য,10,000 টাকা দাবি করে।
নতুন বাইকের রেজিষ্ট্রেশন নাম্বার করার জন্য, সরকারি ফি জমা দিয়ে কাগজপত্র নিয়ে বিআরটি অফিসে জমা দিলে, নানান অযুহাতে ঘুষ হিসেবে 3500 টাকা দাবি করা হয়, ফাইলে সমস্যা আছে বলে হয়রানি করা হচ্ছে।
সরকারি ফি ১০ টাকা হলেও চাচ্ছে তারা আরো ১০ গুন বেশি, বিদ্যুৎ এর নতুন সংযোগ দিতে। গুস দিলে দ্রুত হয়ে যায়, না দিতে চাইলে হবে হচ্ছে এটানাই ওটা নাই আরো কত অজুহাত।
My Nextdoors looking for me to make big purchase in exchange for their cooperative neighborhood!
kono ghush dainee, kintu khajnar taka nayna. bolay system operate kora na. sarkarer ki khajna dorkar nai. chor saklan. ki chai era. kono ghuse dai ne . chay nee .
গফরগাঁও রসুলপুর ইউনিয়ন ভুমি অফিসে
নোয়াখালী মাইজদী পাসপোর্ট অফিসে কর্মকর্তারা কাগজপত্র সব ঠিক থাকার পরও দালালের সিল সই না থাকলে কাগজপত্র জমা নেয় না।মোট কথা পাসপোর্ট বানাতে হলে সব কাগজপত্র নিয়ে আগে দালালের সাথে দেখা করে টাকা দিতে হবে দশ হাজার অথচ লিগাল সরকারি বিল ৫৭৫০টাকা তারপর দালাল কাগজপত্রের পিছনে সিল দিয়ে সাইন করে দেয়,এরপর ঐ সিল সম্বলিত কাগজপত্র নিয়ে কর্মকর্তাদের কাছে নিয়ে গেলে ওরা শুধু কাগজটা উলটিয়ে দালালের সিল সাইন দেখেই কাগজ জমা নিয়ে নেয়।
আমার বর্তমান এক পিকআপ ড্রাইভারের সাথে কথা হয় তিনি বলেন আগে ট্রাফিক পুলিশ সারা বাংলাদেশে ডিজিটাল মামলা দেওয়া হতো কিন্তু এখন শুধু পেপারে মামলা দেওয়া হয় বিশেষ করে যশোরে । ফলে থানায় মামলার টাকা জমা দিলে গাড়ি ছেড়ে দেওয়া হয়। ফলে পুরো টাকা পুলিশের পকেটে চলে যায়। এতে করে রাষ্ট্র প্রচুর রাজস্ব হারাচ্ছে। তাই পুলিশ যদি ডিজিটাল মামলা দেয় সেদিকে সরকারকে নজর রাখতে হবে এবং জনগনকে সচেতন করতে হবে যাতে এটা বন্ধ হয়
একজন ইউপি চেয়ারম্যান একটা মেয়েকে খুঁজে বের করা দেয়ার জন্য এক লক্ষ টাকা দাবি করে
আমি এখনো কিছু বলিনি ,অপেক্ষা করছি।
আমি একজনের কাছে টাকা পাই। কিন্তু ঐ ব্যক্তি দীর্ঘদিন যাবত আমার পাওনা টাকা দিচ্ছেনা।তখন আমি সোনাগাজী মডেল থানার সরামপন্ন হই। তখন আমি একটি অভিযোগ দায়ের করি সোনাগাজী মডেল থানা ইনচার্জ বরাবর। থানার ওসি সাহেব আমার অভিযোগ তদন্তের জন্য — নামের একজন থানার ডিউটি অফিসারকে দায়িত্ব দেন। ঐ — আমার পাওনা টাকা উদ্ধার করে দিবে এই মর্মে তার সাথে ২০০০০ টাকা চুক্তিতে যাওয়ার জন্য প্রস্তাব দেয়। —ের প্রস্তাবে আমি রাজি হইনি। এবং আমি কিছুদিন পর বলছি আমি আমার অভিযোগ তুলে পেলতে চাই মর্মে —কে জানালে উনি আমাকে চাপ জানিয়ে দিয়েছেন উনাকে যাতে আমি খরচপাতি দিতে হবে না হয় এ অভিযোগ প্রত্যাহার হবেনা। এখন আমার করনীয় কি?
চায়না থেকে ১০ লাখ টাকার পন্য আনা সব বৈধ কাগজ দিয়ে। ১৫ দিন ধরে আটকে আছে। পরে কাস্টমস এর লোকদের সাথে কথা বললে ৫ লাখ টাকা দাবি করে।
প্রায় ৫ বছর আগে আমি আমার জমির নামজারি/খারিজ করার জন্য সিঙ্গাইর, জয়মণ্ডপ ভূমি অফিসে যাই। সেখানে নামজারি/খারিজের কাজ করে দেওয়ার জন্য আমার কাছে ৫০,০০০ টাকা দাবি করা হয়। আমি এত টাকা দিতে রাজি না হওয়ায় এবং টাকা দিতে না পারায় আমার জমির নামজারি/খারিজের কাজ সম্পন্ন করতে পারিনি। বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ এবং সরকারি নিয়ম অনুযায়ী আমার নামজারি/খারিজের কাজ সম্পন্ন করার ব্যবস্থা করার জন্য অনুরোধ করছি।
জমি খারিজ করার জন্য দাবি করেন। টাকা নাদিলে খারিজ হবে না বলে দিয়েছে
আমার একজন করদাতা গত বছর ট্যাক্স রিটার্ন জমা দিতে পারেননি। এখন জমা দিতে যাওয়ার পর দেড় লক্ষ টাকা গুড চাইল।
আমাদের বাড়ীতে গ্রিল কেটে চুরি করে ৬০-৭০ হাজার টাকার জিনিসপএ নিয়ে যাওয়া হয়েচে। অতপর আমি মামলা করতে গেলে প্রথমে অভিযোগ পত্র নেয় এবং সাথে ৫০০ টাকা নেয়। এরপর ধাপে ধাপে ৬০০০ টাকা নেয়, পরবর্তীতে বলা হয় কোর্টে মামলা করতে। মামলা করার পর আসামীর বাড়ীতে যায় এবং আমার থেকে ২০০০ টাকা নেয়। লাস্টে আবার বলে ১০০০০ টাকা দিতে হবে। সেজন্য আর কিছু বলিনি তাদের।
সাভার সেটেলমেন্ট অফিসে রেকর্ড সংশোধনের জন্য গিয়েছিলাম সেখানে এই অর্থ দাবি করা হয়েছে আমি এখনো দেইনি