খারিজ
জমি খারিজ করার জন্য দাবি করেন। টাকা নাদিলে খারিজ হবে না বলে দিয়েছে
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৮,৫৩১ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
জমি খারিজ করার জন্য দাবি করেন। টাকা নাদিলে খারিজ হবে না বলে দিয়েছে
চায়না থেকে ১০ লাখ টাকার পন্য আনা সব বৈধ কাগজ দিয়ে। ১৫ দিন ধরে আটকে আছে। পরে কাস্টমস এর লোকদের সাথে কথা বললে ৫ লাখ টাকা দাবি করে।
সাভার সেটেলমেন্ট অফিসে রেকর্ড সংশোধনের জন্য গিয়েছিলাম সেখানে এই অর্থ দাবি করা হয়েছে আমি এখনো দেইনি
জামালপুর জেলার বকশীগঞ্জ উপজেলার খেওয়ারচর উচ্চ বিদ্যালয়ের নামে দীর্ঘদিন ধরে থাকা জমি ও বিদ্যালয়ের স্থাপনা অবৈধভাবে দখলের একটি গুরুতর ঘটনা ঘটেছে। বিষয়টি আমি নিজে সরেজমিনে প্রত্যক্ষ করেছি এবং বিদ্যালয়ের জমি, স্থাপনা ও বর্তমান দখল পরিস্থিতি সম্পর্কে আমি সরাসরি অবগত। উক্ত জমিটি ১৯৯৬ সাল থেকে খেওয়ারচর উচ্চ বিদ্যালয়ের নামে রয়েছে এবং দীর্ঘদিন ধরে বিদ্যালয়ের কাজে ব্যবহৃত হয়ে আসছে। জমির ওপর বিদ্যালয়ের গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি স্থাপনা রয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে ৬ কক্ষবিশিষ্ট একটি টিনশেড ভবন, ২ কক্ষবিশিষ্ট অফিস কক্ষ, ২ কক্ষবিশিষ্ট ছাত্রীদের কমনরুম এবং ৪টি ওয়াশরুম। এসব স্থাপনা বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ও শিক্ষক-কর্মচারীদের নিয়মিত প্রয়োজনে ব্যবহৃত হয়ে আসছিল। কিন্তু বর্তমানে — নামের একজন ব্যক্তি বিদ্যালয়ের উক্ত জমি
আমি একজনের কাছে টাকা পাই। কিন্তু ঐ ব্যক্তি দীর্ঘদিন যাবত আমার পাওনা টাকা দিচ্ছেনা।তখন আমি সোনাগাজী মডেল থানার সরামপন্ন হই। তখন আমি একটি অভিযোগ দায়ের করি সোনাগাজী মডেল থানা ইনচার্জ বরাবর। থানার ওসি সাহেব আমার অভিযোগ তদন্তের জন্য — নামের একজন থানার ডিউটি অফিসারকে দায়িত্ব দেন। ঐ — আমার পাওনা টাকা উদ্ধার করে দিবে এই মর্মে তার সাথে ২০০০০ টাকা চুক্তিতে যাওয়ার জন্য প্রস্তাব দেয়। —ের প্রস্তাবে আমি রাজি হইনি। এবং আমি কিছুদিন পর বলছি আমি আমার অভিযোগ তুলে পেলতে চাই মর্মে —কে জানালে উনি আমাকে চাপ জানিয়ে দিয়েছেন উনাকে যাতে আমি খরচপাতি দিতে হবে না হয় এ অভিযোগ প্রত্যাহার হবেনা। এখন আমার করনীয় কি?
সোনাহার বাজার, এটা একটা ইউনিয়ন এর মুল বাজার, এখানে অনেক খাস জমি আছে । উল্লেখ্য এখানে বর্তমান পাকা রাস্তা হওয়ার পূর্বে অন্য একটা রাস্তা ছিলো । নতুন পাকা রাস্তা হওয়ার সময় যে ব্যাক্তিমালিকানা জমির উপর দিয়ে এই রাস্তা হয়েছে সে জমির মালিক/মালিকগনকে পূর্বের কাচা রাস্তাটা ছেড়ে দেয় ও সে প্রেক্ষিতে DCR প্রদান করা হয় হাট চান্দিনা হিসেবে । উল্লেখ্য গ্রামের সাধারণ মানুষ অনেকেই সেখানে দোকানঘর স্থাপন করে ব্যবসা পরিচালনা করে আসছে । বর্তমানে স্থানীয় ভুমি অফিস এই যায়গাকে তোহা মার্কেট হিসেবে মিথ্যা উপস্থাপন করে সেখানে থাকা ব্যাবসায়িদের উপর এক কৃত্রিম চাপ সৃষ্টি করে বিভিন্ন ব্যবসায়ি থেকে বিভিন্ন পরিমান অর্থ নিয়েছেন যা হাট চান্দিনা হিসেবেই প্রমানিত । অথচ এর পরেও তাদের DCR প্রদান করা হচ্ছে না কোনো অজানা কারনে ।
অনেক আগের তথ্য দেখতে চাওয়া এমন দাবি করে বসে
Jehetu nam phone number dite parbo na ,tai Ami Amar history ta o bollam na . Jokhon apnar nam phone details lekhar niyom korben tokhoni puro history likbo. So thanks for this platform.
গাজীপুর জেলার বিভিন্ন উপজেলায় শিক্ষা মন্ত্রনালয় হতে আদেশ জারি করা হয় ৬২ জন শিক্ষকের জাল সনদ আছে মর্মে। কিন্তু টাকার বিনিময়ে এরা পার পেয়ে যায়। এখনো সেই জাল সনদ দিয়ে নিরদিধায় চাকরি করে যাচ্চ।
আমার একটা সরকারি ভাতা বিনামূল্যে পাওয়ার অপযোক্ত ছিলাম, সরকারি গুসলা অনুযায়ী, কিন্ত আমাদের এলাকার চেয়ারম্যান চেয়ারম্যান সাহেব, অযৌক্তিকভাবে আমার কাছে পাঁচ হাজার টাকা দাবি করে আমার তা দেওয়ার সমার্থক ছিল না এর কারনে আমার আবেদন এর নাম — কেঁদে চেয়ারম্যান সাহেব সরিয়ে ফেলেন পরে প্রাপ্য ভাতা থেকে বঞ্চিত হলাম,,
অনেক সময় বিদ্যালয় অতিরিক্ত জরিমানা আদায় করা হয়। স্কুলটি হলো ad
পাসপোর্ট করতে গেলে পাসপোর্ট অফিসার নানান ধরনের ভুল ধরা শুরু করে পরবর্তীতে পিওনকে ধরিয়ে দেয়। পিয়ন সমস্যার সমাধানের জন্য টাকা দাবি করে। বিষয়টি এখনো ওই অবস্থাতেই আছে।
Aro — , ground floor. kono taka sara uni kono file saren na. tar dabi onek beshi. ekta file audit korte ei taka dabi koren . amarv kaz hold kore rekhesen. kindly commisioner sir er help dorkar.
মুক্তারপুরের পরে গোপনগরে যেতে বন্দর যাওয়ার ব্রিজের একটু আগে থেকে ওঠে। গোপনগর বিএনপি'র কার্যালয়ে এসে বলে- "এই বামে রাখ-তো, বামে রাখ"। বলেই লাফ দিয়ে নেমে কার্যালয়ে উপস্থিত গন্যমান্য নেত্রীবৃন্দের সাথে মিটিং বসে যায়। অটোওয়ালা কিছুক্ষণ দাঁড়িয়ে থাকলো৷ ভাড়ার টাকাটা দিলো না
ড্রাইভিং লাইসেন্স করতে চেয়েছি। বললো কোনো ঝামেলা ছাড়াই করিয়ে দেবে।বিনিময়ে ১০০০০ হাজার টাকা দিতে হবে। শেষমেষ ৮হাজার টাকায় করে দিবে বলে অফার দিলো। বুঝতেছি না কি করব এখন
আমি মূলত তিন চারটা ভ্যাট রেজিস্ট্রেশন করেছি। ভ্যাট সার্টিফিকেট গুলো আমার ক্লায়েন্টের অনেক প্রয়োজন। ভ্যাট সার্টিফিকেট মূলত তিন থেকে চারদিন হায়েস্ট সাতদিনের মধ্যে পাওয়া যায়। কিন্তু এখন নতুন স্যার আশায় প্রতি ভ্যাট রেজিস্ট্রেশন এর জন্য পনেরশো থেকে দুই হাজার টাকা দাবি করে। আর টাকা না দেওয়ায় ভ্যাট সার্টিফিকেট গুলো এপ্রুভ করে না। ১৫-২০ দিন হয়ে গেল এখন পর্যন্ত ভ্যাট সার্টিফিকেট গুলা পেলাম না। টাকা দেয়া হয়নি বলে। টাকা না দিলে আরো কতদিন পরে এপ্রুভ করবে তার কোন ঠিক নেই।
সব ঘটনার বিবরণ লাগে না। হিসাব রক্ষণ অফিস সমূহ ঘুষ ছাড়া কোন ফাইল পাশ করে না। আপনি চাকুরীজীবি কারো কাছে জিজ্ঞাস করলে হয়তো বলবে না, অবসরপ্রাপ্ত সদস্যদের কাছে জিজ্ঞাস করুন।
পরিবহন ব্যবসা গাড়ি চালাতে হলে তাকে উল্লেখিত মাসিক টাকা দিতে হবে। অন্যতায় উল্টাপাল্টা মামলা দেয়া হবে সার্জেন্ট , ট্রাফিক ইন্সপেক্টর
খামার বাড়ি প্লান্ট প্রটেকশন উইং, এখানে ঘুষ ছাড়া ফাইল নড়ে না। ক্লার্ক থেকে শুরু করে উপর পর্যন্ত সবক্ষেত্রে ঘুষ। মি — উইং টাকে রাম রাজত্বে পরিণত করেছে।
ট্রেড ইউনিয়ন রিটার্ন দাখিলের জন্য বা অন্য যে কোন কাজের জন্য শ্রম পরিচালক এর অফিস ঘুষ ছাড়া নড়েও না