পরিবহন ব্যবসায়ী
পরিবহন ব্যবসা গাড়ি চালাতে হলে তাকে উল্লেখিত মাসিক টাকা দিতে হবে। অন্যতায় উল্টাপাল্টা মামলা দেয়া হবে সার্জেন্ট , ট্রাফিক ইন্সপেক্টর
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৮,৫৩১ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
পরিবহন ব্যবসা গাড়ি চালাতে হলে তাকে উল্লেখিত মাসিক টাকা দিতে হবে। অন্যতায় উল্টাপাল্টা মামলা দেয়া হবে সার্জেন্ট , ট্রাফিক ইন্সপেক্টর
ট্রেড ইউনিয়ন রিটার্ন দাখিলের জন্য বা অন্য যে কোন কাজের জন্য শ্রম পরিচালক এর অফিস ঘুষ ছাড়া নড়েও না
ঢাকা শহীদ সোহরাওয়ার্দী হাসপাতাল আমার মা কে অপারেশন করবার জন্য ওয়েটিং রুমে নেওয়া হয়েছে তারপর সেখানের কর্তব্যরত ওটি নার্স এবং ওটি বয় এসে রুগীর পরিবারে সদস্যদের কে আলাদা আলাদা করে বলছে দেখেন ভাই ডাক্তার রা অনেক ব্যাস্ত রুগী বেশি তাই আপনি যদি আমারে কিছু টাকা দেন তাহলে আমি আজকেই অপারেশন করাই দিবো রুগীর সিরিয়াল সামনে নিয়ে আমার আত্মীয় বলবো ডাক্তার তাহলে তাড়াতাড়ি অপারেশন করে দিবে আপনি আমারে পাঁচ হাজার টাকা দেন তখন আমরা অশিকার করার পর আমার মায়ের ওই দিন ২ টা পর্যন্ত ওয়েটিং রুমে বসায় রাখছিলো তারপর ভিতর থেকে ওই নার্স এসে বলো আজ হবে না অপারেশন ৪ দিন পরের সিরিয়াল দিয়েছে না কি ডাক্তার।
খামার বাড়ি প্লান্ট প্রটেকশন উইং, এখানে ঘুষ ছাড়া ফাইল নড়ে না। ক্লার্ক থেকে শুরু করে উপর পর্যন্ত সবক্ষেত্রে ঘুষ। মি — উইং টাকে রাম রাজত্বে পরিণত করেছে।
রাস্তা সংক্রান্ত ১৪৭ ধারার বিধান মতে মিচ মামলা তদন্তের রিপোর্ট দিতে। আমার সকল ডকুমেন্টস ঠিক থাকা সত্ত্বেও রিপোর্ট আমার পক্ষে দেওয়ার জন্য। আমার জানামতে প্রতিপক্ষের কাছ থেকে আর্থিক সুবিধা নিয়ে রিপোর্ট আমার বিপক্ষে দিতে পারে।
NTRCA কর্তৃক ৭ম নিয়োগ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে নিয়োগ লাভ করি ফেব্রুয়ারি মাসে। মার্চ ও মে মাসে বেতন চালুর জন্য ফাইল পাঠিয়ে প্রথমবার জেলা ও পরে বিভাগীয় শিক্ষা অফিস থেকে ফাইল প্রত্যাখাত হয়। সেপ্টেম্বর মাসে আবার ফাইল পাঠালে প্রথমে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার ফাইল অ্যাপ্রুভ করতে গড়িমসি করে এবং পরে ৩k টাকার বিনিময়ে ফাইল জেলা শিক্ষা অফিসে পাঠায়। এখান থেকে পরে বিভাগীয় শিক্ষা অফিসে ফাইল সেন্ড করে। পরে আমি এই মাসের ১৮ তারিখে বিভাগীয় শিক্ষা অফিসে যাই খবর নিতে যে আমার ফাইল কবে নাগাদ মাউশি তে পাঠাতে পারে জানার জন্য (যদিও এটা স্কুল থেকেই জানা যায় কিন্তু প্রধান শিক্ষক জানাতে চায় না বা তথ্য দিতে চায় না। ফাইল পাঠাতে প্রধান শিক্ষক নিজেও ২০k টাকা নিয়েছেন)। সেখানে কম্পিউটার অপারেটর ১৫k টাকা দাবি করেন
মিরপুরের রাজউক বা জাতীয় গৃহায়ন কর্তৃপক্ষের (NHA) আওতাধীন প্লট মালিকদের জন্য এক চরম দুর্ভোগ ও হয়রানির নাম ‘এনওসি’ বা অনুমোদনপত্র। অথচ এই অন্তর্বর্তীকালীন সরকার স্পষ্ট গ্যাজেট প্রকাশ করে জানিয়েছে,এসব বরাদ্দকৃত প্লটের হস্তান্তরের ক্ষেত্রে গৃহায়ন বা রাজউকের কোনো চিঠি বা অনাপত্তিপত্রের প্রয়োজন নেই। কিন্তু বাস্তব চিত্র সম্পূর্ণ ভিন্ন। গ্যাজেট প্রকাশ হলেও ভূমি অফিসে নাকি এখনও কোনো অফিসিয়াল পরিপত্র পৌঁছায়নি! ফলে মাঠপর্যায়ে বহাল রয়েছে পুরনো সেই জটিল ও দুর্নীতিগ্রস্ত ব্যবস্থা। ঘুষের ফাঁদে সাধারণ মানুষ: অহেতুক টাকার দাবি: ওয়ারিশ সূত্রে নামজারি, হেবা (দানপত্র), সাব-কবলা দলিল কিংবা পাওয়ার অব অ্যাটর্নি করতে গেলেই এনওসি-র নামে রাজউক/গৃহায়ন এবং স্থানীয় ভূমি অফিসে ১০ থেকে ১৫ লাখ টাকা পর্যন্ত ঘুষ দাবি করা
খুলনা,ফুলতলা উপজেলা ভূমি অফিসের মুহুরী —।তার কাছে জমি রেজিস্ট্রি দলিল লিখতে গেলে সে বলে জমির খাজনা হয়েছে ২২০০০টাকা।তাকে মোট ৩০০০০ হাজার টাকা দিলে সে জমির খাজনা ও জমি রেজিস্ট্রি একসাথে করে দেবে।কিন্তু বর্তমানে খাজনা অনলাইন সিস্টেম করে দেওয়ায়।আমি অন্য একজনের মাধ্যমে ৫৭০০ টাকা দিয়ে খাজনা কাটি।এরপর জমি রেজিস্ট্রি করতে গেলে সে বলে সে আমার জমি রেজিস্ট্রি করতে পারবে না দলিল ও লিখতে পারবে না। এছাড়া অন্যান্য অফিসার ও প্রকাশ্যে ঘুষ চাই ঘুষ না দিলে অযথা হয়রানি করে।আপনারা নিজেরা একটু যাচাই করে দেখতে পারেন ফুলতলা উপজেলা ভূমি সেবা অফিসের দূর্নীতির কথা।আমরা উক্ত উপজেলার সাধারণ জনগণ প্রতিনিয়ত হয়রানির শিকার হচ্ছি। দয়া করে এদের বিরুদ্ধে আইন গত ব্যবস্থা নিন
১৮ জন ছাত্র/ছাতীদের প্রশংসা পত্র তুলতে গেলে জন প্রতি ৫০০/= করে টাকা দাবি করে
Fee er upor 8hajar dile kajj ta hoye jabe.computer oparetor nijei kore dibe.. — name
আয়কর প্রদানের পর তা অডিট করে নিষ্পত্তি করার জন্য Extra Assistant Commissioner of Taxes, Circle-28, Zone-02, Dhaka.- এর কাছে ফাইলটি যায়। এরপর থেকে উনি এবং তার সহকর্মী ফাইলটি নিষ্পত্তির জন্য এক(১) লক্ষ টাকা দাবি করেন। তারা আমাকে আরও হুমকি দেয় এক লক্ষ টাকা না দিলে ফাইলটি নিষ্পত্তি না করেই আদালতের ট্রাইবুনাইলে পাঠাবে, তাহলে সেখানে ৩ লক্ষ টাকা দিতে হবে।
আমি আমার ২ বোনকে বাদ দিয়ে বাকি জমি৷ নিজের নামে ভুয়া উত্তরাধিকার সনদ দিয়ে নামজারি করাতে চাচ্ছি, ইচ্ছা ছিলো ২০০০০ টাকায় কাজটা করবো, কিন্তু এসি ল্যান্ড রাজি হচ্ছেনা। বলছে কাজটা বে আইনি, অথচ এর আগেও আমি কাজটা করেছি।
একসনা বন্দোবস্তো করে দেওয়ার শর্তে লোহাচুরা ভুমি সহকারী ককর্মকর্তা সরাসরি প্রতি আধা ডেসিমেল এর জন্য ৮০০০০ করে টাকা চাচ্ছে। এটি দিতে ব্যর্থ হলে পাশের মালিকের নামে বন্দোবস্ত করে দেওয়ার হুমকি ও দিয়েছে। এতো টাকা কি জন্য জিজ্ঞেস করলে বলে যে একটা কমিটি হয়েছে ৮ সদস্যের সরাসরি DC এর নাম বল্লো যে উনাদের সবাইকে দিতে হবে। শরিক বেড়েছে তাই এতো টাকা 🥲🥲🥲
বাড়ির হোল্ডিং ট্যাক্স কমিয়ে দিবে এইজন্য দাবি উত্থাপন।
আমি পুরাতন দলিলের নাম্বার নিয়ে গিয়েছিলাম দলিলের নকল মানে দলিলের সার্টিফাইড কপি তোলার জন্য, আমি খোঁজ নিয়ে দেখেছি সরকারি খরচ ৩০০ টাকার মধ্যে, কিন্তু ওরা দাবী করেছে ৪৫০০ টাকা, আমি ভূমি হেড অফিস ১৬১২১, + দুদক+ আইন মন্ত্রণালয় সব জায়গায় অভিযোগ করেছি কোন কাজ হয়নি
প্রাথমিক শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী বলেছেন এলাকার কমিটির মাধ্যমে শিক্ষকের বদলি অনুচিত। তাও মহাপরিচালক, প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর শিক্ষকদের বাধ্য করছে এলাকার লোকাল কমিটির কাছে আবেদন জমা দিয়ে বদলি হতে কারণ সেখানের পার্সেন্টিজ সোজা সারা বাংলাদেশ থেকে ঐ ডিজির কাছে পৌঁছে যায়। মিরপুর প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর থেকে ঐ মহিলা ডিজি বদলির অর্ডার করা বন্ধ করে দিয়েছে। আপনি খোঁজ নিয়ে দেখবেন অধিদপ্তর থেকে কোন বদলির অর্ডার হচ্ছে না। কারণ ডিজি চায় এলাকা থেকে হোক এবং তার কাছে কমিশন পৌঁছে যাক। আপনারা দ্রূত ব্যবস্থা নিন যাতে মিরপুর অধিদপ্তর থেকে বদলির আদেশ জারি করা হয়। এবং ঐ মহিলা ডিজির সারা বাংলাদেশের লোকাল কমিটি থেকে পার্সেন্টিজ নেয়ার পথ বন্ধ হয়। প্রাথমিক শিক্ষকরা এই লোকাল কমিটির ফাঁদে পড়ে অসহায়ের মত হয়ে আছে।
powrosova te notun barir plan pass er jonno giyesilam sekhane amake 54000tkr receipt dey amar theke 65k tk ney amake bole metting cost and other some cost ami ata purapuri complete koresi and take ask koresi atay ki amader final cost bolese ha ami motamoti 1 year hocce plan pass korte diye metting ar kotah bole akhono amar file clear koreni akhn file caite gele aro 15k tk amr theke cai ami se jonno akhon kono jogajog e kori ni plan pas er paper o neyni ar bogurar kahaloo powrosova officer name —
ট্রেড লাইসেন্স তৈরি করার জন্য ইউনিয়ন সচিবের সঙ্গে সাক্ষাৎ করলে তিনি জানান,দুইজন উদ্যোক্তা আছেন তাদের সাথে যোগাযোগ করার জন্য, ইউনিয়ন পরিষদের উদ্যোক্তাদের কাজ হচ্ছে,সেবা প্রার্থীদের সরকার নির্ধারিত ফির মাধ্যমে (সর্বোচ্চ ৫০ টাকা) সেবা গ্রহীতাদের অনলাইন আবেদন করে দেওয়া কিন্তু উদ্যোক্তারা সেটা না করে সরাসরি সেবা গ্রহিতাকে বলছেন ট্রেড লাইসেন্স করতে ২০০০টাকা লাগবে এবং আমি যেসব কাগজের কথা বলবো সেগুলো আমাকে দিতে হবে, তার মানে চুক্তি নিচ্ছেন, অথচ সাধারন একটি ট্রেড লাইসেন্স করতে সরকারি খরচ ৭৫০-৯০০টাকা, বাকি ১০০০ টাকা উদ্যোক্তারা ঘুষ হিসেবে নিচ্ছেন।
আমারা তিন জন মিলে জমি ক্রয় করেছি দলিল একটা। এখন তিন জনে আলাদা আলাদা নামজারি করব সেই জন্য ভূমি অফিসে গিয়েছিলাম। ভূমি অফিসে নায়েব তিনজনের কাছ থেকে 15000 টাকা দাবি করতেছে। যেখানে সরকার নির্ধারন করে দিয়েছে 1170 টাকা
লাইসেন্সের নবায়নের জন্য আবেদন করেছি, সে বলছে ভলিউম খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না, ৩৩০০৳ দিলে নাকি আমার কাজ হবে। ৩হাজার বড় স্যার নেয়, আর ৩০০৳ সে খুঁজবে তার জন্য তার চায়ের খরচ