লাইসেন্স নবায়ন
সিটি গণপূর্ত অধিদফতরে ঠিকাদারি লাইসেন্স নবায়নের সরকারি ফি ২৩০০ টাকা। কিন্তু, নেওয়া হচ্ছে ৩৫০০ টাকা! ঠিকাদারদের অবস্থা বর্তমানে খুবই করুন! হাতে কোনো কাজ নেই। তবুও ঘুষ দিতে হয়
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৭,৭৪৩ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
সিটি গণপূর্ত অধিদফতরে ঠিকাদারি লাইসেন্স নবায়নের সরকারি ফি ২৩০০ টাকা। কিন্তু, নেওয়া হচ্ছে ৩৫০০ টাকা! ঠিকাদারদের অবস্থা বর্তমানে খুবই করুন! হাতে কোনো কাজ নেই। তবুও ঘুষ দিতে হয়
প্রস্তাবিত খতিয়ানের সার্টিফাইড কপি জন্য আবেদন করেছি কয়েকবার কিন্তু নয় ছয় বুঝিয়া প্রস্তাবিত খতিয়ানের সার্টিফিকেট কপি দিচ্ছে না এবং ওটা ছাড়া নামজারি করেও দিচ্ছে না টাকার চুক্তিতে আসতে বলে টাকা দিলে কাজ করে দেবে
উনার কাছে সেবা চাইতে গেলেই, ইনিয়ে বিনিয়ে পেচিয়ে টাকা দাবি করে, দেখতে হুজুরের মতো কিন্তু স্বভাব চোরের মতো
আমার বাবা আর্মির সদস্য ছিলেন।৮বছর আগে বাবা মারা যাওয়ার। তার পেনশনের টাকার জন্য চিঠি আসে।সেই চিঠি অনুযায়ী আমার মার নাম ভোটার আইডি কার্ড ও কাবিন নামায় এক না থাকায় পরিবর্তন করতে বলে।দীর্ঘ ৮বছর পর যাচাই বাছাই করে টাকার জন্য কল আসে।এবং চূড়ান্ত ভাবে টাকা পাওয়ার নোটিশ আসে।এরপর আর্মির হেড কোয়াটার যেখান থেকে সব বিল পাশ হয় সেখান থেকে একজন সিভিল কর্মকর্তার কাছে আমাদের ফাইল গেলে। তিনি কল করে বলেন আপনারা তো অনেক টাকা পাবেন। ৮বছরের সব টাকা।কিন্তু কিভাবে যে বলি। আমাদের কিছু টাকা মিষ্টিমুখ করাতে হয়।তারপর আমরা কাগজ সই করে দেই।নইলে অনেক হাজার হাজার ফাইল তো।অনেক দিন আবার অনেক বছর লাগতে পারে।আপনারা টাকা দেওয়ার একটা প্রস্তুতি নিয়ে রাখেন।শুনে বুঝা গেলো ৪-৫হাজার টাকা না ৫০০০০টাকার মতো চাচ্ছে।এটা নাকি দিতেহয় সবাইকে
আমি বেসরকারি নিবন্ধন ভুক্ত এক স্কুলে যোগদান করা থেকেই তারা নাস্তা বাবদ মোটা অংকের টাকা দাবি করেছিল। দিয়েছিলাম। এরপর এমপিও হওয়ার জন্য(কাগজ দ্রুত পাঠাবে) জেলা শিক্ষা অফিসার কে ঘুষ প্রদান।টাকা না দিলে ঝুলে রাখবে। এরপর স্কুলে প্রধান শিক্ষক তার নিহের জন্য ৫০ হাজার এর মত দাবি করে আছে। স্কুলে কোন এক খাতে বরাদ্দের টাকা সব শিক্ষকরা মিলে ভাগাভাগি করে নেয়ার পর সেই টাকাও নতুন শিক্ষকের কাছে দাবি করে রেখেছে। এদিকে ডিডি অফিসে অভিযোগ জানালে প্রধান শিক্ষক, ম্যানেজিং কমিটি উলটো প্রাননাশের হুমকি দেয়।
National university gazipur theke certificate tumar jonno principal forwarding soho kagoj pathanor jonno
আমি আমার প্রতিষ্ঠানের জন্য বিএসটিআইয়ের অফিসে গিয়েছিলাম আমার একটা খদ্য পন্য বিএসটিআই নেওয়া জন্য কিন্তু তারা আমার কাছে তিন লক্ষ টাকা চায় আমাকে বলছে আমি না করি কিন্তুু অফিসারের কথা হলো বিএসটিআই লাইসেন্স করতে হলে তিন লক্ষ টাকা দিয়তে হবে তা না হলে লাইসেন্স হবে না তারপর আমি রিকোয়েস্ট করে আবেদন করি এই বিষয় আমি ঢাকায় বিএসটিআইয়ের হেড অফিসে অভিযোগ করি কিন্তুু কোন সুরাহা পাইনি এখনো আমার আবেদন বহাল আছে বিএসটিআই অফিস থেকে এখনো কোন অফিস্যার আসে নাই আমাদের কারখানাতে ভিজিট করতে আসে না আগে টাকা তারপর কাজ এই হলো আমাদের সোনার বাংলাদেশ তাহলে সাধারন মানুষ কিবাবে ব্যবসা করবে বলোন
ডাক্তারদের ট্রেনিং পোস্ট নরমালি আবেদন করলে পাওয়া যায় না।তদবির এবং টাকা লাগে।
প্রতিটি নামজারি মামলার জন্য এসিল্যান্ড ২০০০ টাকা করে নিতেছে আর বাকিটাকা বিভিন্ন ভাবে নিচ্ছে এবং বিভিন্ন অজুহাত দেখিয়ে কেস আটকানো হয়। এমনকি কেস নথি ছাড়াই শুধু কেস নম্বর দিয়ে নামজারি হচ্চে।
মোট বিলের ৫% দিতে হয়
আমরা ২৭ নং ওয়ার্ড এলাকাবাসী আমার মূল দলিলে জায়গা আছে শোয়া পাঁচ শতাংশ সেখান থেকে ওরা মেপে নিয়ে আমাদের দলিলে এসেছে ৪.৪০ শতাংশ এখন যখন আমি তাকে বললাম আমার জায়গা কম কেন আমার দলিল তো ঠিক আছে জায়গাও ঠিক আছে আমার বাপ দাদার ভিটা তাহলে এখানে কম কেন তখন ওরা বলে আপনাদের জায়গায় জায়গার মতোই আছে তোর কাছে ঠিক করার জন্য আমরা গেলে বলে আজকে জানাতে গেলে বলে কালকে আসেন বড় চান নাই হেনতেন নানান বাহানা করে পরে আরো অনেক এলাকাবাসীর কাছ থেকে জায়গায় ভাবে কম লিখে নিয়ে যাবেন তাদের কাছ থেকে মোটা অংকের টাকা দাবি করে
ফরিদপুর পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটে মেকানিক্যাল ডিপার্টমেন্ট এর সি আই প্রতি স্টুডেন্ট ৫০০টাকা চায় যা বে-আইনি।তাছাড়া উনি এবং প্রিন্সিপ্যাল সিন্ডিকেট করে যা টাকা মেরে দেয় হিসাব করতে পারবেন না।হাজার হাজার টাকা লুটপাট করে খাচ্ছে দেখার কেউ নেই।
দাউদকান্দি তুমি ভূমি অফিসে আপনি কোন ধরনের জায়গা ক্রয় বিক্রি করতে গেলে ওখানে থাকা দলিল লিখকরা দলিল লিখে জমা দেয়ার সময় ওখানে থাকা সাব রেজিস্টার এর কক্ষে গিয়ে সবকিছু কথা বলে আসে এবং সাব রেজিস্টার টাকা ছাড়া কোন দলিল রেজিস্ট্রি করে না এমনকি ওখানে থাকা প্রিয় দলিলের নাম নাম্বার লেখার জন্য ১০০ টাকার মতো আবদার করে এটা শুধু আমার মনে হয় দাউদকান্দি না প্রত্যেকটা সাব রেজিস্টার অফিসে একই সিস্টেম
সেবা টি ছিল পেনশনের ফাইল আটকে থাকা। ফাইল ছাড়তে মোটা অংকের ঘুষ দাবি করছে।
সরকার আইআরসি নবায়ন সরকারী ফি প্রদান সাপেক্ষে সার্টিফিকেট প্রদান করে থাকে। কিন্তু বর্তমানে প্রয়োজনীয় কাগজ পত্র অনলাইনে প্রদান করার পরও তারা সকলকে দিনাজপুর আমদানী-রপ্তানী অফিসে আসতে বলে এবং তাদের সরকারী ক্ষমতা বল দেখিয়ে কি কি করতে পারে তার ভয়ভীতি দিখেয়ে সার্টিফিকেট প্রদান করার জন্য অর্থ দাবি করে।
আদালতের নোটিশ নিয়ে এসে টাকা দাবি
আমি জন্ম নিবন্ধন সংসধন করতে টাকা চায়
নারায়ণগঞ্জ জেলার বন্দর থানার ভূমি অফিসে একদিন আমরা নাম জারি করতে গিয়েছিলাম তারপর সেখানকার বড় অফিসার বলল আপনারা কাউকে টাকা দিয়েছেন আমরা বললাম না তারপরে তিনি সিকিউরিটি দিকে টাকা চাওয়ালেন এছাড়া বন্দর জরিপ করতে আসছে হরিপুর বঙ্গ শাসন এলাকায় মোটা অংকের টাকা দাবি করে এছাড়া জমির পরিমাণ কম লিখে নিয়েছি এবং ঠিক করার জন্য অনেক টাকা দাবি করছে আমাদের কাছে ২ লক্ষ টাকা দাবি করেছে
একজন প্রবাসি, দেশে খুব কম আসা হয়েছে তাই ইনকাম ট্যাক্স ফাইল রিটার্ন দেয়া হয়নি, অথচ আমার অয়াছে রেমিট্যান্স ডকুমেন্টস আছে তাই, ফাইল রেডি করার রিটার্ন জমা করার জন্য বিভিন্ন জনের সাথে আলাপ করি সেই শুত্রে সেই ইনকাম টেক্স ইন্সপেক্টর অনেক প্রেশার দিচ্ছে, সেই অফিসারের কার্ড আছে আমার কাছে। আমি চাইছি সহজভাবে রিটার্ন জমা দিতে কিন্তু সে হয়্রানির আর ভুল ইন্সপেকশন জমা দিবে ভয় দেখাচ্ছে।
BIWTA বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ-পরিবহন নারায়নগঞ্জে শাখায় যারা গ্রেজার হিসাবে চাকুরি করে মাসে ৫ হাজার টাকা প্রতি মাসে অফিস এ বস কে দিয়ে দেয় একমাসের হাজিরা খাতা তারা পুরন করে দেয়। আর এখানকার চাকুরিজীবিরা বাসায় ঘুমিয়ে থাকে এবং মাস শেষে একদিন আসে টাকা উত্তলনের জন্যে। হাজিরা খাতা গুলু উপস্তিতি কর্মচারী অনুযায়ী ভেরিফাই করলে জানতে পারবেন।