নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৭,৩২০ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
চিটাগং সাবরেজিস্টার অফিসে ঘুষ ছাড়া একটা জমি রেজিষ্ট্রেশন করা হয় না।।যে কোনো সংস্থা চাইলে এটা গিয়ে দেখতে পারে।।আমি ঘুষ দিয়ে রেজিষ্ট্রেশন করতে আগ্রহী না। দরকার হয় করবোনা। কিন্তু সাধারণ মানুষ ভুক্তভোগী যদি সরকার একটু নজর দেয় অনেক মানুষ উপকৃত হবে।
10 hajar taka na Dile passport dibe na..are medical Korte gesilam aro 15 hajar taka ghush khise taka na Dile medical fit dibe na tar Jonno taka nise
সরকারি ঔষধ সরবরাহ থাকলেও সাধারণ রোগীদের দেওয়া হয়না। নেতাকর্মী ও স্টাফদের শুধু দেওয়া হয়। তবে দুষ্টু প্রকৃতির স্টাফদের মাঝে কিছু অফিস সহায়ক থাকে তাদের ৩০০ টাকা দিলে এক মাসের এন্টিবায়োটিক, ক্যালসিয়াম ও ভিটামিন এর ঔষধ মেনেজ করে এনে দেয়। এভাবেই সরকারি ঔষধ বিক্রি হয়। যা গোপনীয় ভাবে। অন্যদিকে ডাক্তারের সামনেই দালাল রা বাহিরে নিয়ে যাওয়ার জন্য প্ররোচনায় ফেলে। ডাক্তার নিরব ভূমিকা পালন করে কারণ ওই ডাক্তারই বাহিরে বসে রোগী দেখে, সেখানে কমিশন নেয়। এভাবেই ডাক্তারদের ছত্রছায়ায় দালাল রা সক্রিয় থাকে। সরকারি হাসপাতালের ডাক্তার কেনই বা হাসপাতালের সামনে ডায়াগনস্টিক এ বসে ভালো সেবা দেয়? হাসপাতালে গেলে সে সেবাটুকু পাওয়া যায়না।
জমি মাপার কাজে অনিয়ম করেছে। অপরপক্ষের কাছ থেকে টাকা খেয়ে একপক্ষের জমি অপরপক্ষকে বুঝিয়ে দিয়েছে।
পাসপোর্ট অফিসে দালাল চক্র ছাড়া পাসপোর্ট করা যায় না, পাসপোর্ট অতিরিক্ত টাকা ও দালাল নির্মূল চায়
টাকা না দিলে ভুলের শেষ নেই ও হয়রানী পদে পদে
We asked for a registry paper. With proper information and documents. But still they asked for money.
আমি নিজে একজন ব্যাংকার একটি ইসলামী ব্যাংকে চাকরি রত আছি।অগাস্ট ২০২৬ এর শেষের দিকে আমার ওয়াইফের নামে একটি সঞ্চয়পত্র কেনার জন্য জনতা ব্যাংকে একাউন্ট করি।এর এক দিন পরে সঞ্চয়পত্রের ফরম ফিলাপ করে রাসেল (জনতা ব্যাংক হাটহাজারী শাখার) নামে একজনকে দিয়ে আসি (সে আমার একটি কলিগের বন্ধু) ২/১ দিন পর সঞ্চয় পত্রটি এখনো খোলা হয়নি কেন জানতে চাইলে, রাসেল আমাকে খুব কর্কশ এবং স্পষ্ট ভাষায় বলল ২০০০ টাকা খরচ লাগবে। রাগে দুঃখে আমি পরে ওই শাখা থেকে টাকাগুলো উত্তোলন করে আমার একাউন্টে নিয়ে যায়। বিশেষ দ্রষ্টব্য : রাসেল এবং জনতা ব্যাংকের ম্যানেজার দুই জনই আমার পরিচিত। বিষয়টা শুনে আমি খুব বিব্রত বোধ করি কিন্তু ওরা দেখলাম খুব স্থির ভাবেই ছিল।
নাম জারি আবেদন করলে সেই আবেদনের প্রেক্ষিতে অডিট করতে আসেন সেই অডিটর কে কিছু দিতে হবে, না দিলে পাঁচ ছয় মাস দেরি করা হবে।
নতুন সুপারিশপ্রাপ্ত সহকারী শিক্ষক হিসেবে যোগদানের পর আমার এমপিও (MPO) ভুক্তির ফাইল অনলাইনে প্রেরণের জন্য প্রধান শিক্ষক ৩০,০০০ টাকা অনৈতিক সুবিধা দাবি করেন। উপজেলা মাধ্যমিক নিবে 10 হাজার টাকা। জেলা মাধ্যমিক অফিসার নেবে ১০ হাজার টাকা। এভাবে উনি হিসাব দেয়। অনৈতিক অর্থ দিতে রাজি না হওয়ায় ফাইল আটকে রাখা হচ্ছে এবং নানা বাহানা দিয়ে এমপিও ফাইল পাঠাচ্ছে না। বিষয়টি নিয়ে ঊর্ধ্বতন প্রশাসনিক কর্মকর্তার শরণাপন্ন হলেও বিভিন্নভাবে মানসিক চাপ সৃষ্টি করা হচ্ছে। ইউএনও স্যারকে জানানো হয়েছিল। প্রধান শিক্ষক এমপি মন্ত্রী নেতাদের ধরে বেঁচে যায়।
শেরে বাংলা নগর গণপর্ত বিভাগ-২, ঢাকা। পেনশন ভোগীর ফাইলে এই কাগজ, ঐ কাগজ নাই অর্থাৎ বিভিন্ন সমস্যা সৃষ্টি করে এমনভাবে বিষয়টা উপস্থাপন করে যাতে পেনশন সহ আনুষাঙ্গিক টাকা পাওয়া যেন সম্ভবই না। তারপর, বিভাগীয় অফিস, সার্কেল অফিস, এজি অফিস এসবের খরচা হবে বলে পেনশনের সকল দায়িত্ব পেনশন ভোগী বা তার সদস্যদেরকে দিয়ে দেয়। মানে কৌশলে টাকা দাবির বিষয়টা সামনে আনে। হ্যা সরাসরি না বলে অবস্থাটা সৃষ্টি করে টাকা আদায় করে। এমনটা যেন রীতি হয়ে গেছে। অফিসের এমন আচরন সবাই যেন মেনে নিয়ের চাকুরি জীবনের শেষে ঘুষ দিয়ে পেমশন নিতে হবে,,, এটাই নিয়ম।
🚨 শাহজাদপুর থানার রাতের টহলে সিএনজি ব্যবহার নিয়ে প্রশ্ন শাহজাদপুর থানায় দীর্ঘদিন ধরে রাতের নাইট ডিউটি, নাইট পেট্রোলিং এবং আসামি ধরাসহ বিভিন্ন সরকারি দায়িত্ব পালনের জন্য স্থানীয়ভাবে প্রায় ৪টি সিএনজি/অটোরিকশা ব্যবহার করা হয়—এমন অভিযোগ রয়েছে। স্থানীয় সিএনজি চালকদের দাবি, এসব গাড়ি রাতের বেলায় থানার সরকারি কাজে ব্যবহার করা হলেও গাড়ি ভাড়া, জ্বালানি খরচ কিংবা চালকদের জন্য কোনো পৃথক অর্থ প্রদান করা হয় না। ফলে দীর্ঘদিন ধরে তারা নিজেদের গাড়ি ও জ্বালানি ব্যবহার করে সরকারি দায়িত্ব পালনে সহায়তা করে আসছেন বলে অভিযোগ রয়েছে। বিষয়টি নিয়ে সংশ্লিষ্ট সিএনজি চালকরা থানায় একাধিকবার কথা বললেও তারা সুনির্দিষ্ট ও স্থায়ী কোনো সমাধান বা পরিষ্কার ব্যাখ্যা পাননি বলে দাবি করছেন। প্রশ্ন— 👉 সরকারি দায়িত্ব
বর্তমান সরকারে সারের নতুন নীতিমালা করতেছে তো আমি ভাবছি একটা ডিলার নিব কিন্তু আমার কাছ থেকে এত টাকা দাবি করছে বিএনপি'র এক নেতা
রংপুর ফায়ার সার্ভিস অফিসে ফায়ার লাইসেন্স নবায়ন করতে গেলে ১৫,০০০ টাকা চায়। যার জন্য আমি এখন পর্যন্ত তা নবায়ন করতে পারছি না। আশা করছি যথাযথ কর্তৃপক্ষ দ্রুততম সময়ের মধ্যে মধ্যে ব্যবস্থা গ্রহন করবেন। যাতে কোন প্রকার ঘুষ ছাড়া আমার ফায়ার লাইসেন্স নবায়ন করতে পারি।
১৩/০৫/২০২৪ ইংরেজি আমি আমার পেশাদার লাইসেন্স এর জন্য পরিক্ষা দিয়ে যথাযত ভাবে আমি পাশ করি, পাশ করার পরে অনলাইন ফি পরিশোধ করার পরে ২০/০৫/২০২৪ ইংরেজি আমি ই ড্রাইভিং লাইসেন্স পাই, কিন্তু আজ ২ বছর হয়ে গেছে এখনো স্মার্ট কার্ট হাতে পাইনি, আমার পরে অনেকে পরিক্ষা দিয়েও ২/৩ মাসের মধ্যে স্মার্ট কার্ট পেয়ে গেছে, আমি অফিসে যোগাযোগ করলে কর্মকর্তা ২০ হাজার টাকা দাবি করেন ২০ হাজার দিলে ১০/১৫ দিনের মধ্যে লাইসেন্স হাতে পেয়ে যাবেন
এটা একটা ডেন্টাল কলেজের কাহিনী আমি সেখানে অডিট করতাম। সেখানে দেখি মিছিলিনিয়াস নামে একটা খরচের হেড আছে। আমি বললাম খরচ টা কিসের আমাকে ওখানকার একজন বয়স্ক জগন্নাথ ইউনিভার্সিটির শিক্ষক এবং ওই প্রতিষ্ঠানের একাউন্টিং কনসালটেন্ট উত্তর দিল এমন যে আমার জীবনে আমি শিক্ষক হয়ে আমার ছাত্র যে কিনা রাজুকে চাকরি করে তাকে ঘুষ দিলাম। এবং কাঁদতে কাঁদতে ওই স্যার আমাকে বলল তার ছাত্র নাকি তাকে বলেছে স্যার শুধু আপনি বলে এই টাকাটা ২৪০০০০০ ভিতর সীমাবদ্ধ থাকলো। আপনার জায়গায় অন্য কেউ হইলে এত কমে কেউ করাইতে পারতো না।
আমি নামজারি করার জন্য ভুমি অফিসে গেলে তশিলদার ৮০০০/= দাবি করে সাথে শাবেক খতিয়ান অনলাইন করার জন্য আলাদা টাকা দিতে হবে, আমি রাজি হইনি, পরে তাদেরই একজন দালাল আমাকে বলে ৭০০০/= দিলে আর কোনো ঝামেলা হবেনা, আমি রাজি হই, সেদিনই ২৫০০/= দিলাম আবেদন হলো পরের সপ্তাহে ভুমি অফিস রিপোর্ট দেওয়ার কথা, না দিয়ে জানাল খতিয়ান অনলাইন করার জন্য দেরি হবে সে টাকা নিল কিছু দিন ঘুরিয়ে রিপোর্ট দিল ১ দিন পারে শুনানির দিনছিল শুনানি নাকরেই খারিজ করে দিল, কারণ দ্যাখাল অনলাইন নেই , (জেটান জন্য তশিলদার টাকা নিলো,) জেটা ইতি মধ্যে থাকার কথা ছিলো এটা ভুমি অফিস নিজের কাজ ছিল।
ভ্যানডার আমার থেকে এই অতিরিক্ত ১৫ হাজার টাকা ঘুষ নিয়েছে
বিদেশ যাওয়ার জন্য আমার বিবাহের কাবিননামা মিনিস্ট্রি অফ ফরেন আবেদন করি সত্যায়ন করার জন্য আবেদনটি প্রথমে জেলার রেজিস্টার এর অফিসে যায় এবং পরবর্তী মিনিস্টারী তে যাবে । জেলা রেজিস্টার অফিস থেকে আবেদনটি মিনিস্টারী তে পাঠানোর জন্য তারা টাকা দাবি করে তা ৫০০০ এটার জন্য আমি প্রতিবাদ করি। এবং তারা আবেদনটি বাতিল করে দেয়। এবং আবার আবেদন করার পর টাকা দিলে তারপর তারা আবেদনটি গ্রহণ করে।
যে ঘটনাটি বলেছি আমি চাকরির সুবাদে এটি নিজেই স্বচক্ষে প্রত্যক্ষ করেছি। জিআর খাতে প্রতিটি জেলায় বরাদ্দ আসে বরাদ্দকৃত জি আর চাল বিভিন্ন ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে খাবার বাবদ বরাদ্দ দেওয়া হয় এখানে একই প্রতিষ্ঠান দুইবার নিতে পারে এমন অনেক প্রতিষ্ঠান আছে যারা দুইবার পায় কিন্তু তারা পাওয়ার যোগ্যতা রাখেনা এমন এক মাস বা দুই মাসে একবার ডিসি অফিসে ফাইল ওঠে ফাইল পাস হয় ১০০ জন ১০০ টন বরাদ্দ পাবে সেখান থেকে ৩০% যোগ্য বিভিন্ন রাজনৈতিক সহ সুপারিশের ভিত্তিতে পায়। ২০% কর্মকর্তাদের সাথে দেখা করে তাদের সমস্যার কথা জানিয়ে তারা সঠিকভাবে বরাদ্দ বরাদ্দ পায় তারাও উপযুক্ত। বাকি ৫০% ডিসি অফিসের কর্মকর্তা ত্রাণ অফিসের কর্মকর্তা-কর্মচারী টন প্রতি পাঁচ হাজার থেকে আট হাজার টাকা নিয়ে তারপর তারা জিআর চাল বরাদ্দ পায়।