বহির্গমন ছাড়পত্র বা ম্যানপাওয়ার (BMET)
সৌদি প্রবাসীদের বিদেশ যাওয়ার জন্য বহির্গমন ছাড়পত্র প্রয়োজন হয় । যা প্রতি পাসপোর্ট প্রতি সরকারি ফি ৫৩০০ টাকা । নানা নিয়ম করে শুধু মাত্র ফাইল অ্যাপ্রুভ করতে বাড়তি ৫০০০ টাকা দিতে হয় নাহয় কাজ হবে না ।
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৭,৭৪৩ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
সৌদি প্রবাসীদের বিদেশ যাওয়ার জন্য বহির্গমন ছাড়পত্র প্রয়োজন হয় । যা প্রতি পাসপোর্ট প্রতি সরকারি ফি ৫৩০০ টাকা । নানা নিয়ম করে শুধু মাত্র ফাইল অ্যাপ্রুভ করতে বাড়তি ৫০০০ টাকা দিতে হয় নাহয় কাজ হবে না ।
আমার দেড় শতক জমি বানেশ্বর টু ঈশ্বরদী মহাসড়ক প্রশস্ত করনের জন্য অধিগ্রহণ করা হয়। চার বছরে অধিগ্রহণ প্রক্রিয়া কমপ্লিট হয়নি। আমরা ছয় লক্ষ টাকা পাবো। এটা নিতে গিয়ে অলরেডি ধাপে ধাপে ২০ হাজার টাকা খরচ হয়ে গেছে। উনারা শেষ ধাপে এসে আরও ৩০ হাজার টাকা দাবি করছে চেক দেওয়ার জন্য
পোলটি শরানোর জন্য ৯০ হাজার টাকা দাবি করা হয়েছিল কিন্তু পরবর্তীতে ৩০০০০ টাকা ব্যাংক জমা দেওয়ার পর এখন পর্যন্ত 10% কাজ হয়েছে বাকিটা পেন্ডিং এ আছে।
আমার আংকেল ডিফেন্স এ কাজ করেন,রিটায়ার্ড এর টাকা উত্তোলন এর জন্য মোট ৩৫লাখ টাকা এর উপর ৫০হাজার দাবি করেন কাজ করে দিবে এই মর্মে।আর সবার সাথে আলোচনায় বুঝতে পারলাম এইটা সবার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য কেউ লিংক করতে পারলে কারো মাধ্যমে ১৫- ২০ হাজারেও হয়ে যায়।এই ক্ষেত্রে পিওন দের ব্যবহার করা হয় এবং টাকার ভাগ উপর থেকে নিচে সবাই পায়।
ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন আমাদের এলাকার ২০১৮ সাল থেকে সিটি কর্পোরেশন হয়েছে। হঠাৎ করে ২০২৩ সাল থেকে হোলিং ট্যাক্স এর নামক আধুনিক ঘুষ দেওয়ার পরিকল্পনায় করছে সিটি কর্পোরেশনের লোক। কোন ধরনের নাগরিক সেবা পাচ্ছিনা সিটি কর্পোরেশন থেকে।আমরা আগেই ভালো ছিলাম সিটি কর্পোরেশনের হওয়ার পর থেকে সেবা না পেয়ে। তাদেরকে ঘুষ প্রদান করতে হবে ঘুষ না দিলে নানা ধরনের হুমকি বিদ্যুৎ সড়ক যোগাযোগ ব্যবস্থা পানি কোন ধরনের নাগরিক সেবা দিবে না এমন টাইপের হুমকি প্রদান করে সিটি কর্পোরেশন লোকরা।
নগদ অর্থে পরিশোধ করতে হবে ক্যামেরার বাইরে গিয়ে, যদি পরিশোধ করি তাহলে অতি দ্রুত ফিটনেস হয়ে যাবে না হলে বিভিন্ন টেবিলে ঘুরতে থাকবে কিন্তু কাজ হবে না, (পরিদর্শক)
আমি এমন একটা চিটারি বাটপারের কথা বলতে চাই যেটা আমাদের দেশকে ধ্বংস করবে যুদি আমরা সচেতন না হই, নারায়ণগঞ্জে সেখানে কিছু স্কুল এবং কলেজ আছে আমি নাম বললাম না, সেই স্কুল কলেজের শিক্ষক ও প্রধান শিক্ষক সহ সবাই একজন এসএসসি এবং এইচএসসি শিক্ষার্থীকে কিভাবে নকল করে বা দুর্নীতি করে পাশ করাতে হয় এরা সব এপ্লাই করে, আমি যখন নবম দশম শ্রেণীতে দিনরাত ভালো করে পড়াশোনা করছি আর আশা করছি এ প্লাস আমি পাব কিন্তু বোর্ড পরীক্ষায় গিয়ে দেখি ওরা নিজেরা সকল ছাত্রদের হাতে নকলের অবস্থা করে দিচ্ছে যাতে আমরা পাশ করতে পারি, তারা বলে আমরা যেন দেখে দেখে কিন্তু বাইরে যেন সাউন্ড না যায়, এখন আমি বলতে চাই যে এই রকম করলে শিক্ষা ব্যবস্থা কি আসলেই ভালো হবে ? এবং এই জন্য তারা ছয় হাজার টাকা করে টাকা নেয়
লোকাল রাজনীতিবিদ কাজে সমস্যা করছে।
কয়েক দাগ মিলিয়ে ১৩৩ শতাংশ জমির নাম জারীর আবেদন করলে প্রথম ধাপে ১৫০০০/- দেয়া হয়ে। এরপর কয়েক টেবিল পার করে সার্ভেয়ারের টেবিলে ফাইল জমা পড়ে আছে। এখন রিপোর্ট দেয়ার নাম করে ২৫০০০/- টাকা দাবী করে। দেখার কেউ নাই।
এমপিও ভুক্তির জন্য ওখানকার গবেষণা সহকারি কাজ করার শর্তে অনানুষ্ঠানিক ঘূষ দাবি করে।
আমি আইডি কার্ডের নাম সংশোধন করতে গিয়েছিলাম।তারপর উনি প্রায় ৭ টা পেপার রেডি করে আনতে বলেছিলেন।জেলা শহর এবং ইউনিয়ন অফিস এবং কাজীর কাছ থেকে যাবতীয় কাগজগুলা আনার পরে জমা দিতে গেলে।উনি বলেন যে, আপনার আইডি কার্ডে তো সমস্যা অনেক,আমাকে অনেক শ্রম দিতে হবে,আপনি কিছু টাকা দিলে দ্রুত কাজটা হবে।আমি থ হয়ে অবাক হলাম,কারণ এত কষ্ট করিয়ে এখন টাকা চাইতেছে।টাকার পরিমাণ জিজ্ঞাসা করলে উনি কি কি জানি হিসাব দেখাইয়া কইছে ১৭ হাজার লাগবে টোটাল।এর কমে হবেনা।আমি বলছি,আচ্ছা ঠিক আছে আমি দেখি।আমাদের ইউএনও স্যারকে জানানোর পরেও,কোনো কাজ হয় নাই।
ট্যাক্স ফাইল অডিটে পড়েছে। জানেনতো অফিসের কিছু খরছ আছে। এছাড়াও রেন্জ সারকে ম্যানেজ করতে হবে। তাই ক্লিয়ারেন্স এর নাম করে ৫০০০০ টাকা চাইলো।
আমি জমি নামজারি করতে যাই তখন একটি ছোটো ভুল দেখিয়ে ৩০ হাজার টাকা চায়, আর কোনো ভুল না থাকলেও তারা নাকি ৬ হাজার টাকা করে নেয়,
খারিজ করতে হবে।টাকা না দেওয়াতে দুইবার না মুঞ্জুর করেছে।কোন কারণ লিখে না। বলে অফিস খরচ লাগবে। পরে শিল্পিকে দিয়ে ১০০০০০ টাকা চাই। একটা জায়গা নাকি ভিপি সম্পত্তি।আমি বললাম সমস্যা কি এগুলি তু অবমুক্ত।আর আপনারা তু এই দাগের বিভিন্ন অংশ খারিজ করেছেন।আমাকে বলে এখন করবে না। আর একটা জমি আমি কিনেছি অনলাইন খারিজ করা।কোন সমস্যা নাই। এটা ওইটার জন্য খারিজ করে না।আমি দুই বার আবেদন করেছি। পরে তার অফিসের শিল্পীকে দিয়ে আক লক্ষ টাকা দাবী করে। আমি বলেছি আমি এত টাকা দিতে পারব না। কি করব বলেন।
2020 - ২১ সালের অডিট সংক্রান্ত কাজের জন্য
বিজ্ঞ অতিরিক্ত চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত হতে আদালতের আদেশ অনুযায়ী জিম্মার আদেশ প্রেরন করতে সদর জিআরও নাম — ২০০০/ টাকা দাবী করে নতুবা আদেশ দেরিতে যাবে মর্মে জানাই। পরবর্তীতে ২০০০ টাকা দিলে আদেশ পাঠালেও মূল ডকুমেন্টস্ রেখে দিয়ে আরও ১০০০/-টাকা দাবী করে। যা এখও দেইনি বলে ডকুমেন্টস রেখে দিয়েছে।
৩ phase মিটার নতুন করে আনার জন্য...............
জোন ২ সার্কেল ৪২ এ 2020 - ২১ সালের অডিট দাবিতে প্রায় ৪০০০০০০ টাকা দাবিতে একটি একটু টোসিস প্রেরণ করে ৩০/০৬/২০২৬ তারিখে যাহা আইনগত ভাবে তামাদি ও বেআইনি , সেই অডিট থেকে রেহাই পেতে ১৫ লক্ষ টাকা দাবি করে
৩ নং মংগলকান্দি ইউনিয়ন পরিষদ, সচিব —, মানুষের সাথে খুব খারাপ ব্যবাহার করে মানুষকে ঘন্টার পরে ঘন্টা সামান্য কাজের জন্য ইচ্ছা করে অপেক্ষা করিয়ে রাখে! যাতে তার দালাল দের কাছে মানুষ যায় এবং ঘুস দিয়ে কাজ করায়! সাধারণ মানুষ এর সাথে খুব খারাপ ব্যবহার করে! মানুষ আসলে এটা লাগবে ওটা লাগবে মানুষ জিজ্ঞাসা করলে বলে আমি জানি না কোথায় পাবেন!! তারা কথা বলার ভাংগি খুব খারাপ। সে সরাসরি ঘুস চায় না, তার দালাল এর মাধ্যমে কাজ করতে হয়। ৫ হাজার, ১০ হাজার ২০ হাজার!!
যেখানে লাইসেনস এমনি দেবার কথা,সেখানে বিশ হাজার টাকা চায়। শ্রম ও কলকারখানা DIFEঅফিস।