পিডিবি পোল সরানো
পোলটি শরানোর জন্য ৯০ হাজার টাকা দাবি করা হয়েছিল কিন্তু পরবর্তীতে ৩০০০০ টাকা ব্যাংক জমা দেওয়ার পর এখন পর্যন্ত 10% কাজ হয়েছে বাকিটা পেন্ডিং এ আছে।
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৭,৭৪৩ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
পোলটি শরানোর জন্য ৯০ হাজার টাকা দাবি করা হয়েছিল কিন্তু পরবর্তীতে ৩০০০০ টাকা ব্যাংক জমা দেওয়ার পর এখন পর্যন্ত 10% কাজ হয়েছে বাকিটা পেন্ডিং এ আছে।
আমি এমন একটা চিটারি বাটপারের কথা বলতে চাই যেটা আমাদের দেশকে ধ্বংস করবে যুদি আমরা সচেতন না হই, নারায়ণগঞ্জে সেখানে কিছু স্কুল এবং কলেজ আছে আমি নাম বললাম না, সেই স্কুল কলেজের শিক্ষক ও প্রধান শিক্ষক সহ সবাই একজন এসএসসি এবং এইচএসসি শিক্ষার্থীকে কিভাবে নকল করে বা দুর্নীতি করে পাশ করাতে হয় এরা সব এপ্লাই করে, আমি যখন নবম দশম শ্রেণীতে দিনরাত ভালো করে পড়াশোনা করছি আর আশা করছি এ প্লাস আমি পাব কিন্তু বোর্ড পরীক্ষায় গিয়ে দেখি ওরা নিজেরা সকল ছাত্রদের হাতে নকলের অবস্থা করে দিচ্ছে যাতে আমরা পাশ করতে পারি, তারা বলে আমরা যেন দেখে দেখে কিন্তু বাইরে যেন সাউন্ড না যায়, এখন আমি বলতে চাই যে এই রকম করলে শিক্ষা ব্যবস্থা কি আসলেই ভালো হবে ? এবং এই জন্য তারা ছয় হাজার টাকা করে টাকা নেয়
নগদ অর্থে পরিশোধ করতে হবে ক্যামেরার বাইরে গিয়ে, যদি পরিশোধ করি তাহলে অতি দ্রুত ফিটনেস হয়ে যাবে না হলে বিভিন্ন টেবিলে ঘুরতে থাকবে কিন্তু কাজ হবে না, (পরিদর্শক)
লোকাল রাজনীতিবিদ কাজে সমস্যা করছে।
কয়েক দাগ মিলিয়ে ১৩৩ শতাংশ জমির নাম জারীর আবেদন করলে প্রথম ধাপে ১৫০০০/- দেয়া হয়ে। এরপর কয়েক টেবিল পার করে সার্ভেয়ারের টেবিলে ফাইল জমা পড়ে আছে। এখন রিপোর্ট দেয়ার নাম করে ২৫০০০/- টাকা দাবী করে। দেখার কেউ নাই।
ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন আমাদের এলাকার ২০১৮ সাল থেকে সিটি কর্পোরেশন হয়েছে। হঠাৎ করে ২০২৩ সাল থেকে হোলিং ট্যাক্স এর নামক আধুনিক ঘুষ দেওয়ার পরিকল্পনায় করছে সিটি কর্পোরেশনের লোক। কোন ধরনের নাগরিক সেবা পাচ্ছিনা সিটি কর্পোরেশন থেকে।আমরা আগেই ভালো ছিলাম সিটি কর্পোরেশনের হওয়ার পর থেকে সেবা না পেয়ে। তাদেরকে ঘুষ প্রদান করতে হবে ঘুষ না দিলে নানা ধরনের হুমকি বিদ্যুৎ সড়ক যোগাযোগ ব্যবস্থা পানি কোন ধরনের নাগরিক সেবা দিবে না এমন টাইপের হুমকি প্রদান করে সিটি কর্পোরেশন লোকরা।
সেবাটি নেওয়ার জন্য প্রথমে 1500 টাকা দাবি করা হয়। না দিলে কাজ হবে না। খাজনা দিয়ে চেক নিতে হবে সে জন্য আমি নিজে তৈৗশিলদার ভুমি অফিসে আমার বড় আব্বার সাথে যায়। সেখানে থাকা তৈশিলদার ভুমি অফিসের 1500/- টাকা পরে 500 টাকা নিয়ে আমাদের কাজটি করে দেয়। খাজনার চেকে টাকা উল্লেখ করে 17 /-টাকা কথায় সতের টাকা মাত্র।
গুলশানে বন্টকনামা না থাকায় পাল্টাপাল্টি অভিযোগ ছিলো। নামজারি করতে ৫ কোটি টাকা চেয়েছিলো।
LGED-এর সংশ্লিষ্ট নির্বাহী প্রকৌশলীর (XEN) অফিস থেকে প্রথম পেমেন্ট গ্রহণের সময় চেক প্রদানের পূর্বে XEN-এর কক্ষে Accounts Officer সহ সংশ্লিষ্ট কয়েকজন কর্মকর্তা আমার বিলের ১.৫% টাকা PC Money হিসেবে দাবি করেন। আমি উক্ত টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানাই। এরপর প্রায় এক মাস ধরে আমার দ্বিতীয় পেমেন্ট প্রক্রিয়াধীন থাকলেও পেমেন্টের কোনো ব্যবস্থা করা হচ্ছে না। একই সঙ্গে বিল প্রস্তুত ও পরিমাপের জন্য ব্যবহৃত আমার Measurement Book (MB Book) আমার কাছে ফেরত দেওয়া হচ্ছে না/গোপন রাখা হয়েছে। ফলে আমি আমার প্রাপ্য দ্বিতীয় পেমেন্ট গ্রহণ করতে পারছি না।
বিআরটিএ কপি না দিয়ে ২৫০০ টাকা দাবি করে
উনি একজন ভুমি অফিসের নায়েব, ১১৭০/- টাকায় নামজারি করা হলেও, উনি ৫০০০ টাকার কমে নামজারি করেছেন এমন কোন তথ্য পাওয়া যায় নি।।
বাজার সংলগ্ন হয় জমি ৪ শতাংশ জমির খাজনার জনা বাবদ ৩৫ হাজার টাকা চেয়েছে তারা আমি বললাম ঠিক আছে সরকারি ফি আমি দেবো ইনশাল্লাহ সমস্যা নাই দেন আমাকে খজনার রশিদ দেন তখন আমাকে মাত্র ৭৫০ টাকার খজনার রশিদ দেওয়া হল এ নিয়ে একটু গোল একপর্যায়ে তারা আমাকে মার দূরের চেষ্টা করে পরবর্তীতে আমি এখান থেকে দ্রুত চলে আসি
রেললাইন এর ভুমি অধিগ্রহণ এর অর্থ উত্তোলন
নালিতাবাড়ী পৌরসভায় ভবন নির্মাণ এ নকশা অনুমোদন এ ঘুষ লাগে। টাকা দিয়ে নিয়ম নীতি ছাড়াই ভবন তৈরি করা যায়।নালিতাবাড়ী পৌরসভার কর্মচারীরা ঘুষ খেয়ে অপরিকল্পিত পৌরসভা বানাচ্ছে। কোন অভিযোগ দিলেও কাজ হয় না। সবাই মিলিত ভাবে ঘুষ ভাগ করে।
সোনালী ব্যাংকের রংপুর শহরে বদলির জন্য ৫০ হাজার টাকা জিএম মহোদয় নিয়ে থাকেন
আমার প্রিপেইড মিটার লক করে দিয়েছে এখন লক খুলতে গেলে আমার কাছে ১৫০০ টাকা দাবি করছে নোয়াখালী চৌমুহনী বেগমগঞ্জ বিদ্যুৎ অফিস
ভোলা সদর উপজেলা, ১নং রাজাপুর ইউনিয়ন, কন্দকপুর মৌজায় ভূমি জরিপ চলমান, সেখানে একর প্রতি ৫০০০০ টাকা ষুষ লেনদেন হচ্ছে, —, মোবাইল :—
সেবা টি ছিলো আয়কর অডিটসংক্রান্ত,আপিস নোটিশ করলে যোগাযোগ করি,প্রথমে পেশকার বলে কর পরিদর্শক রিপোর্ট দিবে তাকে ম্যানেজ করতে হবে, তার পর ডিসিটি স্যার কে তারপর সার্কেলের পেশকার, পিয়ন,ষ্টোনো,কে দিতে হবে,তারপর যুগ্ম কর কমিশনার স্যার ও তার অফিস, তার পর কমিশনার স্যার ওতার অফিস সব ম্যানেজ করতে হবে তা না হলে আপনার অনেক বড় সমস্যা হবে এই বলে টাকা চাওয়া হয়।
দুই মাস ধরে ট্রে লাইসেন্স দিচ্ছে না।
ফরিদপুর জেলা, বোয়ালমারী উপজেলা, ডহর নগর গ্রামে আমার কিছু জমি আছে তার নামজারির জন্য ১০ হাজার টাকা দাবি করেছে, তা না দিনে নামজারি করে দিবে না।