For clearance the land paper
The lady officer asked for bribe to sign the paper that will next go to DC for final clearance so without her sign it's not possible.
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৮,৫৩১ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
The lady officer asked for bribe to sign the paper that will next go to DC for final clearance so without her sign it's not possible.
আমি ২০২১ সালে ড্রাইভিং লাইসেন্সের জন্য আবেদন করি। লিখিত ও প্রাকটিকাল পরিক্ষায় উত্তির্ন হই। কিন্তু তার পরে টাকা না দিতে পারাই আমাকে ফিংগার দেয়ার ডেট এই ৫ বছরে দেয় নি।
ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন আমাদের এলাকার ২০১৮ সাল থেকে সিটি কর্পোরেশন হয়েছে। হঠাৎ করে ২০২৩ সাল থেকে হোলিং ট্যাক্স এর নামক আধুনিক ঘুষ দেওয়ার পরিকল্পনায় করছে সিটি কর্পোরেশনের লোক। কোন ধরনের নাগরিক সেবা পাচ্ছিনা সিটি কর্পোরেশন থেকে।আমরা আগেই ভালো ছিলাম সিটি কর্পোরেশনের হওয়ার পর থেকে সেবা না পেয়ে। তাদেরকে ঘুষ প্রদান করতে হবে ঘুষ না দিলে নানা ধরনের হুমকি বিদ্যুৎ সড়ক যোগাযোগ ব্যবস্থা পানি কোন ধরনের নাগরিক সেবা দিবে না এমন টাইপের হুমকি প্রদান করে সিটি কর্পোরেশন লোকরা।
খারিজ করতে হবে।টাকা না দেওয়াতে দুইবার না মুঞ্জুর করেছে।কোন কারণ লিখে না। বলে অফিস খরচ লাগবে। পরে শিল্পিকে দিয়ে ১০০০০০ টাকা চাই। একটা জায়গা নাকি ভিপি সম্পত্তি।আমি বললাম সমস্যা কি এগুলি তু অবমুক্ত।আর আপনারা তু এই দাগের বিভিন্ন অংশ খারিজ করেছেন।আমাকে বলে এখন করবে না। আর একটা জমি আমি কিনেছি অনলাইন খারিজ করা।কোন সমস্যা নাই। এটা ওইটার জন্য খারিজ করে না।আমি দুই বার আবেদন করেছি। পরে তার অফিসের শিল্পীকে দিয়ে আক লক্ষ টাকা দাবী করে। আমি বলেছি আমি এত টাকা দিতে পারব না। কি করব বলেন।
পোলটি শরানোর জন্য ৯০ হাজার টাকা দাবি করা হয়েছিল কিন্তু পরবর্তীতে ৩০০০০ টাকা ব্যাংক জমা দেওয়ার পর এখন পর্যন্ত 10% কাজ হয়েছে বাকিটা পেন্ডিং এ আছে।
আমি আইডি কার্ডের নাম সংশোধন করতে গিয়েছিলাম।তারপর উনি প্রায় ৭ টা পেপার রেডি করে আনতে বলেছিলেন।জেলা শহর এবং ইউনিয়ন অফিস এবং কাজীর কাছ থেকে যাবতীয় কাগজগুলা আনার পরে জমা দিতে গেলে।উনি বলেন যে, আপনার আইডি কার্ডে তো সমস্যা অনেক,আমাকে অনেক শ্রম দিতে হবে,আপনি কিছু টাকা দিলে দ্রুত কাজটা হবে।আমি থ হয়ে অবাক হলাম,কারণ এত কষ্ট করিয়ে এখন টাকা চাইতেছে।টাকার পরিমাণ জিজ্ঞাসা করলে উনি কি কি জানি হিসাব দেখাইয়া কইছে ১৭ হাজার লাগবে টোটাল।এর কমে হবেনা।আমি বলছি,আচ্ছা ঠিক আছে আমি দেখি।আমাদের ইউএনও স্যারকে জানানোর পরেও,কোনো কাজ হয় নাই।
কয়েক দাগ মিলিয়ে ১৩৩ শতাংশ জমির নাম জারীর আবেদন করলে প্রথম ধাপে ১৫০০০/- দেয়া হয়ে। এরপর কয়েক টেবিল পার করে সার্ভেয়ারের টেবিলে ফাইল জমা পড়ে আছে। এখন রিপোর্ট দেয়ার নাম করে ২৫০০০/- টাকা দাবী করে। দেখার কেউ নাই।
বিজ্ঞ অতিরিক্ত চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত হতে আদালতের আদেশ অনুযায়ী জিম্মার আদেশ প্রেরন করতে সদর জিআরও নাম — ২০০০/ টাকা দাবী করে নতুবা আদেশ দেরিতে যাবে মর্মে জানাই। পরবর্তীতে ২০০০ টাকা দিলে আদেশ পাঠালেও মূল ডকুমেন্টস্ রেখে দিয়ে আরও ১০০০/-টাকা দাবী করে। যা এখও দেইনি বলে ডকুমেন্টস রেখে দিয়েছে।
৩ নং মংগলকান্দি ইউনিয়ন পরিষদ, সচিব —, মানুষের সাথে খুব খারাপ ব্যবাহার করে মানুষকে ঘন্টার পরে ঘন্টা সামান্য কাজের জন্য ইচ্ছা করে অপেক্ষা করিয়ে রাখে! যাতে তার দালাল দের কাছে মানুষ যায় এবং ঘুস দিয়ে কাজ করায়! সাধারণ মানুষ এর সাথে খুব খারাপ ব্যবহার করে! মানুষ আসলে এটা লাগবে ওটা লাগবে মানুষ জিজ্ঞাসা করলে বলে আমি জানি না কোথায় পাবেন!! তারা কথা বলার ভাংগি খুব খারাপ। সে সরাসরি ঘুস চায় না, তার দালাল এর মাধ্যমে কাজ করতে হয়। ৫ হাজার, ১০ হাজার ২০ হাজার!!
পাসপোর্ট করতে লাগে ৫৭০০ টাকা ওরা দাবি করে ৯০০০ টাকা বলে যে কোন ভুল থাকলেও হবে টাকা দিলে।
ট্রেডমার্ক নিবন্ধন করার জন্য প্রত্যেকটা ধাপে সময়ক্ষেপণ আর প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার জন্য অর্থ দাবী করার বিষয়ে আমার অভিজ্ঞতা জানাচ্ছি । একবছর হলো আবেদন করেছি কিন্তু আজ পর্যন্ত আমার আবেদনটি দেখেনি এক্সামিনি করেনি। এখন আমার জরুরী প্রয়োজন হলে যখন যাই তখন অরথছাড়া কাজ কবে হবে কোন ঠিক নেই। ২-৩ বছরও লেগে যেতে পারে। টাকা দিলে তাহলে ২-৩ মাসের মধ্যে আমার কাজটি সম্পন্ন হবে। সম্পূর্ণ কাজটি করার জন্য আমার অতিরিক্ত খরচ হতে পারে ৪০-৫০ হাজার টাকা। শুরুতে শুধু ফাইলটি এক্সামিনি করার জন্য দিবে সেজন্নই ৩-৫ হাজার পর্যন্ত দাবি করেন। আমি তখন টাকা না দিয়ে ফিরে আসি। এখন আমার কাজটি ওভাবেই পড়ে আছে।
আমার আংকেল ডিফেন্স এ কাজ করেন,রিটায়ার্ড এর টাকা উত্তোলন এর জন্য মোট ৩৫লাখ টাকা এর উপর ৫০হাজার দাবি করেন কাজ করে দিবে এই মর্মে।আর সবার সাথে আলোচনায় বুঝতে পারলাম এইটা সবার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য কেউ লিংক করতে পারলে কারো মাধ্যমে ১৫- ২০ হাজারেও হয়ে যায়।এই ক্ষেত্রে পিওন দের ব্যবহার করা হয় এবং টাকার ভাগ উপর থেকে নিচে সবাই পায়।
যেখানে লাইসেনস এমনি দেবার কথা,সেখানে বিশ হাজার টাকা চায়। শ্রম ও কলকারখানা DIFEঅফিস।
জোন ২ সার্কেল ৪২ এ 2020 - ২১ সালের অডিট দাবিতে প্রায় ৪০০০০০০ টাকা দাবিতে একটি একটু টোসিস প্রেরণ করে ৩০/০৬/২০২৬ তারিখে যাহা আইনগত ভাবে তামাদি ও বেআইনি , সেই অডিট থেকে রেহাই পেতে ১৫ লক্ষ টাকা দাবি করে
৩ phase মিটার নতুন করে আনার জন্য...............
2020 - ২১ সালের অডিট সংক্রান্ত কাজের জন্য
আমি জমি নামজারি করতে যাই তখন একটি ছোটো ভুল দেখিয়ে ৩০ হাজার টাকা চায়, আর কোনো ভুল না থাকলেও তারা নাকি ৬ হাজার টাকা করে নেয়,
এমপিও ভুক্তির জন্য ওখানকার গবেষণা সহকারি কাজ করার শর্তে অনানুষ্ঠানিক ঘূষ দাবি করে।
কর ইন্সপেক্টর সম্পদের অনেক ভেল্যুয়েশন দেখিয়েছে। এটা হলে অনেক ট্যাক্স আসবে। দাবিকৃত টাকা দিলে আবার রিপোর্ট করিয়ে কম ট্যাক্স করে দেবো।
নতুন প্রতিষ্ঠান নিবন্ধন করতে এই টাকা দিতে হবে।