Tranfer
হয়রানিমূলক বদলির আদেশ প্রত্যাহার
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৭,৭৪৩ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
হয়রানিমূলক বদলির আদেশ প্রত্যাহার
ফ্যাক্টরি তে হামলা করে,লোকজন এর সংগে খারাপ আচরন করে। প্রতি মাসে তাদের কে নিদিষ্ট পরিমান টাকা দিতে হয়।তার পর ও মাঝে মাঝে হামলা করে ১৫/২০ জন গিয়ে।
ঢাকা বিভাবের শরীয়তপুর জেলার সদর উপজেলার চিতলিয়া ইউনিয়ন ভূমি অফিসের সহকারী ইউনিয়ন ভূমি অফিসার পূর্বের করা একটি অফলাইন নামজারির হোল্ডিং ওপেন ও সমন্বয় করতে ১০০০৳ ঘুষ চেয়েছে।
আমার 50 শতাংশ জমির নামজারির জারির জন্য ইউনিয়ন পরিষদে গেলে তারা তার জন্য 12000 টাকা চায়। কিন্তু সরকারি খরচ সবোর্চ্চ 2000 টাকা ,এই হলো আমাদের দেশের অবস্থা।
১০০০০ টাকা চায়, এত টাকা কিভাবে দিবো। টাকা ছাড়া কোনো ফাইল ছাড়েনা মাউসি।
শেরপুরের ঝিনাইগাতী উপজেলা এলজিইডি ইঞ্জিনিয়ার কর্তৃক মাটিকাটা শ্রমিক নিয়োগে ৫০ হাজার টাকা দাবি করেন। মোট ৮৩ জন শ্রমিক নিয়োগ করবেন তারা। তাহলে মোট অঙ্ক দাঁড়ায় = ৪১ লক্ষ ৫০ হাজার টাকা।
আমার বাবা প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ছিলেন। চাকরি শেষ করে পেনশন চালু করতে ১০০০০০ টাকা দাবি চরফ্যাশন উপজেলা হিসাবরক্ষণ অফিসের অডিটর
আমার বাবা প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক।বাবার চাকরি শেখ তাই পেনশন এ গেছে।পেনশনের টাকা তোলা এবং মাসিক পেনশন চালু করতে চরফ্যাশন উপজেলা হিসাব রক্ষণ অফিস এর অডিটর — ১০০০০০ টাকা চাচ্ছে। নাহলে কাজ করবে না
অন্যায় ভাবে বেশি ভূমি উন্নয়ন কর ধার্য করেন যা কমাতে এই ঘুষ দাবি করেন
উনি লাইসেন্স নবায়ন করতে অনেক বেশী অর্থ দাবি করে।
SHOP IN LOCAL IN Work
MY APPOLOGIES, IN MY KEYBOARD DONT HAVE BANGLA OPTION, PROTOME ONEK BESHI HOLDING TAX NIRDARON KORE, TARPOR TAKAR BINIMOY KOMAI RAKE, ONEK BAR HOISE AROKOM.
আমি মুদি দোকানদার। আমি ব্যবসা করি বাজার এর মধ্যে। — আগে আওয়ামী লীগ করত। যার সাথে আমার আজকে ১১ বছর বেশি সম্পর্ক নেই । কিন্তু ও আওয়ামী লীগ করত তাই ওর জন্য এখন আমার কাছে ব্যবসা করতে হলে ২ লাখ টাকা দাবি তুলছে। ২ লাখ না দিলে আমার ছেলে মেয়ের ক্ষতি করবে। পড়ালিখা করতে দিবে না।
ঘটনা ২০২৫ সালের জমির খারিজ করতে গিয়ে মাহিগন্জ ভূমি অফিস এর কর্মচারী — দাবি করে ৬০ হাজার টাকা আমি ৫০ হাজার পরিশোধ করি।
আমার বাবার নামে মাঠপর্চা আছে, সেটা আমার সব ভাইদের নামে করতে চেয়েছিলাম ৯ শতক জমি ৩০ হাজার টাকা চেয়েছে, পেসকার
প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের অধীনস্থ রিক্রুটিং লাইসেন্স নবায়নের জন্য গেলে ঘুষ দাবি করা হয় এবং মন্ত্রণালয় উভয়েই ঘুষ দাবি করে, কোন প্রকার ফাইল ছাড়তে চায় না, রকারি ফি আমি পরিশোধ করেছি তার পরেও পিয়ন হতে শুরু করে সচিব পর্যন্ত সবাই ঘুষ ছাড়া কেউ ফাইল ছাড়েনা। অথচ লাইসেন্স নবায়নটা আমার ন্যায্য অধিকার।
জরীপের সময় ইচ্ছামুলক ভাবে জসি কম দেখানো হয়। এটা পরে ঠিক করে দিবে বলে টাকা চায়। টাকার ভাগ কানুনগো,সার্ভেয়ার,সেটেলমেন্ট অফিসার,ইউনো সবার নিকট যাবে,তাই বেশি।
কাউন্টার সাক্ষরের জন্য হয়রানি করা হয়।টাকা দিলে সই করে —(পিয়ন)+সহযোগী — পিয়ন।এর পর আবার ডিপিও অফিসে টাকা নেয় —(পিয়ন) তারপর ট্রেজারী অফিস আবার টাকা দাবি করে
For Correction birth date as per education certificates they demand this amount otherwise the mark it pending from their server.
জমির খাজনা প্রদান করতে চাই তহশিল অফিসার বলে ওই ওই দাগে যত জমি আছে সবটুকুর খাজনা দিতে হবে। নিদিষ্ট অংশের দেওয়া যাবে নাহ এতে টাকার পরিমান আসে ৬০ হাজার আর আমার জমি ২১ শতক যা পুরোটা নাহ, পরে বলে আপনার দাদার সব সম্পদের এ দিতে হবে করার কিছু নাই। পরবর্তীতে সে ২০ হাজার টাকা চায় এবং বলে ১০-১২ হাজারের খাজনার চেক হবে বাকিটাকা উপজেলা ভূমি অফিসে যাবে আমার ৫০০-১ হাজার টাকা দৌড়াদৌড়ির জন্য টিকবে। বিষয় টা হাস্যকর সরকার তারে বেতন দেয় সুয়ে বসে থাকার জন্য।